চট্টগ্রাম বিভাগস্থানাঙ্ক: 22.1953275° N, 92.2183773° Eঢাকা থেকে দূরত্ব: 330 কিমি

বান্দরবান জেলা(Bandarban)

দেশের সবচেয়ে উঁচু পাহাড়গুলোর জেলা; মেঘের রাজ্য, ঝর্ণা আর পাহাড়ি জনগোষ্ঠীর সংস্কৃতি।

মোট আয়তন4479 বর্গ কিমি
জনসংখ্যা৪,৮১,১০৯
সাক্ষরতার হার৬১.২%
উপজেলা সংখ্যা7টি
যাতায়াত সময়৭–৮ ঘণ্টা
প্রধান নদ-নদীসাঙ্গু, মাতামুহুরী

ভৌগোলিক সীমানা ও ঐতিহাসিক প্রেক্ষাপট

নামকরণের ইতিহাস

লোককাহিনি অনুযায়ী, একসময় এখানে অনেক বানর (বান্দর) ছিল। তারা একে অপরকে ধরে সাঁকো বা 'বান' বানিয়ে ছড়া পার হত। সেই 'বান্দরের বান' থেকে নাম হয় বান্দরবান।

চারদিকের ভৌগোলিক সীমানা

উত্তর দিকরাঙ্গামাটি জেলা
দক্ষিণ দিকমায়ানমারের আরাকান রাজ্য
পূর্ব দিকমায়ানমার সীমান্ত ও ভারতের মিজোরাম
পশ্চিম দিকচট্টগ্রাম ও কক্সবাজার জেলা

মুক্তিযুদ্ধ ও স্বাধীনতা সংগ্রাম

সেক্টর ১

১৯৭১ সালে মহান মুক্তিযুদ্ধে বান্দরবান জেলার বীর মুক্তিযোদ্ধারা সেক্টর ১-এর অধীনে দখলদার পাকিস্তানি বাহিনীর বিরুদ্ধে সম্মুখ সমর ও গেরিলা প্রতিরোধ গড়ে তোলেন।

ঐতিহাসিক ও বিশিষ্ট ব্যক্তিবর্গ

বোমাং রাজা ক্য শৈ প্রুবীর মুক্তিযোদ্ধা বীর কুমার চাকমারাজনীতিবিদ বীর বাহাদুর উশৈসিং

বান্দরবান জেলা কেন বিখ্যাত ও ঐতিহাসিক বিশেষত্ব

ঐতিহ্য ও জাতীয় অবদান
1

বাংলাদেশের সর্বোচ্চ পর্বতশৃঙ্গ তাজিংডং ও কেউক্রাডংয়ের অবস্থান

2

নীলগিরি, নীলাচল ও চিম্বুক পাহাড়ের মেঘের ভেলা দেখার অপার সৌধ

3

স্বচ্ছ নীল জলের রহস্যময় বগালেক ও নাফাখুম-আমিয়াখুম জলপ্রপাত

4

বম, মারমা, ম্রোসহ ১১টি ক্ষুদ্র নৃগোষ্ঠীর বর্ণাঢ্য সাংস্কৃতিক ঐতিহ্য ও বৌদ্ধ স্বর্ণমন্দির

শীর্ষ শিক্ষা প্রতিষ্ঠান হাব (অবস্থান ও ক্যাম্পাস)

বিশ্ববিদ্যালয়, মেডিকেল, কলেজ ও স্কুল
বিশ্ববিদ্যালয়সমূহ
  • বান্দরবান বিশ্ববিদ্যালয় (BUB)ক্যাম্পাস: বান্দরবান সদর ও সংলগ্ন এলাকা
মেডিকেল ও নার্সিং
  • বান্দরবান মেডিকেল কলেজ (প্রস্তাবিত/সদর হাসপাতাল সংলগ্ন)অবস্থান: হাসপাতাল রোড / মেডিকেল চত্বর, বান্দরবান
ঐতিহ্যবাহী সেরা কলেজ
  • বান্দরবান সরকারি কলেজ (১৯৭৫)অবস্থান: কলেজ রোড, বান্দরবান
  • বান্দরবান সরকারি মহিলা কলেজঅবস্থান: কলেজ রোড, বান্দরবান
শতবর্ষী ও সেরা স্কুল
  • বান্দরবান সরকারি উচ্চ বিদ্যালয় (১৯৫২)অবস্থান: স্কুল মোড় / জেলা সদর, বান্দরবান
  • বান্দরবান সরকারি বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়অবস্থান: স্কুল মোড় / জেলা সদর, বান্দরবান

