বাংলা কথাসাহিত্যের অন্যতম শীর্ষ রূপকার ও রাঢ় অঞ্চলের জীবনশিল্পী হাসান আজিজুল হক ১৯৩৯ খ্রিস্টাব্দে ভারতের পশ্চিমবঙ্গের বর্ধমান জেলার যবগ্রামে জন্মগ্রহণ করেন। দেশভাগের পর তিনি বাংলাদেশে স্থায়ী হন এবং রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ে দর্শন বিভাগে দীর্ঘকাল অধ্যাপনা করেন। জীবনের রূঢ় বাস্তবতা, প্রান্তিক মানুষের দুঃখ-যন্ত্রণা ও সামাজিক অসঙ্গতি তাঁর লেখনীতে এক অনন্য শিল্পরূপ লাভ করেছে। তাঁর উল্লেখযোগ্য কালজয়ী গল্পগ্রন্থের মধ্যে রয়েছে ‘আত্মজা ও একটি করবী গাছ’ এবং ‘জীবন ঘষে আগুন’। তাঁর বিখ্যাত উপন্যাস ‘আগুনপাখি’ ও ‘সাবিত্রী উপাখ্যান’। শিশু-কিশোরদের জন্য তিনি রচনা করেছেন ‘লালঘোড়া আমি’ ও ‘ফুটবল থেকে সাবধান’। সাহিত্যে অসামান্য অবদানের জন্য তিনি বাংলা একাডেমি সাহিত্য পুরস্কার, একুশে পদক ও বাংলাদেশের সর্বোচ্চ বেসামরিক সম্মাননা ‘স্বাধীনতা পদক’-এ ভূষিত হন। ২০২১ খ্রিস্টাব্দের ১৫ই নভেম্বর তিনি রাজশাহীতে মৃত্যুবরণ করেন।
অধ্যায় চেকপয়েন্ট ও পাঠ অগ্রগতি০/২ সম্পন্ন
চেকপয়েন্টে ক্লিক করে সরাসরি ঐ অংশে পড়ুন এবং প্রস্তুতি সম্পন্ন করুন
‘হোমাপ্যাথি, এ্যালাপ্যাথি’ প্রখ্যাত কথাশিল্পী হাসান আজিজুল হকের রচিত একটি অত্যন্ত সরস, কৌতুকপূর্ণ অথচ গভীর সমাজমনস্ক মনস্তাত্ত্বিক ছোটগল্প। গল্পটিতে গ্রামীণ জনপদে হাতুড়ে চিকিৎসকদের পেশাগত রেষারেষি, অনভিজ্ঞতার কুফল এবং ‘যার যা কাজ সেটাই করা উচিত’—এই চিরন্তন সত্যটি ব্যঙ্গাত্মক ভঙ্গিতে তুলে ধরা হয়েছে।
অনুশীলনীর প্রশ্নগুলো সবার জন্য খোলা — পূর্ণাঙ্গ উত্তর দেখতে সাবস্ক্রিপশন নিন
সাবস্ক্রিপশন নিনফ্রিতে উত্তর দেখতে চান?
১টি সংক্ষিপ্ত ভিডিও বিজ্ঞাপন দেখলেই এই অধ্যায়ের সমস্ত উত্তর আগামী ২৪ ঘণ্টার জন্য ফ্রি আনলক হবে!
প্রশ্ন ১অঘোর ডাক্তারের চিকিৎসার ধরন কেমন ছিল? ব্যাখ্যা করো।
উত্তর দেখতে সাবস্ক্রিপশন লাগবে।
প্রশ্ন ২‘যার যে কাজ সেটাই করা উচিত’— তুমি কি এ বক্তব্য সমর্থন করো? ‘হোমাপ্যাথি, এ্যালাপ্যাথি’ গল্পের আলোকে যুক্তি দাও।
উত্তর দেখতে সাবস্ক্রিপশন লাগবে।
প্রশ্ন ৩‘এ্যালাপ্যাথি চিকিৎচ্ছেটা খারাপ হলো কোথায়?’— কথাটি কে বলেছেন এবং কেন বলেছেন?
উত্তর দেখতে সাবস্ক্রিপশন লাগবে।
প্রশ্ন ৪তোরাপ ডাক্তারের চিকিৎসার সময়কাল ছিল ভিন্ন ভিন্ন— মন্তব্যটি ‘হোমাপ্যাথি, এ্যালাপ্যাথি’ গল্পের আলোকে বিশ্লেষণ করো।
উত্তর দেখতে সাবস্ক্রিপশন লাগবে।
এই অধ্যায় পড়া কি শেষ হয়েছে?
পড়া শেষ হলে চিহ্নিত করুন যাতে আপনার সার্বিক অগ্রগতি ট্র্যাক করা যায়।