ঢাকা বিভাগস্থানাঙ্ক: 23.5422° N, 90.5305° Eঢাকা থেকে দূরত্ব: 27 কিমি

মুন্সিগঞ্জ জেলা(Munshiganj)

প্রাচীন বিক্রমপুর; পদ্মা সেতুর দৃশ্য, মুঘল দুর্গ আর আলুর জন্য বিখ্যাত।

মোট আয়তন954 বর্গ কিমি
জনসংখ্যা১৬,২৫,৪১৬
সাক্ষরতার হার৭৫.৮%
উপজেলা সংখ্যা6টি
যাতায়াত সময়১–১.৫ ঘণ্টা
প্রধান নদ-নদীপদ্মা, মেঘনা

ভৌগোলিক সীমানা ও ঐতিহাসিক প্রেক্ষাপট

নামকরণের ইতিহাস

প্রাচীন নাম বিক্রমপুর, সেন রাজাদের রাজধানী। মুঘল আমলে এক মুন্সী পদবির স্থানীয় প্রভাবশালী ব্যক্তির নামে এখানকার গঞ্জ বা বাজার মুন্সীগঞ্জ নামে পরিচিত হয় বলে প্রচলিত আছে।

চারদিকের ভৌগোলিক সীমানা

উত্তর দিকঢাকা ও নারায়ণগঞ্জ জেলা
দক্ষিণ দিকশরীয়তপুর ও মাদারীপুর জেলা
পূর্ব দিকমেঘনা নদী ও কুমিল্লা-চাঁদপুর জেলা
পশ্চিম দিকপদ্মা নদী ও ফরিদপুর জেলা

মুক্তিযুদ্ধ ও স্বাধীনতা সংগ্রাম

সেক্টর ২

১৯৭১ সালে মহান মুক্তিযুদ্ধে মুন্সিগঞ্জ জেলার বীর মুক্তিযোদ্ধারা সেক্টর ২-এর অধীনে দখলদার পাকিস্তানি বাহিনীর বিরুদ্ধে সম্মুখ সমর ও গেরিলা প্রতিরোধ গড়ে তোলেন।

ঐতিহাসিক ও বিশিষ্ট ব্যক্তিবর্গ

পণ্ডিত অতীশ দীপঙ্কর শ্রীজ্ঞানস্যার জগদীশ চন্দ্র বসুচিত্তরঞ্জন দাশহুমায়ুন আজাদবুদ্ধদেব বসু

মুন্সিগঞ্জ জেলা কেন বিখ্যাত ও ঐতিহাসিক বিশেষত্ব

ঐতিহ্য ও জাতীয় অবদান
1

প্রাচীন বৌদ্ধ ও হিন্দু সভ্যতার ঐতিহ্যমণ্ডিত ঐতিহাসিক বিক্রমপুর জনপদ

2

স্বপ্নের পদ্মা সেতুর উত্তরপ্রান্ত মাওয়া ঘাট ও গরম ভাতের সাথে ভাজা ইলিশ

3

বাংলাদেশের মোট উৎপাদনের সিংহভাগ আলুর রাজধানী ও হিমাগার হাব

4

মুঘল সেনাপতি মীর জুমলার ঐতিহাসিক ইদ্রাকপুর কেল্লা ও অতীশ দীপঙ্করের জন্মভিটা

শীর্ষ শিক্ষা প্রতিষ্ঠান হাব (অবস্থান ও ক্যাম্পাস)

