হিন্দুধর্ম শিক্ষা• অধ্যায় ১

অধ্যায় ১: স্রষ্টা ও সৃষ্টি এবং উপাসনা ও প্রার্থনা

চতুর্থ শ্রেণিহিন্দুধর্ম শিক্ষাঅধ্যায় ১✓ ফ্রি ডেমো

অধ্যায় ১: স্রষ্টা ও সৃষ্টি এবং উপাসনা ও প্রার্থনা

মূল পাঠ্যবই (PDF)

অধ্যায় চেকপয়েন্ট ও পাঠ অগ্রগতি০/২ সম্পন্ন

চেকপয়েন্টে ক্লিক করে সরাসরি ঐ অংশে পড়ুন এবং প্রস্তুতি সম্পন্ন করুন

সামগ্রিক পাঠ সমাপ্তি০%
১
চেকপয়েন্ট ১ / ২
ভূমিকা ও মূল বিষয়বস্তু

### ১. প্রথম পরিচ্ছেদ: স্রষ্টা ও সৃষ্টি

> *"বহুরূপে সম্মুখে তোমার, ছাড়ি কোথা খুঁজিছ ঈশ্বর? / জীবে প্রেম করে যেই জন, সেই জন সেবিছে ঈশ্বর।।"*

**পৃথিবীর রূপ ও সৃষ্টি** আমাদের পৃথিবী অপরূপ সুন্দর। এখানে রয়েছে মানুষ, গাছপালা, পশুপাখি, পাহাড়-পর্বত, নদ-নদী, চন্দ্র-সূর্য ও বিশাল আকাশ। কোনো কিছুই হঠাৎ সৃষ্টি হয়নি; সুনির্দিষ্ট নিয়মে পরিবর্তনের মধ্য দিয়ে সৃষ্টিকর্তার ইচ্ছায় তৈরি হয়েছে।
**স্রষ্টা বা ঈশ্বরের ধারণা** যেমন কাঠমিস্ত্রি চেয়ার-টেবিল এবং রাজমিস্ত্রি দালানকোঠা বানান, তেমনি এই বিশাল নিখিল বিশ্বব্রহ্মাণ্ডের একজন পরম স্রষ্টা বা সৃষ্টিকর্তা আছেন। তিনিই ঈশ্বর। তিনি সকল শক্তির উৎস, সর্বশক্তিমান এবং সমগ্র সৃষ্টি তাঁর নিয়ন্ত্রণাধীন।
**ঈশ্বরের স্বরূপ ও নাম** ঈশ্বর এক ও অদ্বিতীয়। তিনি পরম পিতা, পরম স্রষ্টা, পরমেশ্বর ও ভগবান। তিনি পরম দয়ালু, করুণাময় ও মঙ্গলময়। ঈশ্বর নিরাকার; তাঁকে খালি চোখে দেখা না গেলেও তিনি সর্বত্র বিরাজমান।
**জীব ও ঈশ্বরের সম্পর্ক** ঈশ্বর সর্বভূতে বা জীবের মধ্যে আত্মারূপে অবস্থান করেন। ঈশ্বর স্রষ্টা এবং জীব তাঁর সৃষ্টি। সুতরাং ঈশ্বর ও জীবের সম্পর্ক হলো স্রষ্টা ও সৃষ্টির নিবিড় সম্পর্ক।
