বরিশাল বিভাগস্থানাঙ্ক: 22.3596316° N, 90.3298712° Eঢাকা থেকে দূরত্ব: 270 কিমি

পটুয়াখালী জেলা(Patuakhali)

সাগরকন্যা কুয়াকাটা; একই সৈকত থেকে সূর্যোদয় ও সূর্যাস্ত দেখা যায়।

মোট আয়তন3221 বর্গ কিমি
জনসংখ্যা১৫,৩৫,৮৫৪
সাক্ষরতার হার৭২.১%
উপজেলা সংখ্যা8টি
যাতায়াত সময়৬–৭ ঘণ্টা (কুয়াকাটা পর্যন্ত)
প্রধান নদ-নদীপায়রা, আন্ধারমানিক

ভৌগোলিক সীমানা ও ঐতিহাসিক প্রেক্ষাপট

নামকরণের ইতিহাস

লোককাহিনি অনুযায়ী, পর্তুগিজ জলদস্যুরা এখানকার একটি খাল দিয়ে চলাচল ও লুটপাট করত। স্থানীয়রা তাদের 'পটুয়া' বলত, তাই খালটির নাম পটুয়ার খাল, যা থেকে পটুয়াখালী।

চারদিকের ভৌগোলিক সীমানা

উত্তর দিকবরিশাল জেলা
দক্ষিণ দিকবঙ্গোপসাগর
পূর্ব দিকভোলা জেলা
পশ্চিম দিকবরগুনা জেলা

মুক্তিযুদ্ধ ও স্বাধীনতা সংগ্রাম

সেক্টর ৯

১৯৭১ সালে মহান মুক্তিযুদ্ধে পটুয়াখালী জেলার বীর মুক্তিযোদ্ধারা সেক্টর ৯-এর অধীনে দখলদার পাকিস্তানি বাহিনীর বিরুদ্ধে সম্মুখ সমর ও গেরিলা প্রতিরোধ গড়ে তোলেন।

ঐতিহাসিক ও বিশিষ্ট ব্যক্তিবর্গ

বীর মুক্তিযোদ্ধা হাবিবুর রহমানবিচারপতি এ কে এম সাদেকরাজনীতিবিদ শাহজাহান মিয়া

পটুয়াখালী জেলা কেন বিখ্যাত ও ঐতিহাসিক বিশেষত্ব

ঐতিহ্য ও জাতীয় অবদান
1

সাগরকন্যা কুয়াকাটা (একই সৈকত থেকে দাঁড়িয়ে সূর্যোদয় ও সূর্যাস্ত দেখার দুর্লভ স্থান)

2

পায়রা গভীর সমুদ্র বন্দর ও অত্যাধুনিক ১,৩২০ মেগাওয়াট পায়রা তাপবিদ্যুৎ কেন্দ্র

3

শতবর্ষী রাখাইন মহিলা মার্কেট, সীমা বৌদ্ধ মন্দির ও মিশ্রি পাড়া বৌদ্ধ বিহার

4

ফাতরার বন (সুন্দরবনের পূর্বাংশ) ও গঙ্গামতীর গভীর অরণ্য সৈকত

শীর্ষ শিক্ষা প্রতিষ্ঠান হাব (অবস্থান ও ক্যাম্পাস)

বিশ্ববিদ্যালয়, মেডিকেল, কলেজ ও স্কুল
বিশ্ববিদ্যালয়সমূহ
  • পটুয়াখালী বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয় (PSTU)ক্যাম্পাস: পটুয়াখালী সদর ও সংলগ্ন এলাকা
মেডিকেল ও নার্সিং
  • পটুয়াখালী মেডিকেল কলেজ (PKMC)অবস্থান: হাসপাতাল রোড / মেডিকেল চত্বর, পটুয়াখালী
ঐতিহ্যবাহী সেরা কলেজ
  • পটুয়াখালী সরকারি কলেজ (১৯৫৭)অবস্থান: কলেজ রোড, পটুয়াখালী
  • পটুয়াখালী সরকারি মহিলা কলেজঅবস্থান: কলেজ রোড, পটুয়াখালী
শতবর্ষী ও সেরা স্কুল
  • পটুয়াখালী সরকারি জিলা স্কুল (১৮৮৭)অবস্থান: স্কুল মোড় / জেলা সদর, পটুয়াখালী
  • পটুয়াখালী সরকারি বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়অবস্থান: স্কুল মোড় / জেলা সদর, পটুয়াখালী

