বাংলা ব্যাকরণ ও নির্মিতি• অধ্যায় ১

ভাষা

সপ্তম শ্রেণিবাংলা ব্যাকরণ ও নির্মিতিঅধ্যায় ১✓ ফ্রি ডেমো

ভাষা

মূল পাঠ্যবই (PDF)

অধ্যায় চেকপয়েন্ট ও পাঠ অগ্রগতি০/১২ সম্পন্ন

চেকপয়েন্টে ক্লিক করে সরাসরি ঐ অংশে পড়ুন এবং প্রস্তুতি সম্পন্ন করুন

সামগ্রিক পাঠ সমাপ্তি০%
১
চেকপয়েন্ট ১ / ১২
ভূমিকা ও মূল বিষয়বস্তু

‘বাংলা ব্যাকরণ ও নির্মিতি’ পাঠ্যবইয়ের প্রথম অধ্যায়ে ভাষার স্বরূপ, আদি উৎস, প্রকাশমাধ্যম, বাগযন্ত্রের ভূমিকা, ভাষার মৌলিক বৈশিষ্ট্যসমূহ, বাংলা ভাষার ঐতিহাসিক উদ্ভব ও ক্রমবিকাশ এবং সাধু ও চলিত ভাষারীতির পুঙ্খানুপুঙ্খ রূপভেদ ও রূপান্তরবিধি আলোচিত হয়েছে।

প্রাণিজগতে মানুষই একমাত্র প্রাণী, যার রয়েছে অনন্য সৃজনক্ষমতা। মানুষ কেবল চিন্তাই করে না, নিজের ভাবনা ও অনুভূতি অন্যের কাছে বোধগম্যভাবে পৌঁছে দেওয়ার তীব্র তাড়নাও অনুভব করে। অন্যের কাছে নিজের মনের ভাব প্রকাশের প্রয়োজনীয়তা থেকেই ভাষার উদ্ভব হয়েছে। বিভিন্ন সমাজের মানুষ পারস্পরিক ভাব-বিনিময়ের জন্য গড়ে তুলেছে নিজস্ব সুশৃঙ্খল ধ্বনিব্যবস্থা। মানুষ তার কণ্ঠনিঃসৃত যে ধ্বনি বা ধ্বনিসমষ্টির মাধ্যমে ভাব ও অনুভূতি অন্যের কাছে পৌঁছে দেয়, তা-ই ভাষা (Language)। সমাজবদ্ধ মানুষের পারস্পরিক ভাব বিনিময়ে ভাষা হলো সর্বশ্রেষ্ঠ ও উন্নত মাধ্যম।

আদিকাল থেকে মানবসভ্যতার বিকাশে ভাষার ভূমিকা অপরিসীম। মানুষ যখন গুহায় বসবাস করত, তখনো নিজেদের মধ্যে ভাবের আদান-প্রদান করত। সেই আদিমকালে ভাব-বিনিময়ের জন্য মানুষ প্রধানত চারটি প্রাথমিক মাধ্যম ব্যবহার করত: (ক) ইশারা-ইঙ্গিত, (খ) অঙ্গ-প্রত্যঙ্গের ব্যবহার, (গ) নাচ এবং (ঘ) চিত্র ইত্যাদি। সৃষ্টির প্রথম যুগে মানবসভ্যতার প্রথম পদক্ষেপ ছিল সংঘবদ্ধ হয়ে কাজ করা, যা থেকে সমাজের জন্ম হয়। সমাজবদ্ধ হওয়ার পর মানুষ উপলব্ধি করল কেবল ইশারা-ইঙ্গিত বা অঙ্গভঙ্গি দিয়ে মনের সূক্ষ্ম ভাব সম্পূর্ণরূপে প্রকাশ করা সম্ভব নয়। ফলে নিরন্তর প্রচেষ্টা, সাধনা ও বুদ্ধির মাধ্যমে মানুষ কালক্রমে ধ্বনির প্রণালীবদ্ধ উচ্চারণ ও ব্যবহারে সক্ষম হয়ে ওঠে।

