গার্হস্থ্যবিজ্ঞান• অধ্যায় ৮

কৈশোরের মনোসামাজিক সমস্যা–প্রতিকার ও প্রতিরোধ

নবম শ্রেণিগার্হস্থ্যবিজ্ঞানঅধ্যায় ৮✓ ফ্রি ডেমো

কৈশোরের মনোসামাজিক সমস্যা–প্রতিকার ও প্রতিরোধ

মূল পাঠ্যবই (PDF)

অধ্যায় চেকপয়েন্ট ও পাঠ অগ্রগতি০/২ সম্পন্ন

চেকপয়েন্টে ক্লিক করে সরাসরি ঐ অংশে পড়ুন এবং প্রস্তুতি সম্পন্ন করুন

সামগ্রিক পাঠ সমাপ্তি০%
১
চেকপয়েন্ট ১ / ২
ভূমিকা ও মূল বিষয়বস্তু

কৈশোরকালীন মনোসামাজিক সমস্যার স্বরূপ:

কৈশোরকালে শারীরিক ও মানসিক পরিবর্তনের কারণে কোনো কোনো কিশোর-কিশোরী এমন কিছু আচরণগত সমস্যার সম্মুখীন হয়, যা তাদের নিজের জীবনের পাশাপাশি পরিবার, সহপাঠী ও সমাজকে মারাত্মকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত করে। এদেরকে মনোসামাজিক সমস্যা (Psychosocial Problems) বলা হয়।
মনোসামাজিক সমস্যার দুটি প্রধান রূপ
চেকপয়েন্ট ১ এর ২
বইয়ের অনুশীলনীর উত্তর

অনুশীলনীর প্রশ্নগুলো সবার জন্য খোলা — পূর্ণাঙ্গ উত্তর দেখতে সাবস্ক্রিপশন নিন

সাবস্ক্রিপশন নিন

ফ্রিতে উত্তর দেখতে চান?

১টি সংক্ষিপ্ত ভিডিও বিজ্ঞাপন দেখলেই এই অধ্যায়ের সমস্ত উত্তর আগামী ২৪ ঘণ্টার জন্য ফ্রি আনলক হবে!

প্রশ্ন ১কৈশোরকালীন মনোসামাজিক সমস্যা বলতে কী বোঝায়? এর শ্রেণিবিভাগ সংক্ষেপে ব্যাখ্যা করো।

উত্তর দেখতে সাবস্ক্রিপশন লাগবে।

প্রশ্ন ২বাংলাদেশ শিশু আইন অনুযায়ী কিশোর অপরাধ কী? কিশোর অপরাধীদের সংশোধনের উপায় আলোচনা করো।

উত্তর দেখতে সাবস্ক্রিপশন লাগবে।

প্রশ্ন ৩কৈশোরে হতাশা ও বিষণ্ণতার প্রধান লক্ষণ ও কারণগুলো বর্ণনা করো।

উত্তর দেখতে সাবস্ক্রিপশন লাগবে।

প্রশ্ন ৪ইতিবাচক মানসিক চাপ ও নেতিবাচক মানসিক চাপের মধ্যে পার্থক্য কী? নেতিবাচক চাপ মোকাবিলার উপায় লেখো।

উত্তর দেখতে সাবস্ক্রিপশন লাগবে।

এই অধ্যায় পড়া কি শেষ হয়েছে?

পড়া শেষ হলে চিহ্নিত করুন যাতে আপনার সার্বিক অগ্রগতি ট্র্যাক করা যায়।