ঢাকা বিভাগস্থানাঙ্ক: 24.2513° N, 89.9167° Eঢাকা থেকে দূরত্ব: 98 কিমি

টাঙ্গাইল জেলা(Tangail)

তাঁতের শাড়ি আর চমচমের জেলা; জমিদার বাড়ি, প্রাচীন মসজিদ আর মধুপুরের শালবন দেখার জায়গা।

মোট আয়তন3414 বর্গ কিমি
জনসংখ্যা৪০,৩৭,৬১৬
সাক্ষরতার হার৭২.৫%
উপজেলা সংখ্যা12টি
যাতায়াত সময়২.৫–৩ ঘণ্টা
প্রধান নদ-নদীযমুনা, ধলেশ্বরী

ভৌগোলিক সীমানা ও ঐতিহাসিক প্রেক্ষাপট

নামকরণের ইতিহাস

নাম নিয়ে দুটি মত প্রচলিত। একটি হলো আঞ্চলিক শব্দ 'টান' (উঁচু জমি) আর 'আইল' মিলে টাঙ্গাইল; অন্যটি হলো এখানে প্রচুর টাঙ্গা (ঘোড়ার গাড়ি) চলত বলে এই নাম।

চারদিকের ভৌগোলিক সীমানা

উত্তর দিকজামালপুর জেলা
দক্ষিণ দিকঢাকা ও মানিকগঞ্জ জেলা
পূর্ব দিকময়মনসিংহ ও গাজীপুর জেলা
পশ্চিম দিকসিরাজগঞ্জ জেলা (যমুনা নদী)

মুক্তিযুদ্ধ ও স্বাধীনতা সংগ্রাম

কাদেরিয়া বাহিনী ও সেক্টর ৩

১৯৭১ সালে মহান মুক্তিযুদ্ধে টাঙ্গাইল জেলার বীর মুক্তিযোদ্ধারা কাদেরিয়া বাহিনী ও সেক্টর ৩-এর অধীনে দখলদার পাকিস্তানি বাহিনীর বিরুদ্ধে সম্মুখ সমর ও গেরিলা প্রতিরোধ গড়ে তোলেন।

ঐতিহাসিক ও বিশিষ্ট ব্যক্তিবর্গ

মৌলানা আব্দুল হামিদ খান ভাসানীরণদা প্রসাদ সাহা (আরপি সাহা)শামসুল হক (প্রথম আওয়ামী লীগ সাধারণ সম্পাদক)মান্না (চিত্রনায়ক)

টাঙ্গাইল জেলা কেন বিখ্যাত ও ঐতিহাসিক বিশেষত্ব

ঐতিহ্য ও জাতীয় অবদান
1

বিশ্বখ্যাত ঐতিহ্যবাহী টাঙ্গাইল তাঁতের শাড়ি (জিআই পণ্য)

2

পোড়াবাড়ির সুস্বাদু আসল চমচম (মিষ্টির রাজা হিসেবে সুপরিচিত)

3

মধুপুর গড়ের শালবন, মধুপুর ন্যাশনাল পার্ক ও বিখ্যাত আনারস ভাণ্ডার

4

১০ টাকার নোটে মুদ্রিত ঐতিহাসিক সুলতানি আমলের আতিয়া মসজিদ ও মহেরা জমিদার বাড়ি

শীর্ষ শিক্ষা প্রতিষ্ঠান হাব (অবস্থান ও ক্যাম্পাস)

