বাগেরহাট জেলা(Bagerhat)
ইউনেস্কো বিশ্ব ঐতিহ্য মসজিদের শহর আর সুন্দরবনের করমজল-মোংলার জেলা।
ভৌগোলিক সীমানা ও ঐতিহাসিক প্রেক্ষাপট
নামকরণের ইতিহাস
সুন্দরবনের কাছে বলে এখানে বাঘের উপদ্রব ছিল, তাই 'বাঘের হাট' থেকে নাম এসেছে বলে প্রচলিত। আবার খান জাহান আলীর বাগ বা বাগানের হাট থেকেও নাম হতে পারে।
চারদিকের ভৌগোলিক সীমানা
মুক্তিযুদ্ধ ও স্বাধীনতা সংগ্রাম
সেক্টর ৯১৯৭১ সালে মহান মুক্তিযুদ্ধে বাগেরহাট জেলার বীর মুক্তিযোদ্ধারা সেক্টর ৯-এর অধীনে দখলদার পাকিস্তানি বাহিনীর বিরুদ্ধে সম্মুখ সমর ও গেরিলা প্রতিরোধ গড়ে তোলেন।
ঐতিহাসিক ও বিশিষ্ট ব্যক্তিবর্গ
বাগেরহাট জেলা কেন বিখ্যাত ও ঐতিহাসিক বিশেষত্ব
ইউনেস্কো ওয়ার্ল্ড হেরিটেজ সাইট ১৫ শতকের ষাট গম্বুজ মসজিদ
সুলতানি আমলের সাধক হযরত খান জাহান আলী (রহ.)-এর মাজার ও বিশাল দিঘি
বিশ্বের বৃহত্তম ম্যানগ্রোভ সুন্দরবনের পূর্ব বিভাগীয় প্রবেশদ্বার (কটকা, কচিখালী)
মোংলা আন্তর্জাতিক সমুদ্র বন্দর ও ইপিজেড
শীর্ষ শিক্ষা প্রতিষ্ঠান হাব (অবস্থান ও ক্যাম্পাস)
- বাগেরহাট বিশ্ববিদ্যালয় (প্রস্তাবিত)ক্যাম্পাস: বাগেরহাট সদর ও সংলগ্ন এলাকা
- বাগেরহাট মেডিকেল কলেজ (প্রস্তাবিত/২৫০ শয্যা সংলগ্ন)অবস্থান: হাসপাতাল রোড / মেডিকেল চত্বর, বাগেরহাট
- সরকারি প্রফুল্ল চন্দ্র (পিসি) কলেজ (১৯১৮)অবস্থান: কলেজ রোড, বাগেরহাট
- বাগেরহাট সরকারি মহিলা কলেজঅবস্থান: কলেজ রোড, বাগেরহাট
- বাগেরহাট সরকারি উচ্চ বিদ্যালয় (১৯৪৭)অবস্থান: স্কুল মোড় / জেলা সদর, বাগেরহাট
- বাগেরহাট সরকারি বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়অবস্থান: স্কুল মোড় / জেলা সদর, বাগেরহাট
জেলা প্রশাসন, সরকারি দপ্তর ও পূর্ণাঙ্গ ঠিকানা ডিরেক্টরি
পূর্ণ ঠিকানা: কালেক্টরেট ভবন ও জেলা প্রশাসন চত্বর, বাগেরহাট সদর
ই-সেবাকেন্দ্র ও ফ্রন্টডেস্ক সার্বক্ষণিক উন্মুক্ত
পূর্ণ ঠিকানা: পুলিশ লাইনস ও এসপি কার্যালয় রোড, বাগেরহাট
পুলিশ কন্ট্রোল রুম ও জরুরি ডিউটি অফিসার ২৪ ঘণ্টা সচল
পূর্ণ ঠিকানা: সদর হাসপাতাল রোড, বাগেরহাট সদর
জরুরি বিভাগ (Emergency) ও অ্যাম্বুলেন্স ২৪/৭ সেবা
পূর্ণ ঠিকানা: জজ কোর্ট চত্বর, আদালত রোড, বাগেরহাট সদর
সরকারি আইনি সহায়তা (লিগ্যাল এইড) ও ফৌজদারি-দেওয়ানি আদালত ভবন।
পূর্ণ ঠিকানা: আঞ্চলিক পাসপোর্ট ভবন, বাগেরহাট সদর
