চট্টগ্রাম বিভাগস্থানাঙ্ক: 21.4272° N, 92.0058° Eঢাকা থেকে দূরত্ব: 400 কিমি

কক্স বাজার জেলা(Cox's Bazar)

বিশ্বের দীর্ঘতম প্রাকৃতিক সমুদ্র সৈকত (প্রায় ১২০ কিমি); দেশের সবচেয়ে জনপ্রিয় পর্যটন কেন্দ্র।

মোট আয়তন2492 বর্গ কিমি
জনসংখ্যা২৮,২৩,২৬৫
সাক্ষরতার হার৬৩.৭%
উপজেলা সংখ্যা9টি
যাতায়াত সময়৮–১০ ঘণ্টা (বাস) / ১ ঘণ্টা (বিমান)
প্রধান নদ-নদীমাতামুহুরী, বাকখালী

ভৌগোলিক সীমানা ও ঐতিহাসিক প্রেক্ষাপট

নামকরণের ইতিহাস

আগে নাম ছিল পালংকি। ১৭৯৯ সালে ব্রিটিশ ক্যাপ্টেন হিরাম কক্স আরাকান থেকে আসা শরণার্থীদের পুনর্বাসনের কাজ করেন এবং এখানে একটি বাজার গড়ে ওঠে। তাঁর নামেই 'কক্সের বাজার', অর্থাৎ কক্সবাজার।

চারদিকের ভৌগোলিক সীমানা

উত্তর দিকচট্টগ্রাম জেলা
দক্ষিণ দিকবঙ্গোপসাগর
পূর্ব দিকবান্দরবান জেলা ও মায়ানমার (নাফ নদী)
পশ্চিম দিকবঙ্গোপসাগর

মুক্তিযুদ্ধ ও স্বাধীনতা সংগ্রাম

সেক্টর ১

১৯৭১ সালে মহান মুক্তিযুদ্ধে কক্স বাজার জেলার বীর মুক্তিযোদ্ধারা সেক্টর ১-এর অধীনে দখলদার পাকিস্তানি বাহিনীর বিরুদ্ধে সম্মুখ সমর ও গেরিলা প্রতিরোধ গড়ে তোলেন।

ঐতিহাসিক ও বিশিষ্ট ব্যক্তিবর্গ

বীর মুক্তিযোদ্ধা ক্যাপ্টেন আবদুস সাত্তারকবি মুহম্মদ নূরুল হুদাফরিদ আহমদ

কক্স বাজার জেলা কেন বিখ্যাত ও ঐতিহাসিক বিশেষত্ব

ঐতিহ্য ও জাতীয় অবদান
1

বিশ্বের দীর্ঘতম ১২০ কিলোমিটার অবিচ্ছিন্ন বালুকাময় প্রাকৃতিক সমুদ্র সৈকত

2

সেন্টমার্টিন প্রবাল দ্বীপ ও ছেঁড়া দ্বীপের নয়নাভিরাম সামুদ্রিক সৌন্দর্য

3

হিমছড়ি ঝরনা, ইনানী পাথুরে সৈকত ও মেরিন ড্রাইভের চোখজুড়ানো নৈসর্গিক রূপ

4

মাতারবাড়ি গভীর সমুদ্র বন্দর ও কয়লাবিদ্যুৎ কেন্দ্র এবং শুঁটকি পল্লী

শীর্ষ শিক্ষা প্রতিষ্ঠান হাব (অবস্থান ও ক্যাম্পাস)

বিশ্ববিদ্যালয়, মেডিকেল, কলেজ ও স্কুল
বিশ্ববিদ্যালয়সমূহ
  • কক্সবাজার ইন্টারন্যাশনাল ইউনিভার্সিটিক্যাম্পাস: কক্স বাজার সদর ও সংলগ্ন এলাকা
  • কক্সবাজার বিশ্ববিদ্যালয় (প্রস্তাবিত)ক্যাম্পাস: কক্স বাজার সদর ও সংলগ্ন এলাকা
মেডিকেল ও নার্সিং
  • কক্সবাজার মেডিকেল কলেজ (CoxMC)অবস্থান: হাসপাতাল রোড / মেডিকেল চত্বর, কক্স বাজার
ঐতিহ্যবাহী সেরা কলেজ
  • কক্সবাজার সরকারি কলেজ (১৯৬২)অবস্থান: কলেজ রোড, কক্স বাজার
  • কক্সবাজার সরকারি মহিলা কলেজঅবস্থান: কলেজ রোড, কক্স বাজার
শতবর্ষী ও সেরা স্কুল
  • কক্সবাজার সরকারি উচ্চ বিদ্যালয় (১৮৭৪)অবস্থান: স্কুল মোড় / জেলা সদর, কক্স বাজার
  • কক্সবাজার সরকারি বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়অবস্থান: স্কুল মোড় / জেলা সদর, কক্স বাজার