**জীবসেবাই ঈশ্বরসেবা** ঈশ্বর যেহেতু প্রতিটি জীবের মধ্যে আত্মারূপে অবস্থান করেন, তাই জীবকে ভালোবাসলে পরোক্ষভাবে ঈশ্বরকেই ভালোবাসা হয়। স্বামী বিবেকানন্দের অমর বাণী:
**মানুষের কর্তব্য** ঈশ্বরের সৃষ্টিকে ভালোবাসলে ঈশ্বর সন্তুষ্ট হন ও কৃপা করেন। তাই মানুষসহ পৃথিবীর সকল সৃষ্টিকে ভালোবাসা ও রক্ষা করা আমাদের নৈতিক ও ধর্মীয় কর্তব্য।
চেকপয়েন্ট ১ এর ২
মনে রাখার মতো তথ্য
১ঈশ্বর এই নিখিল মহাবিশ্ব, গ্রহ-নক্ষত্র, প্রকৃতি ও সকল জীবের পরম স্রষ্টা ও নিয়ন্তা।
২ঈশ্বর এক, অদ্বিতীয় ও নিরাকার; তবে তিনি সর্বশক্তিমান ও সর্বত্র বিরাজমান।
৩ঈশ্বর প্রতিটি জীবের অন্তরে আত্মারূপে অবস্থান করেন; তাই ঈশ্বর ও জীবের সম্পর্ক স্রষ্টা ও সৃষ্টির নিবিড় সম্পর্ক।
৪জীবসেবাই ঈশ্বরসেবা—স্বামী বিবেকানন্দের বাণী: 'জীবে প্রেম করে যেই জন, সেই জন সেবিছে ঈশ্বর।'
৫'উপাসনা' শব্দের ব্যুৎপত্তিগত অর্থ ঈশ্বরের নিকটে বসা ('উপ' = নিকটে, 'আসন' = বসা)।
৬উপাসনা দুই প্রকার: সাকার উপাসনা (প্রতিমা বা প্রতীকের পূজা) এবং নিরাকার উপাসনা (ধ্যান ও জপ)।
৭শিব, দুর্গা, কালী, লক্ষ্মী, সরস্বতী, গণেশ প্রমুখ দেব-দেবী ঈশ্বরের সাকার রূপের প্রকাশ।
৮উপাসনা একটি নিত্যকর্ম যা সাধারণত প্রত্যহ সকাল, দুপুর ও সন্ধ্যায় একাগ্রচিত্তে সম্পন্ন করতে হয়।
৯প্রার্থনা হলো নিজের এবং সমগ্র জগতের কল্যাণ ও সৎ জীবনের জন্য ঈশ্বরের কাছে বিনীত নিবেদন।
১০বৃহদারণ্যক উপনিষদের প্রার্থনা মন্ত্র: 'অসতো মা সদ্গময় / তমসো মা জ্যোতির্গময় / মৃত্যোর্মা অমৃতং গময়।' (১/৩/২৮)।
১১শ্রীশ্রীচণ্ডীর দেবী দুর্গার প্রণাম মন্ত্র: 'শরণাগতদীনার্ত পরিত্রাণপরায়ণে / সর্বস্যার্তিহরে দেবি নারায়ণি নমোহস্তুতে।।' (১/১১)।
১২নিয়মিত উপাসনা ও প্রার্থনার ফলে একাগ্রতা বৃদ্ধি পায়, অন্তরে শান্তি বিরাজ করে এবং নৈতিক চরিত্র গঠিত হয়।
শব্দার্থ ও টীকা
স্রষ্টা

