বরিশাল জেলা(Barishal)
বাংলার ভেনিস খ্যাত নদী-খালের শহর; লঞ্চে রাতের যাত্রাই এখানকার বড় অভিজ্ঞতা।
ভৌগোলিক সীমানা ও ঐতিহাসিক প্রেক্ষাপট
নামকরণের ইতিহাস
নাম নিয়ে কয়েকটি মত আছে। একটি হলো, এখানে লবণের বড় বড় গোলা বা 'বড় সাল্ট' চৌকি ছিল; আরেকটি হলো বড় বড় শাল গাছ থেকে নাম। প্রাচীন নাম চন্দ্রদ্বীপ, পরে বাকেরগঞ্জ।
চারদিকের ভৌগোলিক সীমানা
মুক্তিযুদ্ধ ও স্বাধীনতা সংগ্রাম
সেক্টর ৯১৯৭১ সালে মহান মুক্তিযুদ্ধে বরিশাল জেলার বীর মুক্তিযোদ্ধারা সেক্টর ৯-এর অধীনে দখলদার পাকিস্তানি বাহিনীর বিরুদ্ধে সম্মুখ সমর ও গেরিলা প্রতিরোধ গড়ে তোলেন।
ঐতিহাসিক ও বিশিষ্ট ব্যক্তিবর্গ
বরিশাল জেলা কেন বিখ্যাত ও ঐতিহাসিক বিশেষত্ব
বাংলার ভেনিস ও শস্যভাণ্ডারখ্যাত নদী-খালবেষ্টিত রূপসী বাংলা
রূপসী বাংলার কবি জীবনানন্দ দাশের স্মৃতিধন্য পুণ্যভূমি ও ব্রজমোহন (বিএম) কলেজ
এশিয়া মহাদেশের অন্যতম বৃহৎ ও দৃষ্টিনন্দন বায়তুল আমান (গুঠিয়া) মসজিদ
দক্ষিণাঞ্চলের ঐতিহাসিক দুর্গাসাগর দিঘি ও কীর্তনখোলা নদীর মনোরম আবহ
শীর্ষ শিক্ষা প্রতিষ্ঠান হাব (অবস্থান ও ক্যাম্পাস)
- বরিশাল বিশ্ববিদ্যালয় (BU)ক্যাম্পাস: বরিশাল সদর ও সংলগ্ন এলাকা
- পটুয়াখালী বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয় (বরিশাল ক্যাম্পাস)ক্যাম্পাস: বরিশাল সদর ও সংলগ্ন এলাকা
- শের-ই-বাংলা মেডিকেল কলেজ (SBMC)অবস্থান: হাসপাতাল রোড / মেডিকেল চত্বর, বরিশাল
- সরকারি ব্রজমোহন (বিএম) কলেজ (১৮৮৯)অবস্থান: কলেজ রোড, বরিশাল
- বরিশাল সরকারি মহিলা কলেজঅবস্থান: কলেজ রোড, বরিশাল
- অমৃত লাল দে মহাবিদ্যালয়অবস্থান: কলেজ রোড, বরিশাল
- বরিশাল জিলা স্কুল (১৮৫৩)অবস্থান: স্কুল মোড় / জেলা সদর, বরিশাল
- বরিশাল সরকারি বালিকা উচ্চ বিদ্যালয় (১৮২৩)অবস্থান: স্কুল মোড় / জেলা সদর, বরিশাল
জেলা প্রশাসন, সরকারি দপ্তর ও পূর্ণাঙ্গ ঠিকানা ডিরেক্টরি
পূর্ণ ঠিকানা: কালেক্টরেট ভবন ও জেলা প্রশাসন চত্বর, বরিশাল সদর
ই-সেবাকেন্দ্র ও ফ্রন্টডেস্ক সার্বক্ষণিক উন্মুক্ত
পূর্ণ ঠিকানা: পুলিশ লাইনস ও এসপি কার্যালয় রোড, বরিশাল
পুলিশ কন্ট্রোল রুম ও জরুরি ডিউটি অফিসার ২৪ ঘণ্টা সচল
পূর্ণ ঠিকানা: সদর হাসপাতাল রোড, বরিশাল সদর
জরুরি বিভাগ (Emergency) ও অ্যাম্বুলেন্স ২৪/৭ সেবা
পূর্ণ ঠিকানা: জজ কোর্ট চত্বর, আদালত রোড, বরিশাল সদর
