নোয়াখালী জেলা(Noakhali)
উপকূলের জেলা; নিঝুম দ্বীপের হরিণ আর গান্ধী আশ্রমের জন্য পরিচিত।
ভৌগোলিক সীমানা ও ঐতিহাসিক প্রেক্ষাপট
নামকরণের ইতিহাস
পুরনো নাম ভুলুয়া। ১৬৬০ সালের দিকে বন্যা থেকে বাঁচতে একটি নতুন খাল কাটা হয়। আঞ্চলিক ভাষায় 'নোয়া' মানে নতুন, তাই 'নোয়া খাল' থেকে নাম হয় নোয়াখালী।
চারদিকের ভৌগোলিক সীমানা
মুক্তিযুদ্ধ ও স্বাধীনতা সংগ্রাম
সেক্টর ২১৯৭১ সালে মহান মুক্তিযুদ্ধে নোয়াখালী জেলার বীর মুক্তিযোদ্ধারা সেক্টর ২-এর অধীনে দখলদার পাকিস্তানি বাহিনীর বিরুদ্ধে সম্মুখ সমর ও গেরিলা প্রতিরোধ গড়ে তোলেন।
ঐতিহাসিক ও বিশিষ্ট ব্যক্তিবর্গ
নোয়াখালী জেলা কেন বিখ্যাত ও ঐতিহাসিক বিশেষত্ব
নিঝুম দ্বীপ জাতীয় উদ্যান (চিত্রা হরিণ ও ম্যানগ্রোভ বনের স্বর্গরাজ্য)
ঐতিহাসিক মহাত্মা গান্ধী আশ্রম ট্রাস্ট (জয়াগ, চাটখিল)
বজরা শাহী মসজিদ (মুঘল স্থাপত্যের অনিন্দ্য সুন্দর নিদর্শন)
ভাসানচর আধুনিক আশ্রয়ণ প্রকল্প ও মেঘনা উপকূলীয় জেগে ওঠা নতুন চর
শীর্ষ শিক্ষা প্রতিষ্ঠান হাব (অবস্থান ও ক্যাম্পাস)
- নোয়াখালী বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয় (NSTU)ক্যাম্পাস: নোয়াখালী সদর ও সংলগ্ন এলাকা
- আব্দুল মালেক উকিল মেডিকেল কলেজ (AMUMC)অবস্থান: হাসপাতাল রোড / মেডিকেল চত্বর, নোয়াখালী
- নোয়াখালী সরকারি কলেজ (১৯৬৩)অবস্থান: কলেজ রোড, নোয়াখালী
- চৌমুহনী সরকারি এস. এ. কলেজ (১৯৪৩)অবস্থান: কলেজ রোড, নোয়াখালী
- নোয়াখালী সরকারি মহিলা কলেজঅবস্থান: কলেজ রোড, নোয়াখালী
- নোয়াখালী জিলা স্কুল (১৮৫০)অবস্থান: স্কুল মোড় / জেলা সদর, নোয়াখালী
- নোয়াখালী সরকারি বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়অবস্থান: স্কুল মোড় / জেলা সদর, নোয়াখালী
জেলা প্রশাসন, সরকারি দপ্তর ও পূর্ণাঙ্গ ঠিকানা ডিরেক্টরি
পূর্ণ ঠিকানা: কালেক্টরেট ভবন ও জেলা প্রশাসন চত্বর, নোয়াখালী সদর
ই-সেবাকেন্দ্র ও ফ্রন্টডেস্ক সার্বক্ষণিক উন্মুক্ত
পূর্ণ ঠিকানা: পুলিশ লাইনস ও এসপি কার্যালয় রোড, নোয়াখালী
পুলিশ কন্ট্রোল রুম ও জরুরি ডিউটি অফিসার ২৪ ঘণ্টা সচল
পূর্ণ ঠিকানা: সদর হাসপাতাল রোড, নোয়াখালী সদর
জরুরি বিভাগ (Emergency) ও অ্যাম্বুলেন্স ২৪/৭ সেবা
পূর্ণ ঠিকানা: জজ কোর্ট চত্বর, আদালত রোড, নোয়াখালী সদর
