শরীয়তপুর জেলা(Shariatpur)
পদ্মা ও মেঘনার জেলা; পদ্মা সেতুর জাজিরা প্রান্ত এখানে।
ভৌগোলিক সীমানা ও ঐতিহাসিক প্রেক্ষাপট
নামকরণের ইতিহাস
ব্রিটিশ আমলের ফরায়েজী আন্দোলনের নেতা হাজী শরীয়তউল্লাহর জন্ম এই অঞ্চলে। তাঁর সম্মানে ১৯৮৪ সালে জেলার নাম রাখা হয় শরীয়তপুর।
চারদিকের ভৌগোলিক সীমানা
মুক্তিযুদ্ধ ও স্বাধীনতা সংগ্রাম
সেক্টর ৮ ও ৯১৯৭১ সালে মহান মুক্তিযুদ্ধে শরীয়তপুর জেলার বীর মুক্তিযোদ্ধারা সেক্টর ৮ ও ৯-এর অধীনে দখলদার পাকিস্তানি বাহিনীর বিরুদ্ধে সম্মুখ সমর ও গেরিলা প্রতিরোধ গড়ে তোলেন।
ঐতিহাসিক ও বিশিষ্ট ব্যক্তিবর্গ
শরীয়তপুর জেলা কেন বিখ্যাত ও ঐতিহাসিক বিশেষত্ব
পদ্মা সেতুর জাজিরা প্রান্ত ও অত্যাধুনিক সার্ভিস এরিয়া
হাজী শরীয়তুল্লাহর নামানুসারে নামকরণকৃত ঐতিহাসিক ফরায়েজি আন্দোলনের ভূমি
কার্তিকপুর ও রুদ্রকর প্রাচীন জমিদার বাড়ি এবং সুরেশ্বর দরবার শরীফ
ঐতিহ্যবাহী বুড়ির হাটের সুস্বাদু চমচম ও মেঘনা-পদ্মার টাটকা মৎস্য ভাণ্ডার
শীর্ষ শিক্ষা প্রতিষ্ঠান হাব (অবস্থান ও ক্যাম্পাস)
- শরীয়তপুর বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয় (প্রস্তাবিত)ক্যাম্পাস: শরীয়তপুর সদর ও সংলগ্ন এলাকা
- শরীয়তপুর মেডিকেল কলেজ (প্রস্তাবিত/সদর হাসপাতাল সংলগ্ন)অবস্থান: হাসপাতাল রোড / মেডিকেল চত্বর, শরীয়তপুর
- শরীয়তপুর সরকারি কলেজ (১৯৭৮)অবস্থান: কলেজ রোড, শরীয়তপুর
- শরীয়তপুর সরকারি মহিলা কলেজঅবস্থান: কলেজ রোড, শরীয়তপুর
- পালং তুলাসার গুরুদাস সরকারি উচ্চ বিদ্যালয় (১৮৯৯)অবস্থান: স্কুল মোড় / জেলা সদর, শরীয়তপুর
- শরীয়তপুর সরকারি বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়অবস্থান: স্কুল মোড় / জেলা সদর, শরীয়তপুর
জেলা প্রশাসন, সরকারি দপ্তর ও পূর্ণাঙ্গ ঠিকানা ডিরেক্টরি
পূর্ণ ঠিকানা: কালেক্টরেট ভবন ও জেলা প্রশাসন চত্বর, শরীয়তপুর সদর
ই-সেবাকেন্দ্র ও ফ্রন্টডেস্ক সার্বক্ষণিক উন্মুক্ত
পূর্ণ ঠিকানা: পুলিশ লাইনস ও এসপি কার্যালয় রোড, শরীয়তপুর
পুলিশ কন্ট্রোল রুম ও জরুরি ডিউটি অফিসার ২৪ ঘণ্টা সচল