জেলা প্রশাসন, সরকারি দপ্তর ও পূর্ণাঙ্গ ঠিকানা ডিরেক্টরি

অফিস সময়: রবিবার - বৃহস্পতিবার, সকাল ৯:০০ - বিকাল ৫:০০
জেলা প্রশাসকের কার্যালয়, কক্স বাজার
প্রশাসন

পূর্ণ ঠিকানা: কালেক্টরেট ভবন ও জেলা প্রশাসন চত্বর, কক্স বাজার সদর

ই-সেবাকেন্দ্র ও ফ্রন্টডেস্ক সার্বক্ষণিক উন্মুক্ত

পুলিশ সুপারের কার্যালয় ও ২৪/৭ কন্ট্রোল রুম, কক্স বাজার
২৪/৭ নিরাপত্তা

পূর্ণ ঠিকানা: পুলিশ লাইনস ও এসপি কার্যালয় রোড, কক্স বাজার

পুলিশ কন্ট্রোল রুম ও জরুরি ডিউটি অফিসার ২৪ ঘণ্টা সচল

সিভিল সার্জন কার্যালয় ও ২৫০ শয্যা জেনারেল হাসপাতাল, কক্স বাজার
জরুরি স্বাস্থ্য

পূর্ণ ঠিকানা: সদর হাসপাতাল রোড, কক্স বাজার সদর

জরুরি বিভাগ (Emergency) ও অ্যাম্বুলেন্স ২৪/৭ সেবা

জেলা ও দায়রা জজ আদালত
বিচার বিভাগ

পূর্ণ ঠিকানা: জজ কোর্ট চত্বর, আদালত রোড, কক্স বাজার সদর

সরকারি আইনি সহায়তা (লিগ্যাল এইড) ও ফৌজদারি-দেওয়ানি আদালত ভবন।

আইনি সহায়তা হটলাইন:১৬৪৩০ (টোল ফ্রি)
আঞ্চলিক পাসপোর্ট অফিস, কক্স বাজার
নাগরিক সেবা

পূর্ণ ঠিকানা: আঞ্চলিক পাসপোর্ট ভবন, কক্স বাজার সদর

ই-পাসপোর্ট আবেদন, বায়োমেট্রিক এনরোলমেন্ট ও পাসপোর্ট বিতরণ।

ফায়ার সার্ভিস ও সিভিল ডিফেন্স স্টেশন
জরুরি উদ্ধার

পূর্ণ ঠিকানা: ফায়ার স্টেশন রোড, কক্স বাজার সদর

অগ্নিনির্বাপণ, নদী ও সড়ক দুর্ঘটনা উদ্ধারকারী স্পেশাল টিম ২৪ ঘণ্টা প্রস্তুত।

জরুরি হটলাইন:১০৬৫৫ / ৯৯৯
জেলা পরিষদ কার্যালয়
স্থানীয় সরকার

পূর্ণ ঠিকানা: জেলা পরিষদ ভবন, কক্স বাজার সদর

গ্রামীণ অবকাঠামো উন্নয়ন, নাগরিক কল্যাণ ও জেলা পরিষদ ডাকবাংলো পরিচালনা।

সেবা সময়:রবি-বৃহস্পতি সকাল ৯টা - বিকাল ৫টা

আবাসিক হোটেল, রিসোর্ট ও সরকারি সার্কিট হাউস গাইড

কক্স বাজার জেলায় কোথায় থাকবেন, সঠিক লোকেশন ও সম্ভাব্য ভাড়া
জেলা সার্কিট হাউসসরকারি ভিআইপি

ঠিকানা: সার্কিট হাউস রোড, কালেক্টরেট চত্বর সংলগ্ন, কক্স বাজার সদর।

ভাড়া: ৳৪০০ - ৳৮০০ (অনুমোদন সাপেক্ষে)