সরকারি আইনি সহায়তা (লিগ্যাল এইড) ও ফৌজদারি-দেওয়ানি আদালত ভবন।
পূর্ণ ঠিকানা: আঞ্চলিক পাসপোর্ট ভবন, নোয়াখালী সদর
ই-পাসপোর্ট আবেদন, বায়োমেট্রিক এনরোলমেন্ট ও পাসপোর্ট বিতরণ।
পূর্ণ ঠিকানা: ফায়ার স্টেশন রোড, নোয়াখালী সদর
অগ্নিনির্বাপণ, নদী ও সড়ক দুর্ঘটনা উদ্ধারকারী স্পেশাল টিম ২৪ ঘণ্টা প্রস্তুত।
পূর্ণ ঠিকানা: জেলা পরিষদ ভবন, নোয়াখালী সদর
গ্রামীণ অবকাঠামো উন্নয়ন, নাগরিক কল্যাণ ও জেলা পরিষদ ডাকবাংলো পরিচালনা।
আবাসিক হোটেল, রিসোর্ট ও সরকারি সার্কিট হাউস গাইড
ঠিকানা: সার্কিট হাউস রোড, কালেক্টরেট চত্বর সংলগ্ন, নোয়াখালী সদর।
ভাড়া: ৳৪০০ - ৳৮০০ (অনুমোদন সাপেক্ষে)
জেলা প্রশাসকের কার্যালয়ের নেজারত শাখা থেকে বুকিং নিতে হয়।
ঠিকানা: কেন্দ্রীয় বাস টার্মিনাল, স্টেশন রোড ও শহরের মূল বাণিজ্যিক কেন্দ্র।
ভাড়া: ৳১,২০০ - ৳৩,০০০ / রাত
এসি/নন-এসি রুম, ২৪/৭ জেনারেটর ব্যাকআপ, ওয়াইফাই ও লিফট সুবিধা।
ঠিকানা: নদী তীরবর্তী এলাকা, বনভূমি সংলগ্ন বা প্রধান পর্যটন স্পট রোড।
ভাড়া: ৳২,০০০ - ৳৫,৫০০ / রাত
বাংলাদেশ পর্যটন কর্পোরেশন (BPC) মোটেল ও প্রাইভেট ইকো-রিসোর্ট।
ঠিকানা: পুরাতন বাজার মোড়, জেলা পরিষদ চত্বর ও লঞ্চঘাট/স্টেশন সংলগ্ন।
ভাড়া: ৳৫০০ - ৳১,০০০ / রাত
একক পর্যটক ও ছাত্রছাত্রীদের জন্য সাশ্রয়ী থাকার ব্যবস্থা।
ঐতিহ্যবাহী বিখ্যাত খাবার ও জিআই পণ্য
নোয়াখালীর সুস্বাদু নারিকেলের নাড়ু, মহিষের দুধের দই ও ইলিশ মাছের পাতুড়ি
প্রধান দর্শনীয় স্থানসমূহ (3টি) ও পৌঁছানোর রুট
নিঝুম দ্বীপ
মেঘনার মোহনায় দ্বীপ; কেওড়া বনে দলবদ্ধ চিত্রা হরিণ আর নির্জন সৈকত।
যাওয়ার উপায়: হাতিয়া থেকে মোক্তারিয়া ঘাট পার হয়ে দ্বীপে; বা সদরঘাট থেকে তমরদ্দির লঞ্চ।
সেরা সময়: নভেম্বর–ফেব্রুয়ারি (হরিণ ও পরিযায়ী পাখি দেখার সেরা সময়; সাগর শান্ত)
প্রবেশ ফি / খরচ: ঢাকা থেকে জনপ্রতি ৫,০০০–১০,০০০৳ (লঞ্চ কেবিন, থাকা, খাওয়া, স্থানীয় যাতায়াত); নৌকায় চৌধুরীর খাল/কবিরাজের চর ঘোরা ১,৫০০–২,৫০০৳
গান্ধী আশ্রম
১৯৪৬ সালে মহাত্মা গান্ধীর সফরের স্মৃতিতে আশ্রম ও জাদুঘর।
যাওয়ার উপায়: সোনাইমুড়ীর জয়াগে; মাইজদী থেকে সিএনজিতে।
সেরা সময়: অক্টোবর–মার্চ
প্রবেশ ফি / খরচ: সামান্য প্রবেশ ফি
বজরা শাহী মসজিদ