ই-পাসপোর্ট আবেদন, বায়োমেট্রিক এনরোলমেন্ট ও পাসপোর্ট বিতরণ।
পূর্ণ ঠিকানা: ফায়ার স্টেশন রোড, বাগেরহাট সদর
অগ্নিনির্বাপণ, নদী ও সড়ক দুর্ঘটনা উদ্ধারকারী স্পেশাল টিম ২৪ ঘণ্টা প্রস্তুত।
পূর্ণ ঠিকানা: জেলা পরিষদ ভবন, বাগেরহাট সদর
গ্রামীণ অবকাঠামো উন্নয়ন, নাগরিক কল্যাণ ও জেলা পরিষদ ডাকবাংলো পরিচালনা।
আবাসিক হোটেল, রিসোর্ট ও সরকারি সার্কিট হাউস গাইড
ঠিকানা: সার্কিট হাউস রোড, কালেক্টরেট চত্বর সংলগ্ন, বাগেরহাট সদর।
ভাড়া: ৳৪০০ - ৳৮০০ (অনুমোদন সাপেক্ষে)
জেলা প্রশাসকের কার্যালয়ের নেজারত শাখা থেকে বুকিং নিতে হয়।
ঠিকানা: কেন্দ্রীয় বাস টার্মিনাল, স্টেশন রোড ও শহরের মূল বাণিজ্যিক কেন্দ্র।
ভাড়া: ৳১,২০০ - ৳৩,০০০ / রাত
এসি/নন-এসি রুম, ২৪/৭ জেনারেটর ব্যাকআপ, ওয়াইফাই ও লিফট সুবিধা।
ঠিকানা: নদী তীরবর্তী এলাকা, বনভূমি সংলগ্ন বা প্রধান পর্যটন স্পট রোড।
ভাড়া: ৳২,০০০ - ৳৫,৫০০ / রাত
বাংলাদেশ পর্যটন কর্পোরেশন (BPC) মোটেল ও প্রাইভেট ইকো-রিসোর্ট।
ঠিকানা: পুরাতন বাজার মোড়, জেলা পরিষদ চত্বর ও লঞ্চঘাট/স্টেশন সংলগ্ন।
ভাড়া: ৳৫০০ - ৳১,০০০ / রাত
একক পর্যটক ও ছাত্রছাত্রীদের জন্য সাশ্রয়ী থাকার ব্যবস্থা।
ঐতিহ্যবাহী বিখ্যাত খাবার ও জিআই পণ্য
বাগেরহাটের বাগদা ও গলদা চিংড়ি, সুপারি ও খাঁটি নারিকেলের ক্ষীর
প্রধান দর্শনীয় স্থানসমূহ (5টি) ও পৌঁছানোর রুট
ষাট গম্বুজ মসজিদ
পনেরো শতকে খান জাহান আলীর তৈরি; ইউনেস্কো বিশ্ব ঐতিহ্য স্থান।
যাওয়ার উপায়: বাগেরহাট শহর থেকে প্রায় ৫ কিমি; অটো/রিকশায়।
সেরা সময়: অক্টোবর–মার্চ
প্রবেশ ফি / খরচ: সামান্য প্রবেশ ফি (বিদেশিদের জন্য বেশি)
খান জাহান আলীর মাজার
খান জাহান আলীর সমাধি ও খাঞ্জেলি দিঘি; দিঘির কুমির বিখ্যাত ছিল।
যাওয়ার উপায়: ষাট গম্বুজ থেকে প্রায় ২ কিমি।
সেরা সময়: অক্টোবর–মার্চ; চৈত্র মাসে উরস
প্রবেশ ফি / খরচ: বিনামূল্যে
করমজল
সুন্দরবনের সবচেয়ে সহজ প্রবেশপথ; হরিণ ও কুমির প্রজনন কেন্দ্র, কাঠের ট্রেইল।
যাওয়ার উপায়: মোংলা ঘাট থেকে ট্রলারে প্রায় ১ ঘণ্টা; দিনেই ঘুরে আসা যায়।
সেরা সময়: নভেম্বর–মার্চ
প্রবেশ ফি / খরচ: প্রবেশ ফি সামান্য; মোংলা থেকে ট্রলার রিজার্ভ ১,৫০০–২,৫০০৳
কটকা ও কচিখালী
সুন্দরবনের গভীরে সৈকত, হরিণের পাল আর বাঘের পায়ের ছাপ।
যাওয়ার উপায়: খুলনা/মোংলা থেকে প্যাকেজ ট্যুরের লঞ্চে।
সেরা সময়: নভেম্বর–ফেব্রুয়ারি
