ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলা(Brahmanbaria)
সংগীতের তীর্থ (ওস্তাদ আলাউদ্দিন খাঁর জন্মস্থান) আর তিতাস নদীর জেলা।
ভৌগোলিক সীমানা ও ঐতিহাসিক প্রেক্ষাপট
নামকরণের ইতিহাস
প্রচলিত মতে, সুলতানি আমলে দিল্লি থেকে কয়েকটি ব্রাহ্মণ পরিবার এসে এখানে বসতি গড়ে। 'ব্রাহ্মণদের বাড়ি' থেকে কালক্রমে নাম হয় ব্রাহ্মণবাড়িয়া।
চারদিকের ভৌগোলিক সীমানা
মুক্তিযুদ্ধ ও স্বাধীনতা সংগ্রাম
সেক্টর ২ ও ৩১৯৭১ সালে মহান মুক্তিযুদ্ধে ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলার বীর মুক্তিযোদ্ধারা সেক্টর ২ ও ৩-এর অধীনে দখলদার পাকিস্তানি বাহিনীর বিরুদ্ধে সম্মুখ সমর ও গেরিলা প্রতিরোধ গড়ে তোলেন।
ঐতিহাসিক ও বিশিষ্ট ব্যক্তিবর্গ
ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলা কেন বিখ্যাত ও ঐতিহাসিক বিশেষত্ব
বিশ্বস্বীকৃত জিআই পণ্য ছানামুখী মিষ্টির অনন্য আদি জন্মভূমি
জাতীয় জ্বালানি অর্থনীতির প্রাণকেন্দ্র তিতাস প্রাকৃতিক গ্যাস ক্ষেত্র
সুরসম্রাট ওস্তাদ আলাউদ্দিন খাঁ-র কালজয়ী সঙ্গীতের সাধনাক্ষেত্র ও স্মৃতিপীঠ
ঐতিহ্যবাহী ব্রাহ্মণবাড়িয়ার পুতুলনাচ, নৌকাবাইচ ও কালভৈরব মন্দির
শীর্ষ শিক্ষা প্রতিষ্ঠান হাব (অবস্থান ও ক্যাম্পাস)
- ব্রাহ্মণবাড়িয়া বিশ্ববিদ্যালয় (প্রস্তাবিত)ক্যাম্পাস: ব্রাহ্মণবাড়িয়া সদর ও সংলগ্ন এলাকা
- ব্রাহ্মণবাড়িয়া মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল (প্রাইভেট) / সদর ২৫০ শয্যা সংলগ্নঅবস্থান: হাসপাতাল রোড / মেডিকেল চত্বর, ব্রাহ্মণবাড়িয়া
- ব্রাহ্মণবাড়িয়া সরকারি কলেজ (১৯৪৮)অবস্থান: কলেজ রোড, ব্রাহ্মণবাড়িয়া
- ব্রাহ্মণবাড়িয়া সরকারি মহিলা কলেজঅবস্থান: কলেজ রোড, ব্রাহ্মণবাড়িয়া
- অন্নদা সরকারি উচ্চ বিদ্যালয় (১৮৭৫)অবস্থান: স্কুল মোড় / জেলা সদর, ব্রাহ্মণবাড়িয়া
- ব্রাহ্মণবাড়িয়া সরকারি বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়অবস্থান: স্কুল মোড় / জেলা সদর, ব্রাহ্মণবাড়িয়া
জেলা প্রশাসন, সরকারি দপ্তর ও পূর্ণাঙ্গ ঠিকানা ডিরেক্টরি
পূর্ণ ঠিকানা: কালেক্টরেট ভবন ও জেলা প্রশাসন চত্বর, ব্রাহ্মণবাড়িয়া সদর
ই-সেবাকেন্দ্র ও ফ্রন্টডেস্ক সার্বক্ষণিক উন্মুক্ত
পূর্ণ ঠিকানা: পুলিশ লাইনস ও এসপি কার্যালয় রোড, ব্রাহ্মণবাড়িয়া
পুলিশ কন্ট্রোল রুম ও জরুরি ডিউটি অফিসার ২৪ ঘণ্টা সচল
পূর্ণ ঠিকানা: সদর হাসপাতাল রোড, ব্রাহ্মণবাড়িয়া সদর
