কুষ্টিয়া জেলা(Kushtia)
লালন সাঁই আর রবীন্দ্রনাথের স্মৃতিধন্য বাংলার সাংস্কৃতিক রাজধানী।
ভৌগোলিক সীমানা ও ঐতিহাসিক প্রেক্ষাপট
নামকরণের ইতিহাস
নাম নিয়ে কয়েকটি মত আছে। একটি হলো এখানে প্রচুর কুশ (এক ধরনের ঘাস) জন্মাত, তাই কুশতিয়া। আরেক মতে ফারসি 'কুশতাহ্' শব্দ থেকে কুষ্টিয়া।
চারদিকের ভৌগোলিক সীমানা
মুক্তিযুদ্ধ ও স্বাধীনতা সংগ্রাম
সেক্টর ৮১৯৭১ সালে মহান মুক্তিযুদ্ধে কুষ্টিয়া জেলার বীর মুক্তিযোদ্ধারা সেক্টর ৮-এর অধীনে দখলদার পাকিস্তানি বাহিনীর বিরুদ্ধে সম্মুখ সমর ও গেরিলা প্রতিরোধ গড়ে তোলেন।
ঐতিহাসিক ও বিশিষ্ট ব্যক্তিবর্গ
কুষ্টিয়া জেলা কেন বিখ্যাত ও ঐতিহাসিক বিশেষত্ব
বাউল সম্রাট ফকির লালন শাহের ছেঁউড়িয়ার পুণ্য মাজার ও আন্তর্জাতিক লালন উৎসব
বিশ্বকবি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের স্মৃতিবিজড়িত ঐতিহাসিক শিলাইদহ রবীন্দ্র কুঠিবাড়ি
শতবর্ষী ব্রিটিশ প্রকৌশলের বিস্ময় পদ্মার ওপর নির্মিত ঐতিহাসিক হার্ডিঞ্জ ব্রিজ ও লালন শাহ সেতু
সাহিত্যিক মীর মশাররফ হোসেনের স্মৃতিপীঠ ও ঐতিহ্যবাহী সুস্বাদু তিলের খাজা
শীর্ষ শিক্ষা প্রতিষ্ঠান হাব (অবস্থান ও ক্যাম্পাস)
- ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয় বাংলাদেশ (IU)ক্যাম্পাস: কুষ্টিয়া সদর ও সংলগ্ন এলাকা
- কুষ্টিয়া মেডিকেল কলেজ (KuMC)অবস্থান: হাসপাতাল রোড / মেডিকেল চত্বর, কুষ্টিয়া
- কুষ্টিয়া সরকারি কলেজ (১৯৪৬)অবস্থান: কলেজ রোড, কুষ্টিয়া
- কুষ্টিয়া সরকারি মহিলা কলেজঅবস্থান: কলেজ রোড, কুষ্টিয়া
- কুষ্টিয়া জিলা স্কুল (১৯৬১)অবস্থান: স্কুল মোড় / জেলা সদর, কুষ্টিয়া
- কুষ্টিয়া সরকারি বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়অবস্থান: স্কুল মোড় / জেলা সদর, কুষ্টিয়া
জেলা প্রশাসন, সরকারি দপ্তর ও পূর্ণাঙ্গ ঠিকানা ডিরেক্টরি
পূর্ণ ঠিকানা: কালেক্টরেট ভবন ও জেলা প্রশাসন চত্বর, কুষ্টিয়া সদর
ই-সেবাকেন্দ্র ও ফ্রন্টডেস্ক সার্বক্ষণিক উন্মুক্ত
পূর্ণ ঠিকানা: পুলিশ লাইনস ও এসপি কার্যালয় রোড, কুষ্টিয়া
পুলিশ কন্ট্রোল রুম ও জরুরি ডিউটি অফিসার ২৪ ঘণ্টা সচল
পূর্ণ ঠিকানা: সদর হাসপাতাল রোড, কুষ্টিয়া সদর
জরুরি বিভাগ (Emergency) ও অ্যাম্বুলেন্স ২৪/৭ সেবা
পূর্ণ ঠিকানা: জজ কোর্ট চত্বর, আদালত রোড, কুষ্টিয়া সদর
