খুলনা জেলা(Khulna)
সুন্দরবনের প্রবেশদ্বার; রূপসা নদীর শহর আর চিংড়ির রাজ্য।
ভৌগোলিক সীমানা ও ঐতিহাসিক প্রেক্ষাপট
নামকরণের ইতিহাস
নাম নিয়ে দুটি মত প্রচলিত। একটি হলো এখানকার খুলনেশ্বরী মন্দির থেকে; অন্যটি হলো মঙ্গলকাব্যের ধনপতি সওদাগরের স্ত্রী খুল্লনার নামে।
চারদিকের ভৌগোলিক সীমানা
মুক্তিযুদ্ধ ও স্বাধীনতা সংগ্রাম
সেক্টর ৮ ও ৯১৯৭১ সালে মহান মুক্তিযুদ্ধে খুলনা জেলার বীর মুক্তিযোদ্ধারা সেক্টর ৮ ও ৯-এর অধীনে দখলদার পাকিস্তানি বাহিনীর বিরুদ্ধে সম্মুখ সমর ও গেরিলা প্রতিরোধ গড়ে তোলেন।
ঐতিহাসিক ও বিশিষ্ট ব্যক্তিবর্গ
খুলনা জেলা কেন বিখ্যাত ও ঐতিহাসিক বিশেষত্ব
রূপসা-ভৈরব নদী তীরের শিল্পনগরী ও দক্ষিণাঞ্চলের প্রধান বিভাগীয় সদর
ইউনেস্কো ওয়ার্ল্ড হেরিটেজ ম্যানগ্রোভ ফরেস্ট সুন্দরবনের প্রধান প্রশাসনিক সদর ও প্রবেশদ্বার
বিশ্বখ্যাত সুস্বাদু খাঁটি চুইঝাল গরুর মাংস ও গলদা চিংড়ির হোয়াইট গোল্ড হাব
খানজাহান আলী সেতু (রূপসা সেতু) ও ঐতিহাসিক স্যার পিসি রায়ের স্মৃতিধন্য পাইকগাছা
শীর্ষ শিক্ষা প্রতিষ্ঠান হাব (অবস্থান ও ক্যাম্পাস)
- খুলনা বিশ্ববিদ্যালয় (KU)ক্যাম্পাস: খুলনা সদর ও সংলগ্ন এলাকা
- খুলনা প্রকৌশল ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয় (KUET)ক্যাম্পাস: খুলনা সদর ও সংলগ্ন এলাকা
- খুলনা কৃষি বিশ্ববিদ্যালয় (KAU)ক্যাম্পাস: খুলনা সদর ও সংলগ্ন এলাকা
- খুলনা মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয়ক্যাম্পাস: খুলনা সদর ও সংলগ্ন এলাকা
- খুলনা মেডিকেল কলেজ (KMC)অবস্থান: হাসপাতাল রোড / মেডিকেল চত্বর, খুলনা
- শহীদ শেখ আবু নাসের বিশেষায়িত হাসপাতালঅবস্থান: হাসপাতাল রোড / মেডিকেল চত্বর, খুলনা
- সরকারি ব্রজলাল (বিএল) কলেজ (১৯০২)অবস্থান: কলেজ রোড, খুলনা
- খুলনা সরকারি মহিলা কলেজঅবস্থান: কলেজ রোড, খুলনা
- সরকারি সুন্দরবন আদর্শ কলেজঅবস্থান: কলেজ রোড, খুলনা
- খুলনা জিলা স্কুল (১৮৮৫)অবস্থান: স্কুল মোড় / জেলা সদর, খুলনা
- করনেশন সরকারি মাধ্যমিক বালিকা বিদ্যালয়অবস্থান: স্কুল মোড় / জেলা সদর, খুলনা
জেলা প্রশাসন, সরকারি দপ্তর ও পূর্ণাঙ্গ ঠিকানা ডিরেক্টরি
পূর্ণ ঠিকানা: কালেক্টরেট ভবন ও জেলা প্রশাসন চত্বর, খুলনা সদর
ই-সেবাকেন্দ্র ও ফ্রন্টডেস্ক সার্বক্ষণিক উন্মুক্ত
পূর্ণ ঠিকানা: পুলিশ লাইনস ও এসপি কার্যালয় রোড, খুলনা
পুলিশ কন্ট্রোল রুম ও জরুরি ডিউটি অফিসার ২৪ ঘণ্টা সচল
