জয়পুরহাট জেলা(Joypurhat)
ছোট্ট সীমান্ত জেলা; চিনিকল আর মুক্তিযুদ্ধের স্মৃতিবিজড়িত স্থান।
ভৌগোলিক সীমানা ও ঐতিহাসিক প্রেক্ষাপট
নামকরণের ইতিহাস
প্রাচীন নাম বাঘাবাড়ি। নামের উৎস নিয়ে নানা মত আছে; ব্রিটিশ আমলে রেলস্টেশন ও হাটের নাম থেকে জয়পুরহাট নামটি প্রচলিত হয় বলে মনে করা হয়।
চারদিকের ভৌগোলিক সীমানা
মুক্তিযুদ্ধ ও স্বাধীনতা সংগ্রাম
সেক্টর ৭১৯৭১ সালে মহান মুক্তিযুদ্ধে জয়পুরহাট জেলার বীর মুক্তিযোদ্ধারা সেক্টর ৭-এর অধীনে দখলদার পাকিস্তানি বাহিনীর বিরুদ্ধে সম্মুখ সমর ও গেরিলা প্রতিরোধ গড়ে তোলেন।
ঐতিহাসিক ও বিশিষ্ট ব্যক্তিবর্গ
জয়পুরহাট জেলা কেন বিখ্যাত ও ঐতিহাসিক বিশেষত্ব
ঐতিহাসিক লকমা রাজবাড়ি ও প্রাচীন পাল আমলের নান্দাইল দিঘি
দেশের একমাত্র ও বৃহত্তম চুনাপাথর ও কয়লা খনি প্রকল্প (জামালগঞ্জ)
দেশের অন্যতম শীর্ষ আলু উৎপাদনকারী জেলা ও আধুনিক চিনি কল
আশার আলো ছড়ানো হিলি স্থলবন্দর সংযোগ ও ছোট যমুনা নদীর অববাহিকা
শীর্ষ শিক্ষা প্রতিষ্ঠান হাব (অবস্থান ও ক্যাম্পাস)
- জয়পুরহাট বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয় (প্রস্তাবিত)ক্যাম্পাস: জয়পুরহাট সদর ও সংলগ্ন এলাকা
- জয়পুরহাট মেডিকেল কলেজ (প্রস্তাবিত/সদর হাসপাতাল সংলগ্ন)অবস্থান: হাসপাতাল রোড / মেডিকেল চত্বর, জয়পুরহাট
- জয়পুরহাট সরকারি কলেজ (১৯৭২)অবস্থান: কলেজ রোড, জয়পুরহাট
- জয়পুরহাট সরকারি মহিলা কলেজঅবস্থান: কলেজ রোড, জয়পুরহাট
- জয়পুরহাট সরকারি রামদেও বাজলা উচ্চ বিদ্যালয় (১৯৪৬)অবস্থান: স্কুল মোড় / জেলা সদর, জয়পুরহাট
- জয়পুরহাট সরকারি বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়অবস্থান: স্কুল মোড় / জেলা সদর, জয়পুরহাট
জেলা প্রশাসন, সরকারি দপ্তর ও পূর্ণাঙ্গ ঠিকানা ডিরেক্টরি
পূর্ণ ঠিকানা: কালেক্টরেট ভবন ও জেলা প্রশাসন চত্বর, জয়পুরহাট সদর
ই-সেবাকেন্দ্র ও ফ্রন্টডেস্ক সার্বক্ষণিক উন্মুক্ত
পূর্ণ ঠিকানা: পুলিশ লাইনস ও এসপি কার্যালয় রোড, জয়পুরহাট
পুলিশ কন্ট্রোল রুম ও জরুরি ডিউটি অফিসার ২৪ ঘণ্টা সচল
