## 📐 পঞ্চম শ্রেণি প্রাথমিক গণিত — গোল্ডেন স্ট্যান্ডার্ড সম্পূর্ণ বই হ্যান্ডনোট (PDF)

বাংলাদেশের পঞ্চম শ্রেণির শিক্ষার্থী, শিক্ষক ও অভিভাবকদের জন্য এনসিটিবি (NCTB) অনুমোদিত সর্বশেষ পাঠ্যক্রমের আলোকে প্রাথমিক গণিত বইয়ের সকল ১০টি অধ্যায়ের পুঙ্খানুপুঙ্খ অধ্যায়ভিত্তিক সমাধান, সৃজনশীল প্রশ্ন ও উত্তর, এবং কুইজ সম্ভার নিয়ে মেধাবী একাডেমি প্রকাশ করেছে এই অনন্য সুপার হ্যান্ডনোট।

গণিত কোনো ভীতি নয়—নিয়ম ও সূত্র সঠিকভাবে বুঝে অনুশীলন করলে পঞ্চম শ্রেণির গণিতে শতভাগ নম্বর (১০০ তে ১০০) অর্জন করা সম্ভব।


📚 সম্পূর্ণ বইটির ১০টি অধ্যায়ের পুঙ্খানুপুঙ্খ সারসংক্ষেপ:

অধ্যায় ১: গুণ ও ভাগ

  • গুণের উপাদান: গুণ্য × গুণক = গুণফল; গুণফল ÷ গুণক = গুণ্য।
  • সহজ পদ্ধতিতে গুণ: ১০০ বা ১০০০ এর নিকটবর্তী সংখ্যাকে (১০০ - ১) বা (১০০০ - ১) আকারে প্রকাশ করে দ্রুত গুণ সম্পন্ন করা।
  • ভাগের সম্পর্ক:
  • নিঃশেষে বিভাজ্য হলে: ভাজ্য = ভাজক × ভাগফল।
  • নিঃশেষে বিভাজ্য না হলে: ভাজ্য = (ভাজক × ভাগফল) + ভাগশেষ।
  • সর্বদা: ভাগশেষ < ভাজক।

অধ্যায় ২: গাণিতিক বাক্য

  • খোলা বাক্য: যে বাক্যটি সত্য নাকি মিথ্যা তা তাৎক্ষণিকভাবে নির্ণয় করা যায় না কারণ এতে এক বা একাধিক অজানা সংখ্যা বা প্রতীক (যেমন: □, x) থাকে।
  • গাণিতিক বাক্য (বা বন্ধ বাক্য): যে বাক্যটি নিশ্চিতভাবেই সত্য বা নিশ্চিতভাবেই মিথ্যা বলে যাচাই করা যায়।
  • হিসাবের অগ্রাধিকারের নিয়ম (BODMAS): প্রথম বন্ধনী () → দ্বিতীয় বন্ধনী {} → তৃতীয় বন্ধনী []; অপারেশনের ক্রম: এর → ভাগ → গুণ → যোগ → বিয়োগ।

অধ্যায় ৩: গুণিতক ও গুণনীয়ক

  • গুণিতক ও লসাগু: কোনো সংখ্যাকে পূর্ণসংখ্যা দিয়ে গুণ করলে যেসব সংখ্যা পাওয়া যায় তা গুণিতক। সাধারণ গুণিতকগুলোর মধ্যে সবচেয়ে ছোটটি হলো লঘিষ্ঠ সাধারণ গুণিতক (লসাগু)।
  • গুণনীয়ক ও গসাগু: যেসব সংখ্যা দিয়ে একটি সংখ্যাকে নিঃশেষে ভাগ করা যায় তা গুণনীয়ক বা উৎপাদক। সাধারণ গুণনীয়কগুলোর মধ্যে সবচেয়ে বড়টি হলো গরিষ্ঠ সাধারণ গুণনীয়ক (গসাগু)।
  • মৌলিক সংখ্যা: ১ ব্যতীত যেসব সংখ্যার কেবল ১ এবং ঐ সংখ্যা ছাড়া অন্য কোনো গুণনীয়ক নেই (যেমন: ২, ৩, ৫, ৭, ১১, ১৩...)। উল্লেখ্য, ২ হলো একমাত্র জোড় মৌলিক সংখ্যা।

