ঢাকা বিভাগস্থানাঙ্ক: 24.0022858° N, 90.4264283° Eঢাকা থেকে দূরত্ব: 37 কিমি

গাজীপুর জেলা(Gazipur)

ঢাকার পাশের জেলা, শাল-গজারির বন, পার্ক আর রিসোর্টের জন্য দিনে গিয়ে দিনে ফেরার জনপ্রিয় জায়গা।

মোট আয়তন1806 বর্গ কিমি
জনসংখ্যা৫২,৬৩,৪৭৪
সাক্ষরতার হার৮২.৫%
উপজেলা সংখ্যা6টি
যাতায়াত সময়১–২ ঘণ্টা
প্রধান নদ-নদীতুরাগ, বালু

ভৌগোলিক সীমানা ও ঐতিহাসিক প্রেক্ষাপট

নামকরণের ইতিহাস

আগে নাম ছিল জয়দেবপুর। ভাওয়াল অঞ্চলের মুসলিম শাসক গাজী বংশের নাম থেকে এলাকাটি গাজীপুর নামে পরিচিতি পায়; ১৯৮৪ সালে জেলা হওয়ার সময় এই নামই রাখা হয়।

চারদিকের ভৌগোলিক সীমানা

উত্তর দিকময়মনসিংহ ও কিশোরগঞ্জ জেলা
দক্ষিণ দিকঢাকা ও নারায়ণগঞ্জ জেলা
পূর্ব দিকনরসিংদী ও কিশোরগঞ্জ জেলা
পশ্চিম দিকটাঙ্গাইল ও মানিকগঞ্জ জেলা

মুক্তিযুদ্ধ ও স্বাধীনতা সংগ্রাম

সেক্টর ২ ও ৩

১৯৭১ সালে মহান মুক্তিযুদ্ধে গাজীপুর জেলার বীর মুক্তিযোদ্ধারা সেক্টর ২ ও ৩-এর অধীনে দখলদার পাকিস্তানি বাহিনীর বিরুদ্ধে সম্মুখ সমর ও গেরিলা প্রতিরোধ গড়ে তোলেন।

ঐতিহাসিক ও বিশিষ্ট ব্যক্তিবর্গ

তাজউদ্দীন আহমদ (প্রথম প্রধানমন্ত্রী)কবি নরেন দেবআবুল মনসুর আহমদমেজর জেনারেল সুবিদ আলী ভূঁইয়া

গাজীপুর জেলা কেন বিখ্যাত ও ঐতিহাসিক বিশেষত্ব

ঐতিহ্য ও জাতীয় অবদান
1

বাংলাদেশের তৈরি পোশাক ও টেক্সটাইল শিল্পের বৃহত্তম শিল্প রাজধানী

2

বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব সাফারি পার্ক ও ভাওয়াল জাতীয় উদ্যান (বিশাল শালবন)

3

জাতীয় কৃষি ও ধান গবেষণাগার হাব (BRRI, BARI)

4

ভাওয়াল রাজবাড়ী ও ঐতিহাসিক সন্ন্যাসী বিদ্রোহের পটভূমি

শীর্ষ শিক্ষা প্রতিষ্ঠান হাব (অবস্থান ও ক্যাম্পাস)

