বিজ্ঞান• অধ্যায় ১

নিম্নশ্রেণির জীব

সপ্তম শ্রেণিবিজ্ঞানঅধ্যায় ১✓ ফ্রি ডেমো

নিম্নশ্রেণির জীব

মূল পাঠ্যবই (PDF)

অধ্যায় চেকপয়েন্ট ও পাঠ অগ্রগতি০/১০ সম্পন্ন

চেকপয়েন্টে ক্লিক করে সরাসরি ঐ অংশে পড়ুন এবং প্রস্তুতি সম্পন্ন করুন

সামগ্রিক পাঠ সমাপ্তি০%
১
চেকপয়েন্ট ১ / ১০
অণুজীব জগৎ ও শ্রেণিবিন্যাস

আমাদের পরিবেশে ভাইরাস, ব্যাকটেরিয়া, ছত্রাক, শৈবাল, অ্যামিবা প্রভৃতি অসংখ্য অতি ক্ষুদ্র জীব রয়েছে যাদের অধিকাংশ খালি চোখে দেখা যায় না। এসব জীবকে অণুজীব বা নিম্নশ্রেণির জীব বলা হয়। অণুজীব থেকেই সৃষ্টির শুরুতে জীবনের সূত্রপাত হয়েছিল বিধায় এদের আদিজীবও বলা হয়। আধুনিক অণুজীববিজ্ঞানীগণ অণুজীব জগতকে তিনটি প্রধান রাজ্যে বিভক্ত করেছেন:

রাজ্য-১

এদের আকার এতই ক্ষুদ্র যে সাধারণ আলোক অণুবীক্ষণ যন্ত্রে দেখা যায় না; দেখতে ইলেকট্রন অণুবীক্ষণ যন্ত্র প্রয়োজন হয়। উদাহরণ: ভাইরাস।

রাজ্য-২

এদের কোষে কোনো সুগঠিত বা আবরণীযুক্ত নিউক্লিয়াস থাকে না। নিউক্লিওয়েড হিসেবে বংশগত বস্তু অবস্থান করে। উদাহরণ: ব্যাকটেরিয়া।

রাজ্য-৩

এদের কোষে সুসংগঠিত আবরণীযুক্ত নিউক্লিয়াস বিদ্যমান থাকে। উদাহরণ: শৈবাল, ছত্রাক ও প্রোটোজোয়া।