বিশ্ববিদ্যালয়, মেডিকেল, কলেজ ও স্কুল
বিশ্ববিদ্যালয়সমূহ
  • বিক্রমপুর বৌদ্ধ বিশ্ববিদ্যালয় (প্রস্তাবিত)ক্যাম্পাস: মুন্সিগঞ্জ সদর ও সংলগ্ন এলাকা
মেডিকেল ও নার্সিং
  • মুন্সীগঞ্জ মেডিকেল কলেজ (প্রস্তাবিত/সদর ২৫০ শয্যা সংলগ্ন)অবস্থান: হাসপাতাল রোড / মেডিকেল চত্বর, মুন্সিগঞ্জ
ঐতিহ্যবাহী সেরা কলেজ
  • সরকারি হরগঙ্গা কলেজ (১৯৩৮)অবস্থান: কলেজ রোড, মুন্সিগঞ্জ
  • বিক্রমপুর আদর্শ কলেজঅবস্থান: কলেজ রোড, মুন্সিগঞ্জ
শতবর্ষী ও সেরা স্কুল
  • মুন্সীগঞ্জ বহুমুখী উচ্চ বিদ্যালয় (১৮৮৫)অবস্থান: স্কুল মোড় / জেলা সদর, মুন্সিগঞ্জ
  • এভিজেএম সরকারি বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়অবস্থান: স্কুল মোড় / জেলা সদর, মুন্সিগঞ্জ

জেলা প্রশাসন, সরকারি দপ্তর ও পূর্ণাঙ্গ ঠিকানা ডিরেক্টরি

অফিস সময়: রবিবার - বৃহস্পতিবার, সকাল ৯:০০ - বিকাল ৫:০০
জেলা প্রশাসকের কার্যালয়, মুন্সিগঞ্জ
প্রশাসন

পূর্ণ ঠিকানা: কালেক্টরেট ভবন ও জেলা প্রশাসন চত্বর, মুন্সিগঞ্জ সদর

ই-সেবাকেন্দ্র ও ফ্রন্টডেস্ক সার্বক্ষণিক উন্মুক্ত

পুলিশ সুপারের কার্যালয় ও ২৪/৭ কন্ট্রোল রুম, মুন্সিগঞ্জ
২৪/৭ নিরাপত্তা

পূর্ণ ঠিকানা: পুলিশ লাইনস ও এসপি কার্যালয় রোড, মুন্সিগঞ্জ

পুলিশ কন্ট্রোল রুম ও জরুরি ডিউটি অফিসার ২৪ ঘণ্টা সচল

সিভিল সার্জন কার্যালয় ও ২৫০ শয্যা জেনারেল হাসপাতাল, মুন্সিগঞ্জ
জরুরি স্বাস্থ্য

পূর্ণ ঠিকানা: সদর হাসপাতাল রোড, মুন্সিগঞ্জ সদর

জরুরি বিভাগ (Emergency) ও অ্যাম্বুলেন্স ২৪/৭ সেবা

জেলা ও দায়রা জজ আদালত
বিচার বিভাগ

পূর্ণ ঠিকানা: জজ কোর্ট চত্বর, আদালত রোড, মুন্সিগঞ্জ সদর

সরকারি আইনি সহায়তা (লিগ্যাল এইড) ও ফৌজদারি-দেওয়ানি আদালত ভবন।

আইনি সহায়তা হটলাইন:১৬৪৩০ (টোল ফ্রি)
আঞ্চলিক পাসপোর্ট অফিস, মুন্সিগঞ্জ
নাগরিক সেবা