জরুরি বিভাগ (Emergency) ও অ্যাম্বুলেন্স ২৪/৭ সেবা
পূর্ণ ঠিকানা: জজ কোর্ট চত্বর, আদালত রোড, ব্রাহ্মণবাড়িয়া সদর
সরকারি আইনি সহায়তা (লিগ্যাল এইড) ও ফৌজদারি-দেওয়ানি আদালত ভবন।
পূর্ণ ঠিকানা: আঞ্চলিক পাসপোর্ট ভবন, ব্রাহ্মণবাড়িয়া সদর
ই-পাসপোর্ট আবেদন, বায়োমেট্রিক এনরোলমেন্ট ও পাসপোর্ট বিতরণ।
পূর্ণ ঠিকানা: ফায়ার স্টেশন রোড, ব্রাহ্মণবাড়িয়া সদর
অগ্নিনির্বাপণ, নদী ও সড়ক দুর্ঘটনা উদ্ধারকারী স্পেশাল টিম ২৪ ঘণ্টা প্রস্তুত।
পূর্ণ ঠিকানা: জেলা পরিষদ ভবন, ব্রাহ্মণবাড়িয়া সদর
গ্রামীণ অবকাঠামো উন্নয়ন, নাগরিক কল্যাণ ও জেলা পরিষদ ডাকবাংলো পরিচালনা।
আবাসিক হোটেল, রিসোর্ট ও সরকারি সার্কিট হাউস গাইড
ঠিকানা: সার্কিট হাউস রোড, কালেক্টরেট চত্বর সংলগ্ন, ব্রাহ্মণবাড়িয়া সদর।
ভাড়া: ৳৪০০ - ৳৮০০ (অনুমোদন সাপেক্ষে)
জেলা প্রশাসকের কার্যালয়ের নেজারত শাখা থেকে বুকিং নিতে হয়।
ঠিকানা: কেন্দ্রীয় বাস টার্মিনাল, স্টেশন রোড ও শহরের মূল বাণিজ্যিক কেন্দ্র।
ভাড়া: ৳১,২০০ - ৳৩,০০০ / রাত
এসি/নন-এসি রুম, ২৪/৭ জেনারেটর ব্যাকআপ, ওয়াইফাই ও লিফট সুবিধা।
ঠিকানা: নদী তীরবর্তী এলাকা, বনভূমি সংলগ্ন বা প্রধান পর্যটন স্পট রোড।
ভাড়া: ৳২,০০০ - ৳৫,৫০০ / রাত
বাংলাদেশ পর্যটন কর্পোরেশন (BPC) মোটেল ও প্রাইভেট ইকো-রিসোর্ট।
ঠিকানা: পুরাতন বাজার মোড়, জেলা পরিষদ চত্বর ও লঞ্চঘাট/স্টেশন সংলগ্ন।
ভাড়া: ৳৫০০ - ৳১,০০০ / রাত
একক পর্যটক ও ছাত্রছাত্রীদের জন্য সাশ্রয়ী থাকার ব্যবস্থা।
ঐতিহ্যবাহী বিখ্যাত খাবার ও জিআই পণ্য
জিআই পণ্য ছানামুখী মিষ্টি, তিতাসের বোয়াল মাছ ও সুস্বাদু তিলের খাজা
প্রধান দর্শনীয় স্থানসমূহ (3টি) ও পৌঁছানোর রুট
কালভৈরব মন্দির
প্রায় ২৮ ফুট উঁচু কালভৈরব মূর্তির জন্য বিখ্যাত প্রাচীন মন্দির।
যাওয়ার উপায়: ব্রাহ্মণবাড়িয়া শহরের মেড্ডায়।
সেরা সময়: সারা বছর; শিবচতুর্দশীতে মেলা
প্রবেশ ফি / খরচ: বিনামূল্যে
আরিফাইল মসজিদ
ষোড়শ শতকের সুলতানি আমলের তিন গম্বুজ মসজিদ।
যাওয়ার উপায়: সরাইল উপজেলায়; শহর থেকে সিএনজিতে।
সেরা সময়: অক্টোবর–মার্চ
প্রবেশ ফি / খরচ: বিনামূল্যে
আখাউড়া স্থলবন্দর
ত্রিপুরা সীমান্ত; সীমান্তের দৃশ্য আর আগরতলা যাওয়ার পথ।
যাওয়ার উপায়: আখাউড়া রেলস্টেশন থেকে সিএনজিতে।
সেরা সময়: অক্টোবর–মার্চ
প্রবেশ ফি / খরচ: বিনামূল্যে (সীমান্ত পার হতে পাসপোর্ট-ভিসা লাগে)
ঢাকা ও দেশের যেকোনো প্রান্ত থেকে ব্রাহ্মণবাড়িয়া যাওয়ার রুট গাইড
