ঢাকা বিভাগস্থানাঙ্ক: 24.444937° N, 90.776575° Eঢাকা থেকে দূরত্ব: 145 কিমি

কিশোরগঞ্জ জেলা(Kishorganj)

হাওরের জেলা; বর্ষায় সাগরের মতো হাওর আর শুকনো মৌসুমে হাওরের বুকে অল-ওয়েদার সড়ক।

মোট আয়তন2689 বর্গ কিমি
জনসংখ্যা৩২,৬৭,৬৩০
সাক্ষরতার হার৬৮.২%
উপজেলা সংখ্যা13টি
যাতায়াত সময়৩.৫–৪ ঘণ্টা
প্রধান নদ-নদীপুরাতন ব্রহ্মপুত্র, মেঘনা

ভৌগোলিক সীমানা ও ঐতিহাসিক প্রেক্ষাপট

নামকরণের ইতিহাস

প্রচলিত মতে, স্থানীয় জমিদার ব্রজকিশোর প্রামাণিক এখানে একটি গঞ্জ বা বাজার প্রতিষ্ঠা করেন। তাঁর নামের 'কিশোর' থেকে নাম হয় কিশোরগঞ্জ।

চারদিকের ভৌগোলিক সীমানা

উত্তর দিকময়মনসিংহ ও নেত্রকোণা জেলা
দক্ষিণ দিকনরসিংদী ও ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলা
পূর্ব দিকসুনামগঞ্জ ও হবিগঞ্জ জেলা
পশ্চিম দিকগাজীপুর ও ময়মনসিংহ জেলা

মুক্তিযুদ্ধ ও স্বাধীনতা সংগ্রাম

সেক্টর ৩

১৯৭১ সালে মহান মুক্তিযুদ্ধে কিশোরগঞ্জ জেলার বীর মুক্তিযোদ্ধারা সেক্টর ৩-এর অধীনে দখলদার পাকিস্তানি বাহিনীর বিরুদ্ধে সম্মুখ সমর ও গেরিলা প্রতিরোধ গড়ে তোলেন।

ঐতিহাসিক ও বিশিষ্ট ব্যক্তিবর্গ

সৈয়দ নজরুল ইসলাম (ভারপ্রাপ্ত রাষ্ট্রপতি)জিল্লুর রহমান (সাবেক রাষ্ট্রপতি)আব্দুল হামিদ (সাবেক রাষ্ট্রপতি)উপেন্দ্রকিশোর রায়চৌধুরীসুকুমার রায়

কিশোরগঞ্জ জেলা কেন বিখ্যাত ও ঐতিহাসিক বিশেষত্ব

ঐতিহ্য ও জাতীয় অবদান
1

উপমহাদেশের বৃহত্তম ঐতিহাসিক শোলাকিয়া ঈদগাহ ময়দান

2

হাওরের রূপকন্যা নিকলী ও অষ্টগ্রাম-মিঠামইন অলওয়েদার দৃষ্টিনন্দন মহাসড়ক

3

বাংলা সাহিত্যের প্রথম মহিলা কবি চন্দ্রাবতীর ঐতিহাসিক শিবমন্দির

4

বাংলার বারো ভূঁইয়ার প্রধান বীর ঈশা খাঁর ঐতিহাসিক জঙ্গলবাড়ি দুর্গ

শীর্ষ শিক্ষা প্রতিষ্ঠান হাব (অবস্থান ও ক্যাম্পাস)