চেকপয়েন্ট ১ এর ১০
মনে রাখার মতো তথ্য
১ভাইরাস, ব্যাকটেরিয়া, ছত্রাক, শৈবাল, অ্যামিবা ইত্যাদিকে নিম্নশ্রেণির জীব বা অণুজীব বলা হয়।
২অণুজীব বিজ্ঞানীরা অণুজীব জগতকে ৩টি রাজ্যে ভাগ করেছেন: এক্যারিওটা (অকোষীয়), প্রোক্যারিওটা (আদিকোষী) এবং ইউক্যারিওটা (প্রকৃতকোষী)।
৩ভাইরাস এক্যারিওটা রাজ্যের অন্তর্ভুক্ত; এদের কোষে কোষপ্রাচীর, প্লাজমালেমা, সাইটোপ্লাজম ও সুসংগঠিত নিউক্লিয়াস থাকে না।
৪ভাইরাস শুধু আমিষ আবরণ ও নিউক্লিক এসিড (DNA বা RNA) নিয়ে গঠিত এবং জীবদেহের বাইরে জীবনের কোনো লক্ষণ প্রকাশ করে না বলে এরা প্রকৃত পরজীবী।
৫বিজ্ঞানী অ্যান্টনি ফন লিউয়েন হুক সর্বপ্রথম অণুবীক্ষণ যন্ত্রে ব্যাকটেরিয়া দেখতে পান।
৬ব্যাকটেরিয়াকে আকারের ওপর ভিত্তি করে ৪ ভাগে ভাগ করা হয়: কক্কাস (গোলাকার), ব্যাসিলাস (দণ্ডাকার), কমা (বাঁকা দণ্ড) এবং স্পাইরিলাম (পেঁচানো)।
৭নিউমোনিয়া রোগ হয় কক্কাস ব্যাকটেরিয়ার কারণে এবং কলেরা রোগ হয় কমা ব্যাকটেরিয়ার কারণে।
৮ব্যাকটেরিয়ার প্রধান উপকারিতা: সরাসরি নাইট্রোজেন সংবন্ধন, পাটের আঁশ ছাড়ানো, দই তৈরি, অ্যান্টিবায়োটিক উৎপাদন এবং জিন প্রকৌশলে ব্যবহার।
৯ছত্রাক ক্লোরোফিলবিহীন অসবুজ সমাঙ্গদেহী জীব, তাই এরা সালোকসংশ্লেষণ করতে পারে না এবং পরভোজী বা মৃতভোজী।
১০পেনিসিলিন ওষুধ পাওয়া যায় পেনিসিলিয়াম নামক ছত্রাক থেকে এবং পাউরুটি ফোলাতে ইস্ট নামক এককোষী ছত্রাক ব্যবহৃত হয়।
১১শৈবাল সমাঙ্গবর্গীয় ক্লোরোফিলযুক্ত স্বভোজী উদ্ভিদ; আইসক্রিম তৈরিতে সামুদ্রিক শৈবালের অ্যালজিন ব্যবহৃত হয়।
১২অ্যামিবা প্রোটিস্টা রাজ্যের অন্তর্ভুক্ত এককোষী জীব, যা ক্ষণপদের সাহায্যে চলাচল ও খাদ্য গ্রহণ করে।
১৩এন্টামিবা মানবদেহের বৃহদান্ত্রে পরজীবী হিসেবে বাস করে এবং মারাত্মক অ্যামিবিক আমাশয় রোগ সৃষ্টি করে।
১৪প্রতিকূল পরিবেশে এন্টামিবা গোলাকার শক্ত প্রাচীর দ্বারা আবৃত হয়ে সিস্ট গঠন করে এবং স্পোরুলেশন পদ্ধতিতে বংশবৃদ্ধি করে।
১৫হাঁচি, কাশি, অপরিষ্কার হাত ও অনিরাপদ পানির মাধ্যমে ভাইরাস, ব্যাকটেরিয়া ও এন্টামিবা দ্রুত ছড়ায়।
১৬অণুজীব সৃষ্ট স্বাস্থ্যঝুঁকি প্রতিরোধে সুষম খাদ্য গ্রহণ, নিরাপদ পানি পান, নিয়মিত সাবান দিয়ে হাত ধোয়া এবং স্বাস্থ্যসম্মত পায়খানা ব্যবহার করা আবশ্যক।
শব্দার্থ ও টীকা
নিম্নশ্রেণির জীব (Lower Organisms)

যেসব জীবের গঠন অত্যন্ত সরল, যেমন— ভাইরাস, ব্যাকটেরিয়া, ছত্রাক, শৈবাল ও অ্যামিবা।

অণুজীব (Microorganisms)

যেসব ক্ষুদ্রাতিক্ষুদ্র জীবকে খালি চোখে দেখা যায় না এবং যাদের দেখতে অণুবীক্ষণ যন্ত্রের প্রয়োজন হয়।

আদিজীব (Primitive Organism)

সৃষ্টির আদিতে যেসব অণুজীব থেকে পৃথিবীতে জীবনের সূত্রপাত ঘটেছিল।

এক্যারিওটা (Acellular / Akaryota)

অকোষীয় জীব যাদের কোনো কোষীয় সংগঠন নেই এবং দেখতে ইলেকট্রন অণুবীক্ষণ যন্ত্র লাগে (যেমন: ভাইরাস)।

প্রোক্যারিওটা (Prokaryote)

আদিকোষী অণুজীব যাদের কোষে কোনো সুসংগঠিত বা সুগঠিত নিউক্লিয়াস থাকে না (যেমন: ব্যাকটেরিয়া)।

ইউক্যারিওটা (Eukaryote)

প্রকৃতকোষী অণুজীব যাদের কোষে সুগঠিত ও সুসংগঠিত নিউক্লিয়াস বিদ্যমান থাকে (যেমন: শৈবাল, ছত্রাক, প্রোটোজোয়া)।

ব্যাকটেরিওফায (Bacteriophage)

যে বিশেষ ভাইরাস ব্যাকটেরিয়াকে আক্রমণ ও ধ্বংস করে বংশবৃদ্ধি করে।

প্রকৃত পরজীবী (Obligate Parasite)

