সিদ্ধার্থ গৌতমের গৃহত্যাগ ও বুদ্ধত্ব লাভ
সিদ্ধার্থ গৌতমের গৃহত্যাগ ও বুদ্ধত্ব লাভ
অধ্যায় চেকপয়েন্ট ও পাঠ অগ্রগতি০/৫ সম্পন্ন
চেকপয়েন্টে ক্লিক করে সরাসরি ঐ অংশে পড়ুন এবং প্রস্তুতি সম্পন্ন করুন
১ম পরিচ্ছেদ: ঋষি অসিতের ভবিষ্যদ্বাণী ও সিদ্ধার্থের বাল্যজীবন
২য় পরিচ্ছেদ: চারি নিমিত্ত দর্শন
শাক্য বংশের মুনি বা মহামানব গৌতম বুদ্ধ।
সমগ্র পৃথিবীর একচ্ছত্র ও ন্যায়পরায়ণ সার্বভৌম সম্রাট।
লক্ষণ, চিহ্ন, সংকেত বা কোনো বিশেষ ঘটনা।
স্বচক্ষে প্রত্যক্ষ করা বা জ্ঞানচক্ষু দিয়ে উপলব্ধি করা।
বার্ধক্যে জীর্ণ, দুর্বল ও শক্তিহীন বৃদ্ধাবস্থা।
শারীরিক বা মানসিক পীড়া, রোগ বা অসুস্থতা।
প্রাণহীন মৃত ব্যক্তির দেহ; মড়া।
পার্থিব ভোগবিলাস ও সংসারের প্রতি অনাসক্তি বা উদাসীনতা।
জগতের কল্যাণে সিদ্ধার্থের রাজপ্রাসাদ ও সংসার ত্যাগ করে সন্ন্যাস যাত্রা।
রাজকুমার সিদ্ধার্থের অত্যন্ত প্রিয় ও অনুগত দ্রুতগামী শ্বেতাশ্ব (ঘোড়া)।
সিদ্ধার্থের পরম বিশ্বস্ত সারথি ও রথচালক।
প্রাচীন ভারতের একটি পবিত্র নদী, যার তীরে সিদ্ধার্থ সন্ন্যাস গ্রহণ করেন।
সন্ন্যাসীদের ব্যবহৃত রক্তিম-হলুদ বা মেটে রঙের পবিত্র বস্ত্র।
বুদ্ধের আদি পাঁচজন সহসাধক শিষ্য (কৌণ্ডণ্য, অশ্বজিত, বাষ্প, মহানাম ও ভদ্দিয়)।
নেরঞ্জনা নদীর তীরের প্রাচীন বনভূমি গ্রাম, যেখানে বুদ্ধ সাধনা করেছিলেন।
চরম ভোগবিলাস ও কঠোর কৃচ্ছ্রসাধনের মধ্যবর্তী ভারসাম্যপূর্ণ মুক্তির পথ।
দুধ, চিনি ও চালের তৈরি পরম সুস্বাদু পবিত্র পায়েস।
সেনানী গ্রামের ধনী কন্যা, যিনি সিদ্ধার্থকে পায়সান্ন দান করেছিলেন।
গয়ার সেই পুণ্য অশ্বত্থ বা নিগ্রোধ বৃক্ষ, যার নিচে সিদ্ধার্থ বুদ্ধত্ব লাভ করেন।
পরম জ্ঞান, ত্রিকালদর্শী প্রজ্ঞা বা বুদ্ধত্ব।
বৌদ্ধ দর্শনে কাম, মোহ ও মানসিক অশুভ প্রবৃত্তির প্রতীক রূপ মন্দ দেবতা।
ভারতের বিহার রাজ্যের গয়ায় অবস্থিত বুদ্ধের বোধিলাভের আন্তর্জাতিক পুণ্যতীর্থ।
সিদ্ধার্থ ও যশোধরার একমাত্র পুত্র; নামের অর্থ বন্ধন।
ঈশ্বর বা সত্যের উপলব্ধির জন্য একাগ্র কঠোর সাধনা।
সকল দুঃখ ও তৃষ্ণার চিরতরে অবসান ঘটে পরম শান্তিময় মুক্তি লাভ।
অনুশীলনীর প্রশ্নগুলো সবার জন্য খোলা — পূর্ণাঙ্গ উত্তর দেখতে সাবস্ক্রিপশন নিন
সাবস্ক্রিপশন নিনফ্রিতে উত্তর দেখতে চান?
