আনন্দপাঠ• অধ্যায় ১

সাত ভাই চম্পা

ষষ্ঠ শ্রেণিআনন্দপাঠঅধ্যায় ১✓ ফ্রি ডেমো

সাত ভাই চম্পা

দক্ষিণারঞ্জন মিত্র মজুমদার

মূল পাঠ্যবই (PDF)
লেখক পরিচিতি

দক্ষিণারঞ্জন মিত্র মজুমদার বাংলা সাহিত্যের বিখ্যাত রূপকথার রচয়িতা ও শিশু-সাহিত্যিক। তিনি ১৮৭৭ খ্রিস্টাব্দে ঢাকা জেলার সাভার উপজেলার উলাইল এলাকার কর্ণপাড়া গ্রামে জন্মগ্রহণ করেন। বাঙালি পাঠকসমাজে তিনি মূলত তাঁর অমর সৃষ্টি "ঠাকুরমার ঝুলি" বইয়ের জন্য সর্বাধিক পরিচিত ও সমাদৃত। তিনি একাধারে লোকসাহিত্যের সংগ্রাহক, ছড়াকার ও চিত্রশিল্পী হিসেবে স্মরণীয় অবদান রেখেছেন। তাঁর সংগৃহীত ও রচিত জনপ্রিয় রূপকথা সংকলনগুলোর মধ্যে উল্লেখযোগ্য হলো "ঠাকুরমার ঝুলি", "ঠাকুরদাদার ঝুলি", "থানদিদির থলে" এবং "দাদা মশায়ের থলে"। রূপকথা সংগ্রহের মাধ্যমে তিনি বাংলার বিলীয়মান মৌখিক ঐতিহ্যকে অমর রূপ দান করেন। ১৯৫৬ খ্রিস্টাব্দে কলকাতায় এই মহান সাহিত্যিক মৃত্যুবরণ করেন।

অধ্যায় চেকপয়েন্ট ও পাঠ অগ্রগতি০/৮ সম্পন্ন

চেকপয়েন্টে ক্লিক করে সরাসরি ঐ অংশে পড়ুন এবং প্রস্তুতি সম্পন্ন করুন

সামগ্রিক পাঠ সমাপ্তি০%
১
চেকপয়েন্ট ১ / ৮
রাজার সংসার ও ছোটোরানির প্রতি ভালোবাসা

এক রাজার সাত রানি ছিল। অহংকার ও দেমাকে বড়ো রানিদের মাটিতে পা পড়ত না। অপরদিকে ছোটোরানি ছিলেন অত্যন্ত শান্ত, নম্র ও স্বভাবসুলভ ভালো মনের মানুষ। এ কারণে রাজা অন্যান্য সকলের চেয়ে ছোটোরানিকে সবচেয়ে বেশি ভালোবাসতেন। কিন্তু দীর্ঘদিন যাবৎ রাজার কোনো সন্তানাদি না হওয়ায় মনে গভীর দুঃখ ছিল যে এত বড়ো রাজত্ব কে ভোগ করবে।