পূর্ণ ঠিকানা: সদর হাসপাতাল রোড, শরীয়তপুর সদর
জরুরি বিভাগ (Emergency) ও অ্যাম্বুলেন্স ২৪/৭ সেবা
পূর্ণ ঠিকানা: জজ কোর্ট চত্বর, আদালত রোড, শরীয়তপুর সদর
সরকারি আইনি সহায়তা (লিগ্যাল এইড) ও ফৌজদারি-দেওয়ানি আদালত ভবন।
পূর্ণ ঠিকানা: আঞ্চলিক পাসপোর্ট ভবন, শরীয়তপুর সদর
ই-পাসপোর্ট আবেদন, বায়োমেট্রিক এনরোলমেন্ট ও পাসপোর্ট বিতরণ।
পূর্ণ ঠিকানা: ফায়ার স্টেশন রোড, শরীয়তপুর সদর
অগ্নিনির্বাপণ, নদী ও সড়ক দুর্ঘটনা উদ্ধারকারী স্পেশাল টিম ২৪ ঘণ্টা প্রস্তুত।
পূর্ণ ঠিকানা: জেলা পরিষদ ভবন, শরীয়তপুর সদর
গ্রামীণ অবকাঠামো উন্নয়ন, নাগরিক কল্যাণ ও জেলা পরিষদ ডাকবাংলো পরিচালনা।
আবাসিক হোটেল, রিসোর্ট ও সরকারি সার্কিট হাউস গাইড
ঠিকানা: সার্কিট হাউস রোড, কালেক্টরেট চত্বর সংলগ্ন, শরীয়তপুর সদর।
ভাড়া: ৳৪০০ - ৳৮০০ (অনুমোদন সাপেক্ষে)
জেলা প্রশাসকের কার্যালয়ের নেজারত শাখা থেকে বুকিং নিতে হয়।
ঠিকানা: কেন্দ্রীয় বাস টার্মিনাল, স্টেশন রোড ও শহরের মূল বাণিজ্যিক কেন্দ্র।
ভাড়া: ৳১,২০০ - ৳৩,০০০ / রাত
এসি/নন-এসি রুম, ২৪/৭ জেনারেটর ব্যাকআপ, ওয়াইফাই ও লিফট সুবিধা।
ঠিকানা: নদী তীরবর্তী এলাকা, বনভূমি সংলগ্ন বা প্রধান পর্যটন স্পট রোড।
ভাড়া: ৳২,০০০ - ৳৫,৫০০ / রাত
বাংলাদেশ পর্যটন কর্পোরেশন (BPC) মোটেল ও প্রাইভেট ইকো-রিসোর্ট।
ঠিকানা: পুরাতন বাজার মোড়, জেলা পরিষদ চত্বর ও লঞ্চঘাট/স্টেশন সংলগ্ন।
ভাড়া: ৳৫০০ - ৳১,০০০ / রাত
একক পর্যটক ও ছাত্রছাত্রীদের জন্য সাশ্রয়ী থাকার ব্যবস্থা।
ঐতিহ্যবাহী বিখ্যাত খাবার ও জিআই পণ্য
শরীয়তপুরের বুড়ির হাটের চমচম, রসগোল্লা ও পদ্মার ইলিশ
প্রধান দর্শনীয় স্থানসমূহ (2টি) ও পৌঁছানোর রুট
পদ্মা সেতু জাজিরা প্রান্ত
সেতুর দক্ষিণ প্রান্তে নদীর পাড়; সেতু আর পদ্মার বিশালতা একসাথে দেখা যায়।
যাওয়ার উপায়: পদ্মা সেতু পার হয়ে জাজিরা টোল প্লাজার কাছে।
সেরা সময়: অক্টোবর–মার্চ
প্রবেশ ফি / খরচ: বিনামূল্যে; খাবার আলাদা
ধানুকা মনসা বাড়ি
প্রায় ৪০০ বছরের পুরনো মন্দির ও জমিদার বাড়ির ধ্বংসাবশেষ।
যাওয়ার উপায়: শরীয়তপুর শহরের কাছে ধানুকায়; অটোতে যাওয়া যায়।