জীবদেহ ছাড়া নির্জীব মাধ্যমে জীবনের কোনো লক্ষণ প্রকাশ করতে পারে না এমন পরজীবী (যেমন: ভাইরাস)।

কক্কাস (Coccus)

গোলাকার আকৃতির ব্যাকটেরিয়া, যা এককভাবে বা দলবেঁধে অবস্থান করে (যেমন: নিউমোনিয়া রোগের ব্যাকটেরিয়া)।

ব্যাসিলাস (Bacillus)

লম্বা দণ্ডের মতো আকৃতির ব্যাকটেরিয়া (যেমন: ধনুষ্টংকার ও রক্তআমাশয়ের ব্যাকটেরিয়া)।

কমা (Comma Bacteria)

বাঁকা দণ্ড বা কমা চিহ্নের মতো আকৃতির ব্যাকটেরিয়া (যেমন: কলেরা রোগের ব্যাকটেরিয়া)।

স্পাইরিলাম (Spirillum)

পেঁচানো বা স্প্রিংয়ের মতো আকৃতির ব্যাকটেরিয়া।

নাইট্রোজেন সংবন্ধন (Nitrogen Fixation)

বাতাসের মুক্ত নাইট্রোজেনকে সরাসরি মাটিতে নাইট্রেট যৌগে রূপান্তরিত করার প্রক্রিয়া যা ব্যাকটেরিয়া সম্পাদন করে।

সমাঙ্গদেহী (Thalloid)

যেসব উদ্ভিদের দেহকে মূল, কাণ্ড ও পাতায় বিভক্ত করা যায় না (যেমন: শৈবাল ও ছত্রাক)।

মৃতভোজী (Saprophyte)

যেসব পরভোজী জীব মৃত জীবদেহ বা পচা জৈব পদার্থ থেকে পুষ্টিরস গ্রহণ করে বেঁচে থাকে।

পরভোজী (Heterotroph)

যেসব জীব নিজের খাদ্য নিজে প্রস্তুত করতে পারে না এবং খাদ্যের জন্য অন্যের ওপর নির্ভরশীল।

স্বভোজী (Autotroph)

ক্লোরোফিলের সাহায্যে সালোকসংশ্লেষণ প্রক্রিয়ায় নিজের খাদ্য নিজে প্রস্তুতকারী জীব (যেমন: শৈবাল)।

অ্যালজিন (Algin)

সামুদ্রিক শৈবাল থেকে প্রাপ্ত একটি আঠালো রাসায়নিক পদার্থ যা আইসক্রিম তৈরিতে ব্যবহৃত হয়।

ক্ষণপদ (Pseudopodia)

অ্যামিবার দেহ থেকে বের হওয়া ক্ষণস্থায়ী আঙুলের মতো অভিক্ষেপ যা দিয়ে সে খাদ্য গ্রহণ ও চলাচল করে।

প্লাজমালেমা (Plasmalemma)

অ্যামিবার সারা দেহকে আবৃত করে রাখা একটি পাতলা ও স্বচ্ছ কোষঝিল্লি।

সিস্ট (Cyst)

প্রতিকূল পরিবেশে এন্টামিবা যে শক্ত গোলাকার আবরণ দ্বারা নিজের দেহ আবৃত করে রাখে।

স্পোরুলেশন (Sporulation)

এন্টামিবার প্রোটোপ্লাজম বহু খণ্ডে বিভক্ত হয়ে অণুবীক্ষণিক স্পোর তৈরির বিশেষ বংশবৃদ্ধি প্রক্রিয়া।

অ্যান্টিবায়োটিক (Antibiotic)

জীবাণু নাশক বিশেষ ওষুধ যা বিভিন্ন ছত্রাক ও ব্যাকটেরিয়া থেকে প্রস্তুত করা হয়।

জিন প্রকৌশল (Genetic Engineering)

কাঙ্ক্ষিত জিন স্থানান্তর ও জিনগত পরিবর্তনের মাধ্যমে জীবের নতুন বৈশিষ্ট্য সৃষ্টির অত্যাধুনিক প্রযুক্তি।

বইয়ের অনুশীলনীর উত্তর

অনুশীলনীর প্রশ্নগুলো সবার জন্য খোলা — পূর্ণাঙ্গ উত্তর দেখতে সাবস্ক্রিপশন নিন

সাবস্ক্রিপশন নিন

ফ্রিতে উত্তর দেখতে চান?