চেকপয়েন্ট ১ এর ৮
মনে রাখার মতো তথ্য
১১. "সাত ভাই চম্পা" গল্পটির রচয়িতা বাংলার বিখ্যাত রূপকথা সংগ্রাহক দক্ষিণারঞ্জন মিত্র মজুমদার।
২২. দক্ষিণারঞ্জন মিত্র মজুমদারের সবচেয়ে বিখ্যাত রূপকথা সংকলন গ্রন্থ হলো "ঠাকুরমার ঝুলি"।
৩৩. গল্পে এক রাজার সাত রানি ছিল; অহংকারী বড়োরানিদের তুলনায় শান্ত স্বভাবের ছোটোরানি ছিলেন রাজার প্রিয়।
৪৪. রাজার কোনো সন্তান না থাকায় তিনি মনের কষ্টে ছিলেন; পরে ছোটোরানির সন্তানসম্ভবা হওয়ার খবরে রাজভাণ্ডার উন্মুক্ত করে দেন।
৫৫. রাজা সন্তান ভূমিষ্ঠ হওয়ার সংবাদ পাওয়ার জন্য নিজের কোমর ও ছোটোরানির কোমরে সোনার শিকল বেঁধেছিলেন।
৬৬. আঁতুড়ঘরে ছোটোরানির সাতটি পুত্র ও একটি কন্যাসন্তান জন্মগ্রহণ করে।
৭৭. হিংসুক বড়োরানিরা নবজাতকদের হাঁড়ি-সরায় ভরে প্রাসাদের পাঁশগাদায় মাটিচাপা দিয়ে পুঁতে ফেলে।
৮৮. বড়োরানিদের মিথ্যা চক্রান্তে বিভ্রান্ত হয়ে রাজা ছোটোরানিকে ব্যাঙ ও ইঁদুরের জন্মদাত্রী ভেবে রাজপুরী থেকে তাড়িয়ে দেন।
৯৯. ছোটোরানি রাজপ্রাসাদ থেকে বিতাড়িত হয়ে দুঃখ-কষ্টে ঘুঁটে-কুড়ানি দাসী হিসেবে জীবনযাপন করতে থাকেন।
১০১০. পাঁশগাদার ওপর অলৌকিকভাবে সাতটি চাঁপা ফুলগাছ ও একটি পারুল ফুলগাছ জন্মায়।
১১১১. মালি নিত্যপূজার ফুল তুলতে গেলে পারুল ও চাঁপাফুলেরা মালি ও রানিদের ফুল না দিয়ে আকাশের তারার মতো উঁচুতে উঠে যায়।
১২১২. ঘুঁটে-কুড়ানি ছোটোরানি এসে হাত বাড়াতেই চাঁপাফুলেরা আকাশ থেকে নেমে এসে মানবসন্তানের রূপ ধারণ করে এবং রাজার কাছে সত্য প্রকাশ পায়।
১৩১৩. রাজা নির্দোষ ছোটোরানি ও সন্তানদের গ্রহণ করেন এবং ষড়যন্ত্রকারী বড়োরানিদের সমুচিত কঠিন শাস্তি দেন।
১৪১৪. রূপকথাধর্মী এই গল্পের মূল শিক্ষা হলো—অহংকার ও হিংসা ধ্বংস ডেকে আনে এবং সত্য ও সততার শেষ পর্যন্ত জয় হয়।
শব্দার্থ ও টীকা
দেমাক