পূর্ণ ঠিকানা: আঞ্চলিক পাসপোর্ট ভবন, মুন্সিগঞ্জ সদর

ই-পাসপোর্ট আবেদন, বায়োমেট্রিক এনরোলমেন্ট ও পাসপোর্ট বিতরণ।

ফায়ার সার্ভিস ও সিভিল ডিফেন্স স্টেশন
জরুরি উদ্ধার

পূর্ণ ঠিকানা: ফায়ার স্টেশন রোড, মুন্সিগঞ্জ সদর

অগ্নিনির্বাপণ, নদী ও সড়ক দুর্ঘটনা উদ্ধারকারী স্পেশাল টিম ২৪ ঘণ্টা প্রস্তুত।

জরুরি হটলাইন:১০৬৫৫ / ৯৯৯
জেলা পরিষদ কার্যালয়
স্থানীয় সরকার

পূর্ণ ঠিকানা: জেলা পরিষদ ভবন, মুন্সিগঞ্জ সদর

গ্রামীণ অবকাঠামো উন্নয়ন, নাগরিক কল্যাণ ও জেলা পরিষদ ডাকবাংলো পরিচালনা।

সেবা সময়:রবি-বৃহস্পতি সকাল ৯টা - বিকাল ৫টা

আবাসিক হোটেল, রিসোর্ট ও সরকারি সার্কিট হাউস গাইড

মুন্সিগঞ্জ জেলায় কোথায় থাকবেন, সঠিক লোকেশন ও সম্ভাব্য ভাড়া
জেলা সার্কিট হাউসসরকারি ভিআইপি

ঠিকানা: সার্কিট হাউস রোড, কালেক্টরেট চত্বর সংলগ্ন, মুন্সিগঞ্জ সদর।

ভাড়া: ৳৪০০ - ৳৮০০ (অনুমোদন সাপেক্ষে)

জেলা প্রশাসকের কার্যালয়ের নেজারত শাখা থেকে বুকিং নিতে হয়।

৩-স্টার ও সিটি হোটেলস্ট্যান্ডার্ড

ঠিকানা: কেন্দ্রীয় বাস টার্মিনাল, স্টেশন রোড ও শহরের মূল বাণিজ্যিক কেন্দ্র।

ভাড়া: ৳১,২০০ - ৳৩,০০০ / রাত

এসি/নন-এসি রুম, ২৪/৭ জেনারেটর ব্যাকআপ, ওয়াইফাই ও লিফট সুবিধা।

পর্যটন মোটেল ও রিসোর্টইকো ও পর্যটন

ঠিকানা: নদী তীরবর্তী এলাকা, বনভূমি সংলগ্ন বা প্রধান পর্যটন স্পট রোড।

ভাড়া: ৳২,০০০ - ৳৫,৫০০ / রাত

বাংলাদেশ পর্যটন কর্পোরেশন (BPC) মোটেল ও প্রাইভেট ইকো-রিসোর্ট।

বাজেট হোটেল ও ডাকবাংলোবাজেট ফ্রেন্ডলি

ঠিকানা: পুরাতন বাজার মোড়, জেলা পরিষদ চত্বর ও লঞ্চঘাট/স্টেশন সংলগ্ন।

ভাড়া: ৳৫০০ - ৳১,০০০ / রাত

একক পর্যটক ও ছাত্রছাত্রীদের জন্য সাশ্রয়ী থাকার ব্যবস্থা।

টিপস: যেকোনো হোটেলে চেক-ইন করার সময় জাতীয় পরিচয়পত্র (NID) অথবা জন্মনিবন্ধন কার্ডের ফটোকপি প্রদর্শন করতে হয়। ছুটির দিনে ভ্রমণের পূর্বে অগ্রিম যোগাযোগ করে বুকিং নিশ্চিত করা ভালো।

ঐতিহ্যবাহী বিখ্যাত খাবার ও জিআই পণ্য

ঐতিহ্যবাহী খাবার:

মাওয়া ঘাটের পদ্মার তাজা ইলিশ ভাজা, ভাগ্যকুলের মিষ্টি ও পাতাক্ষীর

সরকার ও আন্তর্জাতিকভাবে স্বীকৃত জিআই (GI) পণ্যসমূহ:
🌟 বিক্রমপুরের ভাগ্যকুলের মিষ্টি ও পদ্মার ইলিশ

প্রধান দর্শনীয় স্থানসমূহ (4টি) ও পৌঁছানোর রুট

সঠিক লোকেশন, যাতায়াত রুট ও খরচ

পদ্মা সেতু ভিউ পয়েন্ট, মাওয়া

দেশের সবচেয়ে বড় সেতু পদ্মা সেতুর চমৎকার দৃশ্য; নদীর পাড়ে ইলিশ ভাজা খাওয়ার জনপ্রিয় জায়গা।