১টি সংক্ষিপ্ত ভিডিও বিজ্ঞাপন দেখলেই এই অধ্যায়ের সমস্ত উত্তর আগামী ২৪ ঘণ্টার জন্য ফ্রি আনলক হবে!

প্রশ্ন ১অণুজীব জগতের আধুনিক শ্রেণিবিন্যাস উদাহরণসহ বিস্তারিত ব্যাখ্যা করো।

উত্তর দেখতে সাবস্ক্রিপশন লাগবে।

প্রশ্ন ২ভাইরাসকে কেন প্রকৃত পরজীবী বলা হয়? ব্যাকটেরিওফায ভাইরাসের চিহ্নিত গঠন ও রোগ সৃষ্টির ভূমিকা আলোচনা করো।

উত্তর দেখতে সাবস্ক্রিপশন লাগবে।

প্রশ্ন ৩মানবজীবনে ও পরিবেশের ভারসাম্য রক্ষায় ব্যাকটেরিয়ার উপকারী ও অপকারী ভূমিকা বিশ্লেষণ করো।

উত্তর দেখতে সাবস্ক্রিপশন লাগবে।

প্রশ্ন ৪ছত্রাক ও শৈবালের মধ্যে তুলনামূলক পার্থক্য কী? অণুজীব সৃষ্ট রোগ প্রতিরোধ ও প্রতিকারে ব্যক্তিগত সচেতনতার গুরুত্ব ব্যাখ্যা করো।

উত্তর দেখতে সাবস্ক্রিপশন লাগবে।

উদ্দীপক আর প্রশ্ন সবার জন্য খোলা — পূর্ণ উত্তর দেখতে সাবস্ক্রিপশন নিন

সাবস্ক্রিপশন নিন

ফ্রিতে সৃজনশীলের উত্তর পড়তে চান?

১টি সংক্ষিপ্ত ভিডিও বিজ্ঞাপন দেখলেই এই অধ্যায়ের সমস্ত সৃজনশীল সমাধান আগামী ২৪ ঘণ্টার জন্য ফ্রি আনলক হবে!

সৃজনশীল প্রশ্ন ১১০ নম্বর
উত্তর প্রিমিয়াম

উদ্দীপক

সপ্তম শ্রেণির বিজ্ঞান ক্লাসে শিক্ষক দুটি অণুজীবের স্লাইড অণুবীক্ষণ যন্ত্রে দেখালেন। প্রথম অণুজীবটি (A) জেলির মতো এককোষী, যার নির্দিষ্ট কোনো আকার নেই এবং এটি মানুষের অন্ত্রে আমাশয় সৃষ্টি করে। দ্বিতীয় অণুজীবটি (B) লম্বা দণ্ডের মতো দেখতে, যা ধনুষ্টংকার ও রক্তআমাশয় রোগ ঘটায়; তবে পাটের আঁশ ছাড়াতে ও বর্জ্য পচনে এর ভূমিকা অপরিসীম।

ক

শৈবাল কী?জ্ঞানমূলক — ১

খ

ছত্রাককে মৃতজীবী বলা হয় কেন? ব্যাখ্যা করো।অনুধাবনমূলক — ২

গ

উদ্দীপকের A অণুজীব দ্বারা সৃষ্ট রোগ প্রতিরোধের কার্যকর উপায় আলোচনা করো।প্রয়োগমূলক — ৩

ঘ

B অণুজীবটি ক্ষতিকারক রোগ সৃষ্টি করলেও পরিবেশ ও মানবকল্যাণে এর অবদান অনস্বীকার্য— উক্তিটি মূল্যায়ন করো।উচ্চতর দক্ষতা — ৪

সৃজনশীল প্রশ্ন ২১০ নম্বর
উত্তর প্রিমিয়াম

উদ্দীপক

বরকত হঠাৎ অতিরিক্ত ঠান্ডায় আক্রান্ত হয়ে অনবরত হাঁচি ও কাশি দিতে থাকে। তার বাবা তাকে মুখ ও নাক ঢেকে রুমাল ব্যবহার করতে বললেন এবং কোনো ওষুধ সেবন না করে ডাক্তারের পরামর্শে বিশ্রাম ও পুষ্টিকর তরল খাবার খাওয়ার নির্দেশ দিলেন। তিনি আরও জানালেন, এই রোগ সৃষ্টিকারী অণুজীবটি এমন এক প্রকৃতির যা জীবদেহের বাইরে কোনো প্রাণস্পন্দন দেখায় না।