বিশ্ববিদ্যালয়, মেডিকেল, কলেজ ও স্কুল
বিশ্ববিদ্যালয়সমূহ
  • মাওলানা ভাসানী বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয় (MBSTU)ক্যাম্পাস: টাঙ্গাইল সদর ও সংলগ্ন এলাকা
মেডিকেল ও নার্সিং
  • শেখ হাসিনা মেডিকেল কলেজ টাঙ্গাইল (SHMC)অবস্থান: হাসপাতাল রোড / মেডিকেল চত্বর, টাঙ্গাইল
ঐতিহ্যবাহী সেরা কলেজ
  • সরকারি সা'দত কলেজ, করটিয়া (১৯২৬)অবস্থান: কলেজ রোড, টাঙ্গাইল
  • কুমুদিনী সরকারি কলেজ (১৯৪৩)অবস্থান: কলেজ রোড, টাঙ্গাইল
  • টাঙ্গাইল সরকারি কলেজঅবস্থান: কলেজ রোড, টাঙ্গাইল
শতবর্ষী ও সেরা স্কুল
  • বিন্দু বাসিনী সরকারি বালক উচ্চ বিদ্যালয় (১৮৮০)অবস্থান: স্কুল মোড় / জেলা সদর, টাঙ্গাইল
  • বিন্দু বাসিনী সরকারি বালিকা উচ্চ বিদ্যালয় (১৮৮২)অবস্থান: স্কুল মোড় / জেলা সদর, টাঙ্গাইল

জেলা প্রশাসন, সরকারি দপ্তর ও পূর্ণাঙ্গ ঠিকানা ডিরেক্টরি

অফিস সময়: রবিবার - বৃহস্পতিবার, সকাল ৯:০০ - বিকাল ৫:০০
জেলা প্রশাসকের কার্যালয়, টাঙ্গাইল
প্রশাসন

পূর্ণ ঠিকানা: কালেক্টরেট ভবন ও জেলা প্রশাসন চত্বর, টাঙ্গাইল সদর

ই-সেবাকেন্দ্র ও ফ্রন্টডেস্ক সার্বক্ষণিক উন্মুক্ত

পুলিশ সুপারের কার্যালয় ও ২৪/৭ কন্ট্রোল রুম, টাঙ্গাইল
২৪/৭ নিরাপত্তা

পূর্ণ ঠিকানা: পুলিশ লাইনস ও এসপি কার্যালয় রোড, টাঙ্গাইল

পুলিশ কন্ট্রোল রুম ও জরুরি ডিউটি অফিসার ২৪ ঘণ্টা সচল

সিভিল সার্জন কার্যালয় ও ২৫০ শয্যা জেনারেল হাসপাতাল, টাঙ্গাইল
জরুরি স্বাস্থ্য

পূর্ণ ঠিকানা: সদর হাসপাতাল রোড, টাঙ্গাইল সদর

জরুরি বিভাগ (Emergency) ও অ্যাম্বুলেন্স ২৪/৭ সেবা

জেলা ও দায়রা জজ আদালত
বিচার বিভাগ

পূর্ণ ঠিকানা: জজ কোর্ট চত্বর, আদালত রোড, টাঙ্গাইল সদর

সরকারি আইনি সহায়তা (লিগ্যাল এইড) ও ফৌজদারি-দেওয়ানি আদালত ভবন।

আইনি সহায়তা হটলাইন:১৬৪৩০ (টোল ফ্রি)
আঞ্চলিক পাসপোর্ট অফিস, টাঙ্গাইল
নাগরিক সেবা

পূর্ণ ঠিকানা: আঞ্চলিক পাসপোর্ট ভবন, টাঙ্গাইল সদর

ই-পাসপোর্ট আবেদন, বায়োমেট্রিক এনরোলমেন্ট ও পাসপোর্ট বিতরণ।

ফায়ার সার্ভিস ও সিভিল ডিফেন্স স্টেশন
জরুরি উদ্ধার

পূর্ণ ঠিকানা: ফায়ার স্টেশন রোড, টাঙ্গাইল সদর

অগ্নিনির্বাপণ, নদী ও সড়ক দুর্ঘটনা উদ্ধারকারী স্পেশাল টিম ২৪ ঘণ্টা প্রস্তুত।

জরুরি হটলাইন:১০৬৫৫ / ৯৯৯
জেলা পরিষদ কার্যালয়
স্থানীয় সরকার

পূর্ণ ঠিকানা: জেলা পরিষদ ভবন, টাঙ্গাইল সদর

গ্রামীণ অবকাঠামো উন্নয়ন, নাগরিক কল্যাণ ও জেলা পরিষদ ডাকবাংলো পরিচালনা।

সেবা সময়:রবি-বৃহস্পতি সকাল ৯টা - বিকাল ৫টা

আবাসিক হোটেল, রিসোর্ট ও সরকারি সার্কিট হাউস গাইড

টাঙ্গাইল জেলায় কোথায় থাকবেন, সঠিক লোকেশন ও সম্ভাব্য ভাড়া
জেলা সার্কিট হাউসসরকারি ভিআইপি