বিশ্ববিদ্যালয়, মেডিকেল, কলেজ ও স্কুল
বিশ্ববিদ্যালয়সমূহ
  • ঢাকা প্রকৌশল ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয় (DUET)ক্যাম্পাস: গাজীপুর সদর ও সংলগ্ন এলাকা
  • বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান কৃষি বিশ্ববিদ্যালয় (BSMRAU)ক্যাম্পাস: গাজীপুর সদর ও সংলগ্ন এলাকা
  • বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয় (BOU)ক্যাম্পাস: গাজীপুর সদর ও সংলগ্ন এলাকা
  • ইসলামিক ইউনিভার্সিটি অব টেকনোলজি (IUT)ক্যাম্পাস: গাজীপুর সদর ও সংলগ্ন এলাকা
মেডিকেল ও নার্সিং
  • শহীদ তাজউদ্দীন আহমদ মেডিকেল কলেজ (STAMC)অবস্থান: হাসপাতাল রোড / মেডিকেল চত্বর, গাজীপুর
ঐতিহ্যবাহী সেরা কলেজ
  • ভাওয়াল বদরে আলম সরকারি কলেজ (১৯৬৭)অবস্থান: কলেজ রোড, গাজীপুর
  • গাজীপুর সরকারি মহিলা কলেজঅবস্থান: কলেজ রোড, গাজীপুর
শতবর্ষী ও সেরা স্কুল
  • রানী বিলাসমণি সরকারি বালক উচ্চ বিদ্যালয় (১৯০৫)অবস্থান: স্কুল মোড় / জেলা সদর, গাজীপুর
  • জয়দেবপুর সরকারি বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়অবস্থান: স্কুল মোড় / জেলা সদর, গাজীপুর

জেলা প্রশাসন, সরকারি দপ্তর ও পূর্ণাঙ্গ ঠিকানা ডিরেক্টরি

অফিস সময়: রবিবার - বৃহস্পতিবার, সকাল ৯:০০ - বিকাল ৫:০০
জেলা প্রশাসকের কার্যালয়, গাজীপুর
প্রশাসন

পূর্ণ ঠিকানা: কালেক্টরেট ভবন ও জেলা প্রশাসন চত্বর, গাজীপুর সদর

ই-সেবাকেন্দ্র ও ফ্রন্টডেস্ক সার্বক্ষণিক উন্মুক্ত

পুলিশ সুপারের কার্যালয় ও ২৪/৭ কন্ট্রোল রুম, গাজীপুর
২৪/৭ নিরাপত্তা

পূর্ণ ঠিকানা: পুলিশ লাইনস ও এসপি কার্যালয় রোড, গাজীপুর

পুলিশ কন্ট্রোল রুম ও জরুরি ডিউটি অফিসার ২৪ ঘণ্টা সচল

সিভিল সার্জন কার্যালয় ও ২৫০ শয্যা জেনারেল হাসপাতাল, গাজীপুর
জরুরি স্বাস্থ্য

পূর্ণ ঠিকানা: সদর হাসপাতাল রোড, গাজীপুর সদর

জরুরি বিভাগ (Emergency) ও অ্যাম্বুলেন্স ২৪/৭ সেবা

জেলা ও দায়রা জজ আদালত
বিচার বিভাগ

পূর্ণ ঠিকানা: জজ কোর্ট চত্বর, আদালত রোড, গাজীপুর সদর

সরকারি আইনি সহায়তা (লিগ্যাল এইড) ও ফৌজদারি-দেওয়ানি আদালত ভবন।

আইনি সহায়তা হটলাইন:১৬৪৩০ (টোল ফ্রি)
আঞ্চলিক পাসপোর্ট অফিস, গাজীপুর
নাগরিক সেবা

পূর্ণ ঠিকানা: আঞ্চলিক পাসপোর্ট ভবন, গাজীপুর সদর

ই-পাসপোর্ট আবেদন, বায়োমেট্রিক এনরোলমেন্ট ও পাসপোর্ট বিতরণ।

ফায়ার সার্ভিস ও সিভিল ডিফেন্স স্টেশন
জরুরি উদ্ধার

পূর্ণ ঠিকানা: ফায়ার স্টেশন রোড, গাজীপুর সদর

অগ্নিনির্বাপণ, নদী ও সড়ক দুর্ঘটনা উদ্ধারকারী স্পেশাল টিম ২৪ ঘণ্টা প্রস্তুত।

জরুরি হটলাইন:১০৬৫৫ / ৯৯৯
জেলা পরিষদ কার্যালয়
স্থানীয় সরকার

পূর্ণ ঠিকানা: জেলা পরিষদ ভবন, গাজীপুর সদর

গ্রামীণ অবকাঠামো উন্নয়ন, নাগরিক কল্যাণ ও জেলা পরিষদ ডাকবাংলো পরিচালনা।

সেবা সময়:রবি-বৃহস্পতি সকাল ৯টা - বিকাল ৫টা

আবাসিক হোটেল, রিসোর্ট ও সরকারি সার্কিট হাউস গাইড

গাজীপুর জেলায় কোথায় থাকবেন, সঠিক লোকেশন ও সম্ভাব্য ভাড়া
জেলা সার্কিট হাউসসরকারি ভিআইপি

