ঢাকা বিভাগস্থানাঙ্ক: 23.63366° N, 90.496482° Eঢাকা থেকে দূরত্ব: 20 কিমি

নারায়াণগঞ্জ জেলা(Narayanganj)

শীতলক্ষ্যার তীরে বন্দর শহর; প্রাচীন রাজধানী সোনারগাঁও আর মুঘল জলদুর্গের জন্য বিখ্যাত।

মোট আয়তন759 বর্গ কিমি
জনসংখ্যা৩৯,০৯,১৩৮
সাক্ষরতার হার৮১.৯%
উপজেলা সংখ্যা6টি
যাতায়াত সময়১ ঘণ্টা
প্রধান নদ-নদীশীতলক্ষ্যা, মেঘনা

ভৌগোলিক সীমানা ও ঐতিহাসিক প্রেক্ষাপট

নামকরণের ইতিহাস

১৭৬৬ সালে হিন্দু ধর্মগুরু বিকন লাল পান্ডে (বেণুর ঠাকুর) ইস্ট ইন্ডিয়া কোম্পানির কাছ থেকে এলাকার মালিকানা পেয়ে শীতলক্ষ্যার তীরের বাজারটি দেবতা নারায়ণের সেবায় দান করেন। সেই থেকে নাম নারায়ণগঞ্জ।

চারদিকের ভৌগোলিক সীমানা

উত্তর দিকনরসিংদী ও গাজীপুর জেলা
দক্ষিণ দিকমুন্সীগঞ্জ জেলা
পূর্ব দিকব্রাহ্মণবাড়িয়া ও কুমিল্লা জেলা
পশ্চিম দিকঢাকা জেলা

মুক্তিযুদ্ধ ও স্বাধীনতা সংগ্রাম

সেক্টর ২

১৯৭১ সালে মহান মুক্তিযুদ্ধে নারায়াণগঞ্জ জেলার বীর মুক্তিযোদ্ধারা সেক্টর ২-এর অধীনে দখলদার পাকিস্তানি বাহিনীর বিরুদ্ধে সম্মুখ সমর ও গেরিলা প্রতিরোধ গড়ে তোলেন।

ঐতিহাসিক ও বিশিষ্ট ব্যক্তিবর্গ

বীরশ্রেষ্ঠ মতিউর রহমানশিল্পাচার্য জয়নুল আবেদিন (লোকশিল্প জাদুঘর প্রতিষ্ঠাতা)এ কে এম শামসুজ্জোহাসেলিনা হায়াৎ আইভী

নারায়াণগঞ্জ জেলা কেন বিখ্যাত ও ঐতিহাসিক বিশেষত্ব

ঐতিহ্য ও জাতীয় অবদান
1

প্রাচ্যের ড্যান্ডিখ্যাত পাট বাণিজ্য, নিটওয়্যার ও টেক্সটাইল রপ্তানির প্রাণকেন্দ্র

2

ঐতিহাসিক সোনারগাঁয়ের প্রাচীন পানাম নগর ও লোক ও কারুশিল্প জাদুঘর

3

ইউনেস্কো স্বীকৃত জিআই ঐতিহ্য ঢাকাই জামদানি পল্লী (রূপগঞ্জ ও কাঁচপুর)

4

হযরত বাবা সালেহ দরগাহ ও শীতলক্ষ্যা নদীর দুই তীরের নৌ বন্দর সংস্কৃতি

শীর্ষ শিক্ষা প্রতিষ্ঠান হাব (অবস্থান ও ক্যাম্পাস)