সরকারি আইনি সহায়তা (লিগ্যাল এইড) ও ফৌজদারি-দেওয়ানি আদালত ভবন।
পূর্ণ ঠিকানা: আঞ্চলিক পাসপোর্ট ভবন, কুষ্টিয়া সদর
ই-পাসপোর্ট আবেদন, বায়োমেট্রিক এনরোলমেন্ট ও পাসপোর্ট বিতরণ।
পূর্ণ ঠিকানা: ফায়ার স্টেশন রোড, কুষ্টিয়া সদর
অগ্নিনির্বাপণ, নদী ও সড়ক দুর্ঘটনা উদ্ধারকারী স্পেশাল টিম ২৪ ঘণ্টা প্রস্তুত।
পূর্ণ ঠিকানা: জেলা পরিষদ ভবন, কুষ্টিয়া সদর
গ্রামীণ অবকাঠামো উন্নয়ন, নাগরিক কল্যাণ ও জেলা পরিষদ ডাকবাংলো পরিচালনা।
আবাসিক হোটেল, রিসোর্ট ও সরকারি সার্কিট হাউস গাইড
ঠিকানা: সার্কিট হাউস রোড, কালেক্টরেট চত্বর সংলগ্ন, কুষ্টিয়া সদর।
ভাড়া: ৳৪০০ - ৳৮০০ (অনুমোদন সাপেক্ষে)
জেলা প্রশাসকের কার্যালয়ের নেজারত শাখা থেকে বুকিং নিতে হয়।
ঠিকানা: কেন্দ্রীয় বাস টার্মিনাল, স্টেশন রোড ও শহরের মূল বাণিজ্যিক কেন্দ্র।
ভাড়া: ৳১,২০০ - ৳৩,০০০ / রাত
এসি/নন-এসি রুম, ২৪/৭ জেনারেটর ব্যাকআপ, ওয়াইফাই ও লিফট সুবিধা।
ঠিকানা: নদী তীরবর্তী এলাকা, বনভূমি সংলগ্ন বা প্রধান পর্যটন স্পট রোড।
ভাড়া: ৳২,০০০ - ৳৫,৫০০ / রাত
বাংলাদেশ পর্যটন কর্পোরেশন (BPC) মোটেল ও প্রাইভেট ইকো-রিসোর্ট।
ঠিকানা: পুরাতন বাজার মোড়, জেলা পরিষদ চত্বর ও লঞ্চঘাট/স্টেশন সংলগ্ন।
ভাড়া: ৳৫০০ - ৳১,০০০ / রাত
একক পর্যটক ও ছাত্রছাত্রীদের জন্য সাশ্রয়ী থাকার ব্যবস্থা।
ঐতিহ্যবাহী বিখ্যাত খাবার ও জিআই পণ্য
কুষ্টিয়ার বিখ্যাত সুস্বাদু তিলের খাজা, কুলফি মালাই ও শিলাইদহের কাঁচাগোল্লা
প্রধান দর্শনীয় স্থানসমূহ (4টি) ও পৌঁছানোর রুট
লালন শাহের মাজার (ছেঁউড়িয়া)
বাউল সম্রাট লালন ফকিরের আখড়া; দোলপূর্ণিমা ও অক্টোবরে বড় উৎসব।
যাওয়ার উপায়: কুষ্টিয়া শহর থেকে রিকশায় প্রায় ২ কিমি।
সেরা সময়: অক্টোবর (তিরোধান দিবস) ও ফাল্গুনী/দোল পূর্ণিমায় সাধুসঙ্গ
প্রবেশ ফি / খরচ: বিনামূল্যে; জাদুঘরে সামান্য ফি
শিলাইদহ কুঠিবাড়ি
পদ্মার পাড়ে রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের জমিদারি কুঠি, এখন জাদুঘর।
যাওয়ার উপায়: কুমারখালীতে; কুষ্টিয়া থেকে প্রায় ২০ কিমি।
সেরা সময়: অক্টোবর–মার্চ; ২৫ বৈশাখে উৎসব
প্রবেশ ফি / খরচ: সামান্য প্রবেশ ফি
হার্ডিঞ্জ ব্রিজ
১৯১৫ সালের ঐতিহাসিক রেলসেতু, পাশে লালন শাহ সড়ক সেতু।
যাওয়ার উপায়: ভেড়ামারা উপজেলায়; কুষ্টিয়া থেকে প্রায় ২৫ কিমি।
সেরা সময়: অক্টোবর–মার্চ