ঠিকানা: সার্কিট হাউস রোড, কালেক্টরেট চত্বর সংলগ্ন, গাজীপুর সদর।

ভাড়া: ৳৪০০ - ৳৮০০ (অনুমোদন সাপেক্ষে)

জেলা প্রশাসকের কার্যালয়ের নেজারত শাখা থেকে বুকিং নিতে হয়।

৩-স্টার ও সিটি হোটেলস্ট্যান্ডার্ড

ঠিকানা: কেন্দ্রীয় বাস টার্মিনাল, স্টেশন রোড ও শহরের মূল বাণিজ্যিক কেন্দ্র।

ভাড়া: ৳১,২০০ - ৳৩,০০০ / রাত

এসি/নন-এসি রুম, ২৪/৭ জেনারেটর ব্যাকআপ, ওয়াইফাই ও লিফট সুবিধা।

পর্যটন মোটেল ও রিসোর্টইকো ও পর্যটন

ঠিকানা: নদী তীরবর্তী এলাকা, বনভূমি সংলগ্ন বা প্রধান পর্যটন স্পট রোড।

ভাড়া: ৳২,০০০ - ৳৫,৫০০ / রাত

বাংলাদেশ পর্যটন কর্পোরেশন (BPC) মোটেল ও প্রাইভেট ইকো-রিসোর্ট।

বাজেট হোটেল ও ডাকবাংলোবাজেট ফ্রেন্ডলি

ঠিকানা: পুরাতন বাজার মোড়, জেলা পরিষদ চত্বর ও লঞ্চঘাট/স্টেশন সংলগ্ন।

ভাড়া: ৳৫০০ - ৳১,০০০ / রাত

একক পর্যটক ও ছাত্রছাত্রীদের জন্য সাশ্রয়ী থাকার ব্যবস্থা।

টিপস: যেকোনো হোটেলে চেক-ইন করার সময় জাতীয় পরিচয়পত্র (NID) অথবা জন্মনিবন্ধন কার্ডের ফটোকপি প্রদর্শন করতে হয়। ছুটির দিনে ভ্রমণের পূর্বে অগ্রিম যোগাযোগ করে বুকিং নিশ্চিত করা ভালো।

ঐতিহ্যবাহী বিখ্যাত খাবার ও জিআই পণ্য

ঐতিহ্যবাহী খাবার:

গাজীপুরের ঐতিহ্যবাহী কাঁঠাল, সুস্বাদু মুকুলের আম ও খাসির চুইঝাল

সরকার ও আন্তর্জাতিকভাবে স্বীকৃত জিআই (GI) পণ্যসমূহ:
🌟 গাজীপুরের কাঁঠাল

প্রধান দর্শনীয় স্থানসমূহ (4টি) ও পৌঁছানোর রুট

সঠিক লোকেশন, যাতায়াত রুট ও খরচ

ভাওয়াল জাতীয় উদ্যান

শাল-গজারির বনে ঘেরা উদ্যান; পিকনিক, হাঁটা ও পাখি দেখার জন্য ভালো।

যাওয়ার উপায়: ঢাকা-ময়মনসিংহ মহাসড়কে রাজেন্দ্রপুরে; ময়মনসিংহগামী বাসে নেমে যাওয়া যায়।

সেরা সময়: অক্টোবর–মার্চ (শীতে পিকনিক মৌসুম)