বিশ্ববিদ্যালয়, মেডিকেল, কলেজ ও স্কুল
বিশ্ববিদ্যালয়সমূহ
  • নারায়ণগঞ্জ ইঞ্জিনিয়ারিং কলেজ (প্রস্তাবিত)ক্যাম্পাস: নারায়াণগঞ্জ সদর ও সংলগ্ন এলাকা
  • সরকারি তোলারাম বিশ্ববিদ্যালয় কলেজক্যাম্পাস: নারায়াণগঞ্জ সদর ও সংলগ্ন এলাকা
মেডিকেল ও নার্সিং
  • নারায়ণগঞ্জ মেডিকেল কলেজ (প্রস্তাবিত/সদর জেনারেল হাসপাতাল সংলগ্ন)অবস্থান: হাসপাতাল রোড / মেডিকেল চত্বর, নারায়াণগঞ্জ
ঐতিহ্যবাহী সেরা কলেজ
  • সরকারি তোলারাম কলেজ (১৯৩৭)অবস্থান: কলেজ রোড, নারায়াণগঞ্জ
  • নারায়ণগঞ্জ সরকারি মহিলা কলেজঅবস্থান: কলেজ রোড, নারায়াণগঞ্জ
শতবর্ষী ও সেরা স্কুল
  • নারায়ণগঞ্জ হাই স্কুল অ্যান্ড কলেজ (১৮৮৫)অবস্থান: স্কুল মোড় / জেলা সদর, নারায়াণগঞ্জ
  • মর্গ্যান বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়অবস্থান: স্কুল মোড় / জেলা সদর, নারায়াণগঞ্জ

জেলা প্রশাসন, সরকারি দপ্তর ও পূর্ণাঙ্গ ঠিকানা ডিরেক্টরি

অফিস সময়: রবিবার - বৃহস্পতিবার, সকাল ৯:০০ - বিকাল ৫:০০
জেলা প্রশাসকের কার্যালয়, নারায়াণগঞ্জ
প্রশাসন

পূর্ণ ঠিকানা: কালেক্টরেট ভবন ও জেলা প্রশাসন চত্বর, নারায়াণগঞ্জ সদর

ই-সেবাকেন্দ্র ও ফ্রন্টডেস্ক সার্বক্ষণিক উন্মুক্ত

পুলিশ সুপারের কার্যালয় ও ২৪/৭ কন্ট্রোল রুম, নারায়াণগঞ্জ
২৪/৭ নিরাপত্তা

পূর্ণ ঠিকানা: পুলিশ লাইনস ও এসপি কার্যালয় রোড, নারায়াণগঞ্জ

পুলিশ কন্ট্রোল রুম ও জরুরি ডিউটি অফিসার ২৪ ঘণ্টা সচল

সিভিল সার্জন কার্যালয় ও ২৫০ শয্যা জেনারেল হাসপাতাল, নারায়াণগঞ্জ
জরুরি স্বাস্থ্য

পূর্ণ ঠিকানা: সদর হাসপাতাল রোড, নারায়াণগঞ্জ সদর

জরুরি বিভাগ (Emergency) ও অ্যাম্বুলেন্স ২৪/৭ সেবা

জেলা ও দায়রা জজ আদালত
বিচার বিভাগ

পূর্ণ ঠিকানা: জজ কোর্ট চত্বর, আদালত রোড, নারায়াণগঞ্জ সদর

সরকারি আইনি সহায়তা (লিগ্যাল এইড) ও ফৌজদারি-দেওয়ানি আদালত ভবন।

আইনি সহায়তা হটলাইন:১৬৪৩০ (টোল ফ্রি)
আঞ্চলিক পাসপোর্ট অফিস, নারায়াণগঞ্জ
নাগরিক সেবা

