হেমচন্দ্র বন্দ্যোপাধ্যায় ১৮৩৮ খ্রিষ্টাব্দের ১৭ই এপ্রিল হুগলি জেলার গুলিটা রাজবল্লভহাট গ্রামে জন্মগ্রহণ করেন। কলকাতা সংস্কৃত কলেজের অধ্যক্ষ প্রসন্নকুমার সর্বাধিকারীর আশ্রয়ে তিনি ইংরেজি শেখেন। পরবর্তীকালে হিন্দু কলেজে সিনিয়র স্কুল পরীক্ষায় উত্তীর্ণ হন। পরে তিনি কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে স্নাতক ডিগ্রি লাভ করেন। কর্মজীবনে তিনি সরকারি চাকরি, স্কুল-শিক্ষকতা এবং পরিশেষে আইন ব্যবসায় নিয়োজিত হন। স্বদেশপ্রেমের অনুপ্রেরণায় তিনি "বৃত্রসংহার" নামক মহাকাব্য রচনা করেন। এছাড়া তাঁর উল্লেখযোগ্য কাব্য: চিন্তাতরঙ্গিণী, বীরবাহু, আশাকানন, ছায়াময়ী ইত্যাদি। ২৪শে মে, ১৯০৩ খ্রিষ্টাব্দে হেমচন্দ্র বন্দ্যোপাধ্যায় মৃত্যুবরণ করেন।
অধ্যায় চেকপয়েন্ট ও পাঠ অগ্রগতি০/২ সম্পন্ন
চেকপয়েন্টে ক্লিক করে সরাসরি ঐ অংশে পড়ুন এবং প্রস্তুতি সম্পন্ন করুন
অনুশীলনীর প্রশ্নগুলো সবার জন্য খোলা — পূর্ণাঙ্গ উত্তর দেখতে সাবস্ক্রিপশন নিন
সাবস্ক্রিপশন নিনফ্রিতে উত্তর দেখতে চান?
১টি সংক্ষিপ্ত ভিডিও বিজ্ঞাপন দেখলেই এই অধ্যায়ের সমস্ত উত্তর আগামী ২৪ ঘণ্টার জন্য ফ্রি আনলক হবে!
প্রশ্ন ১তুমি আদর্শ মনে কর এমন একজন মানুষের সংক্ষিপ্ত পরিচয় দাও। (কর্ম-অনুশীলন ১)
উত্তর দেখতে সাবস্ক্রিপশন লাগবে।
প্রশ্ন ২"জীবন-সঙ্গীত" কবিতার আলোকে মানবজীবন বিফল হওয়ার কারণসমূহ ব্যাখ্যা করো। (কর্ম-অনুশীলন ২)
উত্তর দেখতে সাবস্ক্রিপশন লাগবে।
প্রশ্ন ৩"জীবন-সঙ্গীত" কবিতায় কবি জীবনকে যুদ্ধক্ষেত্রের সঙ্গে তুলনা করেছেন কেন?
উত্তর দেখতে সাবস্ক্রিপশন লাগবে।
প্রশ্ন ৪"মহাজ্ঞানী মহাজন, যে পথে করে গমন"—চরণ দুটি দিয়ে কবি কী বোঝাতে চেয়েছেন?
উত্তর দেখতে সাবস্ক্রিপশন লাগবে।
এই অধ্যায় পড়া কি শেষ হয়েছে?
পড়া শেষ হলে চিহ্নিত করুন যাতে আপনার সার্বিক অগ্রগতি ট্র্যাক করা যায়।