অহংকার বা গর্ব। শব্দটি আরবি "দিমাগ" থেকে এসেছে।

পাইক

পদাতিক সৈন্য বা পিয়াদা, যারা রাজার হুকুম তামিল করে।

পিয়াদা

রাজকর্মচারী, পত্রবাহক বা চাপরাশি।

আঁতুড়ঘর

নবজাতক শিশুর জন্ম ও পরিচর্যার জন্য নির্ধারিত ঘর।

ঠাকুর-পুরুত

রাজপ্রাসাদ বা সমাজের পুরোহিত, যিনি ধর্মীয় পূজা পরিচালনা করেন।

আঁকুপাঁকু

অস্থিরতা বা ব্যাকুলতা প্রকাশ করা।

রঙ্গ-ভঙ্গি

নানা রঙের চালচলন বা উপহাসমূলক ভাবভঙ্গি।

নথ

নাকে পরার ঐতিহ্যবাহী গোলাকার অলংকার বিশেষ।

পাঁশগাদা

ছাইয়ের স্তূপ বা আবর্জনা ফেলার স্তূপ।

পুঁতিয়া

মাটির নিচে গর্ত করে পুঁতে বা চাপা দিয়ে।

মল

পায়ে পরার ঘুঙুরযুক্ত অলংকার বিশেষ।

পোড়াকপালি

হতভাগিনী বা দুর্ভাগা নারী।

ঘুঁটে-কুড়ানি

শুকনো গোবর বা জ্বালানি কুড়িয়ে জীবিকা নির্বাহ করে যে নারী।

নিত্যপূজা

প্রতিদিন নিয়মিতভাবে অনুষ্ঠিত পূজা-অর্চনা।

তুরতুর

দ্রুত বা তরতর করে দ্রুতগতিতে এগিয়ে চলা।

টুলটুলে

সুন্দর, সতেজ ও তুলতুলে ভাব প্রকাশকারী শব্দ।

নোয়া রানি

চতুর্থ রানি (নয় নম্বর নয়, ক্রম অনুসারে চতুর্থ)।

কনে রানি

পঞ্চম রানি।

দুয়োরানি

স্বামীর সোহাগবঞ্চিত উপেক্ষিত নারী; গল্পে ষষ্ঠ রানি।

সুয়োরানি

স্বামীর প্রিয় ও আদুরে স্ত্রী বা প্রধান রানি।

চৌদোলা

চার বেহারা বিশিষ্ট ঐতিহ্যবাহী পালকি।

বেহারা

পালকি বহনকারী ব্যক্তি বা বাহক।

কাঁখ

কোমর বা কাঙ্কাল (যেখানে শিশু বহন করা হয়)।

জয়ডঙ্কা

বিজয়ের আনন্দসূচক বৃহৎ বাদ্যযন্ত্র বা রণঢাক।

মিঠাইমণ্ডা

নানা পদের ঐতিহ্যবাহী সুস্বাদু মিষ্টি মিষ্টান্ন।

বইয়ের অনুশীলনীর উত্তর

অনুশীলনীর প্রশ্নগুলো সবার জন্য খোলা — পূর্ণাঙ্গ উত্তর দেখতে সাবস্ক্রিপশন নিন

সাবস্ক্রিপশন নিন

ফ্রিতে উত্তর দেখতে চান?

১টি সংক্ষিপ্ত ভিডিও বিজ্ঞাপন দেখলেই এই অধ্যায়ের সমস্ত উত্তর আগামী ২৪ ঘণ্টার জন্য ফ্রি আনলক হবে!

প্রশ্ন ১রাজার কোমরে সোনার শিকল বেঁধে রাখার কারণ ব্যাখ্যা করো।

উত্তর দেখতে সাবস্ক্রিপশন লাগবে।

প্রশ্ন ২“হিংসা-বিদ্বেষের পরিণাম ভালো হয় না”— ‘সাত ভাই চম্পা’ গল্পের আলোকে ব্যাখ্যা করো।

উত্তর দেখতে সাবস্ক্রিপশন লাগবে।

প্রশ্ন ৩চাঁপা ফুলেরা বারবার উপরে উঠে যাচ্ছিল কেন? ব্যাখ্যা করো।

উত্তর দেখতে সাবস্ক্রিপশন লাগবে।

প্রশ্ন ৪‘সাত ভাই চম্পা’ গল্পের নামকরণের সার্থকতা পর্যালোচনা করো।

উত্তর দেখতে সাবস্ক্রিপশন লাগবে।

উদ্দীপক আর প্রশ্ন সবার জন্য খোলা — পূর্ণ উত্তর দেখতে সাবস্ক্রিপশন নিন

সাবস্ক্রিপশন নিন

ফ্রিতে সৃজনশীলের উত্তর পড়তে চান?

১টি সংক্ষিপ্ত ভিডিও বিজ্ঞাপন দেখলেই এই অধ্যায়ের সমস্ত সৃজনশীল সমাধান আগামী ২৪ ঘণ্টার জন্য ফ্রি আনলক হবে!

সৃজনশীল প্রশ্ন ১১০ নম্বর
উত্তর প্রিমিয়াম

উদ্দীপক

এক জমিদারের দুই স্ত্রী। বড়ো স্ত্রী রূপবতী কিন্তু অত্যন্ত অহংকারী ও কুটিল মনের। ছোটো স্ত্রী দরিদ্র ঘরের কিন্তু অমায়িক ও দয়ালু স্বভাবের। জমিদারের কোনো সন্তান ছিল না। অনেক বছর পর ছোটো স্ত্রীর এক ফুটফুটে ছেলে সন্তান হলে বড়ো স্ত্রী হিংসায় জ্বলে ওঠে। সে ধাত্রীকে বিপুল অর্থ দিয়ে বশীভূত করে নবজাতককে নদীর চরে ফেলে দেয় এবং জমিদারের কাছে অপবাদ দেয় যে ছোটো স্ত্রী কুৎসিত এক কাঠের পুতুল জন্ম দিয়েছে। জমিদার প্রচণ্ড রেগে ছোটো স্ত্রীকে বাড়ি থেকে তাড়িয়ে দেন। বহু বছর পর নদীর চরের এক জেলে সেই ছেলেকে লালন-পালন করে বড়ো করে জমিদারের দরবারে নিয়ে এলে সত্য উদ্ঘাটিত হয়। জমিদার অনুতপ্ত হয়ে ছোটো স্ত্রীকে ফিরিয়ে আনেন এবং বড়ো স্ত্রীকে বাড়ি থেকে বহিষ্কার করেন।

