বাংলাদেশের বিশিষ্ট ভাষাবিজ্ঞানী, প্রথাবিরোধী সাহিত্যিক, কবি ও ঔপন্যাসিক হুমায়ুন আজাদ ১৯৪৭ খ্রিস্টাব্দে মুন্সীগঞ্জ জেলায় জন্মগ্রহণ করেন। তিনি ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের বাংলা বিভাগে অধ্যাপক হিসেবে দীর্ঘকাল নিষ্ঠার সাথে দায়িত্ব পালন করেন। তাঁর অনন্য মননশীল সৃষ্টিগুলোর মধ্যে উল্লেখযোগ্য কাব্যগ্রন্থ হলো: "অলৌকিক ইস্টিমার", "জ্বলো চিতাবাঘ", "সব কিছু নষ্টদের অধিকারে যাবে", "কাফনে মোড়া অশ্রুবিন্দু"। তাঁর বিখ্যাত উপন্যাস "ছাপ্পান্ন হাজার বর্গমাইল", ছোটগল্প সংকলন "যাদুকরের মৃত্যু" এবং কিশোরদের জন্য রচিত তথ্যসমৃদ্ধ প্রবন্ধগ্রন্থ "লাল নীল দীপাবলি" ও "কতো নদী সরোবর"। ২০০৪ খ্রিস্টাব্দে এই প্রথিতযশা লেখক পরলোকগমন করেন।
অধ্যায় চেকপয়েন্ট ও পাঠ অগ্রগতি০/১ সম্পন্ন
চেকপয়েন্টে ক্লিক করে সরাসরি ঐ অংশে পড়ুন এবং প্রস্তুতি সম্পন্ন করুন
কবিতা কাকে বলে তা সংজ্ঞায় বেঁধে বলা বেশ কঠিন হলেও যারা পড়তে জানে তারা সহজেই কবিতার ছন্দ ও চেহারা চিনতে পারে। বই বা পত্রিকায় সুন্দর বিন্যাসে ছাপানো ছোট ছোট সুষম পঙ্ক্তি বা চরণই হলো কবিতা। যে লেখা পড়লে মনের ভেতর আনন্দ নেচে ওঠে, গান গাইতে ইচ্ছে করে, চোখে-বুকে নানা রঙের রঙিন স্বপ্ন এসে জমা হয় এবং দু-তিনবার আবৃত্ত…
অনুশীলনীর প্রশ্নগুলো সবার জন্য খোলা — পূর্ণাঙ্গ উত্তর দেখতে সাবস্ক্রিপশন নিন
সাবস্ক্রিপশন নিনফ্রিতে উত্তর দেখতে চান?
১টি সংক্ষিপ্ত ভিডিও বিজ্ঞাপন দেখলেই এই অধ্যায়ের সমস্ত উত্তর আগামী ২৪ ঘণ্টার জন্য ফ্রি আনলক হবে!
প্রশ্ন ১কবিতা কী এবং কীভাবে কবিতাকে অন্যান্য গদ্য রচনা থেকে আলাদাভাবে চেনা যায়?
উত্তর দেখতে সাবস্ক্রিপশন লাগবে।
প্রশ্ন ২‘কবিতা বানাতে হলেও জিনিস চাই’ — উক্তিটির আলোকে কবিতার উপাদানগুলো বুঝিয়ে লেখো।
উত্তর দেখতে সাবস্ক্রিপশন লাগবে।
প্রশ্ন ৩শব্দের বিভিন্ন রূপ (রং, সুর ও গন্ধ) সম্পর্কে লেখক কী আলোকপাত করেছেন?
উত্তর দেখতে সাবস্ক্রিপশন লাগবে।
প্রশ্ন ৪কিশোর বয়সে কবিতা লেখার চেয়ে বেশি বেশি ‘দেখা’ ও ‘পড়া’ কেন জরুরি? লেখকের বক্তব্য বিশ্লেষণ করো।
উত্তর দেখতে সাবস্ক্রিপশন লাগবে।
এই অধ্যায় পড়া কি শেষ হয়েছে?
পড়া শেষ হলে চিহ্নিত করুন যাতে আপনার সার্বিক অগ্রগতি ট্র্যাক করা যায়।