প্রবেশ ফি / খরচ: সামান্য প্রবেশ ফি; পিকনিক স্পট ও কটেজের ভাড়া আলাদা

সাফারি পার্ক, গাজীপুর

খোলা পরিবেশে বাঘ, সিংহ, জেব্রা, জিরাফসহ নানা প্রাণী; গাড়িতে চড়ে সাফারি করা যায়।

যাওয়ার উপায়: শ্রীপুরের বাঘের বাজার এলাকায়; ময়মনসিংহ রোডের বাসে গিয়ে সিএনজি/অটো।

সেরা সময়: অক্টোবর–মার্চ; সকালে প্রাণীরা বেশি সক্রিয়

প্রবেশ ফি / খরচ: প্রবেশ ফি আর সাফারি বাসের টিকিট আলাদা; পরিবারের জন্য দিনে ৫০০–১,৫০০৳

নুহাশ পল্লী

লেখক হুমায়ূন আহমেদের বাগানবাড়ি ও সমাধি; গাছপালা আর শিল্পকর্মে ভরা শান্ত জায়গা।

যাওয়ার উপায়: গাজীপুর চৌরাস্তা থেকে পিরুজালী, প্রায় ২০ কিমি; সিএনজিতে যাওয়া যায়।

সেরা সময়: অক্টোবর–মার্চ; ১৩ নভেম্বর তাঁর জন্মদিনে বিশেষ আয়োজন

প্রবেশ ফি / খরচ: প্রবেশ ফি আছে (জনপ্রতি কয়েকশ টাকা)

ভাওয়াল রাজবাড়ি

ভাওয়াল জমিদারদের বিশাল রাজবাড়ি, বিখ্যাত 'ভাওয়াল সন্ন্যাসী' মামলার সাথে জড়িত।

যাওয়ার উপায়: জয়দেবপুর শহরে; রেলস্টেশন থেকে রিকশায় যাওয়া যায়।

সেরা সময়: সারা বছর

প্রবেশ ফি / খরচ: বাইরে থেকে দেখা বিনামূল্যে

ঢাকা ও দেশের যেকোনো প্রান্ত থেকে গাজীপুর যাওয়ার রুট গাইড

দূরত্ব: 37 কিমি • আনুমানিক সময়: ১–২ ঘণ্টা
বাস সার্ভিস (সরাসরি)

ঢাকা (গাবতলী, মহাখালী বা সায়েদাবাদ বাস টার্মিনাল) থেকে গাজীপুর সদরের উদ্দেশ্যে দিন-রাত নিয়মিত নন-এসি ও এসি বাস চলাচল করে।

ভাড়া: ৳৩৫০ - ৳১,২০০ (কোচ ও এসি সাপেক্ষে)
রেল যোগাযোগ ও এক্সপ্রেস ট্রেন

কমলাপুর ও ঢাকা বিমানবন্দর রেলওয়ে স্টেশন থেকে আন্তঃনগর এক্সপ্রেস ট্রেনে সরাসরি বা নিকটস্থ রেলওয়ে জংশনে আরামদায়ক যাত্রা করা যায়।

শোভন চেয়ার: ৳১৮০ - ৳৬৫০ (দূরত্ব অনুযায়ী)
নিজস্ব গাড়ি ও মহাসড়ক রুট

জাতীয় মহাসড়ক ব্যবহার করে ব্যক্তিগত গাড়ি, হাইস বা রেন্ট-এ-কারে পরিবারের সাথে নিরাপদ ও দ্রুত সরাসরি পৌঁছানো যায়।

সিএনজি/পেট্রল খরচ: দূরত্ব অনুযায়ী ৩,০০০৳ - ৮,০০০৳
স্থানীয় যাতায়াত টিপস: মহাখালী বা আব্দুল্লাহপুর থেকে গাজীপুর/শ্রীপুরগামী বাস, ভাড়া ৫০–১২০৳। • কমলাপুর থেকে জয়দেবপুর পর্যন্ত লোকাল ও আন্তঃনগর ট্রেন, ভাড়া ৩০–১০০৳। • প্রাইভেট কার বা মাইক্রোবাসে ১–২ ঘণ্টা (যানজটের উপর নির্ভর করে)।
স্মার্ট ভ্রমণ নির্দেশিকা ও এস্টিমেটর