ঠিকানা: সার্কিট হাউস রোড, কালেক্টরেট চত্বর সংলগ্ন, টাঙ্গাইল সদর।

ভাড়া: ৳৪০০ - ৳৮০০ (অনুমোদন সাপেক্ষে)

জেলা প্রশাসকের কার্যালয়ের নেজারত শাখা থেকে বুকিং নিতে হয়।

৩-স্টার ও সিটি হোটেলস্ট্যান্ডার্ড

ঠিকানা: কেন্দ্রীয় বাস টার্মিনাল, স্টেশন রোড ও শহরের মূল বাণিজ্যিক কেন্দ্র।

ভাড়া: ৳১,২০০ - ৳৩,০০০ / রাত

এসি/নন-এসি রুম, ২৪/৭ জেনারেটর ব্যাকআপ, ওয়াইফাই ও লিফট সুবিধা।

পর্যটন মোটেল ও রিসোর্টইকো ও পর্যটন

ঠিকানা: নদী তীরবর্তী এলাকা, বনভূমি সংলগ্ন বা প্রধান পর্যটন স্পট রোড।

ভাড়া: ৳২,০০০ - ৳৫,৫০০ / রাত

বাংলাদেশ পর্যটন কর্পোরেশন (BPC) মোটেল ও প্রাইভেট ইকো-রিসোর্ট।

বাজেট হোটেল ও ডাকবাংলোবাজেট ফ্রেন্ডলি

ঠিকানা: পুরাতন বাজার মোড়, জেলা পরিষদ চত্বর ও লঞ্চঘাট/স্টেশন সংলগ্ন।

ভাড়া: ৳৫০০ - ৳১,০০০ / রাত

একক পর্যটক ও ছাত্রছাত্রীদের জন্য সাশ্রয়ী থাকার ব্যবস্থা।

টিপস: যেকোনো হোটেলে চেক-ইন করার সময় জাতীয় পরিচয়পত্র (NID) অথবা জন্মনিবন্ধন কার্ডের ফটোকপি প্রদর্শন করতে হয়। ছুটির দিনে ভ্রমণের পূর্বে অগ্রিম যোগাযোগ করে বুকিং নিশ্চিত করা ভালো।

ঐতিহ্যবাহী বিখ্যাত খাবার ও জিআই পণ্য

ঐতিহ্যবাহী খাবার:

পোড়াবাড়ির সুস্বাদু আসল চমচম, মধুপুরের আনারস ও চমচম

সরকার ও আন্তর্জাতিকভাবে স্বীকৃত জিআই (GI) পণ্যসমূহ:
🌟 টাঙ্গাইল তাঁতের শাড়ি (জিআই পণ্য)🌟 পোড়াবাড়ির চমচম (জিআই পণ্য)

প্রধান দর্শনীয় স্থানসমূহ (5টি) ও পৌঁছানোর রুট

সঠিক লোকেশন, যাতায়াত রুট ও খরচ

মহেড়া জমিদার বাড়ি

সুন্দর রঙিন প্রাসাদ, পুকুর আর বাগান নিয়ে জমিদার বাড়ি; বর্তমানে পুলিশ ট্রেনিং সেন্টার।

যাওয়ার উপায়: মির্জাপুরে, ঢাকা-টাঙ্গাইল মহাসড়ক থেকে কাছে; বাসে নেমে অটো।

সেরা সময়: অক্টোবর–মার্চ

প্রবেশ ফি / খরচ: সামান্য প্রবেশ ফি

আতিয়া মসজিদ

১৬০৯ সালে তৈরি সুলতানি ও মুঘল স্থাপত্যের মিশেলে সুন্দর মসজিদ; পুরনো দশ টাকার নোটে ছিল।