জেলা প্রশাসন, সরকারি দপ্তর ও পূর্ণাঙ্গ ঠিকানা ডিরেক্টরি

অফিস সময়: রবিবার - বৃহস্পতিবার, সকাল ৯:০০ - বিকাল ৫:০০
জেলা প্রশাসকের কার্যালয়, পটুয়াখালী
প্রশাসন

পূর্ণ ঠিকানা: কালেক্টরেট ভবন ও জেলা প্রশাসন চত্বর, পটুয়াখালী সদর

ই-সেবাকেন্দ্র ও ফ্রন্টডেস্ক সার্বক্ষণিক উন্মুক্ত

পুলিশ সুপারের কার্যালয় ও ২৪/৭ কন্ট্রোল রুম, পটুয়াখালী
২৪/৭ নিরাপত্তা

পূর্ণ ঠিকানা: পুলিশ লাইনস ও এসপি কার্যালয় রোড, পটুয়াখালী

পুলিশ কন্ট্রোল রুম ও জরুরি ডিউটি অফিসার ২৪ ঘণ্টা সচল

সিভিল সার্জন কার্যালয় ও ২৫০ শয্যা জেনারেল হাসপাতাল, পটুয়াখালী
জরুরি স্বাস্থ্য

পূর্ণ ঠিকানা: সদর হাসপাতাল রোড, পটুয়াখালী সদর

জরুরি বিভাগ (Emergency) ও অ্যাম্বুলেন্স ২৪/৭ সেবা

জেলা ও দায়রা জজ আদালত
বিচার বিভাগ

পূর্ণ ঠিকানা: জজ কোর্ট চত্বর, আদালত রোড, পটুয়াখালী সদর

সরকারি আইনি সহায়তা (লিগ্যাল এইড) ও ফৌজদারি-দেওয়ানি আদালত ভবন।

আইনি সহায়তা হটলাইন:১৬৪৩০ (টোল ফ্রি)
আঞ্চলিক পাসপোর্ট অফিস, পটুয়াখালী
নাগরিক সেবা

পূর্ণ ঠিকানা: আঞ্চলিক পাসপোর্ট ভবন, পটুয়াখালী সদর

ই-পাসপোর্ট আবেদন, বায়োমেট্রিক এনরোলমেন্ট ও পাসপোর্ট বিতরণ।

ফায়ার সার্ভিস ও সিভিল ডিফেন্স স্টেশন
জরুরি উদ্ধার

পূর্ণ ঠিকানা: ফায়ার স্টেশন রোড, পটুয়াখালী সদর

অগ্নিনির্বাপণ, নদী ও সড়ক দুর্ঘটনা উদ্ধারকারী স্পেশাল টিম ২৪ ঘণ্টা প্রস্তুত।

জরুরি হটলাইন:১০৬৫৫ / ৯৯৯
জেলা পরিষদ কার্যালয়
স্থানীয় সরকার

পূর্ণ ঠিকানা: জেলা পরিষদ ভবন, পটুয়াখালী সদর

গ্রামীণ অবকাঠামো উন্নয়ন, নাগরিক কল্যাণ ও জেলা পরিষদ ডাকবাংলো পরিচালনা।

সেবা সময়:রবি-বৃহস্পতি সকাল ৯টা - বিকাল ৫টা

আবাসিক হোটেল, রিসোর্ট ও সরকারি সার্কিট হাউস গাইড

পটুয়াখালী জেলায় কোথায় থাকবেন, সঠিক লোকেশন ও সম্ভাব্য ভাড়া
জেলা সার্কিট হাউসসরকারি ভিআইপি

