হিন্দুধর্ম শিক্ষা• অধ্যায় ১

ঈশ্বরের স্বরূপ

অষ্টম শ্রেণিহিন্দুধর্ম শিক্ষাঅধ্যায় ১✓ ফ্রি ডেমো

ঈশ্বরের স্বরূপ

মূল পাঠ্যবই (PDF)

অধ্যায় চেকপয়েন্ট ও পাঠ অগ্রগতি০/৭ সম্পন্ন

চেকপয়েন্টে ক্লিক করে সরাসরি ঐ অংশে পড়ুন এবং প্রস্তুতি সম্পন্ন করুন

সামগ্রিক পাঠ সমাপ্তি০%
১
চেকপয়েন্ট ১ / ৭
ভূমিকা ও মূল বিষয়বস্তু

### প্রথম অধ্যায়: ঈশ্বরের স্বরূপ — পূর্ণাঙ্গ পাঠভিত্তিক সারসংক্ষেপ

#### পাঠ ১: ঈশ্বর এক ও অদ্বিতীয়

#### পাঠ ২: ব্রহ্ম, ঈশ্বর, ভগবান ও জীবাত্মা

**সৃষ্টি ও নিয়ন্ত্রণ** অপার রহস্যময় ও সুশৃঙ্খল এই বিশ্বব্রহ্মাণ্ডের একজন পরম স্রষ্টা ও নিয়ামক রয়েছেন, তিনিই ঈশ্বর। অনন্ত আকাশে কোটি কোটি গ্রহ, নক্ষত্র ও উপগ্রহ নির্দিষ্ট কক্ষপথে নিয়মতান্ত্রিকভাবে আবর্তিত হচ্ছে। একজন কেন্দ্রীয় পরিচালক না থাকলে এই মহাবিশ্বের কোনো কিছুই সুশৃঙ্খল থাকত না।
**ঈশ্বরের একত্ববাদ ও শ্বেতাশ্বতর উপনিষদ** হিন্দুধর্মের দৃষ্টিতে ঈশ্বর এক এবং অদ্বিতীয়। দেব-দেবীরা তাঁরই অনন্ত গুণ বা বিভিন্ন শক্তির প্রকাশ। শ্বেতাশ্বতর উপনিষদে ঈশ্বরের স্বরূপ সম্পর্কে বলা হয়েছে:
"একো দেবঃ সর্বভূতেষু গূঢ়ঃ সর্বব্যাপী সর্বভূতান্তরাত্মা। কর্মাধ্যক্ষঃ সর্বভূতাধিবাসঃ সাক্ষী চেতা কেবল নিৰ্গুণশ্চ ॥"* (৬/১১)
**সরলার্থ** এক ঈশ্বর বিশ্বব্রহ্মাণ্ডের সকল জীবের মধ্যে প্রচ্ছন্ন বা গুপ্তভাবে অবস্থান করছেন। তিনি সর্বব্যাপী, সকল জীবের পরম অন্তরাত্মা, সকল কাজের প্রত্যক্ষ নিয়ামক ও সকল জীবের আশ্রয়স্থল। তিনি সব দেখেন, সবাইকে চেতনা দান করেন এবং তিনি নিরাকার ও নির্গুণ ব্রহ্ম।
**অনন্ত সত্তা** উপনিষদে আরও উল্লেখ রয়েছে যে, সূর্য, চন্দ্র, তারকা, বিদ্যুৎ কিংবা অগ্নি কেউই ঈশ্বরকে প্রকাশ করতে পারে না; বরং ঈশ্বরের আত্মপ্রকাশেই সমগ্র মহাবিশ্ব আলোকিত ও প্রকাশিত হয়।
**ব্রহ্ম (নিরাকার পরম সত্তা)** সংস্কৃত 'বৃহ' ধাতু থেকে 'ব্রহ্ম' শব্দের উৎপত্তি, যার অর্থ বৃদ্ধি পাওয়া বা বৃহৎ হওয়া। 'বৃহত্ত্বাৎ ব্রহ্ম'—অর্থাৎ যিনি সর্বাপেক্ষা বৃহৎ এবং যাঁর চেয়ে বৃহৎ আর কিছুই হতে পারে না, তিনিই ব্রহ্ম। তিনি সর্বজ্ঞ, সর্বশক্তিমান এবং সৃষ্টির প্রথম কারণ। ঋষিগণ নিরাকার ব্রহ্মের প্রতীক হিসেবে **'ওঁ'** (ওঙ্কার বা প্রণব) শব্দটি ব্যবহার করেছেন।
**ঈশ্বর (প্রভু ও নিয়ামক)** 'ঈশ্বর' শব্দের অর্থ প্রভু বা সর্বনিয়ন্তা। নিরাকার ব্রহ্ম যখন সৃষ্টির ওপর প্রভুত্ব করেন এবং জীবকুলের কর্মফল পরিচালনা করেন, তখন তাঁকে ঈশ্বর বলা হয়।