যাওয়ার উপায়: ঢাকা থেকে এক্সপ্রেসওয়ে ধরে মাওয়া, প্রায় ১ ঘণ্টা।

সেরা সময়: অক্টোবর–মার্চ; সূর্যাস্তের সময়

প্রবেশ ফি / খরচ: ইলিশ ভাজা-ভাত জনপ্রতি ৩০০–৮০০৳ (সাইজ অনুযায়ী); সেতুতে গাড়ির টোল আলাদা

ইদ্রাকপুর দুর্গ

১৬৬০ সালের দিকে মীর জুমলার তৈরি মুঘল জলদুর্গ, ইটের গোলাকার মঞ্চ এখনো অক্ষত।

যাওয়ার উপায়: মুন্সিগঞ্জ শহরের মধ্যেই; রিকশায় যাওয়া যায়।

সেরা সময়: অক্টোবর–মার্চ

প্রবেশ ফি / খরচ: সামান্য প্রবেশ ফি

সোনারং জোড়া মঠ

টঙ্গিবাড়ীতে পাশাপাশি দুটি উঁচু মঠ, বিক্রমপুরের পুরনো স্থাপত্যের নিদর্শন।

যাওয়ার উপায়: মুন্সিগঞ্জ শহর থেকে সিএনজিতে প্রায় ১৫ কিমি।

সেরা সময়: অক্টোবর–মার্চ

প্রবেশ ফি / খরচ: প্রবেশ বিনামূল্যে

আড়িয়াল বিল

বর্ষায় বিশাল জলাভূমি, শীতে সবুজ মাঠ আর বিলের মিষ্টিকুমড়া; নৌকায় ঘোরার শান্ত জায়গা।

যাওয়ার উপায়: শ্রীনগর উপজেলায়; শ্রীনগর থেকে অটো বা নৌকা।

সেরা সময়: জুলাই–অক্টোবর (বর্ষায় নৌকা) ও ডিসেম্বর–ফেব্রুয়ারি (শীতের সবুজ)

প্রবেশ ফি / খরচ: নৌকা ভাড়া ঘণ্টায় ৩০০–৬০০৳

ঢাকা ও দেশের যেকোনো প্রান্ত থেকে মুন্সিগঞ্জ যাওয়ার রুট গাইড

দূরত্ব: 27 কিমি • আনুমানিক সময়: ১–১.৫ ঘণ্টা
বাস সার্ভিস (সরাসরি)

ঢাকা (গাবতলী, মহাখালী বা সায়েদাবাদ বাস টার্মিনাল) থেকে মুন্সিগঞ্জ সদরের উদ্দেশ্যে দিন-রাত নিয়মিত নন-এসি ও এসি বাস চলাচল করে।

ভাড়া: ৳৩৫০ - ৳১,২০০ (কোচ ও এসি সাপেক্ষে)
রেল যোগাযোগ ও এক্সপ্রেস ট্রেন

কমলাপুর ও ঢাকা বিমানবন্দর রেলওয়ে স্টেশন থেকে আন্তঃনগর এক্সপ্রেস ট্রেনে সরাসরি বা নিকটস্থ রেলওয়ে জংশনে আরামদায়ক যাত্রা করা যায়।

শোভন চেয়ার: ৳১৮০ - ৳৬৫০ (দূরত্ব অনুযায়ী)
নিজস্ব গাড়ি ও মহাসড়ক রুট

জাতীয় মহাসড়ক ব্যবহার করে ব্যক্তিগত গাড়ি, হাইস বা রেন্ট-এ-কারে পরিবারের সাথে নিরাপদ ও দ্রুত সরাসরি পৌঁছানো যায়।

সিএনজি/পেট্রল খরচ: দূরত্ব অনুযায়ী ৩,০০০৳ - ৮,০০০৳
স্থানীয় যাতায়াত টিপস: গুলিস্তান থেকে মাওয়া বা মুন্সিগঞ্জগামী বাস, ভাড়া ৭০–১৫০৳। • সদরঘাট থেকে মুন্সিগঞ্জের লঞ্চ, ভাড়া ৫০–১০০৳।
স্মার্ট ভ্রমণ নির্দেশিকা ও এস্টিমেটর

