যোগীন্দ্রনাথ সরকার (১৮৬৬-১৯৩৭) বাংলা শিশুসাহিত্যের এক অবিস্মরণীয় পথিকৃৎ। অবিভক্ত বাংলার চব্বিশ পরগনা জেলার নেত্রা গ্রামে তাঁর জন্ম। পেশায় তিনি ছিলেন শিক্ষক ও প্রখ্যাত প্রকাশক। তরুণ বয়স থেকেই তিনি ‘সখা’, ‘সাথী’, ‘মুকুল’, ‘বালকবন্ধু’ প্রভৃতি পত্রিকায় ছোটদের জন্য রসালো ও শিক্ষণীয় লেখালেখি শুরু করেন। তাঁর রচিত সচিত্র ‘হাসি ও খেলা’ (১৮৯১) বাংলা ভাষায় ছোটদের প্রথম রঙিন সচিত্র পাঠ্যবই। তাঁর অন্যান্য উল্লেখযোগ্য সৃষ্টির মধ্যে রয়েছে ‘খুকুমণির ছড়া’, ‘ছবি ও গল্প’, ‘রাঙা ছবি’, ‘হাসিখুশি’, ‘হাসিরাশি’, ‘বনে জঙ্গলে’ এবং ‘ছোটদের মহাভারত’। ১৯৩৭ খ্রিস্টাব্দে তিনি মৃত্যুবরণ করেন।
অধ্যায় চেকপয়েন্ট ও পাঠ অগ্রগতি০/২ সম্পন্ন
চেকপয়েন্টে ক্লিক করে সরাসরি ঐ অংশে পড়ুন এবং প্রস্তুতি সম্পন্ন করুন
‘তিরন্দাজ’ গল্পটি মহাকাব্য মহাভারতের ‘আদিপর্ব’ অবলম্বনে শিশু-কিশোরদের উপযোগী প্রাঞ্জল ভাষায় রচনা করেছেন যোগীন্দ্রনাথ সরকার। গল্পটিতে কুরু ও পাণ্ডব রাজকুমারদের শৈশব, গুরু দ্রোণাচার্যের কাছে অস্ত্রশিক্ষা এবং অর্জুনের একাগ্রতা, নিষ্ঠা ও গুরুভক্তির মাধ্যমে শ্রেষ্ঠ তিরন্দাজ হয়ে ওঠার বীরত্বগাথা চমৎকারভাবে ফুটিয়ে তোলা হয়েছে।
অনুশীলনীর প্রশ্নগুলো সবার জন্য খোলা — পূর্ণাঙ্গ উত্তর দেখতে সাবস্ক্রিপশন নিন
সাবস্ক্রিপশন নিনফ্রিতে উত্তর দেখতে চান?
১টি সংক্ষিপ্ত ভিডিও বিজ্ঞাপন দেখলেই এই অধ্যায়ের সমস্ত উত্তর আগামী ২৪ ঘণ্টার জন্য ফ্রি আনলক হবে!
প্রশ্ন ১‘পাণ্ডবদের সুখের দিন দেখিতে দেখিতে ফুরাইয়া গেল কেন?’ — ব্যাখ্যা করো।
উত্তর দেখতে সাবস্ক্রিপশন লাগবে।
প্রশ্ন ২আগ্রহ, চর্চা, নিষ্ঠা ও গুরুভক্তি মানুষকে যেকোনো কাজে পারদর্শী করে তোলে — ‘তিরন্দাজ’ গল্পের আলোকে বিশ্লেষণ করো।
উত্তর দেখতে সাবস্ক্রিপশন লাগবে।
প্রশ্ন ৩ভীষ্ম কীভাবে বুঝতে পারলেন যে স্বয়ং দ্রোণাচার্য হস্তিনাপুরে এসেছেন? বুঝিয়ে লেখো।
উত্তর দেখতে সাবস্ক্রিপশন লাগবে।
প্রশ্ন ৪‘তিরন্দাজ’ গল্পের শিরোনাম ‘তিরন্দাজ’ রাখা কতটা সার্থক হয়েছে বলে মনে করো? উত্তরের পক্ষে যুক্তি দাও।
উত্তর দেখতে সাবস্ক্রিপশন লাগবে।
এই অধ্যায় পড়া কি শেষ হয়েছে?
পড়া শেষ হলে চিহ্নিত করুন যাতে আপনার সার্বিক অগ্রগতি ট্র্যাক করা যায়।