১৭৪১ সালের মুঘল আমলের তিন গম্বুজ মসজিদ।
যাওয়ার উপায়: সোনাইমুড়ী উপজেলায়।
সেরা সময়: অক্টোবর–মার্চ
প্রবেশ ফি / খরচ: বিনামূল্যে
ঢাকা ও দেশের যেকোনো প্রান্ত থেকে নোয়াখালী যাওয়ার রুট গাইড
ঢাকা (গাবতলী, মহাখালী বা সায়েদাবাদ বাস টার্মিনাল) থেকে নোয়াখালী সদরের উদ্দেশ্যে দিন-রাত নিয়মিত নন-এসি ও এসি বাস চলাচল করে।
কমলাপুর ও ঢাকা বিমানবন্দর রেলওয়ে স্টেশন থেকে আন্তঃনগর এক্সপ্রেস ট্রেনে সরাসরি বা নিকটস্থ রেলওয়ে জংশনে আরামদায়ক যাত্রা করা যায়।
জাতীয় মহাসড়ক ব্যবহার করে ব্যক্তিগত গাড়ি, হাইস বা রেন্ট-এ-কারে পরিবারের সাথে নিরাপদ ও দ্রুত সরাসরি পৌঁছানো যায়।
আন্তঃজেলা দূরত্ব ও ভ্রমণ খরচ ক্যালকুলেটর
বাংলাদেশের যেকোনো জেলা থেকে অন্য জেলায় যেতে কত খরচ ও কত সময় লাগবে এক ক্লিকে জানুন
ঢাকা থেকে নোয়াখালী সড়কপথের আনুমানিক দূরত্ব।
যানজট ও যাত্রাবিরতি সহ বাসে সম্ভাব্য পৌঁছানোর সময়কাল।
নন-এসি: ৳340 | এসি: ৳577 (জনপ্রতি)।
বাংলাদেশ রেলওয়ে আন্তঃনগর শোভন চেয়ারের সম্ভাব্য ভাড়া।
নোয়াখালী জেলায় কোথায় থাকবেন ও সম্ভাব্য খরচ
খরচ: জনপ্রতি দিনে ১,৫০০–৩,০০০৳নিঝুম দ্বীপে নিঝুম রিসোর্ট (অবকাশ) ও কটেজ • মাইজদী শহরে মাঝারি মানের হোটেল
বিসিএস ও এডমিশন সাধারণ জ্ঞান (GK) প্রশ্নোত্তর
নোয়াখালী জেলা বাংলাদেশের কোন বিভাগে অবস্থিত?
নোয়াখালী বাংলাদেশের চট্টগ্রাম বিভাগের অন্যতম প্রধান প্রশাসনিক ও সাংস্কৃতিক জেলা।
নোয়াখালী জেলার ভৌগোলিক সীমানায় উত্তরে কোন অঞ্চল রয়েছে?
ভৌগোলিক অবস্থান অনুযায়ী নোয়াখালী জেলার উত্তরে কুমিল্লা জেলা অবস্থিত।
নোয়াখালী জেলার প্রধান নদ-নদী কোনগুলো?
এসব নদী নোয়াখালী জেলার কৃষি, পলি ও মৎস্য সম্পদের মূল ভিত্তি।
নোয়াখালী জেলা মুক্তিযুদ্ধকালীন কোন সেক্টরের অধীনে ছিল?
১৯৭১ সালের মহান স্বাধীনতা যুদ্ধে এই অঞ্চল সেক্টর ২-এর অন্তর্ভুক্ত ছিল।
নোয়াখালী জেলার বিখ্যাত ঐতিহ্যবাহী খাবার ও বিশেষত্ব কী?
দেশজুড়ে খাদ্যরসিক ও পর্যটকদের কাছে এটি বিশেষভাবে সুপরিচিত।
চট্টগ্রাম বিভাগের অন্যান্য জেলাসমূহ
৬৪ জেলার সম্পূর্ণ ইন্টারঅ্যাক্টিভ মানচিত্র এক্সপ্লোর করুন
আপনার ভ্রমণ করা জেলাগুলো সিলেক্ট করে নিজের রঙিন ট্রাভেল ম্যাপ ডাউনলোড করুন এবং বাকি জেলাগুলোর তথ্য দেখুন।