ক

‘পাঁশগাদা’ শব্দের অর্থ কী?জ্ঞানমূলক — ১

খ

রাজার বাগানে ফুল ফোটা বন্ধ হয়েছিল কেন? ব্যাখ্যা করো।অনুধাবনমূলক — ২

গ

উদ্দীপকের বড়ো স্ত্রীর কর্মকাণ্ড ‘সাত ভাই চম্পা’ গল্পের কোন দিকটির প্রতিফলন ঘটিয়েছে? আলোচনা করো।প্রয়োগমূলক — ৩

ঘ

“সত্য ও ন্যায়ের জয় অনিবার্য”— উদ্দীপক ও ‘সাত ভাই চম্পা’ গল্পের আলোকে উক্তিটির যথার্থতা মূল্যায়ন করো।উচ্চতর দক্ষতা — ৪

সৃজনশীল প্রশ্ন ২১০ নম্বর
উত্তর প্রিমিয়াম

উদ্দীপক

ময়নামতির রাজা সুধীরচন্দ্র তাঁর সৎ ও ধর্মপরায়ণ ছোটো ভাইকে অত্যন্ত স্নেহ করতেন। এতে ক্ষুব্ধ হয়ে রাজদরবারের দুই অসৎ অমাত্য ষড়যন্ত্র করে রাজকোষের স্বর্ণমুদ্রা চুরির মিথ্যা দায় ছোটো ভাইয়ের ওপর চাপিয়ে দেয়। প্রমাণ না পেয়েও রাজা রাগের মাথায় ভাইকে রাজ্য থেকে নির্বাসন দেন। ছোটো ভাই বনে গিয়ে কাঠুরেদের সাথে কঠোর পরিশ্রম করে দিনাতিপাত করতে থাকেন। কয়েক বছর পর প্রতিবেশী শত্রু রাজ্য আক্রমণ করলে ওই অমাত্যরা শত্রুর সাথে হাত মেলায়। তখন বনবাসী ভাই একদল সাহসী কাঠুরে নিয়ে যুদ্ধ করে রাজাকে রক্ষা করেন এবং অমাত্যদের বিশ্বাসঘাতকতা ফাঁস করে দেন। রাজা নিজের ভুল বুঝতে পেরে ভাইকে বুকে জড়িয়ে নেন এবং বিশ্বাসঘাতকদের শূলে চড়ান।

ক

দক্ষিণারঞ্জন মিত্র মজুমদার কত খ্রিস্টাব্দে মৃত্যুবরণ করেন?জ্ঞানমূলক — ১

খ

পারুল ফুল ও চাঁপাফুলের অলৌকিক সম্পর্কটি ব্যাখ্যা করো।অনুধাবনমূলক — ২

গ

উদ্দীপকের অমাত্যদের আচরণ ‘সাত ভাই চম্পা’ গল্পের কোন চরিত্রের সাথে সাদৃশ্যপূর্ণ? ব্যাখ্যা করো।প্রয়োগমূলক — ৩

ঘ

“নিষ্ঠুরতার শিকার হওয়া নির্দোষ ব্যক্তির কষ্ট একসময় সম্মানে রূপান্তরিত হয়”— উদ্দীপক ও গল্পের আলোকে উক্তিটি বিশ্লেষণ করো।উচ্চতর দক্ষতা — ৪

