নবাবগঞ্জ জেলা(Chapainawabganj)
আমের রাজধানী; প্রাচীন গৌড়ের সুলতানি মসজিদের জেলা।
ভৌগোলিক সীমানা ও ঐতিহাসিক প্রেক্ষাপট
নামকরণের ইতিহাস
নবাবরা এখানে শিকারে আসতেন বলে জায়গার নাম হয় নবাবগঞ্জ। লোককাহিনি অনুযায়ী, চাঁপা নামের এক নর্তকী নবাবদের প্রিয় ছিলেন; দুই নাম মিলে চাঁপাইনবাবগঞ্জ।
চারদিকের ভৌগোলিক সীমানা
মুক্তিযুদ্ধ ও স্বাধীনতা সংগ্রাম
সেক্টর ৭১৯৭১ সালে মহান মুক্তিযুদ্ধে নবাবগঞ্জ জেলার বীর মুক্তিযোদ্ধারা সেক্টর ৭-এর অধীনে দখলদার পাকিস্তানি বাহিনীর বিরুদ্ধে সম্মুখ সমর ও গেরিলা প্রতিরোধ গড়ে তোলেন।
ঐতিহাসিক ও বিশিষ্ট ব্যক্তিবর্গ
নবাবগঞ্জ জেলা কেন বিখ্যাত ও ঐতিহাসিক বিশেষত্ব
বাংলাদেশের বিশ্বখ্যাত আমের রাজধানী (ফজলি, ক্ষীরশাপাত, ল্যাংড়া, আশ্বিনা)
সুলতানি আমলের অনিন্দ্য স্থাপত্য নিদর্শন ঐতিহাসিক ছোট সোনা মসজিদ ও তোহাখানা
ঐতিহ্যবাহী লোকসংস্কৃতি গম্ভীরা গান ও শিবগঞ্জের বিখ্যাত কলাইয়ের রুটি
সোনামসজিদ আন্তর্জাতিক স্থলবন্দর ও প্রাচীন গৌড় নগরের ঐতিহাসিক সীমানা
শীর্ষ শিক্ষা প্রতিষ্ঠান হাব (অবস্থান ও ক্যাম্পাস)
- চাঁপাইনবাবগঞ্জ বিশ্ববিদ্যালয় (প্রস্তাবিত)ক্যাম্পাস: নবাবগঞ্জ সদর ও সংলগ্ন এলাকা
- চাঁপাইনবাবগঞ্জ মেডিকেল কলেজ (প্রস্তাবিত/সদর হাসপাতাল সংলগ্ন)অবস্থান: হাসপাতাল রোড / মেডিকেল চত্বর, নবাবগঞ্জ
- নবাবগঞ্জ সরকারি কলেজ (১৯৫৫)অবস্থান: কলেজ রোড, নবাবগঞ্জ
- নবাবগঞ্জ সরকারি মহিলা কলেজঅবস্থান: কলেজ রোড, নবাবগঞ্জ
- হরিমোহন সরকারি উচ্চ বিদ্যালয় (১৮৯৫)অবস্থান: স্কুল মোড় / জেলা সদর, নবাবগঞ্জ
- নবাবগঞ্জ সরকারি বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়অবস্থান: স্কুল মোড় / জেলা সদর, নবাবগঞ্জ
জেলা প্রশাসন, সরকারি দপ্তর ও পূর্ণাঙ্গ ঠিকানা ডিরেক্টরি
পূর্ণ ঠিকানা: কালেক্টরেট ভবন ও জেলা প্রশাসন চত্বর, নবাবগঞ্জ সদর
ই-সেবাকেন্দ্র ও ফ্রন্টডেস্ক সার্বক্ষণিক উন্মুক্ত
পূর্ণ ঠিকানা: পুলিশ লাইনস ও এসপি কার্যালয় রোড, নবাবগঞ্জ
পুলিশ কন্ট্রোল রুম ও জরুরি ডিউটি অফিসার ২৪ ঘণ্টা সচল
পূর্ণ ঠিকানা: সদর হাসপাতাল রোড, নবাবগঞ্জ সদর
জরুরি বিভাগ (Emergency) ও অ্যাম্বুলেন্স ২৪/৭ সেবা
পূর্ণ ঠিকানা: জজ কোর্ট চত্বর, আদালত রোড, নবাবগঞ্জ সদর