বিশ্ববিদ্যালয়, মেডিকেল, কলেজ ও স্কুল
বিশ্ববিদ্যালয়সমূহ
  • বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান বিশ্ববিদ্যালয়, কিশোরগঞ্জক্যাম্পাস: কিশোরগঞ্জ সদর ও সংলগ্ন এলাকা
মেডিকেল ও নার্সিং
  • শহীদ সৈয়দ নজরুল ইসলাম মেডিকেল কলেজ (SSNIMC)অবস্থান: হাসপাতাল রোড / মেডিকেল চত্বর, কিশোরগঞ্জ
ঐতিহ্যবাহী সেরা কলেজ
  • গুরুদয়াল সরকারি কলেজ (১৯৪৩)অবস্থান: কলেজ রোড, কিশোরগঞ্জ
  • কিশোরগঞ্জ সরকারি মহিলা কলেজঅবস্থান: কলেজ রোড, কিশোরগঞ্জ
শতবর্ষী ও সেরা স্কুল
  • কিশোরগঞ্জ সরকারি বালক উচ্চ বিদ্যালয় (১৮৮১)অবস্থান: স্কুল মোড় / জেলা সদর, কিশোরগঞ্জ
  • এসভি সরকারি বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়অবস্থান: স্কুল মোড় / জেলা সদর, কিশোরগঞ্জ

জেলা প্রশাসন, সরকারি দপ্তর ও পূর্ণাঙ্গ ঠিকানা ডিরেক্টরি

অফিস সময়: রবিবার - বৃহস্পতিবার, সকাল ৯:০০ - বিকাল ৫:০০
জেলা প্রশাসকের কার্যালয়, কিশোরগঞ্জ
প্রশাসন

পূর্ণ ঠিকানা: কালেক্টরেট ভবন ও জেলা প্রশাসন চত্বর, কিশোরগঞ্জ সদর

ই-সেবাকেন্দ্র ও ফ্রন্টডেস্ক সার্বক্ষণিক উন্মুক্ত

পুলিশ সুপারের কার্যালয় ও ২৪/৭ কন্ট্রোল রুম, কিশোরগঞ্জ
২৪/৭ নিরাপত্তা

পূর্ণ ঠিকানা: পুলিশ লাইনস ও এসপি কার্যালয় রোড, কিশোরগঞ্জ

পুলিশ কন্ট্রোল রুম ও জরুরি ডিউটি অফিসার ২৪ ঘণ্টা সচল

সিভিল সার্জন কার্যালয় ও ২৫০ শয্যা জেনারেল হাসপাতাল, কিশোরগঞ্জ
জরুরি স্বাস্থ্য

পূর্ণ ঠিকানা: সদর হাসপাতাল রোড, কিশোরগঞ্জ সদর

জরুরি বিভাগ (Emergency) ও অ্যাম্বুলেন্স ২৪/৭ সেবা

জেলা ও দায়রা জজ আদালত
বিচার বিভাগ

পূর্ণ ঠিকানা: জজ কোর্ট চত্বর, আদালত রোড, কিশোরগঞ্জ সদর

সরকারি আইনি সহায়তা (লিগ্যাল এইড) ও ফৌজদারি-দেওয়ানি আদালত ভবন।

আইনি সহায়তা হটলাইন:১৬৪৩০ (টোল ফ্রি)
আঞ্চলিক পাসপোর্ট অফিস, কিশোরগঞ্জ
নাগরিক সেবা

পূর্ণ ঠিকানা: আঞ্চলিক পাসপোর্ট ভবন, কিশোরগঞ্জ সদর

ই-পাসপোর্ট আবেদন, বায়োমেট্রিক এনরোলমেন্ট ও পাসপোর্ট বিতরণ।

ফায়ার সার্ভিস ও সিভিল ডিফেন্স স্টেশন
জরুরি উদ্ধার

পূর্ণ ঠিকানা: ফায়ার স্টেশন রোড, কিশোরগঞ্জ সদর

অগ্নিনির্বাপণ, নদী ও সড়ক দুর্ঘটনা উদ্ধারকারী স্পেশাল টিম ২৪ ঘণ্টা প্রস্তুত।

জরুরি হটলাইন:১০৬৫৫ / ৯৯৯
জেলা পরিষদ কার্যালয়
স্থানীয় সরকার

পূর্ণ ঠিকানা: জেলা পরিষদ ভবন, কিশোরগঞ্জ সদর

গ্রামীণ অবকাঠামো উন্নয়ন, নাগরিক কল্যাণ ও জেলা পরিষদ ডাকবাংলো পরিচালনা।

সেবা সময়:রবি-বৃহস্পতি সকাল ৯টা - বিকাল ৫টা

আবাসিক হোটেল, রিসোর্ট ও সরকারি সার্কিট হাউস গাইড

কিশোরগঞ্জ জেলায় কোথায় থাকবেন, সঠিক লোকেশন ও সম্ভাব্য ভাড়া
জেলা সার্কিট হাউসসরকারি ভিআইপি

