বাংলা সাহিত্যের অন্যতম প্রধান আধুনিক ও রূপসী বাংলার রূপকার কবি জীবনানন্দ দাশ ১৮৯৯ খ্রিষ্টাব্দে বরিশাল শহরে জন্মগ্রহণ করেন। তিনি ১৯২১ সালে কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে ইংরেজি সাহিত্যে এম. এ. পাস করেন। ইংরেজি সাহিত্যের অধ্যাপক হিসেবে তাঁর কর্মজীবন শুরু হয় এবং তিনি কলকাতা সিটি কলেজ, দিল্লি রামযশ কলেজ, বরিশাল ব্রজমোহন কলেজ, খড়গপুর কলেজ, বরিশা কলেজ ও হাওড়া কলেজে অধ্যাপনা করেন। কিছুকাল তিনি সাংবাদিকতার পেশাও অবলম্বন করেছিলেন। জীবনানন্দ দাশের কবিতায় বাংলাদেশের প্রকৃতির অতুলনীয় রূপ, রং ও গন্ধের বিচিত্র প্রকাশ ঘটেছে। প্রকৃতির গভীর মমত্ববোধে তুচ্ছাতিতুচ্ছ অনুষঙ্গও তাঁর কবিতায় নতুন ব্যঞ্জনায় ধরা পড়েছে। প্রকৃতিপ্রেমিক এই কবি মূলত প্রকৃতি থেকেই তাঁর কবিতার অনন্ত রূপ-রস সংগ্রহ করেছেন। কবিতা ছাড়াও তিনি উল্লেখযোগ্যসংখ্যক উপন্যাস, ছোটগল্প ও প্রবন্ধ রচনা করেন। ১৯৫৪ সালে কলকাতায় এক ট্রাম দুর্ঘটনায় আহত হয়ে তিনি মৃত্যুবরণ করেন।
অধ্যায় চেকপয়েন্ট ও পাঠ অগ্রগতি০/১ সম্পন্ন
চেকপয়েন্টে ক্লিক করে সরাসরি ঐ অংশে পড়ুন এবং প্রস্তুতি সম্পন্ন করুন
অনুশীলনীর প্রশ্নগুলো সবার জন্য খোলা — পূর্ণাঙ্গ উত্তর দেখতে সাবস্ক্রিপশন নিন
সাবস্ক্রিপশন নিনফ্রিতে উত্তর দেখতে চান?
১টি সংক্ষিপ্ত ভিডিও বিজ্ঞাপন দেখলেই এই অধ্যায়ের সমস্ত উত্তর আগামী ২৪ ঘণ্টার জন্য ফ্রি আনলক হবে!
প্রশ্ন ১কবি জীবনানন্দ দাশ কেন মৃত্যুর পরও বারবার বাংলায় ফিরে আসতে চান?
উত্তর দেখতে সাবস্ক্রিপশন লাগবে।
প্রশ্ন ২‘জলাঙ্গীর ঢেউয়ে ভেজা বাংলার এ সবুজ করুণ ডাঙায়’—চরণটি ব্যাখ্যা কর।
উত্তর দেখতে সাবস্ক্রিপশন লাগবে।
প্রশ্ন ৩কবি মানুষ রূপ ছাড়াও আর কোন্ কোন্ রূপে বাংলায় ফিরে আসার বাসনা প্রকাশ করেছেন?
উত্তর দেখতে সাবস্ক্রিপশন লাগবে।
প্রশ্ন ৪‘দেখিবে ধবল বক; আমারেই পাবে তুমি ইহাদের ভিড়ে’—উক্তিটির ভাবার্থ বিশ্লেষণ কর।
উত্তর দেখতে সাবস্ক্রিপশন লাগবে।
এই অধ্যায় পড়া কি শেষ হয়েছে?
পড়া শেষ হলে চিহ্নিত করুন যাতে আপনার সার্বিক অগ্রগতি ট্র্যাক করা যায়।