১টি সংক্ষিপ্ত ভিডিও বিজ্ঞাপন দেখলেই এই অধ্যায়ের সমস্ত উত্তর আগামী ২৪ ঘণ্টার জন্য ফ্রি আনলক হবে!
প্রশ্ন ১সিদ্ধার্থের চারি নিমিত্ত দর্শনের বিবরণ দাও এবং এর তাৎপর্য ব্যাখ্যা করো।
উত্তর দেখতে সাবস্ক্রিপশন লাগবে।
প্রশ্ন ২সিদ্ধার্থ গৌতমের গৃহত্যাগের ঘটনাটি সংক্ষেপে বর্ণনা করো।
উত্তর দেখতে সাবস্ক্রিপশন লাগবে।
প্রশ্ন ৩সিদ্ধার্থ গৌতম কীভাবে চরম তপস্যা ত্যাগ করে মধ্যমপন্থা গ্রহণ ও বুদ্ধত্ব লাভ করেছিলেন?
উত্তর দেখতে সাবস্ক্রিপশন লাগবে।
প্রশ্ন ৪সিদ্ধার্থ গৌতমের জীবনচরিত থেকে আমরা কী কী নৈতিক শিক্ষা লাভ করতে পারি?
উত্তর দেখতে সাবস্ক্রিপশন লাগবে।
উদ্দীপক আর প্রশ্ন সবার জন্য খোলা — পূর্ণ উত্তর দেখতে সাবস্ক্রিপশন নিন
সাবস্ক্রিপশন নিনফ্রিতে সৃজনশীলের উত্তর পড়তে চান?
১টি সংক্ষিপ্ত ভিডিও বিজ্ঞাপন দেখলেই এই অধ্যায়ের সমস্ত সৃজনশীল সমাধান আগামী ২৪ ঘণ্টার জন্য ফ্রি আনলক হবে!
উদ্দীপক
রাজকুমার সিদ্ধার্থ রাজপ্রাসাদের অপরিসীম ভোগবিলাসের মাঝে লালিত-পালিত হচ্ছিলেন। কিন্তু তাঁর অন্তর পার্থিব সুখে শান্ত ছিল না। একদিন তিনি রথচালক ছন্দককে সাথে নিয়ে নগর ভ্রমণে বের হন। চার দিনে তিনি পথে চার ধরণের দৃশ্য দেখতে পান—একজন জরাগ্রস্ত বৃদ্ধ, একজন তীব্র রোগাক্রান্ত ব্যক্তি, একটি শোকাকুল মৃতদেহ এবং পরিশেষে এক প্রশান্ত ও হাস্যোজ্জ্বল তরুণ সন্ন্যাসী। এই দৃশ্যগুলো রাজকুমারের মনে গভীর চিন্তার আলোড়ন তোলে।
'নিমিত্ত' শব্দের অর্থ কী?জ্ঞানমূলক — ১
রাজা শুদ্ধোদন কেন পুত্র সিদ্ধার্থকে রাজকীয় ভোগবিলাসে রাখতে চেয়েছিলেন?অনুধাবনমূলক — ২
উদ্দীপকে বর্ণিত সিদ্ধার্থের নগর ভ্রমণের প্রথম তিন দিনের দৃশ্যগুলোর সাথে মানবজীবনের দুঃখের সম্পর্ক ব্যাখ্যা করো।প্রয়োগমূলক — ৩
"চতুর্থ দিনে দেখা দৃশ্যটিই সিদ্ধার্থকে সত্যের সন্ধানে উদ্বুদ্ধ করেছিল"—পাঠ্যবইয়ের আলোকে উক্তিটি মূল্যায়ন করো।উচ্চতর দক্ষতা — ৪
উদ্দীপক
আষাঢ়ী পূর্ণিমার রাতে শাক্যরাজপ্রাসাদে উৎসবের আমেজ ছিল, কারণ রাজকুমার সিদ্ধার্থের কোলজুড়ে এসেছে শিশুপুত্র রাহুল। কিন্তু সিদ্ধার্থ ভাবলেন, সংসারে তাঁর মায়ার বন্ধন আরো দৃঢ় হলো। তাই জগতের মানুষের অনন্ত দুঃখের কথা চিন্তা করে ২৯ বছর বয়সে তিনি গভীর রাতে ঘুমন্ত স্ত্রী ও নবজাতক পুত্রকে শেষ দেখা দেখে রাজপ্রাসাদ ত্যাগ করলেন। বিশ্বস্ত সারথি ছন্দক ও প্রিয় ঘোড়া কন্থককে নিয়ে তিনি অনোমা নদীর তীরে উপস্থিত হলেন।