ঠিকানা: সার্কিট হাউস রোড, কালেক্টরেট চত্বর সংলগ্ন, কিশোরগঞ্জ সদর।

ভাড়া: ৳৪০০ - ৳৮০০ (অনুমোদন সাপেক্ষে)

জেলা প্রশাসকের কার্যালয়ের নেজারত শাখা থেকে বুকিং নিতে হয়।

৩-স্টার ও সিটি হোটেলস্ট্যান্ডার্ড

ঠিকানা: কেন্দ্রীয় বাস টার্মিনাল, স্টেশন রোড ও শহরের মূল বাণিজ্যিক কেন্দ্র।

ভাড়া: ৳১,২০০ - ৳৩,০০০ / রাত

এসি/নন-এসি রুম, ২৪/৭ জেনারেটর ব্যাকআপ, ওয়াইফাই ও লিফট সুবিধা।

পর্যটন মোটেল ও রিসোর্টইকো ও পর্যটন

ঠিকানা: নদী তীরবর্তী এলাকা, বনভূমি সংলগ্ন বা প্রধান পর্যটন স্পট রোড।

ভাড়া: ৳২,০০০ - ৳৫,৫০০ / রাত

বাংলাদেশ পর্যটন কর্পোরেশন (BPC) মোটেল ও প্রাইভেট ইকো-রিসোর্ট।

বাজেট হোটেল ও ডাকবাংলোবাজেট ফ্রেন্ডলি

ঠিকানা: পুরাতন বাজার মোড়, জেলা পরিষদ চত্বর ও লঞ্চঘাট/স্টেশন সংলগ্ন।

ভাড়া: ৳৫০০ - ৳১,০০০ / রাত

একক পর্যটক ও ছাত্রছাত্রীদের জন্য সাশ্রয়ী থাকার ব্যবস্থা।

টিপস: যেকোনো হোটেলে চেক-ইন করার সময় জাতীয় পরিচয়পত্র (NID) অথবা জন্মনিবন্ধন কার্ডের ফটোকপি প্রদর্শন করতে হয়। ছুটির দিনে ভ্রমণের পূর্বে অগ্রিম যোগাযোগ করে বুকিং নিশ্চিত করা ভালো।

ঐতিহ্যবাহী বিখ্যাত খাবার ও জিআই পণ্য

ঐতিহ্যবাহী খাবার:

হাওরের তাজা বোয়াল ও আইড় মাছ, অষ্টগ্রামের ঐতিহ্যবাহী পনির ও বালিশ মিষ্টি

সরকার ও আন্তর্জাতিকভাবে স্বীকৃত জিআই (GI) পণ্যসমূহ:
🌟 কিশোরগঞ্জের অষ্টগ্রাম পনির (জিআই পণ্য)

প্রধান দর্শনীয় স্থানসমূহ (5টি) ও পৌঁছানোর রুট

সঠিক লোকেশন, যাতায়াত রুট ও খরচ

নিকলী হাওর

বর্ষায় দিগন্তজোড়া পানি, নৌকায় ঘোরা আর হাওরের সূর্যাস্তের জন্য জনপ্রিয়।

যাওয়ার উপায়: কিশোরগঞ্জ শহর থেকে নিকলী প্রায় ৩০ কিমি; সিএনজিতে গিয়ে নৌকা ভাড়া।

সেরা সময়: জুন–অক্টোবর (বর্ষা)

প্রবেশ ফি / খরচ: ইঞ্জিন নৌকা দিনে ২,০০০–৫,০০০৳ (দলে ভাগ করলে কম)