প্রবেশ ফি / খরচ: প্যাকেজে জনপ্রতি ৮,০০০–২০,০০০৳
নয় গম্বুজ মসজিদ
ঠাকুর দিঘির পাড়ে খান জাহান আলী আমলের নয় গম্বুজ মসজিদ।
যাওয়ার উপায়: খান জাহান আলীর মাজারের কাছে।
সেরা সময়: অক্টোবর–মার্চ
প্রবেশ ফি / খরচ: বিনামূল্যে
ঢাকা ও দেশের যেকোনো প্রান্ত থেকে বাগেরহাট যাওয়ার রুট গাইড
ঢাকা (গাবতলী, মহাখালী বা সায়েদাবাদ বাস টার্মিনাল) থেকে বাগেরহাট সদরের উদ্দেশ্যে দিন-রাত নিয়মিত নন-এসি ও এসি বাস চলাচল করে।
কমলাপুর ও ঢাকা বিমানবন্দর রেলওয়ে স্টেশন থেকে আন্তঃনগর এক্সপ্রেস ট্রেনে সরাসরি বা নিকটস্থ রেলওয়ে জংশনে আরামদায়ক যাত্রা করা যায়।
জাতীয় মহাসড়ক ব্যবহার করে ব্যক্তিগত গাড়ি, হাইস বা রেন্ট-এ-কারে পরিবারের সাথে নিরাপদ ও দ্রুত সরাসরি পৌঁছানো যায়।
আন্তঃজেলা দূরত্ব ও ভ্রমণ খরচ ক্যালকুলেটর
বাংলাদেশের যেকোনো জেলা থেকে অন্য জেলায় যেতে কত খরচ ও কত সময় লাগবে এক ক্লিকে জানুন
ঢাকা থেকে বাগেরহাট সড়কপথের আনুমানিক দূরত্ব।
যানজট ও যাত্রাবিরতি সহ বাসে সম্ভাব্য পৌঁছানোর সময়কাল।
নন-এসি: ৳389 | এসি: ৳661 (জনপ্রতি)।
বাংলাদেশ রেলওয়ে আন্তঃনগর শোভন চেয়ারের সম্ভাব্য ভাড়া।
বাগেরহাট জেলায় কোথায় থাকবেন ও সম্ভাব্য খরচ
খরচ: জনপ্রতি দিনে ১,৫০০–৩,০০০৳মোংলায় পর্যটন মোটেল পশুর • বাগেরহাট শহরে সাধারণ মানের হোটেল
বিসিএস ও এডমিশন সাধারণ জ্ঞান (GK) প্রশ্নোত্তর
বাগেরহাট জেলা বাংলাদেশের কোন বিভাগে অবস্থিত?
বাগেরহাট বাংলাদেশের খুলনা বিভাগের অন্যতম প্রধান প্রশাসনিক ও সাংস্কৃতিক জেলা।
বাগেরহাট জেলার ভৌগোলিক সীমানায় উত্তরে কোন অঞ্চল রয়েছে?
ভৌগোলিক অবস্থান অনুযায়ী বাগেরহাট জেলার উত্তরে গোপালগঞ্জ ও নড়াইল জেলা অবস্থিত।
বাগেরহাট জেলার প্রধান নদ-নদী কোনগুলো?
এসব নদী বাগেরহাট জেলার কৃষি, পলি ও মৎস্য সম্পদের মূল ভিত্তি।
বাগেরহাট জেলা মুক্তিযুদ্ধকালীন কোন সেক্টরের অধীনে ছিল?
১৯৭১ সালের মহান স্বাধীনতা যুদ্ধে এই অঞ্চল সেক্টর ৯-এর অন্তর্ভুক্ত ছিল।
বাগেরহাট জেলার বিখ্যাত ঐতিহ্যবাহী খাবার ও বিশেষত্ব কী?
দেশজুড়ে খাদ্যরসিক ও পর্যটকদের কাছে এটি বিশেষভাবে সুপরিচিত।
খুলনা বিভাগের অন্যান্য জেলাসমূহ
৬৪ জেলার সম্পূর্ণ ইন্টারঅ্যাক্টিভ মানচিত্র এক্সপ্লোর করুন
আপনার ভ্রমণ করা জেলাগুলো সিলেক্ট করে নিজের রঙিন ট্রাভেল ম্যাপ ডাউনলোড করুন এবং বাকি জেলাগুলোর তথ্য দেখুন।