সরকারি আইনি সহায়তা (লিগ্যাল এইড) ও ফৌজদারি-দেওয়ানি আদালত ভবন।
পূর্ণ ঠিকানা: আঞ্চলিক পাসপোর্ট ভবন, বরিশাল সদর
ই-পাসপোর্ট আবেদন, বায়োমেট্রিক এনরোলমেন্ট ও পাসপোর্ট বিতরণ।
পূর্ণ ঠিকানা: ফায়ার স্টেশন রোড, বরিশাল সদর
অগ্নিনির্বাপণ, নদী ও সড়ক দুর্ঘটনা উদ্ধারকারী স্পেশাল টিম ২৪ ঘণ্টা প্রস্তুত।
পূর্ণ ঠিকানা: জেলা পরিষদ ভবন, বরিশাল সদর
গ্রামীণ অবকাঠামো উন্নয়ন, নাগরিক কল্যাণ ও জেলা পরিষদ ডাকবাংলো পরিচালনা।
আবাসিক হোটেল, রিসোর্ট ও সরকারি সার্কিট হাউস গাইড
ঠিকানা: সার্কিট হাউস রোড, কালেক্টরেট চত্বর সংলগ্ন, বরিশাল সদর।
ভাড়া: ৳৪০০ - ৳৮০০ (অনুমোদন সাপেক্ষে)
জেলা প্রশাসকের কার্যালয়ের নেজারত শাখা থেকে বুকিং নিতে হয়।
ঠিকানা: কেন্দ্রীয় বাস টার্মিনাল, স্টেশন রোড ও শহরের মূল বাণিজ্যিক কেন্দ্র।
ভাড়া: ৳১,২০০ - ৳৩,০০০ / রাত
এসি/নন-এসি রুম, ২৪/৭ জেনারেটর ব্যাকআপ, ওয়াইফাই ও লিফট সুবিধা।
ঠিকানা: নদী তীরবর্তী এলাকা, বনভূমি সংলগ্ন বা প্রধান পর্যটন স্পট রোড।
ভাড়া: ৳২,০০০ - ৳৫,৫০০ / রাত
বাংলাদেশ পর্যটন কর্পোরেশন (BPC) মোটেল ও প্রাইভেট ইকো-রিসোর্ট।
ঠিকানা: পুরাতন বাজার মোড়, জেলা পরিষদ চত্বর ও লঞ্চঘাট/স্টেশন সংলগ্ন।
ভাড়া: ৳৫০০ - ৳১,০০০ / রাত
একক পর্যটক ও ছাত্রছাত্রীদের জন্য সাশ্রয়ী থাকার ব্যবস্থা।
ঐতিহ্যবাহী বিখ্যাত খাবার ও জিআই পণ্য
বরিশালের সুস্বাদু আমড়া, পেয়ারা, সন্দেশ ও ইলিশ ভাজা
প্রধান দর্শনীয় স্থানসমূহ (4টি) ও পৌঁছানোর রুট
গুঠিয়া মসজিদ (বায়তুল আমান)
বিশাল পুকুর, বাগান আর আলোকসজ্জায় দেশের অন্যতম সুন্দর মসজিদ কমপ্লেক্স।
যাওয়ার উপায়: উজিরপুরের গুঠিয়ায়; শহর থেকে বাস/সিএনজিতে প্রায় ২০ কিমি।
সেরা সময়: সারা বছর; সন্ধ্যার আলোকসজ্জা
প্রবেশ ফি / খরচ: বিনামূল্যে
দুর্গাসাগর দিঘি
প্রায় ৪৫ একরের দিঘি, মাঝে দ্বীপ; শীতে অতিথি পাখি।
যাওয়ার উপায়: বাবুগঞ্জের মাধবপাশায়; শহর থেকে প্রায় ১১ কিমি।
সেরা সময়: নভেম্বর–ফেব্রুয়ারি
প্রবেশ ফি / খরচ: সামান্য প্রবেশ ফি
সাতলা শাপলা বিল
বর্ষা-শরতে বিলজুড়ে লাল শাপলা; ভোরে নৌকায় ঘুরতে সবচেয়ে সুন্দর।
যাওয়ার উপায়: উজিরপুরের সাতলায়; বরিশাল থেকে প্রায় ৫০ কিমি।
সেরা সময়: আগস্ট–অক্টোবর; ভোর ৬–৯টা
প্রবেশ ফি / খরচ: ডিঙি নৌকা ঘণ্টায় ২০০–৪০০৳