**অবতার** সমাজে যখন ধর্মের গ্লানি ঘটে এবং অধর্মের প্রাদুর্ভাব হয়, তখন দুষ্টের দমন ও শিষ্টের পালনের মাধ্যমে ন্যায় প্রতিষ্ঠার জন্য ঈশ্বর পৃথিবীতে নেমে আসেন। তখন তাঁকে 'অবতার' বলা হয় (যেমন: মৎস্য, কূর্ম, বরাহ, নৃসিংহ, বামন, পরশুরাম, রাম, বলরাম, বুদ্ধ ও কল্কি)।
**দেব-দেবী** ঈশ্বরের কোনো গুণ বা বিশেষ শক্তি যখন কোনো নির্দিষ্ট আকার ধারণ করে, তখন তাঁকে দেবতা বা দেব-দেবী বলে (যেমন: শক্তির দেবী দুর্গা, বিদ্যার দেবী সরস্বতী, ধনসম্পদের দেবী লক্ষ্মী)।
**ভগবান (ঐশ্বর্যময় প্রেমময় রূপ)** 'ভগ' শব্দের অর্থ ঐশ্বর্য বা মহিমা। যাঁর মধ্যে ছয়টি ভগ বা পূর্ণ ঐশ্বর্য বিদ্যমান, তিনিই ভগবান। এই ছয়টি গুণ হলো:
চেকপয়েন্ট ১ এর ৭
মনে রাখার মতো তথ্য
১হিন্দুধর্ম অনুসারে ঈশ্বর এক এবং অদ্বিতীয়; বিশ্বব্রহ্মাণ্ডের সকল কিছু তাঁর নিয়মেই পরিচালিত হচ্ছে।
২শ্বেতাশ্বতর উপনিষদের মতে, এক ঈশ্বরই সকল জীবের মধ্যে গুপ্তভাবে অবস্থানকারী সর্বব্যাপী পরম অন্তরাত্মা।
৩সংস্কৃত 'বৃহ' ধাতু থেকে 'ব্রহ্ম' শব্দের উৎপত্তি, যার অর্থ যিনি সর্বাপেক্ষা বৃহৎ।
৪নিরাকার ব্রহ্মের প্রতীক হিসেবে ঋষিগণ আদি ও পবিত্র ধ্বনি 'ওঁ' ব্যবহার করেছেন।
৫'ঈশ্বর' শব্দের অর্থ প্রভু; সৃষ্টি, পালন ও সংহারের ক্ষেত্রে ব্রহ্ম যখন প্রভুত্ব করেন তখন তাঁকে ঈশ্বর বলা হয়।
৬ধর্মের গ্লানি ও অধর্মের উত্থান রোধে ঈশ্বর যুগে যুগে মর্ত্যে নেমে এলে তাঁকে 'অবতার' বলে।
৭ঐশ্বর্য, বীর্য, যশ, শ্রী, জ্ঞান ও বৈরাগ্য—এই ছয়টি ভগ বা গুণ থাকার কারণে ঈশ্বরকে 'ভগবান' বলা হয়।
৮পরমাত্মা যখন প্রতিটি জীবের দেহে চৈতন্যেরূপে অবস্থান করেন, তখন তাঁকে 'জীবাত্মা' বলা হয়।
৯দেহের জন্ম ও মৃত্যু থাকলেও জীবাত্মা চিরন্তন, অবিনশ্বর ও শাশ্বত।
১০জ্ঞানীর দৃষ্টিতে ঈশ্বর নিরাকার নির্গুণ ব্রহ্ম, যোগীর দৃষ্টিতে পরমাত্মা এবং ভক্তের দৃষ্টিতে প্রেমময় ভগবান।
১১জ্ঞান দুই প্রকার: আধ্যাত্মিক বা পরা বিদ্যা (ব্রহ্মজ্ঞান) এবং জাগতিক বা অপরা বিদ্যা (অবিদ্যা)।
১২স্বামী বিবেকানন্দ ঘোষণা করেছেন: 'জীবে প্রেম করে যেই জন, সেই জন সেবিছে ঈশ্বর।' জীবসেবাই ঈশ্বরসেবা।
১৩বিশ্বকবি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর সীমার মাঝে অসীম পরমাত্মার প্রকাশকে গভীর উপলব্ধিতে তুলে ধরেছেন।
১৪শুক্লযজুর্বেদের প্রার্থনামূলক মন্ত্রে সমগ্র জীব ও প্রাণীকে বন্ধুর দৃষ্টিতে দেখার আহ্বান জানানো হয়েছে।
১৫রবীন্দ্রনাথের প্রার্থনামূলক কবিতায় অন্তরের কালিমা দূর করে নির্ভীক ও কর্মচঞ্চল হওয়ার প্রার্থনা করা হয়েছে।
১৬ঈশ্বরের বিভিন্ন গুণ বা শক্তির সাকার রূপই হলো দেব-দেবী (যেমন: দুর্গা, সরস্বতী, লক্ষ্মী ইত্যাদি)।
শব্দার্থ ও টীকা
ব্রহ্ম (Brahma)