অধ্যায় ৪: সাধারণ ভগ্নাংশ

  • ভগ্নাংশের প্রকারভেদ: প্রকৃত ভগ্নাংশ (লব < হর), অপ্রকৃত ভগ্নাংশ (লব ≥ হর), এবং মিশ্র ভগ্নাংশ (পূর্ণ সংখ্যা + প্রকৃত ভগ্নাংশ)।
  • ভগ্নাংশের গুণ ও ভাগ: ভগ্নাংশদ্বয়ের গুণ = (লবগুলোর গুণফল ÷ হরগুলোর গুণফল)। ভাগের ক্ষেত্রে বিপরীত ভগ্নাংশ দ্বারা গুণ করতে হয়: rac{a}{b} ÷ rac{c}{d} = rac{a}{b} × rac{d}{c}।

অধ্যায় ৫: দশমিক ভগ্নাংশ

  • ১০ ও ১০০ দ্বারা গুণ ও ভাগ: ১০ দ্বারা গুণ করলে দশমিক বিন্দু ১ ঘর ডানে যায়; ১০০ দ্বারা গুণ করলে ২ ঘর ডানে যায়। ভাগ করলে দশমিক বিন্দু যথাক্রমে ১ বা ২ ঘর বামে সরে আসে।
  • দশমিকের গুণ ও ভাগ: সাধারণ সংখ্যার মতো গুণ বা ভাগ করে উভয় পদের মোট দশমিক স্থান গুণে গুণফলে বা ভাগফলে বিন্দু বসাতে হয়।

অধ্যায় ৬: শতকরা

  • শতকরা (Percentage): শতকরা হলো এমন একটি অনুপাত যা ১০০ এর ভগ্নাংশ হিসেবে প্রকাশ করা হয়; প্রতীক % = ১/১০০।
  • লাভ ও ক্ষতি: সর্বদা ক্রয়মূল্যের ওপর হিসাব করা হয়। লাভ = বিক্রয়মূল্য - ক্রয়মূল্য; ক্ষতি = ক্রয়মূল্য - বিক্রয়মূল্য।
  • সরল মুনাফার সূত্র:

ext{মুনাফা} = rac{ ext{আসল} × ext{বার্ষিক মুনাফার হার} × ext{সময় (বছর)}}{১০০} ext{আসল} = rac{ ext{মুনাফা} × ১০০}{ ext{মুনাফার হার} × ext{সময়}}

অধ্যায় ৭: গড়

  • গড় নির্ণয়ের মূল সূত্র:

গড় = রাশিগুলোর যোগফল ÷ রাশির সংখ্যা ext{রাশিগুলোর যোগফল} = ext{গড়} × ext{রাশিগুলোর সংখ্যা}

অধ্যায় ৮: পরিমাপ

  • দৈর্ঘ্য ও ওজন: ১ কিলোমিটার = ১,০০০ মিটার; ১ মিটার = ১০০ সেন্টিমিটার; ১ কেজি = ১,০০০ গ্রাম; ১ কুইন্টাল = ১০০ কেজি; ১ মেট্রিক টন = ১,০০০ কেজি।
  • ক্ষেত্রফলের সূত্রাবলী:
  • আয়তক্ষেত্রের ক্ষেত্রফল = দৈর্ঘ্য × প্রস্থ
  • বর্গক্ষেত্রের ক্ষেত্রফল = এক বাহুর দৈর্ঘ্য × এক বাহুর দৈর্ঘ্য
  • সামান্তরিকের ক্ষেত্রফল = ভূমি × উচ্চতা
  • ত্রিভুজের ক্ষেত্রফল = rac{ ext{ভূমি} × ext{উচ্চতা}}{২}

