বাংলা শিশুসাহিত্যের অগ্রগণ্য রূপকার ও সংগঠক রোকনুজ্জামান খান ১৯২৫ সালে রাজবাড়ী জেলার পাংশায় জন্মগ্রহণ করেন। তিনি শিশু-কিশোরদের কাছে অত্যন্ত স্নেহের ও শ্রদ্ধার 'দাদাভাই' নামে সমধিক পরিচিত ছিলেন। পেশাগত জীবনে তিনি একজন খ্যাতনামা সাংবাদিক ছিলেন এবং বিভিন্ন জাতীয় দৈনিক পত্রিকায় শিশুদের জন্য বিশেষ পাতা বা ক্রোড়পত্র সম্পাদনা করে বিপুল জনপ্রিয়তা অর্জন করেন। তাঁর সম্পাদনায় প্রকাশিত ছোটদের বিখ্যাত মাসিক পত্রিকা হলো 'কচি ও কাঁচা'। এছাড়া তিনি শিশু-কিশোরদের মানসিক ও সাংস্কৃতিক বিকাশের লক্ষ্যে ১৯৫৬ সালে গড়ে তোলেন ঐতিহ্যবাহী শিশু-কিশোর সংগঠন 'কচি-কাঁচার মেলা'। তাঁর রচিত কালজয়ী শিশুতোষ ছড়াগ্রন্থের মধ্যে রয়েছে 'হাট্ টিমা টিম' (১৯৬২) ও 'খোকন খোকন ডাক পাড়ি'। বাংলা শিশুসাহিত্যে অসামান্য অবদানের স্বীকৃতিস্বরূপ তিনি বাংলা একাডেমি সাহিত্য পুরস্কার ও একুশে পদকসহ বহু সম্মাননায় ভূষিত হন। ১৯৯৯ সালে এই প্রিয় 'দাদাভাই' মৃত্যুবরণ করেন।
অধ্যায় চেকপয়েন্ট ও পাঠ অগ্রগতি০/১ সম্পন্ন
চেকপয়েন্টে ক্লিক করে সরাসরি ঐ অংশে পড়ুন এবং প্রস্তুতি সম্পন্ন করুন
বিশিষ্ট শিশুসাহিত্যিক রোকনুজ্জামান খানের রচিত 'চিঠি বিলি' ছড়াটি শিশুমনস্তত্ত্ব ও কল্পনার এক অপরূপ আনন্দময় সৃষ্টি। বর্ষার দিনে আকাশে যখন টাপুস টুপুর করে অবিরাম বৃষ্টি (দেয়া) ঝরছে, তখন মাথায় ছাতা দিয়ে একটি ব্যাঙ ডাকপিয়নের মতো চিঠি বিলি করতে বের হয়েছে। তাকে নদী পার হয়ে ওপারে যেতে হবে, তাই সে দ্রুত ছ…
অনুশীলনীর প্রশ্নগুলো সবার জন্য খোলা — পূর্ণাঙ্গ উত্তর দেখতে সাবস্ক্রিপশন নিন
সাবস্ক্রিপশন নিনফ্রিতে উত্তর দেখতে চান?
১টি সংক্ষিপ্ত ভিডিও বিজ্ঞাপন দেখলেই এই অধ্যায়ের সমস্ত উত্তর আগামী ২৪ ঘণ্টার জন্য ফ্রি আনলক হবে!
প্রশ্ন ১১. 'চিঠি বিলি' ছড়ায় বিভিন্ন জলজ প্রাণীর যে অদ্ভুত কার্যকলাপ বর্ণিত হয়েছে তা সংক্ষেপে লেখো।
উত্তর দেখতে সাবস্ক্রিপশন লাগবে।
প্রশ্ন ২২. ব্যাঙ কেন ছাতা কিনেছিল এবং চিংড়ি মাঝির ওপর তার ভরসা না থাকার কারণ কী?
উত্তর দেখতে সাবস্ক্রিপশন লাগবে।
প্রশ্ন ৩৩. 'চিঠি বিলি' ছড়ার মাধ্যমে কীভাবে শিশুদের কল্পনাশক্তি উদ্দীপ্ত হয়?
উত্তর দেখতে সাবস্ক্রিপশন লাগবে।
প্রশ্ন ৪৪. কবি রোকনুজ্জামান খানের সাহিত্যকর্ম ও শিশু সংগঠক হিসেবে অবদানের সংক্ষিপ্ত পরিচয় দাও।
উত্তর দেখতে সাবস্ক্রিপশন লাগবে।
এই অধ্যায় পড়া কি শেষ হয়েছে?
পড়া শেষ হলে চিহ্নিত করুন যাতে আপনার সার্বিক অগ্রগতি ট্র্যাক করা যায়।