পূর্ণ ঠিকানা: সদর হাসপাতাল রোড, জয়পুরহাট সদর
জরুরি বিভাগ (Emergency) ও অ্যাম্বুলেন্স ২৪/৭ সেবা
পূর্ণ ঠিকানা: জজ কোর্ট চত্বর, আদালত রোড, জয়পুরহাট সদর
সরকারি আইনি সহায়তা (লিগ্যাল এইড) ও ফৌজদারি-দেওয়ানি আদালত ভবন।
পূর্ণ ঠিকানা: আঞ্চলিক পাসপোর্ট ভবন, জয়পুরহাট সদর
ই-পাসপোর্ট আবেদন, বায়োমেট্রিক এনরোলমেন্ট ও পাসপোর্ট বিতরণ।
পূর্ণ ঠিকানা: ফায়ার স্টেশন রোড, জয়পুরহাট সদর
অগ্নিনির্বাপণ, নদী ও সড়ক দুর্ঘটনা উদ্ধারকারী স্পেশাল টিম ২৪ ঘণ্টা প্রস্তুত।
পূর্ণ ঠিকানা: জেলা পরিষদ ভবন, জয়পুরহাট সদর
গ্রামীণ অবকাঠামো উন্নয়ন, নাগরিক কল্যাণ ও জেলা পরিষদ ডাকবাংলো পরিচালনা।
আবাসিক হোটেল, রিসোর্ট ও সরকারি সার্কিট হাউস গাইড
ঠিকানা: সার্কিট হাউস রোড, কালেক্টরেট চত্বর সংলগ্ন, জয়পুরহাট সদর।
ভাড়া: ৳৪০০ - ৳৮০০ (অনুমোদন সাপেক্ষে)
জেলা প্রশাসকের কার্যালয়ের নেজারত শাখা থেকে বুকিং নিতে হয়।
ঠিকানা: কেন্দ্রীয় বাস টার্মিনাল, স্টেশন রোড ও শহরের মূল বাণিজ্যিক কেন্দ্র।
ভাড়া: ৳১,২০০ - ৳৩,০০০ / রাত
এসি/নন-এসি রুম, ২৪/৭ জেনারেটর ব্যাকআপ, ওয়াইফাই ও লিফট সুবিধা।
ঠিকানা: নদী তীরবর্তী এলাকা, বনভূমি সংলগ্ন বা প্রধান পর্যটন স্পট রোড।
ভাড়া: ৳২,০০০ - ৳৫,৫০০ / রাত
বাংলাদেশ পর্যটন কর্পোরেশন (BPC) মোটেল ও প্রাইভেট ইকো-রিসোর্ট।
ঠিকানা: পুরাতন বাজার মোড়, জেলা পরিষদ চত্বর ও লঞ্চঘাট/স্টেশন সংলগ্ন।
ভাড়া: ৳৫০০ - ৳১,০০০ / রাত
একক পর্যটক ও ছাত্রছাত্রীদের জন্য সাশ্রয়ী থাকার ব্যবস্থা।
ঐতিহ্যবাহী বিখ্যাত খাবার ও জিআই পণ্য
জয়পুরহাটের ঐতিহ্যবাহী ক্ষীরপায়েস, রসগোল্লা ও কলাই রুটি
প্রধান দর্শনীয় স্থানসমূহ (2টি) ও পৌঁছানোর রুট
লকমা রাজবাড়ি
ভারত সীমান্তের কাছে পুরনো জমিদার বাড়ি।
যাওয়ার উপায়: পাঁচবিবি উপজেলায়।
সেরা সময়: অক্টোবর–মার্চ
প্রবেশ ফি / খরচ: বিনামূল্যে
পাগলা দেওয়ান বধ্যভূমি
১৯৭১ সালের গণহত্যার স্মৃতিস্তম্ভ।
যাওয়ার উপায়: জয়পুরহাট শহর থেকে প্রায় ১০ কিমি।
সেরা সময়: সারা বছর; ডিসেম্বর
প্রবেশ ফি / খরচ: বিনামূল্যে