পূর্ণ ঠিকানা: আঞ্চলিক পাসপোর্ট ভবন, নারায়াণগঞ্জ সদর

ই-পাসপোর্ট আবেদন, বায়োমেট্রিক এনরোলমেন্ট ও পাসপোর্ট বিতরণ।

ফায়ার সার্ভিস ও সিভিল ডিফেন্স স্টেশন
জরুরি উদ্ধার

পূর্ণ ঠিকানা: ফায়ার স্টেশন রোড, নারায়াণগঞ্জ সদর

অগ্নিনির্বাপণ, নদী ও সড়ক দুর্ঘটনা উদ্ধারকারী স্পেশাল টিম ২৪ ঘণ্টা প্রস্তুত।

জরুরি হটলাইন:১০৬৫৫ / ৯৯৯
জেলা পরিষদ কার্যালয়
স্থানীয় সরকার

পূর্ণ ঠিকানা: জেলা পরিষদ ভবন, নারায়াণগঞ্জ সদর

গ্রামীণ অবকাঠামো উন্নয়ন, নাগরিক কল্যাণ ও জেলা পরিষদ ডাকবাংলো পরিচালনা।

সেবা সময়:রবি-বৃহস্পতি সকাল ৯টা - বিকাল ৫টা

আবাসিক হোটেল, রিসোর্ট ও সরকারি সার্কিট হাউস গাইড

নারায়াণগঞ্জ জেলায় কোথায় থাকবেন, সঠিক লোকেশন ও সম্ভাব্য ভাড়া
জেলা সার্কিট হাউসসরকারি ভিআইপি

ঠিকানা: সার্কিট হাউস রোড, কালেক্টরেট চত্বর সংলগ্ন, নারায়াণগঞ্জ সদর।

ভাড়া: ৳৪০০ - ৳৮০০ (অনুমোদন সাপেক্ষে)

জেলা প্রশাসকের কার্যালয়ের নেজারত শাখা থেকে বুকিং নিতে হয়।

৩-স্টার ও সিটি হোটেলস্ট্যান্ডার্ড

ঠিকানা: কেন্দ্রীয় বাস টার্মিনাল, স্টেশন রোড ও শহরের মূল বাণিজ্যিক কেন্দ্র।

ভাড়া: ৳১,২০০ - ৳৩,০০০ / রাত

এসি/নন-এসি রুম, ২৪/৭ জেনারেটর ব্যাকআপ, ওয়াইফাই ও লিফট সুবিধা।

পর্যটন মোটেল ও রিসোর্টইকো ও পর্যটন

ঠিকানা: নদী তীরবর্তী এলাকা, বনভূমি সংলগ্ন বা প্রধান পর্যটন স্পট রোড।

ভাড়া: ৳২,০০০ - ৳৫,৫০০ / রাত

বাংলাদেশ পর্যটন কর্পোরেশন (BPC) মোটেল ও প্রাইভেট ইকো-রিসোর্ট।

বাজেট হোটেল ও ডাকবাংলোবাজেট ফ্রেন্ডলি

ঠিকানা: পুরাতন বাজার মোড়, জেলা পরিষদ চত্বর ও লঞ্চঘাট/স্টেশন সংলগ্ন।

ভাড়া: ৳৫০০ - ৳১,০০০ / রাত

একক পর্যটক ও ছাত্রছাত্রীদের জন্য সাশ্রয়ী থাকার ব্যবস্থা।

টিপস: যেকোনো হোটেলে চেক-ইন করার সময় জাতীয় পরিচয়পত্র (NID) অথবা জন্মনিবন্ধন কার্ডের ফটোকপি প্রদর্শন করতে হয়। ছুটির দিনে ভ্রমণের পূর্বে অগ্রিম যোগাযোগ করে বুকিং নিশ্চিত করা ভালো।

ঐতিহ্যবাহী বিখ্যাত খাবার ও জিআই পণ্য

ঐতিহ্যবাহী খাবার:

নারায়ণগঞ্জের ঐতিহ্যবাহী মিষ্টি, চমচম ও সোনারগাঁয়ের রসগোল্লা

সরকার ও আন্তর্জাতিকভাবে স্বীকৃত জিআই (GI) পণ্যসমূহ:
🌟 রূপগঞ্জের জামদানি শাড়ি (জিআই পণ্য)

প্রধান দর্শনীয় স্থানসমূহ (4টি) ও পৌঁছানোর রুট

সঠিক লোকেশন, যাতায়াত রুট ও খরচ

পানাম নগর

উনিশ শতকের বণিকদের দোতলা বাড়ির সারি নিয়ে পরিত্যক্ত ঐতিহাসিক শহর; ছবি তোলার জন্য দারুণ।