সিদ্ধার্থের পুত্রের নাম কী ছিল?জ্ঞানমূলক — ১
গৃহত্যাগের ঘটনাকে কেন 'মহানিষ্ক্রমণ' বলা হয়?অনুধাবনমূলক — ২
অনোমা নদীর তীরে পৌঁছে সিদ্ধার্থ কী কী কাজ সম্পন্ন করেছিলেন? পাঠ্যবইয়ের আলোকে বর্ণনা করো।প্রয়োগমূলক — ৩
"সিদ্ধার্থের গৃহত্যাগ ছিল বিশ্বমানবতার কল্যাণে এক অনন্য আত্মত্যাগ"—উদ্দীপক ও পাঠ্যবইয়ের তথ্যের ভিত্তিতে বিশ্লেষণ করো।উচ্চতর দক্ষতা — ৪
উদ্দীপক
সন্ন্যাস গ্রহণের পর সিদ্ধার্থ উরূবেলা গ্রামে নেরঞ্জনা নদীর তীরে কঠোর অনাহারে তপস্যা শুরু করেন। এতে তাঁর শরীর অত্যন্ত শীর্ণ ও দুর্বল হয়ে পড়ে। তিনি উপলব্ধি করলেন, অসুস্থ ও দুর্বল দেহ নিয়ে পরম জ্ঞান অর্জন সম্ভব নয়। তাই তিনি মধ্যমপন্থা গ্রহণ করলেন। তখন সেনানী পরিবারের কন্যা সুজাতা এসে তাঁকে পরম শ্রদ্ধায় পায়সান্ন দান করেন। পায়সান্ন গ্রহণ করে নবশক্তি সঞ্চয় করে তিনি গয়ার এক বৃক্ষমূলে প্রতিজ্ঞা করে ধ্যানে বসেন।
সিদ্ধার্থকে কে পায়সান্ন দান করেছিলেন?জ্ঞানমূলক — ১
ধ্যান সাধনায় 'মধ্যমপন্থা' বলতে কী বোঝায়?অনুধাবনমূলক — ২
গয়ার বৃক্ষমূলে ধ্যানে বসার সময় সিদ্ধার্থ কী প্রতিজ্ঞা করেছিলেন? ব্যাখ্যা করো।প্রয়োগমূলক — ৩
"সুজাতার পায়সান্ন দান সিদ্ধার্থের বুদ্ধত্ব লাভের পথে এক ঐতিহাসিক ভূমিকা রেখেছিল"—মূল্যায়ন করো।উচ্চতর দক্ষতা — ৪
উদ্দীপক
গয়ার বোধিবৃক্ষমূলে যখন সিদ্ধার্থ গৌতম পরম সত্যের ধ্যানে নিমগ্ন, তখন অশুভ শক্তি মার এসে নানা ছল-বল-কৌশলে তাঁর ধ্যান ভঙ্গের চেষ্টা করতে লাগল। কিন্তু সিদ্ধার্থ অবিচল চিত্তে ধ্যানে অটল রইলেন। পরিশেষে মারের সকল প্রলোভন ও বাধা পরাভূত করে ৩৫ বছর বয়সে তিনি সম্যক সম্বোধি বা পরম বুদ্ধত্ব লাভ করলেন। সারা বিশ্বে তিনি 'বুদ্ধ' নামে খ্যাত হলেন এবং স্থানটি পরিচিত হলো 'বুদ্ধগয়া' নামে।
বুদ্ধত্ব লাভের সময় সিদ্ধার্থের বয়স কত ছিল?জ্ঞানমূলক — ১
বৌদ্ধ দর্শনে 'মার' বলতে কী বোঝায়?অনুধাবনমূলক — ২
মার কীভাবে সিদ্ধার্থের ধ্যান ভঙ্গের চেষ্টা করেছিল এবং তার পরিণতি কী হয়েছিল? পাঠ্যবইয়ের আলোকে লেখো।প্রয়োগমূলক — ৩
"বুদ্ধত্ব লাভের মাধ্যমে সিদ্ধার্থ মানবজাতিকে দুঃখমুক্তির পথ দেখিয়েছেন"—উদ্দীপক ও পাঠ্যবইয়ের আলোকে বিশ্লেষণ করো।উচ্চতর দক্ষতা — ৪
এই অধ্যায় পড়া কি শেষ হয়েছে?
পড়া শেষ হলে চিহ্নিত করুন যাতে আপনার সার্বিক অগ্রগতি ট্র্যাক করা যায়।