জেলা প্রশাসন, সরকারি দপ্তর ও পূর্ণাঙ্গ ঠিকানা ডিরেক্টরি

অফিস সময়: রবিবার - বৃহস্পতিবার, সকাল ৯:০০ - বিকাল ৫:০০
জেলা প্রশাসকের কার্যালয়, বান্দরবান
প্রশাসন

পূর্ণ ঠিকানা: কালেক্টরেট ভবন ও জেলা প্রশাসন চত্বর, বান্দরবান সদর

ই-সেবাকেন্দ্র ও ফ্রন্টডেস্ক সার্বক্ষণিক উন্মুক্ত

পুলিশ সুপারের কার্যালয় ও ২৪/৭ কন্ট্রোল রুম, বান্দরবান
২৪/৭ নিরাপত্তা

পূর্ণ ঠিকানা: পুলিশ লাইনস ও এসপি কার্যালয় রোড, বান্দরবান

পুলিশ কন্ট্রোল রুম ও জরুরি ডিউটি অফিসার ২৪ ঘণ্টা সচল

সিভিল সার্জন কার্যালয় ও ২৫০ শয্যা জেনারেল হাসপাতাল, বান্দরবান
জরুরি স্বাস্থ্য

পূর্ণ ঠিকানা: সদর হাসপাতাল রোড, বান্দরবান সদর

জরুরি বিভাগ (Emergency) ও অ্যাম্বুলেন্স ২৪/৭ সেবা

জেলা ও দায়রা জজ আদালত
বিচার বিভাগ

পূর্ণ ঠিকানা: জজ কোর্ট চত্বর, আদালত রোড, বান্দরবান সদর

সরকারি আইনি সহায়তা (লিগ্যাল এইড) ও ফৌজদারি-দেওয়ানি আদালত ভবন।

আইনি সহায়তা হটলাইন:১৬৪৩০ (টোল ফ্রি)
আঞ্চলিক পাসপোর্ট অফিস, বান্দরবান
নাগরিক সেবা

পূর্ণ ঠিকানা: আঞ্চলিক পাসপোর্ট ভবন, বান্দরবান সদর

ই-পাসপোর্ট আবেদন, বায়োমেট্রিক এনরোলমেন্ট ও পাসপোর্ট বিতরণ।

ফায়ার সার্ভিস ও সিভিল ডিফেন্স স্টেশন
জরুরি উদ্ধার

পূর্ণ ঠিকানা: ফায়ার স্টেশন রোড, বান্দরবান সদর

অগ্নিনির্বাপণ, নদী ও সড়ক দুর্ঘটনা উদ্ধারকারী স্পেশাল টিম ২৪ ঘণ্টা প্রস্তুত।

জরুরি হটলাইন:১০৬৫৫ / ৯৯৯
জেলা পরিষদ কার্যালয়
স্থানীয় সরকার

পূর্ণ ঠিকানা: জেলা পরিষদ ভবন, বান্দরবান সদর

গ্রামীণ অবকাঠামো উন্নয়ন, নাগরিক কল্যাণ ও জেলা পরিষদ ডাকবাংলো পরিচালনা।

সেবা সময়:রবি-বৃহস্পতি সকাল ৯টা - বিকাল ৫টা

আবাসিক হোটেল, রিসোর্ট ও সরকারি সার্কিট হাউস গাইড

বান্দরবান জেলায় কোথায় থাকবেন, সঠিক লোকেশন ও সম্ভাব্য ভাড়া
জেলা সার্কিট হাউসসরকারি ভিআইপি

ঠিকানা: সার্কিট হাউস রোড, কালেক্টরেট চত্বর সংলগ্ন, বান্দরবান সদর।

ভাড়া: ৳৪০০ - ৳৮০০ (অনুমোদন সাপেক্ষে)