যাওয়ার উপায়: মোগরাপাড়া চৌরাস্তা থেকে রিকশায় ২–৩ কিমি।

সেরা সময়: অক্টোবর–মার্চ

প্রবেশ ফি / খরচ: সামান্য প্রবেশ ফি; ঢাকা থেকে বাসে ১০০–১৫০৳ যাওয়া-আসা

লোক ও কারুশিল্প জাদুঘর, সোনারগাঁও

বড় সরদার বাড়িতে অবস্থিত জাদুঘর; লোকশিল্প, নকশিকাঁথা আর লেকঘেরা বাগান।

যাওয়ার উপায়: পানাম নগরের কাছেই; মোগরাপাড়া থেকে রিকশায়।

সেরা সময়: অক্টোবর–মার্চ; জানুয়ারিতে লোকজ উৎসব

প্রবেশ ফি / খরচ: সামান্য প্রবেশ ফি

হাজীগঞ্জ দুর্গ

শীতলক্ষ্যার তীরে মগ ও পর্তুগিজ জলদস্যু ঠেকাতে তৈরি মুঘল জলদুর্গ।

যাওয়ার উপায়: নারায়ণগঞ্জ শহরের হাজীগঞ্জে; রিকশায় যাওয়া যায়।

সেরা সময়: অক্টোবর–মার্চ

প্রবেশ ফি / খরচ: প্রবেশ বিনামূল্যে

সোনাকান্দা দুর্গ

শীতলক্ষ্যার পূর্ব পাড়ে মুঘল আমলের আরেকটি জলদুর্গ, উঁচু কামান মঞ্চের জন্য পরিচিত।

যাওয়ার উপায়: নারায়ণগঞ্জ থেকে খেয়া পার হয়ে বন্দর উপজেলায়।

সেরা সময়: অক্টোবর–মার্চ

প্রবেশ ফি / খরচ: প্রবেশ বিনামূল্যে; খেয়া ভাড়া সামান্য

ঢাকা ও দেশের যেকোনো প্রান্ত থেকে নারায়াণগঞ্জ যাওয়ার রুট গাইড

দূরত্ব: 20 কিমি • আনুমানিক সময়: ১ ঘণ্টা
বাস সার্ভিস (সরাসরি)

ঢাকা (গাবতলী, মহাখালী বা সায়েদাবাদ বাস টার্মিনাল) থেকে নারায়াণগঞ্জ সদরের উদ্দেশ্যে দিন-রাত নিয়মিত নন-এসি ও এসি বাস চলাচল করে।

ভাড়া: ৳৩৫০ - ৳১,২০০ (কোচ ও এসি সাপেক্ষে)
রেল যোগাযোগ ও এক্সপ্রেস ট্রেন

কমলাপুর ও ঢাকা বিমানবন্দর রেলওয়ে স্টেশন থেকে আন্তঃনগর এক্সপ্রেস ট্রেনে সরাসরি বা নিকটস্থ রেলওয়ে জংশনে আরামদায়ক যাত্রা করা যায়।

শোভন চেয়ার: ৳১৮০ - ৳৬৫০ (দূরত্ব অনুযায়ী)
নিজস্ব গাড়ি ও মহাসড়ক রুট

জাতীয় মহাসড়ক ব্যবহার করে ব্যক্তিগত গাড়ি, হাইস বা রেন্ট-এ-কারে পরিবারের সাথে নিরাপদ ও দ্রুত সরাসরি পৌঁছানো যায়।

সিএনজি/পেট্রল খরচ: দূরত্ব অনুযায়ী ৩,০০০৳ - ৮,০০০৳
স্থানীয় যাতায়াত টিপস: গুলিস্তান থেকে নারায়ণগঞ্জ বা মোগরাপাড়া (সোনারগাঁও) বাস, ভাড়া ৩০–৮০৳। • কমলাপুর থেকে নারায়ণগঞ্জ কমিউটার ট্রেন, ভাড়া ২০–৩০৳।
স্মার্ট ভ্রমণ নির্দেশিকা ও এস্টিমেটর