'বৃহ' ধাতু থেকে নিষ্পন্ন; যা সর্বাপেক্ষা বৃহৎ, সর্বজ্ঞ ও সৃষ্টির আদি কারণ

বৃহত্ত্বাৎ ব্রহ্ম (Brihattat Brahma)

বৃহৎ বা অনন্ত বলেই তাঁর নাম ব্রহ্ম

ঈশ্বর (Ishwara)

প্রভু, সর্বনিয়ন্তা ও জগতের শাসনকর্তা

ভগবান (Bhagavan)

ষড়ৈশ্বর্য বা ছয়টি ঐশ্বর্যপূর্ণ পরম প্রেমময় সত্তা

ভগ (Bhaga)

ঐশ্বর্য, মহিমা বা বিশেষ গুণ (ঐশ্বর্য, বীর্য, যশ, শ্রী, জ্ঞান, বৈরাগ্য)

জীবাত্মা (Jivatma)

পরমাত্মার অংশবিশেষ যা জীবের দেহে চৈতন্যরূপে অবস্থান করে

পরমাত্মা (Paramatma)

মহাবিশ্বের মূল ও শাশ্বত পরম চেতনা; ঈশ্বর

অবতার (Avatara)

ন্যায় ও ধর্ম প্রতিষ্ঠার জন্য ঈশ্বরের মর্ত্যে সশরীরে অবতরণ

ওঁ / প্রণব (Om / Pranava)

নিরাকার পরমব্রহ্মের সর্বশ্রেষ্ঠ ধ্বনি ও প্রতীক

শ্বেতাশ্বতর (Shvetashvatara)

বারোটি প্রধান বৈদিক উপনিষদের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ উপনিষদ

