বাংলা সাহিত্য• অধ্যায় ৩৭

মানুষ

নবম শ্রেণিবাংলা সাহিত্যঅধ্যায় ৩৭✓ ফ্রি ডেমো

মানুষ

কাজী নজরুল ইসলাম

মূল পাঠ্যবই (PDF)
লেখক পরিচিতি

কাজী নজরুল ইসলাম ১১ই জ্যৈষ্ঠ, ১৩০৬ বঙ্গাব্দে (২৪শে মে, ১৮৯৯ খ্রিষ্টাব্দ) ভারতের পশ্চিমবঙ্গের বর্ধমান জেলার আসানসোল মহকুমার চুরুলিয়া গ্রামে জন্মগ্রহণ করেন। ছেলেবেলায় তিনি লেটো গানের দলে যোগ দেন। পরে বর্ধমান ও ময়মনসিংহের ত্রিশাল থানার দরিরামপুর হাই স্কুলে লেখাপড়া করেন। ১৯১৭ খ্রিষ্টাব্দে তিনি সেনাবাহিনীর বাঙালি পল্টনে যোগ দিয়ে করাচি যান। সেখানেই তাঁর সাহিত্য-জীবনের সূচনা ঘটে। তাঁর লেখায় তিনি সামাজিক অবিচার ও পরাধীনতার বিরুদ্ধে সোচ্চার হয়েছেন। এজন্য তাঁকে "বিদ্রোহী কবি" বলা হয়। বাংলা সাহিত্য জগতে তাঁর আবির্ভাব এক নতুন দিগন্তের উন্মোচন করে। কবিতা, উপন্যাস, নাটক, ছোটগল্প, প্রবন্ধ ইত্যাদি সাহিত্যের সকল শাখায় তিনি প্রতিভার স্বাক্ষর রেখেছেন। তিনি গজল, খেয়াল ও রাগপ্রধান গান রচনা করে খ্যাতি অর্জন করেন। আরবি-ফারসি শব্দের সার্থক ব্যবহার তাঁর কবিতাকে বিশিষ্টতা দান করেছে। মাত্র তেতাল্লিশ বছর বয়সে কবি দুরারোগ্য ব্যাধিতে আক্রান্ত হয়ে বাকশক্তি হারিয়ে ফেলেন। বাংলাদেশ প্রতিষ্ঠার পর অসুস্থ কবিকে ঢাকায় আনা হয় এবং পরে তাঁকে বাংলাদেশের নাগরিকত্ব প্রদান করা হয়। তাঁকে স্বাধীন বাংলাদেশের জাতীয় কবির মর্যাদায় ভূষিত করা হয়। তাঁর রচিত কাব্যগুলোর মধ্যে অগ্নিবীণা, বিষের বাঁশি, ছায়ানট, প্রলয়শিখা, চক্রবাক, সিন্ধুহিন্দোল বিশেষভাবে উল্লেখযোগ্য। ব্যথার দান, রিক্তের বেদন, শিউলিমালা, মৃত্যুক্ষুধা, কুহেলিকা ইত্যাদি তাঁর রচিত গল্প ও উপন্যাস। যুগবাণী, দুর্দিনের যাত্রী ও রাজবন্দীর জবানবন্দী তাঁর উল্লেখযোগ্য প্রবন্ধগ্রন্থ। ২৯শে আগস্ট, ১৯৭৬ খ্রিষ্টাব্দে কবি ঢাকার পি.জি. হাসপাতালে (বর্তমান বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব মেডিক্যাল বিশ্ববিদ্যালয়) শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করেন। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় মসজিদ-সংলগ্ন প্রাঙ্গণে তাঁকে পরিপূর্ণ রাষ্ট্রীয় মর্যাদায় সমাহিত করা হয়।

অধ্যায় চেকপয়েন্ট ও পাঠ অগ্রগতি০/১ সম্পন্ন

চেকপয়েন্টে ক্লিক করে সরাসরি ঐ অংশে পড়ুন এবং প্রস্তুতি সম্পন্ন করুন

সামগ্রিক পাঠ সমাপ্তি০%
১
চেকপয়েন্ট ১ / ১
কবি ও কবিতা পরিচিতি
"মানুষ" কবিতাটি সাম্য ও মানবতার কবি কাজী নজরুল ইসলামের কালজয়ী কাব্যগ্রন্থ "সাম্যবাদী" থেকে সম্পাদনা করে সংকলন করা হয়েছে।
সব দেশ, কাল, জাতি ও ধর্মের সংকীর্ণ গণ্ডি অতিক্রম করে মানুষের মানবীয় সত্তাকে পৃথিবীর বুকে সর্বোচ্চ মর্যাদায় অধিষ্ঠিত করাই এ কবিতার মূল বাণী।
ধর্মীয় আচার ও উপাসনালয়কে ব্যক্তিগত স্বার্থের হাতিয়ার…
চেকপয়েন্ট ১ এর ১
বইয়ের অনুশীলনীর উত্তর

অনুশীলনীর প্রশ্নগুলো সবার জন্য খোলা — পূর্ণাঙ্গ উত্তর দেখতে সাবস্ক্রিপশন নিন

সাবস্ক্রিপশন নিন

ফ্রিতে উত্তর দেখতে চান?

১টি সংক্ষিপ্ত ভিডিও বিজ্ঞাপন দেখলেই এই অধ্যায়ের সমস্ত উত্তর আগামী ২৪ ঘণ্টার জন্য ফ্রি আনলক হবে!

প্রশ্ন ১"মানুষের চেয়ে বড় কিছু নাই, নহে কিছু মহীয়ান"—চরণটির অন্তর্নিহিত দার্শনিক ভাব ব্যাখ্যা করো।

উত্তর দেখতে সাবস্ক্রিপশন লাগবে।

প্রশ্ন ২মন্দিরের পূজারী ও মসজিদের মোল্লা সাহেবের আচরণের মধ্যকার অন্তর্নিহিত সাদৃশ্য বিশ্লেষণ করো।

উত্তর দেখতে সাবস্ক্রিপশন লাগবে।

প্রশ্ন ৩কবি কেন ভজনালয়ের তালা ভাঙার জন্য চেঙ্গিস খান, গজনি মাহমুদ ও কালাপাহাড়কে আহ্বান করেছেন?

উত্তর দেখতে সাবস্ক্রিপশন লাগবে।

প্রশ্ন ৪"আশিটা বছর কেটে গেল, আমি ডাকিনি তোমায় কভু / আমার ক্ষুধার অন্ন তা বলে বন্ধ করনি প্রভু"—ভুখারির এ উপলব্ধির তাৎপর্য আলোচনা করো।

উত্তর দেখতে সাবস্ক্রিপশন লাগবে।

এই অধ্যায় পড়া কি শেষ হয়েছে?

পড়া শেষ হলে চিহ্নিত করুন যাতে আপনার সার্বিক অগ্রগতি ট্র্যাক করা যায়।