যাওয়ার উপায়: দেলদুয়ার উপজেলায়; টাঙ্গাইল শহর থেকে সিএনজিতে প্রায় ১০ কিমি।

সেরা সময়: অক্টোবর–মার্চ

প্রবেশ ফি / খরচ: প্রবেশ বিনামূল্যে

মধুপুর জাতীয় উদ্যান

বিশাল শালবন; বানর, হরিণ আর গারো-কোচ জনগোষ্ঠীর গ্রাম দেখা যায়।

যাওয়ার উপায়: টাঙ্গাইল থেকে মধুপুর প্রায় ৫০ কিমি; বাসে গিয়ে রসুলপুর গেট।

সেরা সময়: নভেম্বর–মার্চ

প্রবেশ ফি / খরচ: সামান্য প্রবেশ ফি; বন বিভাগের রেস্ট হাউস আগে বুকিং

ধনবাড়ী নবাব মঞ্জিল

নবাব নওয়াব আলী চৌধুরীর প্রাসাদ ও মসজিদ, এখন রিসোর্ট হিসেবে চলে।

যাওয়ার উপায়: ধনবাড়ী উপজেলায়; মধুপুরের কাছে।

সেরা সময়: অক্টোবর–মার্চ

প্রবেশ ফি / খরচ: রিসোর্টে থাকার খরচ আলাদা; ঘুরে দেখতে সামান্য ফি

করটিয়া জমিদার বাড়ি

আটিয়ার চাঁদ খ্যাত জমিদারদের বাড়ি, পাশেই ঐতিহ্যবাহী সা'দত কলেজ।

যাওয়ার উপায়: টাঙ্গাইল শহর থেকে প্রায় ৮ কিমি; অটোতে যাওয়া যায়।

সেরা সময়: অক্টোবর–মার্চ

প্রবেশ ফি / খরচ: প্রবেশ বিনামূল্যে (ব্যক্তিগত মালিকানা—অনুমতি লাগতে পারে)

ঢাকা ও দেশের যেকোনো প্রান্ত থেকে টাঙ্গাইল যাওয়ার রুট গাইড

দূরত্ব: 98 কিমি • আনুমানিক সময়: ২.৫–৩ ঘণ্টা
বাস সার্ভিস (সরাসরি)

ঢাকা (গাবতলী, মহাখালী বা সায়েদাবাদ বাস টার্মিনাল) থেকে টাঙ্গাইল সদরের উদ্দেশ্যে দিন-রাত নিয়মিত নন-এসি ও এসি বাস চলাচল করে।

ভাড়া: ৳৩৫০ - ৳১,২০০ (কোচ ও এসি সাপেক্ষে)
রেল যোগাযোগ ও এক্সপ্রেস ট্রেন

কমলাপুর ও ঢাকা বিমানবন্দর রেলওয়ে স্টেশন থেকে আন্তঃনগর এক্সপ্রেস ট্রেনে সরাসরি বা নিকটস্থ রেলওয়ে জংশনে আরামদায়ক যাত্রা করা যায়।

শোভন চেয়ার: ৳১৮০ - ৳৬৫০ (দূরত্ব অনুযায়ী)
নিজস্ব গাড়ি ও মহাসড়ক রুট

জাতীয় মহাসড়ক ব্যবহার করে ব্যক্তিগত গাড়ি, হাইস বা রেন্ট-এ-কারে পরিবারের সাথে নিরাপদ ও দ্রুত সরাসরি পৌঁছানো যায়।

সিএনজি/পেট্রল খরচ: দূরত্ব অনুযায়ী ৩,০০০৳ - ৮,০০০৳
স্থানীয় যাতায়াত টিপস: মহাখালী থেকে টাঙ্গাইলগামী বাস (নিরালা, ঝটিকা ইত্যাদি), ভাড়া ২০০–৩০০৳। • কমলাপুর থেকে উত্তরবঙ্গগামী ট্রেনে টাঙ্গাইল স্টেশন, ভাড়া ১৫০–৩৫০৳।
স্মার্ট ভ্রমণ নির্দেশিকা ও এস্টিমেটর