পরা বিদ্যা (Para Vidya)

ব্রহ্মজ্ঞান বা আধ্যাত্মিক জ্ঞান যার মাধ্যমে মোক্ষ লাভ হয়

অপরা বিদ্যা (Apara Vidya)

জাগতিক ও ব্যবহারিক জ্ঞান বা অবিদ্যা

যোগী (Yogi)

যিনি চিত্তবৃত্তি নিরোধ করে ঈশ্বরের ধ্যানে মগ্ন হন

ভক্ত (Bhakta)

যিনি প্রগাঢ় ভালোবাসা ও আত্মনিবেদনের মাধ্যমে ভগবানের আরাধনা করেন

জ্ঞানী (Jnani)

যিনি বিচার ও আত্মদর্শনের মাধ্যমে নির্গুণ ব্রহ্মকে উপলব্ধি করেন

মোক্ষ (Moksha)

পুনর্জন্মের বন্ধন থেকে চিরতরে মুক্তি ও পরমব্রহ্মে বিলীন হওয়া

নির্গুণ (Nirguna)

জাগতিক ত্রিগুণাতীত; রূপ-আকারবিহীন পরম অবস্থা

সগুণ (Saguna)

গুণ ও রূপযুক্ত সত্তা; ঈশ্বর বা ভগবানের সাকার রূপ

মিত্রস্য চক্ষুষা (Mitrasya Chakshusha)

বন্ধুর দৃষ্টিতে বা সৌহার্দ্যপূর্ণ স্নেহের চোখে

সর্বব্যাপী (Sarvavyapi)

যা মহাবিশ্বের সর্বত্র বিরাজমান ও পরিব্যাপ্ত

শুক্লযজুর্বেদ (Shukla Yajurveda)

যজুর্বেদের বিশুদ্ধ ও সুবিন্যস্ত সংহিতা অংশ

বৈরাগ্য (Vairagya)

পার্থিব ধনসম্পদ ও বিষয়ের প্রতি অনাসক্তি বা মোহমুক্তি

শ্রী (Shree)

অনুপম সৌন্দর্য, কান্তি ও পরম ঐশ্বর্য

নিস্পন্দিত (Nispandita)

স্থির, অচঞ্চল ও গভীর ভক্তিতে নিমগ্ন

বইয়ের অনুশীলনীর উত্তর

অনুশীলনীর প্রশ্নগুলো সবার জন্য খোলা — পূর্ণাঙ্গ উত্তর দেখতে সাবস্ক্রিপশন নিন

সাবস্ক্রিপশন নিন

ফ্রিতে উত্তর দেখতে চান?

১টি সংক্ষিপ্ত ভিডিও বিজ্ঞাপন দেখলেই এই অধ্যায়ের সমস্ত উত্তর আগামী ২৪ ঘণ্টার জন্য ফ্রি আনলক হবে!

প্রশ্ন ১ব্রহ্ম, ঈশ্বর ও ভগবানের মধ্যকার সম্পর্ক ও পার্থক্য বিস্তারিত ব্যাখ্যা করো।

উত্তর দেখতে সাবস্ক্রিপশন লাগবে।

প্রশ্ন ২জ্ঞানী, যোগী ও ভক্তের দৃষ্টিতে ঈশ্বরের স্বরূপ কীভাবে ব্যাখ্যা করা হয়েছে? তুলনামূলক আলোচনা করো।

উত্তর দেখতে সাবস্ক্রিপশন লাগবে।

প্রশ্ন ৩শুক্লযজুর্বেদের প্রার্থনামূলক মন্ত্রটির ভাবার্থ ও বর্তমান সমাজে এর প্রাসঙ্গিকতা মূল্যায়ন করো।

উত্তর দেখতে সাবস্ক্রিপশন লাগবে।

প্রশ্ন ৪রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের 'অন্তর মম বিকশিত করো' কবিতার মূল দর্শন ও আধ্যাত্মিক তাৎপর্য ব্যাখ্যা করো।

উত্তর দেখতে সাবস্ক্রিপশন লাগবে।

উদ্দীপক আর প্রশ্ন সবার জন্য খোলা — পূর্ণ উত্তর দেখতে সাবস্ক্রিপশন নিন

সাবস্ক্রিপশন নিন

ফ্রিতে সৃজনশীলের উত্তর পড়তে চান?