সরকারি আইনি সহায়তা (লিগ্যাল এইড) ও ফৌজদারি-দেওয়ানি আদালত ভবন।
পূর্ণ ঠিকানা: আঞ্চলিক পাসপোর্ট ভবন, নবাবগঞ্জ সদর
ই-পাসপোর্ট আবেদন, বায়োমেট্রিক এনরোলমেন্ট ও পাসপোর্ট বিতরণ।
পূর্ণ ঠিকানা: ফায়ার স্টেশন রোড, নবাবগঞ্জ সদর
অগ্নিনির্বাপণ, নদী ও সড়ক দুর্ঘটনা উদ্ধারকারী স্পেশাল টিম ২৪ ঘণ্টা প্রস্তুত।
পূর্ণ ঠিকানা: জেলা পরিষদ ভবন, নবাবগঞ্জ সদর
গ্রামীণ অবকাঠামো উন্নয়ন, নাগরিক কল্যাণ ও জেলা পরিষদ ডাকবাংলো পরিচালনা।
আবাসিক হোটেল, রিসোর্ট ও সরকারি সার্কিট হাউস গাইড
ঠিকানা: সার্কিট হাউস রোড, কালেক্টরেট চত্বর সংলগ্ন, নবাবগঞ্জ সদর।
ভাড়া: ৳৪০০ - ৳৮০০ (অনুমোদন সাপেক্ষে)
জেলা প্রশাসকের কার্যালয়ের নেজারত শাখা থেকে বুকিং নিতে হয়।
ঠিকানা: কেন্দ্রীয় বাস টার্মিনাল, স্টেশন রোড ও শহরের মূল বাণিজ্যিক কেন্দ্র।
ভাড়া: ৳১,২০০ - ৳৩,০০০ / রাত
এসি/নন-এসি রুম, ২৪/৭ জেনারেটর ব্যাকআপ, ওয়াইফাই ও লিফট সুবিধা।
ঠিকানা: নদী তীরবর্তী এলাকা, বনভূমি সংলগ্ন বা প্রধান পর্যটন স্পট রোড।
ভাড়া: ৳২,০০০ - ৳৫,৫০০ / রাত
বাংলাদেশ পর্যটন কর্পোরেশন (BPC) মোটেল ও প্রাইভেট ইকো-রিসোর্ট।
ঠিকানা: পুরাতন বাজার মোড়, জেলা পরিষদ চত্বর ও লঞ্চঘাট/স্টেশন সংলগ্ন।
ভাড়া: ৳৫০০ - ৳১,০০০ / রাত
একক পর্যটক ও ছাত্রছাত্রীদের জন্য সাশ্রয়ী থাকার ব্যবস্থা।
ঐতিহ্যবাহী বিখ্যাত খাবার ও জিআই পণ্য
শিবগঞ্জের কলাইয়ের রুটি ও হাঁসের মাংস, ক্ষীরশাপাত ও ফজলি আম
প্রধান দর্শনীয় স্থানসমূহ (4টি) ও পৌঁছানোর রুট
ছোট সোনা মসজিদ
পনেরো শতকের 'গৌড়ের রত্ন'; পাথরের অসাধারণ কারুকাজ।
যাওয়ার উপায়: শিবগঞ্জ উপজেলায়, সোনামসজিদ স্থলবন্দরের পথে।
সেরা সময়: অক্টোবর–মার্চ
প্রবেশ ফি / খরচ: বিনামূল্যে
তাহখানা
শাহ সুজার তৈরি শীতকালীন প্রাসাদ, পুকুরের পাড়ে।
যাওয়ার উপায়: ছোট সোনা মসজিদের কাছে।
সেরা সময়: অক্টোবর–মার্চ
প্রবেশ ফি / খরচ: বিনামূল্যে
দারাসবাড়ি মসজিদ
১৪৭৯ সালের বড় মসজিদের ধ্বংসাবশেষ ও মাদ্রাসা।
যাওয়ার উপায়: ছোট সোনা মসজিদের কাছে।
সেরা সময়: অক্টোবর–মার্চ
প্রবেশ ফি / খরচ: বিনামূল্যে
আমবাগান
মাইলের পর মাইল আমবাগান; মৌসুমে বাগান থেকে সরাসরি আম।
যাওয়ার উপায়: শিবগঞ্জ ও ভোলাহাট এলাকায়।