যিনি সৃষ্টি করেন; পরম সৃষ্টিকর্তা বা ঈশ্বর।

সৃষ্টি

যা তৈরি করা হয়েছে; বিশ্বজগৎ ও জীবজগৎ।

সর্বশক্তিমান

সকল ক্ষমতার অধিকারী বা যার শক্তির কোনো সীমা নেই।

নিরাকার

যার নির্দিষ্ট কোনো শারীরিক আকার বা ইন্দ্রিয়গ্রাহ্য রূপ নেই।

সর্বব্যাপী

যিনি সব জায়গায় বা সর্বত্র বিরাজমান।

আত্মা

জীবদেহে অবস্থিত অবিনশ্বর চৈতন্যরূপী ঐশ্বরিক অংশ।

উপাসনা

'উপ' (নিকটে) + 'আসন' (বসা); ঈশ্বরের সান্নিধ্যে বসা বা আরাধনা করা।

আরাধনা

ভক্তিভরে পূজা, প্রার্থনা ও গুণকীর্তন করা।

সাকার

যার নির্দিষ্ট আকার বা দৃশ্যমান রূপ রয়েছে।

দেব-দেবী

ঈশ্বরের বিশেষ গুণ, ক্ষমতা বা রূপের প্রকাশ।

ব্রহ্ম

জগতের আদি কারণ, নিরাকার ও পরম সত্তা।

নিত্যকর্ম

প্রতিদিন নিয়মিতভাবে করণীয় ধর্মীয় বা আত্মিক কাজ।

প্রার্থনা

বিনীতভাবে ঈশ্বরের কাছে মঙ্গল ও কল্যাণ কামনা করা।

অসতো মা সদ্গময়

আমাকে অসত্য বা অন্যায় পথ থেকে সত্যের পথে পরিচালিত করো।

তমসো মা জ্যোতির্গময়

অজ্ঞতারূপ অন্ধকার থেকে জ্ঞানেরূপ আলোর পথে নিয়ে যাও।

মৃত্যোর্মা অমৃতং গময়

নশ্বর জীবন বা মৃত্যুর ভয় থেকে অমৃত বা অমরত্ব দান করো।

শরণাগত

যিনি আশ্রয় প্রার্থনা করে ঈশ্বরের চরণে নিবেদিত হয়েছেন।

দীনার্ত

দীন (দরিদ্র/অসহায়) এবং আর্ত (পীড়িত বা ব্যথিত) মানুষ।

পরিত্রাণ

বিপদ বা কষ্ট থেকে উদ্ধার বা মুক্তি।

আর্তিহরে

যিনি সকল দুঃখ, কষ্ট ও যন্ত্রণা হরণ করেন বা দূর করেন।

ত্রিসন্ধ্যা

সকাল, দুপুর ও সন্ধ্যা—দিনের এই তিন সময়ের উপাসনা।

পদ্মাসন

উপাসনা ও ধ্যানের জন্য পদ্মের ন্যায় দুই পা ভেঙে বসার বিশিষ্ট যোগাসন।

বইয়ের অনুশীলনীর উত্তর

অনুশীলনীর প্রশ্নগুলো সবার জন্য খোলা — পূর্ণাঙ্গ উত্তর দেখতে সাবস্ক্রিপশন নিন

সাবস্ক্রিপশন নিন

ফ্রিতে উত্তর দেখতে চান?

১টি সংক্ষিপ্ত ভিডিও বিজ্ঞাপন দেখলেই এই অধ্যায়ের সমস্ত উত্তর আগামী ২৪ ঘণ্টার জন্য ফ্রি আনলক হবে!

প্রশ্ন ১১. উপাসনা কাকে বলে? সাকার ও নিরাকার উপাসনার পার্থক্য উদাহরণসহ আলোচনা করো।

উত্তর দেখতে সাবস্ক্রিপশন লাগবে।

প্রশ্ন ২২. 'জীবসেবাই ঈশ্বরসেবা'—উক্তিটি ব্যাখ্যা করো। দৈনন্দিন জীবনে আমরা কীভাবে এটি অনুশীলন করতে পারি?

উত্তর দেখতে সাবস্ক্রিপশন লাগবে।

প্রশ্ন ৩৩. বৃহদারণ্যক উপনিষদের প্রার্থনা মন্ত্রটি সংস্কৃত ও বঙ্গানুবাদসহ লেখ এবং এর মূল শিক্ষা তুলে ধরো।

উত্তর দেখতে সাবস্ক্রিপশন লাগবে।

প্রশ্ন ৪৪. ব্যক্তি ও সমাজজীবনে উপাসনা ও প্রার্থনার গুরুত্ব ও উপকারিতা আলোচনা করো।

উত্তর দেখতে সাবস্ক্রিপশন লাগবে।

উদ্দীপক আর প্রশ্ন সবার জন্য খোলা — পূর্ণ উত্তর দেখতে সাবস্ক্রিপশন নিন

সাবস্ক্রিপশন নিন

ফ্রিতে সৃজনশীলের উত্তর পড়তে চান?

১টি সংক্ষিপ্ত ভিডিও বিজ্ঞাপন দেখলেই এই অধ্যায়ের সমস্ত সৃজনশীল সমাধান আগামী ২৪ ঘণ্টার জন্য ফ্রি আনলক হবে!