আন্তঃজেলা দূরত্ব ও ভ্রমণ খরচ ক্যালকুলেটর

বাংলাদেশের যেকোনো জেলা থেকে অন্য জেলায় যেতে কত খরচ ও কত সময় লাগবে এক ক্লিকে জানুন

যাত্রীর সংখ্যা:
সড়ক দূরত্ব
30কিলোমিটার

ঢাকা থেকে মুন্সিগঞ্জ সড়কপথের আনুমানিক দূরত্ব।

আনুমানিক সময়
0.7 ঘণ্টা

যানজট ও যাত্রাবিরতি সহ বাসে সম্ভাব্য পৌঁছানোর সময়কাল।

বাস ভাড়া
৳ 100 — 250

নন-এসি: ৳100 | এসি: ৳250 (জনপ্রতি)।

ট্রেন ভাড়া (শোভন)
৳ 80

বাংলাদেশ রেলওয়ে আন্তঃনগর শোভন চেয়ারের সম্ভাব্য ভাড়া।

মুন্সিগঞ্জ জেলায় কোথায় থাকবেন ও সম্ভাব্য খরচ

খরচ: দিনে গিয়ে ফিরলে জনপ্রতি ৬০০–১,৫০০৳

বিসিএস ও এডমিশন সাধারণ জ্ঞান (GK) প্রশ্নোত্তর

1

মুন্সিগঞ্জ জেলা বাংলাদেশের কোন বিভাগে অবস্থিত?

উত্তর: ঢাকা বিভাগে।

মুন্সিগঞ্জ বাংলাদেশের ঢাকা বিভাগের অন্যতম প্রধান প্রশাসনিক ও সাংস্কৃতিক জেলা।

2

মুন্সিগঞ্জ জেলার ভৌগোলিক সীমানায় উত্তরে কোন অঞ্চল রয়েছে?

উত্তর: ঢাকা ও নারায়ণগঞ্জ জেলা।

ভৌগোলিক অবস্থান অনুযায়ী মুন্সিগঞ্জ জেলার উত্তরে ঢাকা ও নারায়ণগঞ্জ জেলা অবস্থিত।

3

মুন্সিগঞ্জ জেলার প্রধান নদ-নদী কোনগুলো?

উত্তর: পদ্মা, মেঘনা, ধলেশ্বরী।

এসব নদী মুন্সিগঞ্জ জেলার কৃষি, পলি ও মৎস্য সম্পদের মূল ভিত্তি।

4

মুন্সিগঞ্জ জেলা মুক্তিযুদ্ধকালীন কোন সেক্টরের অধীনে ছিল?

উত্তর: সেক্টর ২।

১৯৭১ সালের মহান স্বাধীনতা যুদ্ধে এই অঞ্চল সেক্টর ২-এর অন্তর্ভুক্ত ছিল।

5

মুন্সিগঞ্জ জেলার বিখ্যাত ঐতিহ্যবাহী খাবার ও বিশেষত্ব কী?

উত্তর: মাওয়া ঘাটের পদ্মার তাজা ইলিশ ভাজা, ভাগ্যকুলের মিষ্টি ও পাতাক্ষীর।

দেশজুড়ে খাদ্যরসিক ও পর্যটকদের কাছে এটি বিশেষভাবে সুপরিচিত।

ঢাকা বিভাগের অন্যান্য জেলাসমূহ

৬৪ জেলার সম্পূর্ণ ইন্টারঅ্যাক্টিভ মানচিত্র এক্সপ্লোর করুন

আপনার ভ্রমণ করা জেলাগুলো সিলেক্ট করে নিজের রঙিন ট্রাভেল ম্যাপ ডাউনলোড করুন এবং বাকি জেলাগুলোর তথ্য দেখুন।