জেলা প্রশাসকের কার্যালয়ের নেজারত শাখা থেকে বুকিং নিতে হয়।

৩-স্টার ও সিটি হোটেলস্ট্যান্ডার্ড

ঠিকানা: কেন্দ্রীয় বাস টার্মিনাল, স্টেশন রোড ও শহরের মূল বাণিজ্যিক কেন্দ্র।

ভাড়া: ৳১,২০০ - ৳৩,০০০ / রাত

এসি/নন-এসি রুম, ২৪/৭ জেনারেটর ব্যাকআপ, ওয়াইফাই ও লিফট সুবিধা।

পর্যটন মোটেল ও রিসোর্টইকো ও পর্যটন

ঠিকানা: নদী তীরবর্তী এলাকা, বনভূমি সংলগ্ন বা প্রধান পর্যটন স্পট রোড।

ভাড়া: ৳২,০০০ - ৳৫,৫০০ / রাত

বাংলাদেশ পর্যটন কর্পোরেশন (BPC) মোটেল ও প্রাইভেট ইকো-রিসোর্ট।

বাজেট হোটেল ও ডাকবাংলোবাজেট ফ্রেন্ডলি

ঠিকানা: পুরাতন বাজার মোড়, জেলা পরিষদ চত্বর ও লঞ্চঘাট/স্টেশন সংলগ্ন।

ভাড়া: ৳৫০০ - ৳১,০০০ / রাত

একক পর্যটক ও ছাত্রছাত্রীদের জন্য সাশ্রয়ী থাকার ব্যবস্থা।

টিপস: যেকোনো হোটেলে চেক-ইন করার সময় জাতীয় পরিচয়পত্র (NID) অথবা জন্মনিবন্ধন কার্ডের ফটোকপি প্রদর্শন করতে হয়। ছুটির দিনে ভ্রমণের পূর্বে অগ্রিম যোগাযোগ করে বুকিং নিশ্চিত করা ভালো।

ঐতিহ্যবাহী বিখ্যাত খাবার ও জিআই পণ্য

ঐতিহ্যবাহী খাবার:

পাহাড়ি বাঁশকোড়ল ভাজি, পাহাড়ি পেঁপে-কলা ও ঐতিহ্যবাহী জুস

সরকার ও আন্তর্জাতিকভাবে স্বীকৃত জিআই (GI) পণ্যসমূহ:
🌟 বান্দরবানের পাহাড়ি হলুদ ও কাজুবাদাম

প্রধান দর্শনীয় স্থানসমূহ (8টি) ও পৌঁছানোর রুট

সঠিক লোকেশন, যাতায়াত রুট ও খরচ

নীলগিরি

প্রায় ২,২০০ ফুট উঁচুতে; ভোরে মেঘ পায়ের নিচে দেখা যায়।

যাওয়ার উপায়: বান্দরবান শহর থেকে চাঁদের গাড়িতে প্রায় ৪৫ কিমি, ২ ঘণ্টা।

সেরা সময়: জুন–নভেম্বর (মেঘ দেখার জন্য); শীতে পরিষ্কার আকাশ

প্রবেশ ফি / খরচ: প্রবেশ ফি সামান্য; চাঁদের গাড়ি রিজার্ভ ৪,০০০–৬,০০০৳ (যাওয়া-আসা)

নীলাচল

শহরের কাছের পাহাড়চূড়া; সূর্যাস্ত আর পাহাড়ের সারির দৃশ্য।

যাওয়ার উপায়: বান্দরবান শহর থেকে প্রায় ৬ কিমি; সিএনজিতে।

সেরা সময়: অক্টোবর–মার্চ; বিকেল

প্রবেশ ফি / খরচ: সামান্য প্রবেশ ফি; সিএনজি যাওয়া-আসা ৫০০–৭০০৳

স্বর্ণমন্দির (বুদ্ধ ধাতু জাদি)

পাহাড়চূড়ায় সোনালি রঙের থেরবাদী বৌদ্ধ মন্দির।

যাওয়ার উপায়: বান্দরবান শহর থেকে প্রায় ৪ কিমি, বালাঘাটায়।

সেরা সময়: অক্টোবর–মার্চ

প্রবেশ ফি / খরচ: সামান্য প্রবেশ ফি

বগা লেক

প্রায় ১,২০০ ফুট উঁচুতে প্রাকৃতিক লেক; কেওক্রাডং যাওয়ার পথে থাকা যায়।

যাওয়ার উপায়: রুমা বাজার থেকে চাঁদের গাড়ি/হেঁটে; আর্মি ক্যাম্পে নাম নিবন্ধন ও গাইড বাধ্যতামূলক।