জেলা প্রশাসকের কার্যালয়ের নেজারত শাখা থেকে বুকিং নিতে হয়।

৩-স্টার ও সিটি হোটেলস্ট্যান্ডার্ড

ঠিকানা: কেন্দ্রীয় বাস টার্মিনাল, স্টেশন রোড ও শহরের মূল বাণিজ্যিক কেন্দ্র।

ভাড়া: ৳১,২০০ - ৳৩,০০০ / রাত

এসি/নন-এসি রুম, ২৪/৭ জেনারেটর ব্যাকআপ, ওয়াইফাই ও লিফট সুবিধা।

পর্যটন মোটেল ও রিসোর্টইকো ও পর্যটন

ঠিকানা: নদী তীরবর্তী এলাকা, বনভূমি সংলগ্ন বা প্রধান পর্যটন স্পট রোড।

ভাড়া: ৳২,০০০ - ৳৫,৫০০ / রাত

বাংলাদেশ পর্যটন কর্পোরেশন (BPC) মোটেল ও প্রাইভেট ইকো-রিসোর্ট।

বাজেট হোটেল ও ডাকবাংলোবাজেট ফ্রেন্ডলি

ঠিকানা: পুরাতন বাজার মোড়, জেলা পরিষদ চত্বর ও লঞ্চঘাট/স্টেশন সংলগ্ন।

ভাড়া: ৳৫০০ - ৳১,০০০ / রাত

একক পর্যটক ও ছাত্রছাত্রীদের জন্য সাশ্রয়ী থাকার ব্যবস্থা।

টিপস: যেকোনো হোটেলে চেক-ইন করার সময় জাতীয় পরিচয়পত্র (NID) অথবা জন্মনিবন্ধন কার্ডের ফটোকপি প্রদর্শন করতে হয়। ছুটির দিনে ভ্রমণের পূর্বে অগ্রিম যোগাযোগ করে বুকিং নিশ্চিত করা ভালো।

ঐতিহ্যবাহী বিখ্যাত খাবার ও জিআই পণ্য

ঐতিহ্যবাহী খাবার:

রূপচাঁদা ফ্রাই, সামুদ্রিক কোরাল মাছের বারবিকিউ ও লইট্টা শুঁটকি ফ্রাই

সরকার ও আন্তর্জাতিকভাবে স্বীকৃত জিআই (GI) পণ্যসমূহ:
🌟 কক্সবাজারের সামুদ্রিক শুঁটকি মাছ

প্রধান দর্শনীয় স্থানসমূহ (8টি) ও পৌঁছানোর রুট

সঠিক লোকেশন, যাতায়াত রুট ও খরচ

কক্সবাজার সমুদ্র সৈকত

লাবণী, সুগন্ধা ও কলাতলী পয়েন্টে সূর্যাস্ত, সাঁতার আর বিচ বাইক; বিশ্বের দীর্ঘতম সৈকত।

যাওয়ার উপায়: শহরের যে কোনো হোটেল থেকে হেঁটে বা অটোতে।

সেরা সময়: নভেম্বর–মার্চ; বর্ষায় সমুদ্র উত্তাল

প্রবেশ ফি / খরচ: জনপ্রতি দিনে ২,৫০০–৬,০০০৳; বিচ চেয়ার ঘণ্টায় ৫০–১০০৳

মেরিন ড্রাইভ

একপাশে পাহাড়, অন্যপাশে সমুদ্র নিয়ে কক্সবাজার থেকে টেকনাফ পর্যন্ত প্রায় ৮০ কিমি সড়ক।

যাওয়ার উপায়: কলাতলী থেকে চাঁদের গাড়ি, সিএনজি বা খোলা জিপ ভাড়া।

সেরা সময়: নভেম্বর–মার্চ

প্রবেশ ফি / খরচ: খোলা জিপ/চাঁদের গাড়ি দিনে ২,৫০০–৫,০০০৳; সিএনজি ১,৫০০–২,৫০০৳

হিমছড়ি

পাহাড়ের চূড়া থেকে সমুদ্রের দৃশ্য আর বর্ষায় ছোট ঝর্ণা।

যাওয়ার উপায়: কলাতলী থেকে মেরিন ড্রাইভ ধরে প্রায় ১২ কিমি।

সেরা সময়: নভেম্বর–মার্চ; ঝর্ণার জন্য জুলাই–সেপ্টেম্বর

প্রবেশ ফি / খরচ: সামান্য প্রবেশ ফি

ইনানী সৈকত

প্রবালপাথরে ভরা পরিষ্কার, শান্ত সৈকত; ভাটার সময় পাথর বেশি দেখা যায়।

যাওয়ার উপায়: কলাতলী থেকে প্রায় ২৫ কিমি, মেরিন ড্রাইভ ধরে।

সেরা সময়: নভেম্বর–মার্চ; ভাটার সময়

প্রবেশ ফি / খরচ: বিনামূল্যে; যাতায়াত খরচ মেরিন ড্রাইভের গাড়িতে

সেন্টমার্টিন দ্বীপ

দেশের একমাত্র প্রবাল দ্বীপ; নীল পানি, নারিকেল গাছ আর ছেঁড়াদ্বীপ। পর্যটকদের জন্য মৌসুম ও সংখ্যা সরকারি নিয়মে সীমিত — যাওয়ার আগে নিয়ম দেখে নিন।