সেরা সময়: অক্টোবর–মার্চ
প্রবেশ ফি / খরচ: বিনামূল্যে
ঢাকা ও দেশের যেকোনো প্রান্ত থেকে শরীয়তপুর যাওয়ার রুট গাইড
ঢাকা (গাবতলী, মহাখালী বা সায়েদাবাদ বাস টার্মিনাল) থেকে শরীয়তপুর সদরের উদ্দেশ্যে দিন-রাত নিয়মিত নন-এসি ও এসি বাস চলাচল করে।
কমলাপুর ও ঢাকা বিমানবন্দর রেলওয়ে স্টেশন থেকে আন্তঃনগর এক্সপ্রেস ট্রেনে সরাসরি বা নিকটস্থ রেলওয়ে জংশনে আরামদায়ক যাত্রা করা যায়।
জাতীয় মহাসড়ক ব্যবহার করে ব্যক্তিগত গাড়ি, হাইস বা রেন্ট-এ-কারে পরিবারের সাথে নিরাপদ ও দ্রুত সরাসরি পৌঁছানো যায়।
আন্তঃজেলা দূরত্ব ও ভ্রমণ খরচ ক্যালকুলেটর
বাংলাদেশের যেকোনো জেলা থেকে অন্য জেলায় যেতে কত খরচ ও কত সময় লাগবে এক ক্লিকে জানুন
ঢাকা থেকে শরীয়তপুর সড়কপথের আনুমানিক দূরত্ব।
যানজট ও যাত্রাবিরতি সহ বাসে সম্ভাব্য পৌঁছানোর সময়কাল।
নন-এসি: ৳153 | এসি: ৳259 (জনপ্রতি)।
বাংলাদেশ রেলওয়ে আন্তঃনগর শোভন চেয়ারের সম্ভাব্য ভাড়া।
শরীয়তপুর জেলায় কোথায় থাকবেন ও সম্ভাব্য খরচ
খরচ: জনপ্রতি দিনে ১,০০০–২,০০০৳বিসিএস ও এডমিশন সাধারণ জ্ঞান (GK) প্রশ্নোত্তর
শরীয়তপুর জেলা বাংলাদেশের কোন বিভাগে অবস্থিত?
শরীয়তপুর বাংলাদেশের ঢাকা বিভাগের অন্যতম প্রধান প্রশাসনিক ও সাংস্কৃতিক জেলা।
শরীয়তপুর জেলার ভৌগোলিক সীমানায় উত্তরে কোন অঞ্চল রয়েছে?
ভৌগোলিক অবস্থান অনুযায়ী শরীয়তপুর জেলার উত্তরে মুন্সীগঞ্জ জেলা (পদ্মা নদী) অবস্থিত।
শরীয়তপুর জেলার প্রধান নদ-নদী কোনগুলো?
এসব নদী শরীয়তপুর জেলার কৃষি, পলি ও মৎস্য সম্পদের মূল ভিত্তি।
শরীয়তপুর জেলা মুক্তিযুদ্ধকালীন কোন সেক্টরের অধীনে ছিল?
১৯৭১ সালের মহান স্বাধীনতা যুদ্ধে এই অঞ্চল সেক্টর ৮ ও ৯-এর অন্তর্ভুক্ত ছিল।
শরীয়তপুর জেলার বিখ্যাত ঐতিহ্যবাহী খাবার ও বিশেষত্ব কী?
দেশজুড়ে খাদ্যরসিক ও পর্যটকদের কাছে এটি বিশেষভাবে সুপরিচিত।
ঢাকা বিভাগের অন্যান্য জেলাসমূহ
৬৪ জেলার সম্পূর্ণ ইন্টারঅ্যাক্টিভ মানচিত্র এক্সপ্লোর করুন
আপনার ভ্রমণ করা জেলাগুলো সিলেক্ট করে নিজের রঙিন ট্রাভেল ম্যাপ ডাউনলোড করুন এবং বাকি জেলাগুলোর তথ্য দেখুন।