সেরা সময়: অক্টোবর–মার্চ

প্রবেশ ফি / খরচ: গাইড দিনে ১,০০০–১,৫০০৳; কটেজে জনপ্রতি ২০০–৫০০৳

কেওক্রাডং

দেশের অন্যতম উঁচু পাহাড়চূড়া; ট্রেকারদের প্রিয় গন্তব্য।

যাওয়ার উপায়: বগা লেক থেকে গাইডসহ ৩–৪ ঘণ্টা ট্রেক।

সেরা সময়: অক্টোবর–ফেব্রুয়ারি

প্রবেশ ফি / খরচ: প্যাকেজ ট্যুরে জনপ্রতি ৫,০০০–৮,০০০৳

নাফাখুম জলপ্রপাত

সাঙ্গু নদীর উপর দেশের বড় জলপ্রপাতগুলোর একটি।

যাওয়ার উপায়: থানচি থেকে নৌকায় রেমাক্রি, তারপর ২–৩ ঘণ্টা হাঁটা; গাইড বাধ্যতামূলক।

সেরা সময়: সেপ্টেম্বর–নভেম্বর (পানি ও নিরাপত্তা দুটোই ভালো)

প্রবেশ ফি / খরচ: প্যাকেজে জনপ্রতি ৬,০০০–১০,০০০৳ (নৌকা, গাইড, থাকা)

মেঘলা পর্যটন কমপ্লেক্স

লেক, ঝুলন্ত সেতু আর ক্যাবল কার নিয়ে পরিবার নিয়ে ঘোরার জায়গা।

যাওয়ার উপায়: বান্দরবান শহর থেকে প্রায় ৪ কিমি।

সেরা সময়: সারা বছর

প্রবেশ ফি / খরচ: সামান্য প্রবেশ ফি; ক্যাবল কার ও নৌকা আলাদা

চিম্বুক পাহাড়

নীলগিরির পথে উঁচু পাহাড়; ম্রো গ্রাম আর মেঘের দৃশ্য।

যাওয়ার উপায়: নীলগিরির পথে, শহর থেকে প্রায় ২৬ কিমি।

সেরা সময়: জুন–নভেম্বর

প্রবেশ ফি / খরচ: সামান্য প্রবেশ ফি

ঢাকা ও দেশের যেকোনো প্রান্ত থেকে বান্দরবান যাওয়ার রুট গাইড

দূরত্ব: 330 কিমি • আনুমানিক সময়: ৭–৮ ঘণ্টা
বাস সার্ভিস (সরাসরি)

ঢাকা (গাবতলী, মহাখালী বা সায়েদাবাদ বাস টার্মিনাল) থেকে বান্দরবান সদরের উদ্দেশ্যে দিন-রাত নিয়মিত নন-এসি ও এসি বাস চলাচল করে।

ভাড়া: ৳৩৫০ - ৳১,২০০ (কোচ ও এসি সাপেক্ষে)
রেল যোগাযোগ ও এক্সপ্রেস ট্রেন

কমলাপুর ও ঢাকা বিমানবন্দর রেলওয়ে স্টেশন থেকে আন্তঃনগর এক্সপ্রেস ট্রেনে সরাসরি বা নিকটস্থ রেলওয়ে জংশনে আরামদায়ক যাত্রা করা যায়।

শোভন চেয়ার: ৳১৮০ - ৳৬৫০ (দূরত্ব অনুযায়ী)
নিজস্ব গাড়ি ও মহাসড়ক রুট

জাতীয় মহাসড়ক ব্যবহার করে ব্যক্তিগত গাড়ি, হাইস বা রেন্ট-এ-কারে পরিবারের সাথে নিরাপদ ও দ্রুত সরাসরি পৌঁছানো যায়।

সিএনজি/পেট্রল খরচ: দূরত্ব অনুযায়ী ৩,০০০৳ - ৮,০০০৳
স্থানীয় যাতায়াত টিপস: সায়েদাবাদ/কলাবাগান থেকে সরাসরি শ্যামলী, হানিফ, এস আলম, সেন্টমার্টিন পরিবহন; নন-এসি ৮৫০–১,০০০৳, এসি ১,৫০০–২,০০০৳। • চট্টগ্রাম থেকে বান্দরবান বাসে প্রায় ২.৫ ঘণ্টা।
স্মার্ট ভ্রমণ নির্দেশিকা ও এস্টিমেটর