ক

ক্ষণপদ কাকে বলে?জ্ঞানমূলক — ১

খ

অণুজীবকে আদিজীব বলা হয় কেন? ব্যাখ্যা করো।অনুধাবনমূলক — ২

গ

বরকতকে তার বাবা হাঁচি-কাশির সময় রুমাল ব্যবহারের নির্দেশ দিলেন কেন? ব্যাখ্যা করো।প্রয়োগমূলক — ৩

ঘ

বরকতের শরীরে আক্রমণকারী অণুজীবটির জৈবিক বৈশিষ্ট্য জীব ও জড়ের মধ্যবর্তী অবস্থানের প্রতিফলন— বিশ্লেষণ করো।উচ্চতর দক্ষতা — ৪

সৃজনশীল প্রশ্ন ৩১০ নম্বর
উত্তর প্রিমিয়াম

উদ্দীপক

কৃষক শফিকুল আলম লক্ষ্য করলেন তার আলুর ক্ষেতে পাতার নিচে ভেজা কালো দাগ হয়ে গাছ মরে যাচ্ছে এবং পাটের কাণ্ডে কালো চাকা চাকা দাগ দেখা দিয়েছে। পাশের গ্রামের রফিকুল ইসলাম আধুনিক পদ্ধতিতে বিশেষ প্রজাতির অসবুজ ছত্রাক চাষ করে প্রচুর মুনাফা অর্জন করছেন এবং একই সাথে তাঁর জমিতে কাঠের গুড়োর আবর্জনা পরিষ্কার রাখছেন।

ক

স্পোরুলেশন কী?জ্ঞানমূলক — ১

খ

ভাইরাসকে অকোষীয় জীব বলা হয় কেন?অনুধাবনমূলক — ২

গ

শফিকুল আলমের ফসলের ক্ষতির জন্য দায়ী অণুজীবটির ক্ষতিকর প্রভাব থেকে ফসল রক্ষার উপায় বর্ণনা করো।প্রয়োগমূলক — ৩

ঘ

রফিকুল ইসলামের কর্মকাণ্ডের মাধ্যমে ছত্রাকের অর্থনৈতিক ও পরিবেশগত গুরুত্ব কীভাবে প্রমাণিত হয়েছে? বিশ্লেষণ করো।উচ্চতর দক্ষতা — ৪

সৃজনশীল প্রশ্ন ৪১০ নম্বর
উত্তর প্রিমিয়াম

উদ্দীপক

বিজ্ঞানের শিক্ষক শ্রেণিকক্ষে একটি টি-২ ব্যাকটেরিওফায ভাইরাসের মডেল এবং একটি কমা আকৃতির ব্যাকটেরিয়ার চার্ট প্রদর্শন করে বললেন— 'এই দুটি অণুজীবের একটি মানুষের কলেরা রোগের জন্য দায়ী, অপরটি ব্যাকটেরিয়ার বংশ ধ্বংস করে। পরিবেশ ও মানুষের বেঁচে থাকার লড়াইয়ে এদের কার্যক্রম গভীরভাবে জড়িত।'

ক

সিস্ট কী?জ্ঞানমূলক — ১

খ

শৈবালকে কেন স্বভোজী বলা হয়?অনুধাবনমূলক — ২

গ

চার্টে প্রদর্শিত ভাইরাসের গঠনটি চিহ্নিত চিত্রসহ ব্যাখ্যা করো।প্রয়োগমূলক — ৩

ঘ

মানবস্বাস্থ্যে উদ্দীপকের অণুজীব দুটির কার্যক্রমের তুলনামূলক প্রভাব বিশ্লেষণ করো।উচ্চতর দক্ষতা — ৪

এই অধ্যায় পড়া কি শেষ হয়েছে?

পড়া শেষ হলে চিহ্নিত করুন যাতে আপনার সার্বিক অগ্রগতি ট্র্যাক করা যায়।