অধ্যায় ৯: জ্যামিতি

  • চতুর্ভুজ: চার বাহু দ্বারা সীমাবদ্ধ ক্ষেত্র।
  • সামান্তরিক: বিপরীত বাহুগুলো পরস্পর সমান ও সমান্তরাল; বিপরীত কোণ সমান।
  • রম্বস: চার বাহু পরস্পর সমান, বিপরীত বাহু সমান্তরাল; কিন্তু কোণগুলো সমকোণ নয়। কর্ণদ্বয় পরস্পরকে সমকোণে সমদ্বিখণ্ডিত করে।
  • আয়ত ও বর্গ: চারটি কোণই সমকোণ (৯০^°); বর্গের চার বাহু সমান।
  • বৃত্ত: একটি নির্দিষ্ট বিন্দু (কেন্দ্র) থেকে সমদূরবর্তী বক্ররেখা দ্বারা সীমাবদ্ধ চিত্র। ব্যাস = ২ × ব্যাসার্ধ; জ্যা হলো বৃত্তচাপের যেকোনো দুই বিন্দুর সংযোগকারী রেখাংশ। বৃত্তের বৃহত্তম জ্যা হলো ব্যাস।

অধ্যায় ১০: উপাত্ত বিন্যস্তকরণ

  • ট্যালি চিহ্ন (Tally Marks): উপাত্ত গণনার বিশেষ দাগ পদ্ধতি (৫-এর বান্ডিল: চারটি খাড়া দাগ ও একটি আড়াআড়ি দাগ)।
  • জনসংখ্যার ঘনত্ব:

জনসংখ্যার ঘনত্ব = মোট জনসংখ্যা ÷ মোট আয়তন (বর্গ কিমি)

  • স্তম্ভলেখ (Bar Graph): উল্লম্ব বা অনুভূমিক অক্ষ বরাবর উপাত্তকে স্তম্ভের উচ্চতা বা দৈর্ঘ্যের মাধ্যমে দৃশ্যমান উপস্থাপন।

📊 অধ্যায়ভিত্তিক কনটেন্ট পরিসংখ্যান ছক:

অধ্যায় নংঅধ্যায়ের নামসৃজনশীল প্রশ্ন (CQ)কুইজ সম্ভার (MCQ+T/F+Fill)পরিভাষাগুরুত্বপূর্ণ সূত্র ও তথ্য
১গুণ ও ভাগ৪টি৪৫টি২২টি১৪টি
২গাণিতিক বাক্য৪টি৪৫টি২৩টি১৫টি
৩গুণিতক ও গুণনীয়ক৪টি৪৫টি২২টি১৪টি
৪সাধারণ ভগ্নাংশ৪টি৪৫টি২২টি১৪টি
৫দশমিক ভগ্নাংশ৪টি৪৫টি২২টি১৪টি
৬শতকরা৪টি৪৫টি২২টি১৪টি
৭গড়৪টি৪৫টি২২টি১৪টি
৮পরিমাপ৪টি৪৫টি২২টি১৪টি
৯জ্যামিতি৪টি৪৫টি২২টি১৪টি
১০উপাত্ত বিন্যস্তকরণ৪টি৪৫টি২১টি১৩টি
সর্বমোট১০টি অধ্যায় (সম্পূর্ণ বই)৪০টি CQ৪৫০টি কুইজ২২০টি১৪০টি
← ডানে-বামে স্ক্রোল করে সম্পূর্ণ টেবিলটি দেখুন →

💡 শিক্ষার্থীদের জন্য গণিতে ১০০% নম্বর পাওয়ার গোপন কৌশল:

  1. ১রাফ করার শৃঙ্খলা: পরীক্ষার খাতায় অংকের ডানপাশে স্পষ্ট করে রাফ কলাম টানুন এবং রাফ সম্পন্ন করুন।
  2. ২এককের সতর্কতা: ক্ষেত্রফলে 'বর্গ একক' (বর্গ সেমি/বর্গ মিটার) এবং আয়তনে 'ঘন একক' লিখুন—একক ভুল হলে নম্বর কাটা যায়।
  3. ৩জ্যামিতিতে চিত্র ও বৈশিষ্ট্য: জ্যামিতি অংশে চিত্র অবশ্যই পেনসিল ও স্কেল দিয়ে নির্ভুলভাবে আঁকুন এবং ৩টি করে স্পষ্ট বৈশিষ্ট্য লিখুন।
  4. ৪ঐকিক নিয়মের ভাষা: গণিতের সমস্যা সমাধানের সময় ভাষার গঠন স্পষ্ট রাখুন (যেমন: "১ টি খাতার দাম = ... টাকা")।

সম্পূর্ণ বইটি অনলাইনে পড়তে ও প্রতিটি কুইজে অংশ নিতে ভিজিট করুন: medhabi.app/guide/cg:class_5:prathomik-gonit