যাওয়ার উপায়: মৌসুমে (সাধারণত নভেম্বর–জানুয়ারি) কক্সবাজার/টেকনাফ থেকে জাহাজ।

সেরা সময়: নভেম্বর–জানুয়ারি (সরকারি অনুমোদিত মৌসুম)

প্রবেশ ফি / খরচ: জাহাজ যাওয়া-আসা ২,০০০–৫,০০০৳; অনলাইন নিবন্ধন লাগতে পারে

রামুর বৌদ্ধ বিহার

শতবর্ষী বৌদ্ধ বিহার আর বিশাল শায়িত বুদ্ধমূর্তি (বিমুক্তি বিদর্শন ভাবনা কেন্দ্র)।

যাওয়ার উপায়: কক্সবাজার শহর থেকে প্রায় ১৫ কিমি; সিএনজিতে।

সেরা সময়: অক্টোবর–মার্চ; প্রবারণা পূর্ণিমায় ফানুস উৎসব

প্রবেশ ফি / খরচ: বিনামূল্যে

মহেশখালী দ্বীপ

পাহাড়ি দ্বীপ; পাহাড়চূড়ায় আদিনাথ মন্দির আর পান-লবণ চাষ।

যাওয়ার উপায়: কক্সবাজারের ৬ নম্বর জেটি থেকে স্পিডবোটে ১৫–২০ মিনিট।

সেরা সময়: নভেম্বর–মার্চ

প্রবেশ ফি / খরচ: স্পিডবোট একপথ ৮০–১৫০৳; দ্বীপে রিকশা/অটো রিজার্ভ ৫০০–৮০০৳

সোনাদিয়া দ্বীপ

নির্জন দ্বীপ; প্যারাবন, লাল কাঁকড়া আর পরিযায়ী পাখি।

যাওয়ার উপায়: মহেশখালী থেকে নৌকা/ট্রলারে।

সেরা সময়: নভেম্বর–ফেব্রুয়ারি

প্রবেশ ফি / খরচ: ট্রলার রিজার্ভ ২,০০০–৪,০০০৳

ঢাকা ও দেশের যেকোনো প্রান্ত থেকে কক্স বাজার যাওয়ার রুট গাইড

দূরত্ব: 400 কিমি • আনুমানিক সময়: ৮–১০ ঘণ্টা (বাস) / ১ ঘণ্টা (বিমান)
বাস সার্ভিস (সরাসরি)

ঢাকা (গাবতলী, মহাখালী বা সায়েদাবাদ বাস টার্মিনাল) থেকে কক্স বাজার সদরের উদ্দেশ্যে দিন-রাত নিয়মিত নন-এসি ও এসি বাস চলাচল করে।

ভাড়া: ৳৩৫০ - ৳১,২০০ (কোচ ও এসি সাপেক্ষে)
রেল যোগাযোগ ও এক্সপ্রেস ট্রেন

কমলাপুর ও ঢাকা বিমানবন্দর রেলওয়ে স্টেশন থেকে আন্তঃনগর এক্সপ্রেস ট্রেনে সরাসরি বা নিকটস্থ রেলওয়ে জংশনে আরামদায়ক যাত্রা করা যায়।

শোভন চেয়ার: ৳১৮০ - ৳৬৫০ (দূরত্ব অনুযায়ী)
নিজস্ব গাড়ি ও মহাসড়ক রুট

জাতীয় মহাসড়ক ব্যবহার করে ব্যক্তিগত গাড়ি, হাইস বা রেন্ট-এ-কারে পরিবারের সাথে নিরাপদ ও দ্রুত সরাসরি পৌঁছানো যায়।