ঢাকা ও দেশের যেকোনো প্রান্ত থেকে জয়পুরহাট যাওয়ার রুট গাইড
ঢাকা (গাবতলী, মহাখালী বা সায়েদাবাদ বাস টার্মিনাল) থেকে জয়পুরহাট সদরের উদ্দেশ্যে দিন-রাত নিয়মিত নন-এসি ও এসি বাস চলাচল করে।
কমলাপুর ও ঢাকা বিমানবন্দর রেলওয়ে স্টেশন থেকে আন্তঃনগর এক্সপ্রেস ট্রেনে সরাসরি বা নিকটস্থ রেলওয়ে জংশনে আরামদায়ক যাত্রা করা যায়।
জাতীয় মহাসড়ক ব্যবহার করে ব্যক্তিগত গাড়ি, হাইস বা রেন্ট-এ-কারে পরিবারের সাথে নিরাপদ ও দ্রুত সরাসরি পৌঁছানো যায়।
আন্তঃজেলা দূরত্ব ও ভ্রমণ খরচ ক্যালকুলেটর
বাংলাদেশের যেকোনো জেলা থেকে অন্য জেলায় যেতে কত খরচ ও কত সময় লাগবে এক ক্লিকে জানুন
ঢাকা থেকে জয়পুরহাট সড়কপথের আনুমানিক দূরত্ব।
যানজট ও যাত্রাবিরতি সহ বাসে সম্ভাব্য পৌঁছানোর সময়কাল।
নন-এসি: ৳606 | এসি: ৳1029 (জনপ্রতি)।
বাংলাদেশ রেলওয়ে আন্তঃনগর শোভন চেয়ারের সম্ভাব্য ভাড়া।
জয়পুরহাট জেলায় কোথায় থাকবেন ও সম্ভাব্য খরচ
খরচ: জনপ্রতি দিনে ১,২০০–২,২০০৳বিসিএস ও এডমিশন সাধারণ জ্ঞান (GK) প্রশ্নোত্তর
জয়পুরহাট জেলা বাংলাদেশের কোন বিভাগে অবস্থিত?
জয়পুরহাট বাংলাদেশের রাজশাহী বিভাগের অন্যতম প্রধান প্রশাসনিক ও সাংস্কৃতিক জেলা।
জয়পুরহাট জেলার ভৌগোলিক সীমানায় উত্তরে কোন অঞ্চল রয়েছে?
ভৌগোলিক অবস্থান অনুযায়ী জয়পুরহাট জেলার উত্তরে দিনাজপুর জেলা ও ভারতের পশ্চিমবঙ্গ অবস্থিত।
জয়পুরহাট জেলার প্রধান নদ-নদী কোনগুলো?
এসব নদী জয়পুরহাট জেলার কৃষি, পলি ও মৎস্য সম্পদের মূল ভিত্তি।
জয়পুরহাট জেলা মুক্তিযুদ্ধকালীন কোন সেক্টরের অধীনে ছিল?
১৯৭১ সালের মহান স্বাধীনতা যুদ্ধে এই অঞ্চল সেক্টর ৭-এর অন্তর্ভুক্ত ছিল।
জয়পুরহাট জেলার বিখ্যাত ঐতিহ্যবাহী খাবার ও বিশেষত্ব কী?
দেশজুড়ে খাদ্যরসিক ও পর্যটকদের কাছে এটি বিশেষভাবে সুপরিচিত।
রাজশাহী বিভাগের অন্যান্য জেলাসমূহ
৬৪ জেলার সম্পূর্ণ ইন্টারঅ্যাক্টিভ মানচিত্র এক্সপ্লোর করুন
আপনার ভ্রমণ করা জেলাগুলো সিলেক্ট করে নিজের রঙিন ট্রাভেল ম্যাপ ডাউনলোড করুন এবং বাকি জেলাগুলোর তথ্য দেখুন।