সৈয়দ মুজতবা আলী (১৯০৪-১৯৭৪) বাংলা সাহিত্যের শ্রেষ্ঠ রম্যরচয়িতা, ভ্রমণকাহিনীকার ও বহুভাষাবিদ পণ্ডিত। ১৯০৪ খ্রিস্টাব্দে সিলেটের করিমগঞ্জে (বর্তমান ভারতের আসামের কাছাড় জেলা) তাঁর জন্ম। তিনি সিলেট সরকারি স্কুল ও শান্তিনিকেতনের বিশ্বভারতীতে রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের প্রত্যক্ষ সান্নিধ্যে পড়াশোনা করেন। পরবর্তীতে আলিগড় বিশ্ববিদ্যালয় এবং জার্মানির বন বিশ্ববিদ্যালয় থেকে তুলনামূলক ধর্মতত্ত্বে পিএইচডি ডিগ্রি অর্জন করেন। কর্মজীবনের শুরুতে তিনি আফগানিস্তানের রাজধানী কাবুলের শিক্ষা বিভাগে অধ্যাপক হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন। তাঁর কালজয়ী ভ্রমণকাহিনী ‘দেশে-বিদেশে’ বাংলা সাহিত্যের এক অমর কীর্তি। অন্যান্য গ্রন্থ: ‘পঞ্চতন্ত্র’, ‘চাচা কাহিনী’, ‘ময়ূরকণ্ঠী’, ‘শবনম’ প্রভৃতি। ১৯৭৪ খ্রিস্টাব্দে তিনি ঢাকায় মৃত্যুবরণ করেন।
অধ্যায় চেকপয়েন্ট ও পাঠ অগ্রগতি০/১ সম্পন্ন
চেকপয়েন্টে ক্লিক করে সরাসরি ঐ অংশে পড়ুন এবং প্রস্তুতি সম্পন্ন করুন
‘কাবুলের শেষ প্রহরে’ সৈয়দ মুজতবা আলীর বিখ্যাত ও জনপ্রিয় ভ্রমণবৃত্তান্ত ‘দেশে-বিদেশে’ গ্রন্থের সমাপনী অধ্যায়ের এক অনবদ্য অংশবিশেষ। এতে আফগানিস্তানের রাজনৈতিক অভ্যুত্থান ও গৃহযুদ্ধের চরম সংকটে বিদেশি হিসেবে কাবুল ত্যাগ করার মুহূর্তে লেখকের মানসিক তোলপাড় এবং তাঁর আফগান গৃহভৃত্য আবদুর রহমানের প্রতি গড়ে ওঠা গভীর আত্মিক ভালোবাসার এক হৃদয়স্পর্শী চিত্র তুল…
অনুশীলনীর প্রশ্নগুলো সবার জন্য খোলা — পূর্ণাঙ্গ উত্তর দেখতে সাবস্ক্রিপশন নিন
সাবস্ক্রিপশন নিনফ্রিতে উত্তর দেখতে চান?
১টি সংক্ষিপ্ত ভিডিও বিজ্ঞাপন দেখলেই এই অধ্যায়ের সমস্ত উত্তর আগামী ২৪ ঘণ্টার জন্য ফ্রি আনলক হবে!
প্রশ্ন ১‘আমার সত্তাকে যেন কেউ দ্বিখণ্ডিত করে ফেলেছে’ — কথাটি ব্যাখ্যা করো।
উত্তর দেখতে সাবস্ক্রিপশন লাগবে।
প্রশ্ন ২মানুষের প্রতি ভালোবাসার প্রকাশ জাতি বা শ্রেণিভেদে আবদ্ধ থাকে না — ‘কাবুলের শেষ প্রহরে’ ভ্রমণ-কাহিনীর আলোকে বিশ্লেষণ করো।
উত্তর দেখতে সাবস্ক্রিপশন লাগবে।
প্রশ্ন ৩চাণক্যের বান্ধব-তত্ত্বের আলোকে আবদুর রহমানের চরিত্রটি মূল্যায়ন করো।
উত্তর দেখতে সাবস্ক্রিপশন লাগবে।
প্রশ্ন ৪‘চতুর্দিকের বরফের চেয়ে শুভ্রতর আবদুর রহমানের পাগড়ি, আর শুভ্রতম আবদুর রহমানের হৃদয়’ — উক্তিটির তাৎপর্য বিশ্লেষণ করো।
উত্তর দেখতে সাবস্ক্রিপশন লাগবে।
এই অধ্যায় পড়া কি শেষ হয়েছে?
পড়া শেষ হলে চিহ্নিত করুন যাতে আপনার সার্বিক অগ্রগতি ট্র্যাক করা যায়।