প্রবেশ ফি / খরচ: বিনামূল্যে
মীর মশাররফ হোসেনের বাস্তুভিটা
লাহিনীপাড়ায় 'বিষাদ-সিন্ধু'র লেখকের জন্মস্থান ও স্মৃতি কেন্দ্র।
যাওয়ার উপায়: কুমারখালী উপজেলায়।
সেরা সময়: সারা বছর
প্রবেশ ফি / খরচ: বিনামূল্যে
ঢাকা ও দেশের যেকোনো প্রান্ত থেকে কুষ্টিয়া যাওয়ার রুট গাইড
ঢাকা (গাবতলী, মহাখালী বা সায়েদাবাদ বাস টার্মিনাল) থেকে কুষ্টিয়া সদরের উদ্দেশ্যে দিন-রাত নিয়মিত নন-এসি ও এসি বাস চলাচল করে।
কমলাপুর ও ঢাকা বিমানবন্দর রেলওয়ে স্টেশন থেকে আন্তঃনগর এক্সপ্রেস ট্রেনে সরাসরি বা নিকটস্থ রেলওয়ে জংশনে আরামদায়ক যাত্রা করা যায়।
জাতীয় মহাসড়ক ব্যবহার করে ব্যক্তিগত গাড়ি, হাইস বা রেন্ট-এ-কারে পরিবারের সাথে নিরাপদ ও দ্রুত সরাসরি পৌঁছানো যায়।
আন্তঃজেলা দূরত্ব ও ভ্রমণ খরচ ক্যালকুলেটর
বাংলাদেশের যেকোনো জেলা থেকে অন্য জেলায় যেতে কত খরচ ও কত সময় লাগবে এক ক্লিকে জানুন
ঢাকা থেকে কুষ্টিয়া সড়কপথের আনুমানিক দূরত্ব।
যানজট ও যাত্রাবিরতি সহ বাসে সম্ভাব্য পৌঁছানোর সময়কাল।
নন-এসি: ৳387 | এসি: ৳657 (জনপ্রতি)।
বাংলাদেশ রেলওয়ে আন্তঃনগর শোভন চেয়ারের সম্ভাব্য ভাড়া।
কুষ্টিয়া জেলায় কোথায় থাকবেন ও সম্ভাব্য খরচ
খরচ: জনপ্রতি দিনে ১,৩০০–২,৫০০৳কুষ্টিয়া শহরে মাঝারি মানের হোটেল (৳১,০০০–৩,০০০)
বিসিএস ও এডমিশন সাধারণ জ্ঞান (GK) প্রশ্নোত্তর
কুষ্টিয়া জেলা বাংলাদেশের কোন বিভাগে অবস্থিত?
কুষ্টিয়া বাংলাদেশের খুলনা বিভাগের অন্যতম প্রধান প্রশাসনিক ও সাংস্কৃতিক জেলা।
কুষ্টিয়া জেলার ভৌগোলিক সীমানায় উত্তরে কোন অঞ্চল রয়েছে?
ভৌগোলিক অবস্থান অনুযায়ী কুষ্টিয়া জেলার উত্তরে রাজশাহী ও পাবনা জেলা অবস্থিত।
কুষ্টিয়া জেলার প্রধান নদ-নদী কোনগুলো?
এসব নদী কুষ্টিয়া জেলার কৃষি, পলি ও মৎস্য সম্পদের মূল ভিত্তি।
কুষ্টিয়া জেলা মুক্তিযুদ্ধকালীন কোন সেক্টরের অধীনে ছিল?
১৯৭১ সালের মহান স্বাধীনতা যুদ্ধে এই অঞ্চল সেক্টর ৮-এর অন্তর্ভুক্ত ছিল।
কুষ্টিয়া জেলার বিখ্যাত ঐতিহ্যবাহী খাবার ও বিশেষত্ব কী?
দেশজুড়ে খাদ্যরসিক ও পর্যটকদের কাছে এটি বিশেষভাবে সুপরিচিত।
খুলনা বিভাগের অন্যান্য জেলাসমূহ
৬৪ জেলার সম্পূর্ণ ইন্টারঅ্যাক্টিভ মানচিত্র এক্সপ্লোর করুন
আপনার ভ্রমণ করা জেলাগুলো সিলেক্ট করে নিজের রঙিন ট্রাভেল ম্যাপ ডাউনলোড করুন এবং বাকি জেলাগুলোর তথ্য দেখুন।