সাহিত্যপাঠ• অধ্যায় ৩

আমার পথ

একাদশ শ্রেণিসাহিত্যপাঠঅধ্যায় ৩✓ ফ্রি ডেমো

আমার পথ

কাজী নজরুল ইসলাম

লেখক পরিচিতি

জাতীয় কবি কাজী নজরুল ইসলাম (১৮৯৯–১৯৭৬ খ্রিষ্টাব্দ / ১৩০৬–১৩৮৩ বঙ্গাব্দ) বাংলা সাহিত্যের অনন্য বিপ্লবী ও মানবতাবাদী প্রতিভা। তিনি ১৮৯৯ সালের ২৪শে মে (১১ই জ্যৈষ্ঠ ১৩০৬ বঙ্গাব্দ) ভারতের পশ্চিমবঙ্গের বর্ধমান জেলার আসানসোল মহকুমার চুরুলিয়া গ্রামে জন্মগ্রহণ করেন। শৈশবে পিতৃহীন হয়ে তিনি অত্যন্ত দারিদ্র্যের মধ্য দিয়ে বড় হন। কৈশোরে তিনি লেটো গানের দলে যোগ দেন এবং উপস্থিত কবিতা ও গান রচনা করে অসাধারণ প্রতিভার পরিচয় দেন। পরবর্তীতে তিনি রানীগঞ্জের সিয়ারসোল রাজ হাইস্কুল ও ময়মনসিংহের ত্রিশালের দরিরামপুর হাইস্কুলে অধ্যয়ন করেন। ১৯১৭ সালে প্রথম মহাযুদ্ধের সময় দশম শ্রেণির ছাত্রাবস্থায় তিনি ৪৯ নম্বর বাঙালি পল্টনে যোগ দিয়ে করাচি সেনানিবাসে যান এবং সেখানেই তাঁর সাহিত্যচর্চার সূত্রপাত ঘটে। ১৯১৯ সালে যুদ্ধ শেষে কলকাতায় ফিরে এসে তিনি পূর্ণাঙ্গভাবে সাহিত্যসাধনায় আত্মনিয়োগ করেন। ১৯২১ সালে রচিত ও "বিজলী" পত্রিকায় প্রকাশিত তাঁর কালজয়ী "বিদ্রোহী" কবিতা তাঁকে সমগ্র ভারতবর্ষে তুমুল জনপ্রিয়তা এনে দেয়। তিনি ছিলেন অন্যায়ের বিরুদ্ধে সোচ্চার কণ্ঠস্বর; ব্রিটিশ ঔপনিবেশিক শাসনের বিরুদ্ধে বিপ্লবাত্মক রচনার জন্য তিনি একাধিকবার কারাবরণ করেন। তাঁর বিখ্যাত কাব্যগ্রন্থগুলোর মধ্যে অগ্নি-বীণা, বিষের বাঁশী, সাম্যবাদী, সর্বহারা, ফণি-মনসা, সিন্ধু-হিন্দোল, চক্রবাক ইত্যাদি প্রধান। গল্প ও উপন্যাসের মধ্যে ব্যথার দান, রিক্তের বেদন, শিউলিমালা, মৃত্যুক্ষুধা, কুহেলিকা উল্লেখযোগ্য। তাঁর সুবিখ্যাত প্রবন্ধগ্রন্থগুলোর মধ্যে যুগবাণী, দুর্দিনের যাত্রী, রুদ্র-মঙ্গল এবং রাজবন্দীর জবানবন্দী অন্যতম। নজরুল প্রায় তিন সহস্রাধিক গান রচনা ও সুরারোপ করেছেন। ১৯৭২ সালে জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের উদ্যোগে তাঁকে সপরিবারে স্বাধীন বাংলাদেশে আনা হয় এবং জাতীয় কবির মর্যাদা দেওয়া হয়। ১৯৭৬ সালের ২৯শে আগস্ট (১২ই ভাদ্র ১৩৮৩ বঙ্গাব্দ) ঢাকায় তিনি মৃত্যুবরণ করেন এবং ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের কেন্দ্রীয় মসজিদ প্রাঙ্গণে তাঁকে সমাহিত করা হয়।

অধ্যায় চেকপয়েন্ট ও পাঠ অগ্রগতি০/১ সম্পন্ন

চেকপয়েন্টে ক্লিক করে সরাসরি ঐ অংশে পড়ুন এবং প্রস্তুতি সম্পন্ন করুন

সামগ্রিক পাঠ সমাপ্তি০%
১
চেকপয়েন্ট ১ / ১
ভূমিকা ও মূল বিষয়বস্তু

কাজী নজরুল ইসলামের কালজয়ী আত্মপ্রত্যয়ী প্রবন্ধ "আমার পথ" তাঁর সুবিখ্যাত প্রবন্ধ সংকলন 'রুদ্র-মঙ্গল' থেকে চয়ন করা হয়েছে। এই প্রবন্ধে লেখক কোনো দলীয় মতবাদ বা প্রচলিত অন্ধ সামাজিক বিধির দাসত্ব না করে, নিজের ভেতরের শাশ্বত সত্য ও আত্মবিশ্বাসকে জীবনের একমাত্র দিশারি হিসেবে ঘোষণা করেছেন। তিনি ভণ্ড বিনয় ও পরনির্ভরশীলতার বিরুদ্ধে তীব্র ক্ষোভ প্রকাশ করে…

চেকপয়েন্ট ১ এর ১
বইয়ের অনুশীলনীর উত্তর

অনুশীলনীর প্রশ্নগুলো সবার জন্য খোলা — পূর্ণাঙ্গ উত্তর দেখতে সাবস্ক্রিপশন নিন

সাবস্ক্রিপশন নিন

ফ্রিতে উত্তর দেখতে চান?

১টি সংক্ষিপ্ত ভিডিও বিজ্ঞাপন দেখলেই এই অধ্যায়ের সমস্ত উত্তর আগামী ২৪ ঘণ্টার জন্য ফ্রি আনলক হবে!

প্রশ্ন ১"আমার কর্ণধার আমি। আমার পথ দেখাবে আমার সত্য।"—উক্তিটির অন্তর্নিহিত দর্শন ব্যাখ্যা কর।

উত্তর দেখতে সাবস্ক্রিপশন লাগবে।

প্রশ্ন ২নজরুল কেন মেকি বিনয়ের চেয়ে স্পষ্ট অহংকারকে বেশি শ্রেয় মনে করেছেন? বিশদ আলোচনা কর।

উত্তর দেখতে সাবস্ক্রিপশন লাগবে।

প্রশ্ন ৩গান্ধীজীর প্রতি গভীর শ্রদ্ধা থাকা সত্ত্বেও নজরুল কেন তাঁর অন্ধ অনুকরণের বিরোধিতা করেছেন?

উত্তর দেখতে সাবস্ক্রিপশন লাগবে।

প্রশ্ন ৪"আমার পথ" প্রবন্ধে নজরুলের যে অসাম্প্রদায়িক চেতনা ও মানবতাবাদী দর্শন ফুটে উঠেছে, তা মূল্যায়ন কর।

উত্তর দেখতে সাবস্ক্রিপশন লাগবে।

এই অধ্যায় পড়া কি শেষ হয়েছে?

পড়া শেষ হলে চিহ্নিত করুন যাতে আপনার সার্বিক অগ্রগতি ট্র্যাক করা যায়।