আনিসুজ্জামান ১৯৩৭ খ্রিষ্টাব্দের ১৮ই ফেব্রুয়ারি কলকাতায় জন্মগ্রহণ করেন। তিনি ঢাকার প্রিয়নাথ হাইস্কুল থেকে প্রবেশিকা পরীক্ষায় উত্তীর্ণ হন। এরপর জগন্নাথ কলেজ থেকে আইএ এবং ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে বাংলা ভাষা ও সাহিত্যে সম্মানসহ স্নাতক ও স্নাতকোত্তর ডিগ্রি লাভ করেন। পরবর্তীকালে তিনি ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ইমেরিটাস অধ্যাপক হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন। অধ্যাপক আনিসুজ্জামান ছিলেন বাংলাদেশের এক অনন্য প্রাবন্ধিক, গবেষক ও বুদ্ধিজীবী। তাঁর উল্লেখযোগ্য গ্রন্থগুলোর মধ্যে রয়েছে: 'মুসলিম বাংলার সাময়িক পত্র', 'স্বরূপের সন্ধানে', 'আঠারো শতকের বাংলা চিঠি', 'পুরোনো বাংলা গদ্য' ইত্যাদি। সাহিত্য ও গবেষণায় অসামান্য কৃতিত্বের জন্য তিনি বাংলা একাডেমি সাহিত্য পুরস্কার, আলাওল সাহিত্য পুরস্কার এবং একুশে পদকসহ দেশি-বিদেশি বহু সম্মাননায় ভূষিত হন। ২০২০ খ্রিষ্টাব্দের ১৪ই মে এই বরেণ্য শিক্ষাবিদ মৃত্যুবরণ করেন।
অধ্যায় চেকপয়েন্ট ও পাঠ অগ্রগতি০/১ সম্পন্ন
চেকপয়েন্টে ক্লিক করে সরাসরি ঐ অংশে পড়ুন এবং প্রস্তুতি সম্পন্ন করুন
সংস্কৃতি বলতে সাধারণত মানুষ সাহিত্য, চিত্রকলা, নৃত্য ও গীতবাদ্যকে বুঝে থাকে। লেখক স্পষ্ট করেছেন যে, এগুলো সংস্কৃতির অপরিহার্য উপাদান হলেও সংস্কৃতির পূর্ণাঙ্গ রূপ নয়। সংস্কৃতি বলতে মুখ্যত দুটি মৌলিক বিষয় বোঝায়—(ক) বস্তুগত সংস্কৃতি এবং (খ) মানস-সংস্কৃতি। মানুষের বাসস্থান, পোশাক-পরিচ্ছদ,…
অনুশীলনীর প্রশ্নগুলো সবার জন্য খোলা — পূর্ণাঙ্গ উত্তর দেখতে সাবস্ক্রিপশন নিন
সাবস্ক্রিপশন নিনফ্রিতে উত্তর দেখতে চান?
১টি সংক্ষিপ্ত ভিডিও বিজ্ঞাপন দেখলেই এই অধ্যায়ের সমস্ত উত্তর আগামী ২৪ ঘণ্টার জন্য ফ্রি আনলক হবে!
প্রশ্ন ১আবহমান কাল ধরে বাংলাদেশ অঞ্চলে যে ঐতিহাসিক সংস্কৃতি বিদ্যমান ছিল—তার একটি পূর্ণাঙ্গ বিবরণ দাও। (কর্ম-অনুশীলন)
উত্তর দেখতে সাবস্ক্রিপশন লাগবে।
প্রশ্ন ২বস্তুগত সংস্কৃতি ও মানস-সংস্কৃতির মধ্যকার মৌলিক পার্থক্য দৃষ্টান্তসহ ব্যাখ্যা করো।
উত্তর দেখতে সাবস্ক্রিপশন লাগবে।
প্রশ্ন ৩"বাংলার প্রকৃতি ও ভৌগোলিক অবস্থান আমাদের সংস্কৃতিতে দান করেছে স্বাতন্ত্র্য"—উক্তিটি বিশ্লেষণ করো।
উত্তর দেখতে সাবস্ক্রিপশন লাগবে।
প্রশ্ন ৪লেখক কেন বাংলার মানস-সংস্কৃতিতে সাহিত্য ও সংগীতের প্রাধান্যকে সবচেয়ে তাৎপর্যপূর্ণ বলেছেন?
উত্তর দেখতে সাবস্ক্রিপশন লাগবে।
এই অধ্যায় পড়া কি শেষ হয়েছে?
পড়া শেষ হলে চিহ্নিত করুন যাতে আপনার সার্বিক অগ্রগতি ট্র্যাক করা যায়।