ঠিকানা: সার্কিট হাউস রোড, কালেক্টরেট চত্বর সংলগ্ন, পটুয়াখালী সদর।

ভাড়া: ৳৪০০ - ৳৮০০ (অনুমোদন সাপেক্ষে)

জেলা প্রশাসকের কার্যালয়ের নেজারত শাখা থেকে বুকিং নিতে হয়।

৩-স্টার ও সিটি হোটেলস্ট্যান্ডার্ড

ঠিকানা: কেন্দ্রীয় বাস টার্মিনাল, স্টেশন রোড ও শহরের মূল বাণিজ্যিক কেন্দ্র।

ভাড়া: ৳১,২০০ - ৳৩,০০০ / রাত

এসি/নন-এসি রুম, ২৪/৭ জেনারেটর ব্যাকআপ, ওয়াইফাই ও লিফট সুবিধা।

পর্যটন মোটেল ও রিসোর্টইকো ও পর্যটন

ঠিকানা: নদী তীরবর্তী এলাকা, বনভূমি সংলগ্ন বা প্রধান পর্যটন স্পট রোড।

ভাড়া: ৳২,০০০ - ৳৫,৫০০ / রাত

বাংলাদেশ পর্যটন কর্পোরেশন (BPC) মোটেল ও প্রাইভেট ইকো-রিসোর্ট।

বাজেট হোটেল ও ডাকবাংলোবাজেট ফ্রেন্ডলি

ঠিকানা: পুরাতন বাজার মোড়, জেলা পরিষদ চত্বর ও লঞ্চঘাট/স্টেশন সংলগ্ন।

ভাড়া: ৳৫০০ - ৳১,০০০ / রাত

একক পর্যটক ও ছাত্রছাত্রীদের জন্য সাশ্রয়ী থাকার ব্যবস্থা।

টিপস: যেকোনো হোটেলে চেক-ইন করার সময় জাতীয় পরিচয়পত্র (NID) অথবা জন্মনিবন্ধন কার্ডের ফটোকপি প্রদর্শন করতে হয়। ছুটির দিনে ভ্রমণের পূর্বে অগ্রিম যোগাযোগ করে বুকিং নিশ্চিত করা ভালো।

ঐতিহ্যবাহী বিখ্যাত খাবার ও জিআই পণ্য

ঐতিহ্যবাহী খাবার:

কুয়াকাটার সামুদ্রিক কাঁকড়া ফ্রাই, তাজা টুনা মাছের বারবিকিউ ও রসগোল্লা

সরকার ও আন্তর্জাতিকভাবে স্বীকৃত জিআই (GI) পণ্যসমূহ:
🌟 পটুয়াখালীর লাল চাল ও শুঁটকি