সৃজনশীল প্রশ্ন ১১০ নম্বর
উত্তর প্রিমিয়াম

উদ্দীপক

চতুর্থ শ্রেণির শিক্ষার্থী রাহুল প্রতিদিন ভোরে স্নান সেরে ঠাকুরঘরে গিয়ে দেবী সরস্বতীর ছবির সামনে হাত জোড় করে বসে। সে ভালো ফলাফলের জন্য প্রার্থনা করার পাশাপাশি প্রতিদিন বাড়ির পোষা বিড়াল ও চড়ুই পাখিদের চালের খুদ ও জল খেতে দেয়। একদিন তার সহপাঠী আকাশ জানতে চাইল, 'মূর্তিপূজা না করে কি ঈশ্বরকে ডাকার কোনো উপায় নেই?' রাহুল তাকে হিন্দুধর্মের বিভিন্ন উপাসনা পদ্ধতি ও জীবসেবার তাৎপর্য বুঝিয়ে বলল।

ক

'উপাসনা' শব্দের অর্থ কী?জ্ঞানমূলক — ১

খ

'জীবসেবাই ঈশ্বরসেবা' বলতে কী বোঝায়?অনুধাবনমূলক — ২

গ

উদ্দীপকে রাহুলের দেবীর ছবির সামনে বসে করা উপাসনাটি হিন্দুধর্মের কোন উপাসনা পদ্ধতির সাথে মিলে যায়? ব্যাখ্যা করো।প্রয়োগমূলক — ৩

ঘ

আকাশের প্রশ্নের প্রেক্ষিতে হিন্দুধর্মের অপর উপাসনা পদ্ধতিটির তাৎপর্য পাঠ্যবইয়ের আলোকে বিশ্লেষণ করো।উচ্চতর দক্ষতা — ৪

সৃজনশীল প্রশ্ন ২১০ নম্বর
উত্তর প্রিমিয়াম

উদ্দীপক

প্রমথবাবু এলাকার একটি মন্দির প্রাঙ্গণে প্রতিদিন সন্ধ্যায় পাড়ার সব শিশুদের একত্রিত করে প্রার্থনাসভা পরিচালনা করেন। সেখানে শিশুরা সমস্বরে পাঠ করে: 'অসতো মা সদ্গময়, তমসো মা জ্যোতির্গময়, মৃত্যোর্মা অমৃতং গময়।' প্রমথবাবু তাদের বোঝান, ঈশ্বর শুধু মন্দিরের প্রতিমার মধ্যেই সীমাবদ্ধ নন; তিনি গাছপালা, পশুপাখি ও মানুষের মাঝেও বিরাজ করেন। তাই কাউকে কষ্ট না দিয়ে ভালোবাসাই হলো প্রকৃত ধর্ম।

ক

'তমসো মা জ্যোতির্গময়' চরণের অর্থ কী?জ্ঞানমূলক — ১

খ

সমবেত প্রার্থনার ফলে সমাজে কী প্রভাব পড়ে?অনুধাবনমূলক — ২

গ

উদ্দীপকে শিশুদের উচ্চারিত প্রার্থনা মন্ত্রটির উৎস ও তাৎপর্য পাঠ্যবইয়ের আলোকে বর্ণনা করো।প্রয়োগমূলক — ৩

ঘ

'কাউকে কষ্ট না দিয়ে ভালোবাসাই হলো প্রকৃত ধর্ম'—প্রমথবাবুর এই শিক্ষার সাথে পাঠ্যবইয়ে বর্ণিত ঈশ্বর ও জীবের সম্পর্ক কীভাবে সংগতিপূর্ণ? মূল্যায়ন করো।উচ্চতর দক্ষতা — ৪