আন্তঃজেলা দূরত্ব ও ভ্রমণ খরচ ক্যালকুলেটর

বাংলাদেশের যেকোনো জেলা থেকে অন্য জেলায় যেতে কত খরচ ও কত সময় লাগবে এক ক্লিকে জানুন

যাত্রীর সংখ্যা:
সড়ক দূরত্ব
17কিলোমিটার

ঢাকা থেকে নারায়াণগঞ্জ সড়কপথের আনুমানিক দূরত্ব।

আনুমানিক সময়
0.4 ঘণ্টা

যানজট ও যাত্রাবিরতি সহ বাসে সম্ভাব্য পৌঁছানোর সময়কাল।

বাস ভাড়া
৳ 100 — 250

নন-এসি: ৳100 | এসি: ৳250 (জনপ্রতি)।

ট্রেন ভাড়া (শোভন)
৳ 80

বাংলাদেশ রেলওয়ে আন্তঃনগর শোভন চেয়ারের সম্ভাব্য ভাড়া।

নারায়াণগঞ্জ জেলায় কোথায় থাকবেন ও সম্ভাব্য খরচ

খরচ: দিনে গিয়ে ফিরলে জনপ্রতি ৫০০–১,৫০০৳

বিসিএস ও এডমিশন সাধারণ জ্ঞান (GK) প্রশ্নোত্তর

1

নারায়াণগঞ্জ জেলা বাংলাদেশের কোন বিভাগে অবস্থিত?

উত্তর: ঢাকা বিভাগে।

নারায়াণগঞ্জ বাংলাদেশের ঢাকা বিভাগের অন্যতম প্রধান প্রশাসনিক ও সাংস্কৃতিক জেলা।

2

নারায়াণগঞ্জ জেলার ভৌগোলিক সীমানায় উত্তরে কোন অঞ্চল রয়েছে?

উত্তর: নরসিংদী ও গাজীপুর জেলা।

ভৌগোলিক অবস্থান অনুযায়ী নারায়াণগঞ্জ জেলার উত্তরে নরসিংদী ও গাজীপুর জেলা অবস্থিত।

3

নারায়াণগঞ্জ জেলার প্রধান নদ-নদী কোনগুলো?

উত্তর: শীতলক্ষ্যা, মেঘনা, ধলেশ্বরী।

এসব নদী নারায়াণগঞ্জ জেলার কৃষি, পলি ও মৎস্য সম্পদের মূল ভিত্তি।

4

নারায়াণগঞ্জ জেলা মুক্তিযুদ্ধকালীন কোন সেক্টরের অধীনে ছিল?

উত্তর: সেক্টর ২।

১৯৭১ সালের মহান স্বাধীনতা যুদ্ধে এই অঞ্চল সেক্টর ২-এর অন্তর্ভুক্ত ছিল।

5

নারায়াণগঞ্জ জেলার বিখ্যাত ঐতিহ্যবাহী খাবার ও বিশেষত্ব কী?

উত্তর: নারায়ণগঞ্জের ঐতিহ্যবাহী মিষ্টি, চমচম ও সোনারগাঁয়ের রসগোল্লা।

দেশজুড়ে খাদ্যরসিক ও পর্যটকদের কাছে এটি বিশেষভাবে সুপরিচিত।

ঢাকা বিভাগের অন্যান্য জেলাসমূহ

৬৪ জেলার সম্পূর্ণ ইন্টারঅ্যাক্টিভ মানচিত্র এক্সপ্লোর করুন

আপনার ভ্রমণ করা জেলাগুলো সিলেক্ট করে নিজের রঙিন ট্রাভেল ম্যাপ ডাউনলোড করুন এবং বাকি জেলাগুলোর তথ্য দেখুন।