১টি সংক্ষিপ্ত ভিডিও বিজ্ঞাপন দেখলেই এই অধ্যায়ের সমস্ত সৃজনশীল সমাধান আগামী ২৪ ঘণ্টার জন্য ফ্রি আনলক হবে!

সৃজনশীল প্রশ্ন ১১০ নম্বর
NCTB পাঠ্যবইয়ের নমুনা প্রশ্ন উত্তর প্রিমিয়াম

উদ্দীপক

জয়া দেবী বাড়িতে কোনো পূজা করার আগে যত্ন সহকারে সিঁদুর দিয়ে একটা প্রতীক আঁকেন। তাঁর স্বামী ব্যবসায়ী সুবল বাবুর দোকানে কেউ সাহায্যের জন্য এলে তিনি ফিরিয়ে দেন না। তিনি মনে করেন এর মাধ্যমে ঈশ্বরের সেবা সম্ভব।

ক

জীবাত্মা কাকে বলে?জ্ঞানমূলক — ১

খ

ঈশ্বর কোন রূপে ন্যায় প্রতিষ্ঠার জন্য পৃথিবীতে আসেন? ব্যাখ্যা করো।অনুধাবনমূলক — ২

গ

পূজার সময় জয়া দেবী প্রতীকের মাধ্যমে যাঁর স্তুতি শুরু করেন তা ব্যাখ্যা করো।প্রয়োগমূলক — ৩

ঘ

সুবল বাবুর উপলব্ধিকে কি তুমি সমর্থন করো? উত্তরের স্বপক্ষে যুক্তি দাও।উচ্চতর দক্ষতা — ৪

সৃজনশীল প্রশ্ন ২১০ নম্বর
বোর্ড পরীক্ষার প্রশ্ন আদলে প্রস্তুতকৃত উত্তর প্রিমিয়াম

উদ্দীপক

দৃশ্যপট-১: অনিল বাবু একজন প্রবীণ সাধক। তিনি পার্থিব বিষয়াসক্তি ত্যাগ করে প্রতিদিন নির্জনে বসে বিশ্বব্রহ্মাণ্ডের পরম সত্তা নিরাকার পরমেশ্বরের স্বরূপ নিয়ে আত্মদর্শন ও বিচার-বিশ্লেষণে মগ্ন থাকেন।\n\nদৃশ্যপট-২: প্রকাশ বাবু একজন সরকারি কর্মকর্তা। তিনি প্রতিদিন সকালে ঈশ্বরের কাছে প্রার্থনা করেন যেন অফিসের সহকর্মী ও সেবাগ্রহীতা সকল মানুষের সাথে তিনি পরম বন্ধুর মতো আচরণ করতে পারেন এবং কারো প্রতি যেন তাঁর মনে বিদ্বেষ না জাগে।

ক

ব্রহ্ম শব্দের অর্থ কী?জ্ঞানমূলক — ১

খ

শ্বেতাশ্বতর উপনিষদে ঈশ্বরের স্বরূপ সম্পর্কে কী বলা হয়েছে?অনুধাবনমূলক — ২

গ

দৃশ্যপট-১-এর অনিল বাবুর সাধনায় ঈশ্বরের কোন রূপের সাধনা প্রকাশ পেয়েছে? ব্যাখ্যা করো।প্রয়োগমূলক — ৩

ঘ

দৃশ্যপট-২-এ প্রকাশ বাবুর প্রার্থনার সাথে শুক্লযজুর্বেদের মন্ত্রের অন্তর্নিহিত ভাবার্থের সাদৃশ্য বিশ্লেষণ করো।উচ্চতর দক্ষতা — ৪