ইটনা-মিঠামইন-অষ্টগ্রাম সড়ক

হাওরের মাঝ দিয়ে তৈরি অল-ওয়েদার সড়ক; বর্ষায় দুই পাশে পানি, দারুণ দৃশ্য।

যাওয়ার উপায়: কিশোরগঞ্জ থেকে করিমগঞ্জের চামড়া ঘাট হয়ে নৌকা/গাড়িতে।

সেরা সময়: জুলাই–অক্টোবর

প্রবেশ ফি / খরচ: মোটরসাইকেল/অটো রিজার্ভ ৮০০–১,৫০০৳

পাগলা মসজিদ

নরসুন্দা নদীর তীরে বিখ্যাত মসজিদ; দানের টাকার জন্য প্রায়ই খবরে আসে।

যাওয়ার উপায়: কিশোরগঞ্জ শহরের হারুয়ায়; রিকশায় যাওয়া যায়।

সেরা সময়: সারা বছর

প্রবেশ ফি / খরচ: প্রবেশ বিনামূল্যে

শোলাকিয়া ঈদগাহ

দেশের সবচেয়ে বড় ঈদের জামাতের মাঠ হিসেবে পরিচিত।

যাওয়ার উপায়: কিশোরগঞ্জ শহরের মধ্যেই।

সেরা সময়: ঈদের দিন (বিশেষ অভিজ্ঞতা); বাকি সময় সাধারণ মাঠ

প্রবেশ ফি / খরচ: বিনামূল্যে

এগারসিন্দুর দুর্গ ও শাহ মাহমুদ মসজিদ

ঈসা খাঁর স্মৃতিবিজড়িত এগারসিন্দুর; সুলতানি আমলের এক গম্বুজ মসজিদ।

যাওয়ার উপায়: পাকুন্দিয়া উপজেলায়; কিশোরগঞ্জ থেকে সিএনজিতে।

সেরা সময়: অক্টোবর–মার্চ

প্রবেশ ফি / খরচ: প্রবেশ বিনামূল্যে

ঢাকা ও দেশের যেকোনো প্রান্ত থেকে কিশোরগঞ্জ যাওয়ার রুট গাইড

দূরত্ব: 145 কিমি • আনুমানিক সময়: ৩.৫–৪ ঘণ্টা
বাস সার্ভিস (সরাসরি)

ঢাকা (গাবতলী, মহাখালী বা সায়েদাবাদ বাস টার্মিনাল) থেকে কিশোরগঞ্জ সদরের উদ্দেশ্যে দিন-রাত নিয়মিত নন-এসি ও এসি বাস চলাচল করে।

ভাড়া: ৳৩৫০ - ৳১,২০০ (কোচ ও এসি সাপেক্ষে)
রেল যোগাযোগ ও এক্সপ্রেস ট্রেন

কমলাপুর ও ঢাকা বিমানবন্দর রেলওয়ে স্টেশন থেকে আন্তঃনগর এক্সপ্রেস ট্রেনে সরাসরি বা নিকটস্থ রেলওয়ে জংশনে আরামদায়ক যাত্রা করা যায়।

শোভন চেয়ার: ৳১৮০ - ৳৬৫০ (দূরত্ব অনুযায়ী)
নিজস্ব গাড়ি ও মহাসড়ক রুট

জাতীয় মহাসড়ক ব্যবহার করে ব্যক্তিগত গাড়ি, হাইস বা রেন্ট-এ-কারে পরিবারের সাথে নিরাপদ ও দ্রুত সরাসরি পৌঁছানো যায়।

সিএনজি/পেট্রল খরচ: দূরত্ব অনুযায়ী ৩,০০০৳ - ৮,০০০৳
স্থানীয় যাতায়াত টিপস: মহাখালী/সায়েদাবাদ থেকে কিশোরগঞ্জের বাস (অনন্যা, যাতায়াত), ভাড়া ২৫০–৩৫০৳। • কমলাপুর থেকে কিশোরগঞ্জ এক্সপ্রেস ও এগারসিন্দুর প্রভাতী/গোধূলী, ভাড়া ১৫০–৪০০৳।
স্মার্ট ভ্রমণ নির্দেশিকা ও এস্টিমেটর