প্রধান দর্শনীয় স্থানসমূহ (5টি) ও পৌঁছানোর রুট

সঠিক লোকেশন, যাতায়াত রুট ও খরচ

কুয়াকাটা সমুদ্র সৈকত

প্রায় ১৮ কিমি লম্বা সৈকত; একই জায়গা থেকে সূর্যোদয় ও সূর্যাস্ত।

যাওয়ার উপায়: কুয়াকাটা বাস টার্মিনাল থেকে হেঁটে।

সেরা সময়: নভেম্বর–মার্চ

প্রবেশ ফি / খরচ: জনপ্রতি দিনে ২,০০০–৪,০০০৳; মোটরসাইকেলে সব স্পট ঘোরা ৮০০–১,৫০০৳

ফাতরার চর

সুন্দরবনের অংশের মতো ম্যানগ্রোভ বন, সৈকতের পশ্চিমে।

যাওয়ার উপায়: কুয়াকাটা থেকে ট্রলারে প্রায় ১ ঘণ্টা।

সেরা সময়: নভেম্বর–মার্চ

প্রবেশ ফি / খরচ: ট্রলারে জনপ্রতি ২০০–৪০০৳ (শেয়ার) বা রিজার্ভ ২,০০০৳+

গঙ্গামতির চর

সূর্যোদয় দেখার সেরা জায়গা; লাল কাঁকড়া আর ঝাউবন।

যাওয়ার উপায়: কুয়াকাটা থেকে মোটরসাইকেলে প্রায় ১০ কিমি পূর্বে।

সেরা সময়: নভেম্বর–মার্চ; সূর্যোদয়ের আগে

প্রবেশ ফি / খরচ: মোটরসাইকেল যাওয়া-আসা ৩০০–৫০০৳

মিশ্রিপাড়া বৌদ্ধ বিহার

রাখাইন পল্লীতে উপমহাদেশের বড় বুদ্ধমূর্তিগুলোর একটি।

যাওয়ার উপায়: কুয়াকাটা থেকে প্রায় ৮ কিমি।

সেরা সময়: সারা বছর

প্রবেশ ফি / খরচ: বিনামূল্যে

লেবুর চর

নদী-সাগরের মোহনায় চর, সূর্যাস্ত আর কাঁকড়ার জন্য পরিচিত।

যাওয়ার উপায়: কুয়াকাটা থেকে প্রায় ৬ কিমি।

সেরা সময়: নভেম্বর–মার্চ; বিকেল

প্রবেশ ফি / খরচ: মোটরসাইকেল যাওয়া-আসা ২০০–৪০০৳

ঢাকা ও দেশের যেকোনো প্রান্ত থেকে পটুয়াখালী যাওয়ার রুট গাইড

দূরত্ব: 270 কিমি • আনুমানিক সময়: ৬–৭ ঘণ্টা (কুয়াকাটা পর্যন্ত)
বাস সার্ভিস (সরাসরি)

ঢাকা (গাবতলী, মহাখালী বা সায়েদাবাদ বাস টার্মিনাল) থেকে পটুয়াখালী সদরের উদ্দেশ্যে দিন-রাত নিয়মিত নন-এসি ও এসি বাস চলাচল করে।

ভাড়া: ৳৩৫০ - ৳১,২০০ (কোচ ও এসি সাপেক্ষে)
রেল যোগাযোগ ও এক্সপ্রেস ট্রেন

কমলাপুর ও ঢাকা বিমানবন্দর রেলওয়ে স্টেশন থেকে আন্তঃনগর এক্সপ্রেস ট্রেনে সরাসরি বা নিকটস্থ রেলওয়ে জংশনে আরামদায়ক যাত্রা করা যায়।

শোভন চেয়ার: ৳১৮০ - ৳৬৫০ (দূরত্ব অনুযায়ী)
নিজস্ব গাড়ি ও মহাসড়ক রুট

জাতীয় মহাসড়ক ব্যবহার করে ব্যক্তিগত গাড়ি, হাইস বা রেন্ট-এ-কারে পরিবারের সাথে নিরাপদ ও দ্রুত সরাসরি পৌঁছানো যায়।

সিএনজি/পেট্রল খরচ: দূরত্ব অনুযায়ী ৩,০০০৳ - ৮,০০০৳
স্থানীয় যাতায়াত টিপস: পদ্মা সেতু হয়ে কুয়াকাটার সরাসরি বাস (সাকুরা, গ্রীন লাইন, হানিফ), নন-এসি ৭০০–৯০০৳, এসি ১,২০০–১,৮০০৳। • সদরঘাট থেকে পটুয়াখালী/কলাপাড়ার লঞ্চ, তারপর বাসে কুয়াকাটা।
স্মার্ট ভ্রমণ নির্দেশিকা ও এস্টিমেটর