পূর্ণ ঠিকানা: সদর হাসপাতাল রোড, খুলনা সদর
জরুরি বিভাগ (Emergency) ও অ্যাম্বুলেন্স ২৪/৭ সেবা
পূর্ণ ঠিকানা: জজ কোর্ট চত্বর, আদালত রোড, খুলনা সদর
সরকারি আইনি সহায়তা (লিগ্যাল এইড) ও ফৌজদারি-দেওয়ানি আদালত ভবন।
পূর্ণ ঠিকানা: আঞ্চলিক পাসপোর্ট ভবন, খুলনা সদর
ই-পাসপোর্ট আবেদন, বায়োমেট্রিক এনরোলমেন্ট ও পাসপোর্ট বিতরণ।
পূর্ণ ঠিকানা: ফায়ার স্টেশন রোড, খুলনা সদর
অগ্নিনির্বাপণ, নদী ও সড়ক দুর্ঘটনা উদ্ধারকারী স্পেশাল টিম ২৪ ঘণ্টা প্রস্তুত।
পূর্ণ ঠিকানা: জেলা পরিষদ ভবন, খুলনা সদর
গ্রামীণ অবকাঠামো উন্নয়ন, নাগরিক কল্যাণ ও জেলা পরিষদ ডাকবাংলো পরিচালনা।
আবাসিক হোটেল, রিসোর্ট ও সরকারি সার্কিট হাউস গাইড
ঠিকানা: সার্কিট হাউস রোড, কালেক্টরেট চত্বর সংলগ্ন, খুলনা সদর।
ভাড়া: ৳৪০০ - ৳৮০০ (অনুমোদন সাপেক্ষে)
জেলা প্রশাসকের কার্যালয়ের নেজারত শাখা থেকে বুকিং নিতে হয়।
ঠিকানা: কেন্দ্রীয় বাস টার্মিনাল, স্টেশন রোড ও শহরের মূল বাণিজ্যিক কেন্দ্র।
ভাড়া: ৳১,২০০ - ৳৩,০০০ / রাত
এসি/নন-এসি রুম, ২৪/৭ জেনারেটর ব্যাকআপ, ওয়াইফাই ও লিফট সুবিধা।
ঠিকানা: নদী তীরবর্তী এলাকা, বনভূমি সংলগ্ন বা প্রধান পর্যটন স্পট রোড।
ভাড়া: ৳২,০০০ - ৳৫,৫০০ / রাত
বাংলাদেশ পর্যটন কর্পোরেশন (BPC) মোটেল ও প্রাইভেট ইকো-রিসোর্ট।
ঠিকানা: পুরাতন বাজার মোড়, জেলা পরিষদ চত্বর ও লঞ্চঘাট/স্টেশন সংলগ্ন।
ভাড়া: ৳৫০০ - ৳১,০০০ / রাত
একক পর্যটক ও ছাত্রছাত্রীদের জন্য সাশ্রয়ী থাকার ব্যবস্থা।
ঐতিহ্যবাহী বিখ্যাত খাবার ও জিআই পণ্য
খুলনার চুইঝাল খাসি ও গরুর মাংস, রূপসা চিংড়ি ফ্রাই ও সন্দেশ
প্রধান দর্শনীয় স্থানসমূহ (3টি) ও পৌঁছানোর রুট
সুন্দরবন (খুলনা থেকে ট্যুর)
বিশ্বের বৃহত্তম ম্যানগ্রোভ বন, রয়েল বেঙ্গল টাইগারের আবাস; লঞ্চে ৩ দিনের ট্যুর সবচেয়ে জনপ্রিয়।
যাওয়ার উপায়: খুলনা জেলখানা ঘাট থেকে ট্যুর অপারেটরের লঞ্চে (বন বিভাগের অনুমতি প্যাকেজে থাকে)।
সেরা সময়: নভেম্বর–ফেব্রুয়ারি (সাগর শান্ত, আবহাওয়া আরামদায়ক)
প্রবেশ ফি / খরচ: প্যাকেজ ট্যুরে জনপ্রতি ৮,০০০–২০,০০০৳ (লঞ্চ, খাওয়া, বন বিভাগের অনুমতি, গাইড, সশস্ত্র প্রহরী)
রবীন্দ্র কমপ্লেক্স, দক্ষিণডিহি
রবীন্দ্রনাথের শ্বশুরবাড়ি; কবিপত্নী মৃণালিনী দেবীর স্মৃতি।
যাওয়ার উপায়: ফুলতলা উপজেলায়; খুলনা থেকে প্রায় ২০ কিমি।
সেরা সময়: সারা বছর; ২৫ বৈশাখে রবীন্দ্রজয়ন্তী উৎসব