আন্তঃজেলা দূরত্ব ও ভ্রমণ খরচ ক্যালকুলেটর

বাংলাদেশের যেকোনো জেলা থেকে অন্য জেলায় যেতে কত খরচ ও কত সময় লাগবে এক ক্লিকে জানুন

যাত্রীর সংখ্যা:
সড়ক দূরত্ব
121কিলোমিটার

ঢাকা থেকে কিশোরগঞ্জ সড়কপথের আনুমানিক দূরত্ব।

আনুমানিক সময়
2.7 ঘণ্টা

যানজট ও যাত্রাবিরতি সহ বাসে সম্ভাব্য পৌঁছানোর সময়কাল।

বাস ভাড়া
৳ 260 — 442

নন-এসি: ৳260 | এসি: ৳442 (জনপ্রতি)।

ট্রেন ভাড়া (শোভন)
৳ 182

বাংলাদেশ রেলওয়ে আন্তঃনগর শোভন চেয়ারের সম্ভাব্য ভাড়া।

কিশোরগঞ্জ জেলায় কোথায় থাকবেন ও সম্ভাব্য খরচ

খরচ: জনপ্রতি দিনে ১,৫০০–৩,০০০৳; হাওরে নৌকা ভাড়া আলাদা

বিসিএস ও এডমিশন সাধারণ জ্ঞান (GK) প্রশ্নোত্তর

1

কিশোরগঞ্জ জেলা বাংলাদেশের কোন বিভাগে অবস্থিত?

উত্তর: ঢাকা বিভাগে।

কিশোরগঞ্জ বাংলাদেশের ঢাকা বিভাগের অন্যতম প্রধান প্রশাসনিক ও সাংস্কৃতিক জেলা।

2

কিশোরগঞ্জ জেলার ভৌগোলিক সীমানায় উত্তরে কোন অঞ্চল রয়েছে?

উত্তর: ময়মনসিংহ ও নেত্রকোণা জেলা।

ভৌগোলিক অবস্থান অনুযায়ী কিশোরগঞ্জ জেলার উত্তরে ময়মনসিংহ ও নেত্রকোণা জেলা অবস্থিত।

3

কিশোরগঞ্জ জেলার প্রধান নদ-নদী কোনগুলো?

উত্তর: পুরাতন ব্রহ্মপুত্র, মেঘনা, ধনু।

এসব নদী কিশোরগঞ্জ জেলার কৃষি, পলি ও মৎস্য সম্পদের মূল ভিত্তি।

4

কিশোরগঞ্জ জেলা মুক্তিযুদ্ধকালীন কোন সেক্টরের অধীনে ছিল?

উত্তর: সেক্টর ৩।

১৯৭১ সালের মহান স্বাধীনতা যুদ্ধে এই অঞ্চল সেক্টর ৩-এর অন্তর্ভুক্ত ছিল।

5

কিশোরগঞ্জ জেলার বিখ্যাত ঐতিহ্যবাহী খাবার ও বিশেষত্ব কী?

উত্তর: হাওরের তাজা বোয়াল ও আইড় মাছ, অষ্টগ্রামের ঐতিহ্যবাহী পনির ও বালিশ মিষ্টি।

দেশজুড়ে খাদ্যরসিক ও পর্যটকদের কাছে এটি বিশেষভাবে সুপরিচিত।

ঢাকা বিভাগের অন্যান্য জেলাসমূহ

৬৪ জেলার সম্পূর্ণ ইন্টারঅ্যাক্টিভ মানচিত্র এক্সপ্লোর করুন

আপনার ভ্রমণ করা জেলাগুলো সিলেক্ট করে নিজের রঙিন ট্রাভেল ম্যাপ ডাউনলোড করুন এবং বাকি জেলাগুলোর তথ্য দেখুন।