আন্তঃজেলা দূরত্ব ও ভ্রমণ খরচ ক্যালকুলেটর

বাংলাদেশের যেকোনো জেলা থেকে অন্য জেলায় যেতে কত খরচ ও কত সময় লাগবে এক ক্লিকে জানুন

যাত্রীর সংখ্যা:
সড়ক দূরত্ব
106কিলোমিটার

ঢাকা থেকে টাঙ্গাইল সড়কপথের আনুমানিক দূরত্ব।

আনুমানিক সময়
2.4 ঘণ্টা

যানজট ও যাত্রাবিরতি সহ বাসে সম্ভাব্য পৌঁছানোর সময়কাল।

বাস ভাড়া
৳ 228 — 387

নন-এসি: ৳228 | এসি: ৳387 (জনপ্রতি)।

ট্রেন ভাড়া (শোভন)
৳ 159

বাংলাদেশ রেলওয়ে আন্তঃনগর শোভন চেয়ারের সম্ভাব্য ভাড়া।

টাঙ্গাইল জেলায় কোথায় থাকবেন ও সম্ভাব্য খরচ

খরচ: জনপ্রতি দিনে ১,৫০০–৩,০০০৳

জেলা শহরে মাঝারি মানের হোটেল; যমুনা রিসোর্ট (বঙ্গবন্ধু সেতুর কাছে)

বিসিএস ও এডমিশন সাধারণ জ্ঞান (GK) প্রশ্নোত্তর

1

টাঙ্গাইল জেলা বাংলাদেশের কোন বিভাগে অবস্থিত?

উত্তর: ঢাকা বিভাগে।

টাঙ্গাইল বাংলাদেশের ঢাকা বিভাগের অন্যতম প্রধান প্রশাসনিক ও সাংস্কৃতিক জেলা।

2

টাঙ্গাইল জেলার ভৌগোলিক সীমানায় উত্তরে কোন অঞ্চল রয়েছে?

উত্তর: জামালপুর জেলা।

ভৌগোলিক অবস্থান অনুযায়ী টাঙ্গাইল জেলার উত্তরে জামালপুর জেলা অবস্থিত।

3

টাঙ্গাইল জেলার প্রধান নদ-নদী কোনগুলো?

উত্তর: যমুনা, ধলেশ্বরী, লৌহজং।

এসব নদী টাঙ্গাইল জেলার কৃষি, পলি ও মৎস্য সম্পদের মূল ভিত্তি।

4

টাঙ্গাইল জেলা মুক্তিযুদ্ধকালীন কোন সেক্টরের অধীনে ছিল?

উত্তর: কাদেরিয়া বাহিনী ও সেক্টর ৩।

১৯৭১ সালের মহান স্বাধীনতা যুদ্ধে এই অঞ্চল কাদেরিয়া বাহিনী ও সেক্টর ৩-এর অন্তর্ভুক্ত ছিল।

5

টাঙ্গাইল জেলার বিখ্যাত ঐতিহ্যবাহী খাবার ও বিশেষত্ব কী?

উত্তর: পোড়াবাড়ির সুস্বাদু আসল চমচম, মধুপুরের আনারস ও চমচম।

দেশজুড়ে খাদ্যরসিক ও পর্যটকদের কাছে এটি বিশেষভাবে সুপরিচিত।

ঢাকা বিভাগের অন্যান্য জেলাসমূহ

৬৪ জেলার সম্পূর্ণ ইন্টারঅ্যাক্টিভ মানচিত্র এক্সপ্লোর করুন

আপনার ভ্রমণ করা জেলাগুলো সিলেক্ট করে নিজের রঙিন ট্রাভেল ম্যাপ ডাউনলোড করুন এবং বাকি জেলাগুলোর তথ্য দেখুন।