যতীন্দ্রমোহন বাগচীর জন্ম ১৮৭৮ খ্রিষ্টাব্দের ২৭শে নভেম্বর নদীয়া জেলার জামশেদপুর গ্রামে। পল্লি-প্রীতি যতীন্দ্রমোহন বাগচীর কবিমানসের একটা প্রধান বৈশিষ্ট্য। নিসর্গ-সৌন্দর্যে চিত্ররূপময় তাঁর কবিতা। রচনায় গ্রামবাংলার শ্যামল স্নিগ্ধ রূপ উন্মোচনে তিনি প্রয়াসী হয়েছেন। গ্রাম-জীবনের অতি সাধারণ বিষয় ও সুখ-দুঃখ তিনি সহজ-সরল ভাষায় সহৃদয়তার সঙ্গে তাৎপর্যমণ্ডিত করে প্রকাশ করেছেন। তাঁর কাব্যগ্রন্থসমূহের মধ্যে আছে: লেখা, রেখা, অপরাজিতা, নাগকেশর, বন্ধুর দান, জাগরণী, নীহারিকা ও মহাভারতী। ১লা ফেব্রুয়ারি, ১৯৪৮ খ্রিষ্টাব্দে তিনি মৃত্যুবরণ করেন।
অধ্যায় চেকপয়েন্ট ও পাঠ অগ্রগতি০/২ সম্পন্ন
চেকপয়েন্টে ক্লিক করে সরাসরি ঐ অংশে পড়ুন এবং প্রস্তুতি সম্পন্ন করুন
অনুশীলনীর প্রশ্নগুলো সবার জন্য খোলা — পূর্ণাঙ্গ উত্তর দেখতে সাবস্ক্রিপশন নিন
সাবস্ক্রিপশন নিনফ্রিতে উত্তর দেখতে চান?
১টি সংক্ষিপ্ত ভিডিও বিজ্ঞাপন দেখলেই এই অধ্যায়ের সমস্ত উত্তর আগামী ২৪ ঘণ্টার জন্য ফ্রি আনলক হবে!
প্রশ্ন ১তোমার জানা কোনো দৃষ্টিহীন মানুষের বিবরণ দাও। (কর্ম-অনুশীলন ১)
উত্তর দেখতে সাবস্ক্রিপশন লাগবে।
প্রশ্ন ২বিশেষ চাহিদাসম্পন্ন মানুষের প্রতি আমাদের আচরণ কেমন হওয়া উচিত বলে তুমি মনে করো? (কর্ম-অনুশীলন ২)
উত্তর দেখতে সাবস্ক্রিপশন লাগবে।
প্রশ্ন ৩"অন্ধবধূ" কবিতায় বধূর ইন্দ্রিয়সচেতনতার পরিচয় কীভাবে পাওয়া যায়?
উত্তর দেখতে সাবস্ক্রিপশন লাগবে।
প্রশ্ন ৪"পরশ তাহার মায়ের স্নেহের মতো / ভুলায় খানিক মনের ব্যথা যত!"—চরণ দুটি ব্যাখ্যা করো।
উত্তর দেখতে সাবস্ক্রিপশন লাগবে।
এই অধ্যায় পড়া কি শেষ হয়েছে?
পড়া শেষ হলে চিহ্নিত করুন যাতে আপনার সার্বিক অগ্রগতি ট্র্যাক করা যায়।