সিএনজি/পেট্রল খরচ: দূরত্ব অনুযায়ী ৩,০০০৳ - ৮,০০০৳
স্থানীয় যাতায়াত টিপস: সায়েদাবাদ/আরামবাগ/কলাবাগান থেকে গ্রীন লাইন, হানিফ, শ্যামলী, সৌদিয়া; নন-এসি ১,০০০–১,২০০৳, এসি ২,০০০–৩,০০০৳। • কমলাপুর থেকে কক্সবাজার এক্সপ্রেস ও পর্যটক এক্সপ্রেস; ভাড়া প্রায় ৭০০–২,০০০৳ (টিকিট আগে কাটতে হয়)। • বিমান, ইউএস-বাংলা, নভোএয়ার, এয়ার অ্যাস্ট্রা; একপথ ৫,০০০–৯,০০০৳, ১ ঘণ্টা।
স্মার্ট ভ্রমণ নির্দেশিকা ও এস্টিমেটর

আন্তঃজেলা দূরত্ব ও ভ্রমণ খরচ ক্যালকুলেটর

বাংলাদেশের যেকোনো জেলা থেকে অন্য জেলায় যেতে কত খরচ ও কত সময় লাগবে এক ক্লিকে জানুন

যাত্রীর সংখ্যা:
সড়ক দূরত্ব
408কিলোমিটার

ঢাকা থেকে কক্স বাজার সড়কপথের আনুমানিক দূরত্ব।

আনুমানিক সময়
9.1 ঘণ্টা

যানজট ও যাত্রাবিরতি সহ বাসে সম্ভাব্য পৌঁছানোর সময়কাল।

বাস ভাড়া
৳ 877 — 1489

নন-এসি: ৳877 | এসি: ৳1489 (জনপ্রতি)।

ট্রেন ভাড়া (শোভন)
৳ 612

বাংলাদেশ রেলওয়ে আন্তঃনগর শোভন চেয়ারের সম্ভাব্য ভাড়া।

কক্স বাজার জেলায় কোথায় থাকবেন ও সম্ভাব্য খরচ

খরচ: জনপ্রতি দিনে ২,৫০০–৬,০০০৳ (হোটেলের মান ও মৌসুম অনুযায়ী)

সায়মন বিচ রিসোর্ট • লং বিচ হোটেল • ওশান প্যারাডাইস হোটেল • সী পার্ল বিচ রিসোর্ট (ইনানী) • কলাতলী ও সুগন্ধা পয়েন্টে বাজেট হোটেল (৳১,৫০০–৩,০০০)

বিসিএস ও এডমিশন সাধারণ জ্ঞান (GK) প্রশ্নোত্তর

1

কক্স বাজার জেলা বাংলাদেশের কোন বিভাগে অবস্থিত?

উত্তর: চট্টগ্রাম বিভাগে।

কক্স বাজার বাংলাদেশের চট্টগ্রাম বিভাগের অন্যতম প্রধান প্রশাসনিক ও সাংস্কৃতিক জেলা।

2

কক্স বাজার জেলার ভৌগোলিক সীমানায় উত্তরে কোন অঞ্চল রয়েছে?

উত্তর: চট্টগ্রাম জেলা।

ভৌগোলিক অবস্থান অনুযায়ী কক্স বাজার জেলার উত্তরে চট্টগ্রাম জেলা অবস্থিত।

3

কক্স বাজার জেলার প্রধান নদ-নদী কোনগুলো?

উত্তর: মাতামুহুরী, বাকখালী, নাফ।

এসব নদী কক্স বাজার জেলার কৃষি, পলি ও মৎস্য সম্পদের মূল ভিত্তি।

4

কক্স বাজার জেলা মুক্তিযুদ্ধকালীন কোন সেক্টরের অধীনে ছিল?

উত্তর: সেক্টর ১।

১৯৭১ সালের মহান স্বাধীনতা যুদ্ধে এই অঞ্চল সেক্টর ১-এর অন্তর্ভুক্ত ছিল।

5

কক্স বাজার জেলার বিখ্যাত ঐতিহ্যবাহী খাবার ও বিশেষত্ব কী?

উত্তর: রূপচাঁদা ফ্রাই, সামুদ্রিক কোরাল মাছের বারবিকিউ ও লইট্টা শুঁটকি ফ্রাই।

দেশজুড়ে খাদ্যরসিক ও পর্যটকদের কাছে এটি বিশেষভাবে সুপরিচিত।

চট্টগ্রাম বিভাগের অন্যান্য জেলাসমূহ

৬৪ জেলার সম্পূর্ণ ইন্টারঅ্যাক্টিভ মানচিত্র এক্সপ্লোর করুন

আপনার ভ্রমণ করা জেলাগুলো সিলেক্ট করে নিজের রঙিন ট্রাভেল ম্যাপ ডাউনলোড করুন এবং বাকি জেলাগুলোর তথ্য দেখুন।