ঢাকা (গাবতলী, মহাখালী বা সায়েদাবাদ বাস টার্মিনাল) থেকে ব্রাহ্মণবাড়িয়া সদরের উদ্দেশ্যে দিন-রাত নিয়মিত নন-এসি ও এসি বাস চলাচল করে।
কমলাপুর ও ঢাকা বিমানবন্দর রেলওয়ে স্টেশন থেকে আন্তঃনগর এক্সপ্রেস ট্রেনে সরাসরি বা নিকটস্থ রেলওয়ে জংশনে আরামদায়ক যাত্রা করা যায়।
জাতীয় মহাসড়ক ব্যবহার করে ব্যক্তিগত গাড়ি, হাইস বা রেন্ট-এ-কারে পরিবারের সাথে নিরাপদ ও দ্রুত সরাসরি পৌঁছানো যায়।
আন্তঃজেলা দূরত্ব ও ভ্রমণ খরচ ক্যালকুলেটর
বাংলাদেশের যেকোনো জেলা থেকে অন্য জেলায় যেতে কত খরচ ও কত সময় লাগবে এক ক্লিকে জানুন
ঢাকা থেকে ব্রাহ্মণবাড়িয়া সড়কপথের আনুমানিক দূরত্ব।
যানজট ও যাত্রাবিরতি সহ বাসে সম্ভাব্য পৌঁছানোর সময়কাল।
নন-এসি: ৳221 | এসি: ৳376 (জনপ্রতি)।
বাংলাদেশ রেলওয়ে আন্তঃনগর শোভন চেয়ারের সম্ভাব্য ভাড়া।
ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলায় কোথায় থাকবেন ও সম্ভাব্য খরচ
খরচ: জনপ্রতি দিনে ১,২০০–২,৫০০৳বিসিএস ও এডমিশন সাধারণ জ্ঞান (GK) প্রশ্নোত্তর
ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলা বাংলাদেশের কোন বিভাগে অবস্থিত?
ব্রাহ্মণবাড়িয়া বাংলাদেশের চট্টগ্রাম বিভাগের অন্যতম প্রধান প্রশাসনিক ও সাংস্কৃতিক জেলা।
ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলার ভৌগোলিক সীমানায় উত্তরে কোন অঞ্চল রয়েছে?
ভৌগোলিক অবস্থান অনুযায়ী ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলার উত্তরে কিশোরগঞ্জ ও হবিগঞ্জ জেলা অবস্থিত।
ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলার প্রধান নদ-নদী কোনগুলো?
এসব নদী ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলার কৃষি, পলি ও মৎস্য সম্পদের মূল ভিত্তি।
ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলা মুক্তিযুদ্ধকালীন কোন সেক্টরের অধীনে ছিল?
১৯৭১ সালের মহান স্বাধীনতা যুদ্ধে এই অঞ্চল সেক্টর ২ ও ৩-এর অন্তর্ভুক্ত ছিল।
ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলার বিখ্যাত ঐতিহ্যবাহী খাবার ও বিশেষত্ব কী?
দেশজুড়ে খাদ্যরসিক ও পর্যটকদের কাছে এটি বিশেষভাবে সুপরিচিত।
চট্টগ্রাম বিভাগের অন্যান্য জেলাসমূহ
৬৪ জেলার সম্পূর্ণ ইন্টারঅ্যাক্টিভ মানচিত্র এক্সপ্লোর করুন
আপনার ভ্রমণ করা জেলাগুলো সিলেক্ট করে নিজের রঙিন ট্রাভেল ম্যাপ ডাউনলোড করুন এবং বাকি জেলাগুলোর তথ্য দেখুন।