প্রমথ চৌধুরী ৭ই আগস্ট, ১৮৬৮ খ্রিষ্টাব্দে যশোরে জন্মগ্রহণ করেন। তাঁর পৈতৃক নিবাস ছিল পাবনা জেলার হরিপুর গ্রামে। তাঁর শিক্ষাজীবন ছিল অসাধারণ কৃতিত্বপূর্ণ। তিনি ১৮৯০ খ্রিষ্টাব্দে কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে ইংরেজি সাহিত্যে প্রথম শ্রেণিতে এমএ ডিগ্রি লাভ করেন এবং পরে ব্যারিস্টারি পড়ার জন্য বিলাত যান। বিলাত থেকে ফিরে এসে ব্যারিস্টারি পেশায় যোগদান না করে তিনি কিছুকাল ইংরেজি সাহিত্যে অধ্যাপনা করেন এবং পরে সাহিত্যচর্চায় আত্মনিয়োগ করেন। তাঁর সাহিত্যিক ছদ্মনাম ছিল "বীরবল"। তাঁর সম্পাদিত "সবুজপত্র" (১৯১৪) বাংলা সাহিত্যে চলতি ভাষারীতি প্রবর্তনে অগ্রণী ভূমিকা পালন করে। বস্তুত তাঁরই নেতৃত্বে বাংলা সাহিত্যে নতুন গদ্যধারা সূচিত হয়। তাঁর উল্লেখযোগ্য গ্রন্থ: বীরবলের হালখাতা, রায়তের কথা, চার-ইয়ারি কথা, আহুতি, প্রবন্ধ সংগ্রহ, নীললোহিত, সনেট পঞ্চাশৎ, পদচারণ ইত্যাদি। প্রমথ চৌধুরী ২রা সেপ্টেম্বর, ১৯৪৬ খ্রিষ্টাব্দে কলকাতায় পরলোকগমন করেন।
অধ্যায় চেকপয়েন্ট ও পাঠ অগ্রগতি০/১ সম্পন্ন
চেকপয়েন্টে ক্লিক করে সরাসরি ঐ অংশে পড়ুন এবং প্রস্তুতি সম্পন্ন করুন
বই পড়া মানুষের সর্বশ্রেষ্ঠ শখ হলেও লেখক কাউকে শখ হিসেবে বই পড়ার পরামর্শ দিতে চান না। কারণ আমরা জাত হিসেবে শৌখিন নই এবং রোগ-শোক, দুঃখ-দারিদ্র্যের এই দেশে যেখানে উদরপূর্তি বা বেঁচে থাকাই প্রধান সমস্যা, সেখানে মনের বিকাশ বা সাহিত্যচর্চাকে অনেকে বিলাসিতা ও অর্থহীন মনে করে। আমরা শিক্ষার আসল ফল না বুঝে কেবল জীবিকা ও বৈষয়…
অনুশীলনীর প্রশ্নগুলো সবার জন্য খোলা — পূর্ণাঙ্গ উত্তর দেখতে সাবস্ক্রিপশন নিন
সাবস্ক্রিপশন নিনফ্রিতে উত্তর দেখতে চান?
১টি সংক্ষিপ্ত ভিডিও বিজ্ঞাপন দেখলেই এই অধ্যায়ের সমস্ত উত্তর আগামী ২৪ ঘণ্টার জন্য ফ্রি আনলক হবে!
প্রশ্ন ১তোমাদের স্কুলের "বইপড়া" প্রতিযোগিতা তোমার শিক্ষাজীবনে যে ইতিবাচক প্রভাব ফেলেছে তা উল্লেখ করো। (কর্ম-অনুশীলন ১)
উত্তর দেখতে সাবস্ক্রিপশন লাগবে।
প্রশ্ন ২বই পড়ার অভ্যাস কীভাবে আরও বৃদ্ধি করা যায়, সে বিষয়ে তোমার প্রস্তাব দাও। (কর্ম-অনুশীলন ২)
উত্তর দেখতে সাবস্ক্রিপশন লাগবে।
প্রশ্ন ৩"সুশিক্ষিত লোক মাত্রই স্বশিক্ষিত"—প্রবন্ধের আলোকে ব্যাখ্যা করো।
উত্তর দেখতে সাবস্ক্রিপশন লাগবে।
প্রশ্ন ৪লেখক লাইব্রেরিকে "মনের হাসপাতাল" বলেছেন কেন?
উত্তর দেখতে সাবস্ক্রিপশন লাগবে।
এই অধ্যায় পড়া কি শেষ হয়েছে?
পড়া শেষ হলে চিহ্নিত করুন যাতে আপনার সার্বিক অগ্রগতি ট্র্যাক করা যায়।