আন্তঃজেলা দূরত্ব ও ভ্রমণ খরচ ক্যালকুলেটর

বাংলাদেশের যেকোনো জেলা থেকে অন্য জেলায় যেতে কত খরচ ও কত সময় লাগবে এক ক্লিকে জানুন

যাত্রীর সংখ্যা:
সড়ক দূরত্ব
44কিলোমিটার

ঢাকা থেকে গাজীপুর সড়কপথের আনুমানিক দূরত্ব।

আনুমানিক সময়
1.0 ঘণ্টা

যানজট ও যাত্রাবিরতি সহ বাসে সম্ভাব্য পৌঁছানোর সময়কাল।

বাস ভাড়া
৳ 100 — 250

নন-এসি: ৳100 | এসি: ৳250 (জনপ্রতি)।

ট্রেন ভাড়া (শোভন)
৳ 80

বাংলাদেশ রেলওয়ে আন্তঃনগর শোভন চেয়ারের সম্ভাব্য ভাড়া।

গাজীপুর জেলায় কোথায় থাকবেন ও সম্ভাব্য খরচ

খরচ: দিনে গিয়ে ফিরলে জনপ্রতি ৮০০–২,০০০৳

গাজীপুরে অনেক রিসোর্ট আছে, যেমন ছুটি রিসোর্ট ও নক্ষত্রবাড়ি রিসোর্ট (৳৫,০০০+)

বিসিএস ও এডমিশন সাধারণ জ্ঞান (GK) প্রশ্নোত্তর

1

গাজীপুর জেলা বাংলাদেশের কোন বিভাগে অবস্থিত?

উত্তর: ঢাকা বিভাগে।

গাজীপুর বাংলাদেশের ঢাকা বিভাগের অন্যতম প্রধান প্রশাসনিক ও সাংস্কৃতিক জেলা।

2

গাজীপুর জেলার ভৌগোলিক সীমানায় উত্তরে কোন অঞ্চল রয়েছে?

উত্তর: ময়মনসিংহ ও কিশোরগঞ্জ জেলা।

ভৌগোলিক অবস্থান অনুযায়ী গাজীপুর জেলার উত্তরে ময়মনসিংহ ও কিশোরগঞ্জ জেলা অবস্থিত।

3

গাজীপুর জেলার প্রধান নদ-নদী কোনগুলো?

উত্তর: তুরাগ, বালু, শীতলক্ষ্যা।

এসব নদী গাজীপুর জেলার কৃষি, পলি ও মৎস্য সম্পদের মূল ভিত্তি।

4

গাজীপুর জেলা মুক্তিযুদ্ধকালীন কোন সেক্টরের অধীনে ছিল?

উত্তর: সেক্টর ২ ও ৩।

১৯৭১ সালের মহান স্বাধীনতা যুদ্ধে এই অঞ্চল সেক্টর ২ ও ৩-এর অন্তর্ভুক্ত ছিল।

5

গাজীপুর জেলার বিখ্যাত ঐতিহ্যবাহী খাবার ও বিশেষত্ব কী?

উত্তর: গাজীপুরের ঐতিহ্যবাহী কাঁঠাল, সুস্বাদু মুকুলের আম ও খাসির চুইঝাল।

দেশজুড়ে খাদ্যরসিক ও পর্যটকদের কাছে এটি বিশেষভাবে সুপরিচিত।

ঢাকা বিভাগের অন্যান্য জেলাসমূহ

৬৪ জেলার সম্পূর্ণ ইন্টারঅ্যাক্টিভ মানচিত্র এক্সপ্লোর করুন

আপনার ভ্রমণ করা জেলাগুলো সিলেক্ট করে নিজের রঙিন ট্রাভেল ম্যাপ ডাউনলোড করুন এবং বাকি জেলাগুলোর তথ্য দেখুন।