আন্তঃজেলা দূরত্ব ও ভ্রমণ খরচ ক্যালকুলেটর

বাংলাদেশের যেকোনো জেলা থেকে অন্য জেলায় যেতে কত খরচ ও কত সময় লাগবে এক ক্লিকে জানুন

যাত্রীর সংখ্যা:
সড়ক দূরত্ব
338কিলোমিটার

ঢাকা থেকে বান্দরবান সড়কপথের আনুমানিক দূরত্ব।

আনুমানিক সময়
7.5 ঘণ্টা

যানজট ও যাত্রাবিরতি সহ বাসে সম্ভাব্য পৌঁছানোর সময়কাল।

বাস ভাড়া
৳ 727 — 1234

নন-এসি: ৳727 | এসি: ৳1234 (জনপ্রতি)।

ট্রেন ভাড়া (শোভন)
৳ 507

বাংলাদেশ রেলওয়ে আন্তঃনগর শোভন চেয়ারের সম্ভাব্য ভাড়া।

বান্দরবান জেলায় কোথায় থাকবেন ও সম্ভাব্য খরচ

খরচ: জনপ্রতি দিনে ২,০০০–৪,৫০০৳; চাঁদের গাড়ি ভাগাভাগি করলে কম

সাইরু হিল রিসোর্ট (বিলাসবহুল) • নীলগিরি রিসোর্ট (সেনাবাহিনী পরিচালিত, আগে বুকিং লাগে) • বান্দরবান শহরে হোটেল হিল ভিউসহ মাঝারি মানের হোটেল (৳১,৫০০–৩,৫০০)

বিসিএস ও এডমিশন সাধারণ জ্ঞান (GK) প্রশ্নোত্তর

1

বান্দরবান জেলা বাংলাদেশের কোন বিভাগে অবস্থিত?

উত্তর: চট্টগ্রাম বিভাগে।

বান্দরবান বাংলাদেশের চট্টগ্রাম বিভাগের অন্যতম প্রধান প্রশাসনিক ও সাংস্কৃতিক জেলা।

2

বান্দরবান জেলার ভৌগোলিক সীমানায় উত্তরে কোন অঞ্চল রয়েছে?

উত্তর: রাঙ্গামাটি জেলা।

ভৌগোলিক অবস্থান অনুযায়ী বান্দরবান জেলার উত্তরে রাঙ্গামাটি জেলা অবস্থিত।

3

বান্দরবান জেলার প্রধান নদ-নদী কোনগুলো?

উত্তর: সাঙ্গু, মাতামুহুরী, বাকখালী।

এসব নদী বান্দরবান জেলার কৃষি, পলি ও মৎস্য সম্পদের মূল ভিত্তি।

4

বান্দরবান জেলা মুক্তিযুদ্ধকালীন কোন সেক্টরের অধীনে ছিল?

উত্তর: সেক্টর ১।

১৯৭১ সালের মহান স্বাধীনতা যুদ্ধে এই অঞ্চল সেক্টর ১-এর অন্তর্ভুক্ত ছিল।

5

বান্দরবান জেলার বিখ্যাত ঐতিহ্যবাহী খাবার ও বিশেষত্ব কী?

উত্তর: পাহাড়ি বাঁশকোড়ল ভাজি, পাহাড়ি পেঁপে-কলা ও ঐতিহ্যবাহী জুস।

দেশজুড়ে খাদ্যরসিক ও পর্যটকদের কাছে এটি বিশেষভাবে সুপরিচিত।

চট্টগ্রাম বিভাগের অন্যান্য জেলাসমূহ

৬৪ জেলার সম্পূর্ণ ইন্টারঅ্যাক্টিভ মানচিত্র এক্সপ্লোর করুন

আপনার ভ্রমণ করা জেলাগুলো সিলেক্ট করে নিজের রঙিন ট্রাভেল ম্যাপ ডাউনলোড করুন এবং বাকি জেলাগুলোর তথ্য দেখুন।