সেরা সময়: মে–জুলাই (আমের মৌসুম); ফেব্রুয়ারি–মার্চে মুকুল
প্রবেশ ফি / খরচ: বাগান থেকে আম কেজি ৫০–১৫০৳ (জাত ও সময় অনুযায়ী)
ঢাকা ও দেশের যেকোনো প্রান্ত থেকে নবাবগঞ্জ যাওয়ার রুট গাইড
ঢাকা (গাবতলী, মহাখালী বা সায়েদাবাদ বাস টার্মিনাল) থেকে নবাবগঞ্জ সদরের উদ্দেশ্যে দিন-রাত নিয়মিত নন-এসি ও এসি বাস চলাচল করে।
কমলাপুর ও ঢাকা বিমানবন্দর রেলওয়ে স্টেশন থেকে আন্তঃনগর এক্সপ্রেস ট্রেনে সরাসরি বা নিকটস্থ রেলওয়ে জংশনে আরামদায়ক যাত্রা করা যায়।
জাতীয় মহাসড়ক ব্যবহার করে ব্যক্তিগত গাড়ি, হাইস বা রেন্ট-এ-কারে পরিবারের সাথে নিরাপদ ও দ্রুত সরাসরি পৌঁছানো যায়।
আন্তঃজেলা দূরত্ব ও ভ্রমণ খরচ ক্যালকুলেটর
বাংলাদেশের যেকোনো জেলা থেকে অন্য জেলায় যেতে কত খরচ ও কত সময় লাগবে এক ক্লিকে জানুন
ঢাকা থেকে নবাবগঞ্জ সড়কপথের আনুমানিক দূরত্ব।
যানজট ও যাত্রাবিরতি সহ বাসে সম্ভাব্য পৌঁছানোর সময়কাল।
নন-এসি: ৳690 | এসি: ৳1172 (জনপ্রতি)।
বাংলাদেশ রেলওয়ে আন্তঃনগর শোভন চেয়ারের সম্ভাব্য ভাড়া।
নবাবগঞ্জ জেলায় কোথায় থাকবেন ও সম্ভাব্য খরচ
খরচ: জনপ্রতি দিনে ১,৫০০–২,৫০০৳সোনামসজিদ এলাকায় পর্যটন মোটেল • শহরে সাধারণ মানের হোটেল
বিসিএস ও এডমিশন সাধারণ জ্ঞান (GK) প্রশ্নোত্তর
নবাবগঞ্জ জেলা বাংলাদেশের কোন বিভাগে অবস্থিত?
নবাবগঞ্জ বাংলাদেশের রাজশাহী বিভাগের অন্যতম প্রধান প্রশাসনিক ও সাংস্কৃতিক জেলা।
নবাবগঞ্জ জেলার ভৌগোলিক সীমানায় উত্তরে কোন অঞ্চল রয়েছে?
ভৌগোলিক অবস্থান অনুযায়ী নবাবগঞ্জ জেলার উত্তরে নওগাঁ জেলা ও ভারতের পশ্চিমবঙ্গ অবস্থিত।
নবাবগঞ্জ জেলার প্রধান নদ-নদী কোনগুলো?
এসব নদী নবাবগঞ্জ জেলার কৃষি, পলি ও মৎস্য সম্পদের মূল ভিত্তি।
নবাবগঞ্জ জেলা মুক্তিযুদ্ধকালীন কোন সেক্টরের অধীনে ছিল?
১৯৭১ সালের মহান স্বাধীনতা যুদ্ধে এই অঞ্চল সেক্টর ৭-এর অন্তর্ভুক্ত ছিল।
নবাবগঞ্জ জেলার বিখ্যাত ঐতিহ্যবাহী খাবার ও বিশেষত্ব কী?
দেশজুড়ে খাদ্যরসিক ও পর্যটকদের কাছে এটি বিশেষভাবে সুপরিচিত।
রাজশাহী বিভাগের অন্যান্য জেলাসমূহ
৬৪ জেলার সম্পূর্ণ ইন্টারঅ্যাক্টিভ মানচিত্র এক্সপ্লোর করুন
আপনার ভ্রমণ করা জেলাগুলো সিলেক্ট করে নিজের রঙিন ট্রাভেল ম্যাপ ডাউনলোড করুন এবং বাকি জেলাগুলোর তথ্য দেখুন।