আন্তঃজেলা দূরত্ব ও ভ্রমণ খরচ ক্যালকুলেটর

বাংলাদেশের যেকোনো জেলা থেকে অন্য জেলায় যেতে কত খরচ ও কত সময় লাগবে এক ক্লিকে জানুন

যাত্রীর সংখ্যা:
সড়ক দূরত্ব
203কিলোমিটার

ঢাকা থেকে পটুয়াখালী সড়কপথের আনুমানিক দূরত্ব।

আনুমানিক সময়
4.5 ঘণ্টা

যানজট ও যাত্রাবিরতি সহ বাসে সম্ভাব্য পৌঁছানোর সময়কাল।

বাস ভাড়া
৳ 436 — 741

নন-এসি: ৳436 | এসি: ৳741 (জনপ্রতি)।

ট্রেন ভাড়া (শোভন)
৳ 305

বাংলাদেশ রেলওয়ে আন্তঃনগর শোভন চেয়ারের সম্ভাব্য ভাড়া।

পটুয়াখালী জেলায় কোথায় থাকবেন ও সম্ভাব্য খরচ

খরচ: জনপ্রতি দিনে ২,০০০–৪,০০০৳

সিকদার রিসোর্ট অ্যান্ড ভিলাস • হোটেল গ্রেভার ইন • পর্যটন হলিডে হোমস • অনেক বাজেট হোটেল (৳১,২০০–৩,০০০)

বিসিএস ও এডমিশন সাধারণ জ্ঞান (GK) প্রশ্নোত্তর

1

পটুয়াখালী জেলা বাংলাদেশের কোন বিভাগে অবস্থিত?

উত্তর: বরিশাল বিভাগে।

পটুয়াখালী বাংলাদেশের বরিশাল বিভাগের অন্যতম প্রধান প্রশাসনিক ও সাংস্কৃতিক জেলা।

2

পটুয়াখালী জেলার ভৌগোলিক সীমানায় উত্তরে কোন অঞ্চল রয়েছে?

উত্তর: বরিশাল জেলা।

ভৌগোলিক অবস্থান অনুযায়ী পটুয়াখালী জেলার উত্তরে বরিশাল জেলা অবস্থিত।

3

পটুয়াখালী জেলার প্রধান নদ-নদী কোনগুলো?

উত্তর: পায়রা, আন্ধারমানিক, তেঁতুলিয়া।

এসব নদী পটুয়াখালী জেলার কৃষি, পলি ও মৎস্য সম্পদের মূল ভিত্তি।

4

পটুয়াখালী জেলা মুক্তিযুদ্ধকালীন কোন সেক্টরের অধীনে ছিল?

উত্তর: সেক্টর ৯।

১৯৭১ সালের মহান স্বাধীনতা যুদ্ধে এই অঞ্চল সেক্টর ৯-এর অন্তর্ভুক্ত ছিল।

5

পটুয়াখালী জেলার বিখ্যাত ঐতিহ্যবাহী খাবার ও বিশেষত্ব কী?

উত্তর: কুয়াকাটার সামুদ্রিক কাঁকড়া ফ্রাই, তাজা টুনা মাছের বারবিকিউ ও রসগোল্লা।

দেশজুড়ে খাদ্যরসিক ও পর্যটকদের কাছে এটি বিশেষভাবে সুপরিচিত।

বরিশাল বিভাগের অন্যান্য জেলাসমূহ

৬৪ জেলার সম্পূর্ণ ইন্টারঅ্যাক্টিভ মানচিত্র এক্সপ্লোর করুন

আপনার ভ্রমণ করা জেলাগুলো সিলেক্ট করে নিজের রঙিন ট্রাভেল ম্যাপ ডাউনলোড করুন এবং বাকি জেলাগুলোর তথ্য দেখুন।