সৃজনশীল প্রশ্ন ৩১০ নম্বর
বোর্ড পরীক্ষার প্রশ্ন আদলে প্রস্তুতকৃত উত্তর প্রিমিয়াম

উদ্দীপক

একটি আশ্রমে গুরুজি শিষ্যদের উদ্দেশ্যে বললেন: "ভগবান পরম দয়াময়। তিনি অনন্ত ঐশ্বর্য, শক্তি ও সৌন্দর্যের আধার। তবে পরমাত্মা শুধু মন্দিরের প্রতিমাতেই সীমাবদ্ধ নন; তিনি প্রতি ক্ষণে প্রতিটি প্রাণীর অন্তরে জীবাত্মারূপে ধড়ফড় করছেন। তাই মানুষের অন্তরের অন্ধকার ও সংশয় দূর করে নির্ভীক চিত্তে ঈশ্বরের সৃষ্টির কল্যাণে আত্মনিয়োগ করাই প্রকৃত ধর্ম।"

ক

ভগবানের মধ্যে কয়টি ভগ বা ঐশ্বর্য বিদ্যমান?জ্ঞানমূলক — ১

খ

পরা বিদ্যা ও অপরা বিদ্যার মধ্যে মূল পার্থক্য কী?অনুধাবনমূলক — ২

গ

গুরুজির বক্তব্যে ঈশ্বরের কোন বিশেষ স্বরূপটির পরিচয় তুলে ধরা হয়েছে? ব্যাখ্যা করো।প্রয়োগমূলক — ৩

ঘ

গুরুজির নির্দেশনায় রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের 'অন্তর মম বিকশিত করো' কবিতার মূল ভাবনার প্রতিফলন মূল্যায়ন করো।উচ্চতর দক্ষতা — ৪

সৃজনশীল প্রশ্ন ৪১০ নম্বর
বোর্ড পরীক্ষার প্রশ্ন আদলে প্রস্তুতকৃত উত্তর প্রিমিয়াম

উদ্দীপক

সাধন বাবু প্রতিদিন ভোরবেলা পদ্মাসনে বসে নিঃশ্বাস-প্রশ্বাস নিয়ন্ত্রণ করে পরম একাগ্রতায় অন্তরে ধ্যান করেন। তিনি বিশ্বাস করেন, সকল জীবের ভেতর যে চৈতন্যময় আত্মা রয়েছে, তা মূলত পরমেশ্বরেরই অংশ। অন্যদিকে তাঁর প্রতিবেশী মৃণাল বাবু মন্দিরে গিয়ে শ্রীকৃষ্ণের মূর্তির সামনে অশ্রুসজল নয়নে ভজন-কীর্তন গান এবং নিজের সুখ-দুঃখ সব ভগবানের পায়ে সঁপে দেন।

ক

'বৈরাগ্য' শব্দের অর্থ কী?জ্ঞানমূলক — ১

খ

উপনিষদ অনুসারে প্রাকৃতিক নিয়মের পেছনে কার হাত রয়েছে? ব্যাখ্যা করো।অনুধাবনমূলক — ২

গ

সাধন বাবুর আরাধনায় ঈশ্বরের কোন রূপের সাধনা প্রতিফলিত হয়েছে? পাঠ্যবইয়ের আলোকে ব্যাখ্যা করো।প্রয়োগমূলক — ৩

ঘ

সাধন বাবু ও মৃণাল বাবুর উপাসনাপদ্ধতির তুলনামূলক বিশ্লেষণ করে এদের চূড়ান্ত গন্তব্য নিরূপণ করো।উচ্চতর দক্ষতা — ৪

এই অধ্যায় পড়া কি শেষ হয়েছে?

পড়া শেষ হলে চিহ্নিত করুন যাতে আপনার সার্বিক অগ্রগতি ট্র্যাক করা যায়।