অক্সফোর্ড মিশন চার্চ
১৯০৩ সালে তৈরি লাল ইটের বিশাল গির্জা, অসাধারণ স্থাপত্য।
যাওয়ার উপায়: বরিশাল শহরের বগুড়া রোডে।
সেরা সময়: সারা বছর
প্রবেশ ফি / খরচ: বিনামূল্যে (প্রবেশে অনুমতি লাগতে পারে)
ঢাকা ও দেশের যেকোনো প্রান্ত থেকে বরিশাল যাওয়ার রুট গাইড
ঢাকা (গাবতলী, মহাখালী বা সায়েদাবাদ বাস টার্মিনাল) থেকে বরিশাল সদরের উদ্দেশ্যে দিন-রাত নিয়মিত নন-এসি ও এসি বাস চলাচল করে।
কমলাপুর ও ঢাকা বিমানবন্দর রেলওয়ে স্টেশন থেকে আন্তঃনগর এক্সপ্রেস ট্রেনে সরাসরি বা নিকটস্থ রেলওয়ে জংশনে আরামদায়ক যাত্রা করা যায়।
জাতীয় মহাসড়ক ব্যবহার করে ব্যক্তিগত গাড়ি, হাইস বা রেন্ট-এ-কারে পরিবারের সাথে নিরাপদ ও দ্রুত সরাসরি পৌঁছানো যায়।
আন্তঃজেলা দূরত্ব ও ভ্রমণ খরচ ক্যালকুলেটর
বাংলাদেশের যেকোনো জেলা থেকে অন্য জেলায় যেতে কত খরচ ও কত সময় লাগবে এক ক্লিকে জানুন
ঢাকা থেকে বরিশাল সড়কপথের আনুমানিক দূরত্ব।
যানজট ও যাত্রাবিরতি সহ বাসে সম্ভাব্য পৌঁছানোর সময়কাল।
নন-এসি: ৳327 | এসি: ৳555 (জনপ্রতি)।
বাংলাদেশ রেলওয়ে আন্তঃনগর শোভন চেয়ারের সম্ভাব্য ভাড়া।
বরিশাল জেলায় কোথায় থাকবেন ও সম্ভাব্য খরচ
খরচ: জনপ্রতি দিনে ১,৫০০–৩,০০০৳হোটেল গ্র্যান্ড পার্ক • শহরে মাঝারি মানের হোটেল (৳১,২০০–৩,০০০)
বিসিএস ও এডমিশন সাধারণ জ্ঞান (GK) প্রশ্নোত্তর
বরিশাল জেলা বাংলাদেশের কোন বিভাগে অবস্থিত?
বরিশাল বাংলাদেশের বরিশাল বিভাগের অন্যতম প্রধান প্রশাসনিক ও সাংস্কৃতিক জেলা।
বরিশাল জেলার ভৌগোলিক সীমানায় উত্তরে কোন অঞ্চল রয়েছে?
ভৌগোলিক অবস্থান অনুযায়ী বরিশাল জেলার উত্তরে মাদারীপুর, শরীয়তপুর ও চাঁদপুর জেলা অবস্থিত।
বরিশাল জেলার প্রধান নদ-নদী কোনগুলো?
এসব নদী বরিশাল জেলার কৃষি, পলি ও মৎস্য সম্পদের মূল ভিত্তি।
বরিশাল জেলা মুক্তিযুদ্ধকালীন কোন সেক্টরের অধীনে ছিল?
১৯৭১ সালের মহান স্বাধীনতা যুদ্ধে এই অঞ্চল সেক্টর ৯-এর অন্তর্ভুক্ত ছিল।
বরিশাল জেলার বিখ্যাত ঐতিহ্যবাহী খাবার ও বিশেষত্ব কী?
দেশজুড়ে খাদ্যরসিক ও পর্যটকদের কাছে এটি বিশেষভাবে সুপরিচিত।
বরিশাল বিভাগের অন্যান্য জেলাসমূহ
৬৪ জেলার সম্পূর্ণ ইন্টারঅ্যাক্টিভ মানচিত্র এক্সপ্লোর করুন
আপনার ভ্রমণ করা জেলাগুলো সিলেক্ট করে নিজের রঙিন ট্রাভেল ম্যাপ ডাউনলোড করুন এবং বাকি জেলাগুলোর তথ্য দেখুন।