প্রবেশ ফি / খরচ: সামান্য প্রবেশ ফি
রূপসা সেতু
রূপসা নদীর উপর সেতু; বিকেলে নদীর দৃশ্য দেখতে মানুষ আসে।
যাওয়ার উপায়: খুলনা শহর থেকে প্রায় ৫ কিমি।
সেরা সময়: সারা বছর; সূর্যাস্ত
প্রবেশ ফি / খরচ: বিনামূল্যে
ঢাকা ও দেশের যেকোনো প্রান্ত থেকে খুলনা যাওয়ার রুট গাইড
ঢাকা (গাবতলী, মহাখালী বা সায়েদাবাদ বাস টার্মিনাল) থেকে খুলনা সদরের উদ্দেশ্যে দিন-রাত নিয়মিত নন-এসি ও এসি বাস চলাচল করে।
কমলাপুর ও ঢাকা বিমানবন্দর রেলওয়ে স্টেশন থেকে আন্তঃনগর এক্সপ্রেস ট্রেনে সরাসরি বা নিকটস্থ রেলওয়ে জংশনে আরামদায়ক যাত্রা করা যায়।
জাতীয় মহাসড়ক ব্যবহার করে ব্যক্তিগত গাড়ি, হাইস বা রেন্ট-এ-কারে পরিবারের সাথে নিরাপদ ও দ্রুত সরাসরি পৌঁছানো যায়।
আন্তঃজেলা দূরত্ব ও ভ্রমণ খরচ ক্যালকুলেটর
বাংলাদেশের যেকোনো জেলা থেকে অন্য জেলায় যেতে কত খরচ ও কত সময় লাগবে এক ক্লিকে জানুন
ঢাকা থেকে খুলনা সড়কপথের আনুমানিক দূরত্ব।
যানজট ও যাত্রাবিরতি সহ বাসে সম্ভাব্য পৌঁছানোর সময়কাল।
নন-এসি: ৳383 | এসি: ৳650 (জনপ্রতি)।
বাংলাদেশ রেলওয়ে আন্তঃনগর শোভন চেয়ারের সম্ভাব্য ভাড়া।
খুলনা জেলায় কোথায় থাকবেন ও সম্ভাব্য খরচ
খরচ: জনপ্রতি দিনে ১,৮০০–৩,৫০০৳; সুন্দরবন ট্যুর প্যাকেজ ৮,০০০–২০,০০০৳ (৩ দিন)হোটেল ক্যাসেল সালাম • হোটেল টাইগার গার্ডেন ইন্টারন্যাশনাল • শহরে মাঝারি মানের হোটেল (৳১,৫০০–৩,৫০০)
বিসিএস ও এডমিশন সাধারণ জ্ঞান (GK) প্রশ্নোত্তর
খুলনা জেলা বাংলাদেশের কোন বিভাগে অবস্থিত?
খুলনা বাংলাদেশের খুলনা বিভাগের অন্যতম প্রধান প্রশাসনিক ও সাংস্কৃতিক জেলা।
খুলনা জেলার ভৌগোলিক সীমানায় উত্তরে কোন অঞ্চল রয়েছে?
ভৌগোলিক অবস্থান অনুযায়ী খুলনা জেলার উত্তরে যশোর ও নড়াইল জেলা অবস্থিত।
খুলনা জেলার প্রধান নদ-নদী কোনগুলো?
এসব নদী খুলনা জেলার কৃষি, পলি ও মৎস্য সম্পদের মূল ভিত্তি।
খুলনা জেলা মুক্তিযুদ্ধকালীন কোন সেক্টরের অধীনে ছিল?
১৯৭১ সালের মহান স্বাধীনতা যুদ্ধে এই অঞ্চল সেক্টর ৮ ও ৯-এর অন্তর্ভুক্ত ছিল।
খুলনা জেলার বিখ্যাত ঐতিহ্যবাহী খাবার ও বিশেষত্ব কী?
দেশজুড়ে খাদ্যরসিক ও পর্যটকদের কাছে এটি বিশেষভাবে সুপরিচিত।
খুলনা বিভাগের অন্যান্য জেলাসমূহ
৬৪ জেলার সম্পূর্ণ ইন্টারঅ্যাক্টিভ মানচিত্র এক্সপ্লোর করুন
আপনার ভ্রমণ করা জেলাগুলো সিলেক্ট করে নিজের রঙিন ট্রাভেল ম্যাপ ডাউনলোড করুন এবং বাকি জেলাগুলোর তথ্য দেখুন।