সৃজনশীল প্রশ্ন ৩১০ নম্বর
উত্তর প্রিমিয়াম

উদ্দীপক

অনিন্দ্য চতুর্থ শ্রেণির শিক্ষার্থী। পরীক্ষার আগে সে খুব দুশ্চিন্তায় ভোগে এবং মনোযোগ হারিয়ে ফেলে। তার দিদিমা তাকে প্রতিদিন সকালে স্নান করে পরিষ্কার পোশাকে পদ্মাসনে বসে নিবিষ্ট চিত্তে উপাসনা ও প্রার্থনা করার পরামর্শ দিলেন। দিদিমা তাকে বোঝালেন, উপাসনা কেবল ধর্মীয় আচার নয়, এটি মন ও শরীরের একটি উৎকৃষ্ট সাধনা। নিয়মিত অনুশীলনের ফলে অনিন্দ্যের মনের চঞ্চলতা দূর হলো এবং পড়াশোনায় গভীর একাগ্রতা ফিরে এলো।

ক

উপাসনা কোন ধরনের কাজ?জ্ঞানমূলক — ১

খ

উপাসনায় বসার পূর্বে কোন কোন প্রস্তুতি গ্রহণ করা আবশ্যক?অনুধাবনমূলক — ২

গ

দিদিমার পরামর্শ অনুসরণের মাধ্যমে অনিন্দ্যের মধ্যে যে পরিবর্তন এসেছে, তার কারণ পাঠ্যবইয়ের আলোকে ব্যাখ্যা করো।প্রয়োগমূলক — ৩

ঘ

'উপাসনা ও প্রার্থনা দেহ ও মনের সার্বিক কল্যাণ সাধন করে'—অনিন্দ্যের অভিজ্ঞতার আলোকে উক্তিটির যথার্থতা নিরূপণ করো।উচ্চতর দক্ষতা — ৪

সৃজনশীল প্রশ্ন ৪১০ নম্বর
উত্তর প্রিমিয়াম

উদ্দীপক

শরৎকালে বিদ্যালয়ের বার্ষিক ছুটির দিনে অর্পিতা ও তার পরিবার শারদীয় দুর্গাপূজা মণ্ডপে গেল। সেখানে ঢাকের বাদ্য, আরতি ও আলোকসজ্জায় এক আনন্দমুখর পরিবেশ সৃষ্টি হয়েছিল। পুরোহিত মশাই দেবীর চরণে পুষ্পাঞ্জলি দিয়ে উচ্চারণ করলেন: 'শরণাগতদীনার্ত পরিত্রাণপরায়ণে। সর্বস্যার্তিহরে দেবি নারায়ণি নমোহস্তুতে।।' অর্পিতার বাবা তাকে বললেন, 'মা দুর্গা হলেন সকল শক্তির উৎস এবং আর্ত ও নিপীড়িতদের রক্ষাকর্ত্রী।' বাড়ি ফেরার পথে অর্পিতা দেখতে পেল রাস্তার পাশে এক অসুস্থ বৃদ্ধ শীতে কাঁপছেন। অর্পিতা নিজের চাদরটি বৃদ্ধকে জড়িয়ে দিল।

ক

দেবী দুর্গার প্রণাম মন্ত্রটি কোন ধর্মগ্রন্থ থেকে নেওয়া হয়েছে?জ্ঞানমূলক — ১

খ

'শরণাগতদীনার্ত পরিত্রাণপরায়ণে' কথাটির ভাবার্থ কী?অনুধাবনমূলক — ২

গ

মণ্ডপে পুরোহিত মশাইয়ের উচ্চারিত প্রণাম মন্ত্রটির সরলার্থ পাঠ্যবইয়ের আলোকে লেখ।প্রয়োগমূলক — ৩

ঘ

বাড়ি ফেরার পথে অর্পিতার আচরণে হিন্দুধর্মের কোন মহান আদর্শটি প্রতিফলিত হয়েছে? পাঠ্যবইয়ের আলোকে বিশ্লেষণ করো।উচ্চতর দক্ষতা — ৪

এই অধ্যায় পড়া কি শেষ হয়েছে?

পড়া শেষ হলে চিহ্নিত করুন যাতে আপনার সার্বিক অগ্রগতি ট্র্যাক করা যায়।