সৃজনশীল প্রশ্ন ৩১০ নম্বর
উত্তর প্রিমিয়াম

উদ্দীপক

আহমেদ সাহেব তাঁর দুই কন্যা রত্না ও সুমনাকে নিয়ে বাস করেন। রত্না শান্তশিষ্ট, পড়াশোনায় মনোযোগী এবং গৃহকর্মে নিপুণ। সুমনা অহংকারী ও ফ্যাশনসচেতন। সুমনা প্রায়ই বাবাকে ভুল বুঝিয়ে রত্নাকে দিয়ে বাড়ির সব কঠিন কাজ করায় এবং বাবার সামনে নিজেকে নির্দোষ সাজিয়ে রাখে। আহমদ সাহেব না বুঝে রত্নাকে প্রায়ই বকাঝকা করতেন। একদিন আহমদ সাহেব গুরুতর অসুস্থ হয়ে হাসপাতালে ভর্তি হলে অহংকারী সুমনা বন্ধুদের সাথে ঘুরতে চলে যায়। অন্যদিকে রত্না দিনরাত বাবার পাশে থেকে সেবাশুশ্রূষা করে এবং নিজের উপবৃত্তির জমানো টাকায় ওষুধ কিনে বাবাকে সুস্থ করে তোলে। সুস্থ হয়ে বাবা বুঝতে পারেন কার মনে প্রকৃত ভালোবাসা ছিল। তিনি সুমনাকে তিরস্কার করেন এবং রত্নাকে ভালোবাসায় সিক্ত করেন।

ক

‘দেমাক’ শব্দটি কোন মূল শব্দ থেকে এসেছে?জ্ঞানমূলক — ১

খ

বড়োরানিরা কেন ছোটোরানির সন্তানের জন্মের আগেই শিকলে নাড়া দিয়েছিল?অনুধাবনমূলক — ২

গ

উদ্দীপকের রত্নার জীবনের বঞ্চনা ‘সাত ভাই চম্পা’ গল্পের কোন চরিত্রের ট্র্যাজেডিকে স্মরণ করিয়ে দেয়? ব্যাখ্যা করো।প্রয়োগমূলক — ৩

ঘ

“ধৈর্য ও সহনশীলতার পথেই ভালোবাসার প্রকৃত রূপ প্রকাশিত হয়”— উদ্দীপক ও গল্পের আলোকে উক্তিটি বিশ্লেষণ করো।উচ্চতর দক্ষতা — ৪

সৃজনশীল প্রশ্ন ৪১০ নম্বর
উত্তর প্রিমিয়াম

উদ্দীপক

এক বনে এক হরিণী ও তার দুটি ফুটফুটে শাবক বাস করত। হরিণীটি ছিল অত্যন্ত শান্ত ও বনের সকল প্রাণীর প্রতি সহানুভূতিশীল। কিন্তু বনের এক অহংকারী শিয়াল হরিণীর এই সুনাম সহ্য করতে পারত না। শিয়াল বাঘের কাছে গিয়ে মিথ্যা খবর দেয় যে হরিণী বাঘকে নিয়ে উপহাস করেছে। ক্রুদ্ধ বাঘ কোনো যাচাই ছাড়াই হরিণীকে বনের বাইরে তাড়িয়ে দেয়। শিয়াল তখন হরিণীর শাবক দুটিকে একটি গভীর গর্তে ফেলে পাথর চাপা দেয়। কিন্তু কিছুদিন পর বনের হাতি এসে পাথর সরিয়ে শাবক দুটিকে জীবিত উদ্ধার করে এবং বাঘের সামনে শিয়ালের সব অপকর্ম ফাঁস করে দেয়। বাঘ লজ্জিত হয়ে হরিণীকে পরম সম্মানে বনে ফিরিয়ে আনে এবং শিয়ালকে চিরতরে বন থেকে তাড়িয়ে দেয়।

ক

‘ঠাকুরমার ঝুলি’ বইটি কার লেখা?জ্ঞানমূলক — ১

খ

“না দিব, না দিব ফুল, উঠিব শতেক দূর”—ফুলেরা কেন এ কথা বলেছিল?অনুধাবনমূলক — ২

গ

উদ্দীপকের শিয়ালের আচরণ ‘সাত ভাই চম্পা’ গল্পের বড়োরানিদের কোন মানসিকতাকে নির্দেশ করে? ব্যাখ্যা করো।প্রয়োগমূলক — ৩

ঘ

উদ্দীপকের হাতির ভূমিকা এবং গল্পের চম্পাফুলদের ভূমিকা সত্য উদ্ঘাটনের ক্ষেত্রে সমান তাৎপর্যপূর্ণ—উক্তিটি মূল্যায়ন করো।উচ্চতর দক্ষতা — ৪

এই অধ্যায় পড়া কি শেষ হয়েছে?

পড়া শেষ হলে চিহ্নিত করুন যাতে আপনার সার্বিক অগ্রগতি ট্র্যাক করা যায়।