ইঙ্গিতের মাধ্যমে ভাবের আদান-প্রদান সম্ভব হলেও কণ্ঠধ্বনিই মানুষের অনুভূতি প্রকাশের সর্বোত্তম প্রক্রিয়া। কণ্ঠধ্বনির মাধ্যমেই মানুষ সূক্ষ্মাতিসূক্ষ্ম ভাব প্রকাশ করতে পারে। তাই ব্যাকরণিক দৃষ্টিতে ভাষা বলতে বাগযন্ত্র-সৃষ্ট সর্বজনবোধ্য ধ্বনিসমষ্টিকে বোঝায়। মানুষ তার মনের ভাব প্রকাশের উদ্দেশ্যে কণ্ঠ, জিহ্বা, ওষ্ঠ, দন্ত, নাসিকা, মুখবিবর প্রভৃতি বাগযন্ত্রের সাহায্যে যে অর্থপূর্ণ ধ্বনি বা ধ্বনিসমষ্টি উচ্চারণ করে, তা-ই ভাষা। প্রখ্যাত ভাষাবিদ ডক্টর মুহম্মদ শহীদুল্লাহর মতে—"মনুষ্যজাতি যে ধ্বনি বা ধ্বনিসকল দ্বারা মনের ভাব প্রকাশ করে, তার নাম ভাষা।" আর ভাষাচার্য ডক্টর সুনীতিকুমার চট্টোপাধ্যায়ের মতে—"মনের ভাব প্রকাশের জন্য বাগযন্ত্রের সাহায্যে উচ্চারিত, ধ্বনির দ্বারা নিষ্পন্ন, কোনো বিশেষ সমাজে ব্যবহৃত, স্বতন্ত্রভাবে অবস্থিত, তথা বাক্যে প্রযুক্ত শব্দ-সমষ্টিকে ভাষা বলে।" মূলত মানুষের মনোভাব-প্রকাশক কণ্ঠনিঃসৃত অর্থবহ ধ্বনিসমষ্টিই হলো ভাষা।

পাঠ্যবই অনুযায়ী ভাষার চারটি প্রধান বৈশিষ্ট্য বিদ্যমান:

১. ভাষার স্বরূপ ও সংজ্ঞা
২. ভাষা বিকাশের আদি রূপ ও প্রকাশমাধ্যম
৩. বাগযন্ত্র ও কণ্ঠধ্বনির ভূমিকা
৪. ভাষার মৌলিক বৈশিষ্ট্যসমূহ
চেকপয়েন্ট ১ এর ১২
মনে রাখার মতো তথ্য
১প্রাণিজগতে একমাত্র মানুষেরই সৃজনক্ষমতা এবং অন্যের কাছে নিজের ভাব প্রকাশের তাগিদ রয়েছে।
২আদিকালের মানুষ ভাব বিনিময়ের জন্য ইশারা-ইঙ্গিত, অঙ্গ-প্রত্যঙ্গের ব্যবহার, নাচ ও চিত্র ইত্যাদি মাধ্যম ব্যবহার করত।
৩ইঙ্গিতের তুলনায় কণ্ঠধ্বনি মানুষের সূক্ষ্মাতিসূক্ষ্ম অনুভূতি প্রকাশের সর্বোত্তম প্রক্রিয়া।
৪ডক্টর মুহম্মদ শহীদুল্লাহর মতে—"মনুষ্যজাতি যে ধ্বনি বা ধ্বনিসকল দ্বারা মনের ভাব প্রকাশ করে, তার নাম ভাষা।"
৫ডক্টর সুনীতিকুমার চট্টোপাধ্যায়ের মতে—"মনের ভাব প্রকাশের জন্য বাগযন্ত্রের সাহায্যে উচ্চারিত, ধ্বনির দ্বারা নিষ্পন্ন, কোনো বিশেষ সমাজে ব্যবহৃত, স্বতন্ত্রভাবে অবস্থিত, তথা বাক্যে প্রযুক্ত শব্দ-সমষ্টিকে ভাষা বলে।"
৬ভাষার চারটি মৌলিক বৈশিষ্ট্য: কণ্ঠনিঃসৃত ধ্বনির সাহায্যে গঠিত, অর্থদ্যোতক, বিশেষ সম্প্রদায়ের মধ্যে ব্যবহৃত, এবং মানুষের আচরণ ও অভ্যাসের সমষ্টি।
৭বর্তমানে বিশ্বে প্রায় সাড়ে তিন হাজারের ওপর (৩,৫০০+) ভাষা প্রচলিত আছে।
৮বাংলা ভাষার আদি উৎসমূল হলো ‘ইন্দো-ইউরোপীয় মূল ভাষা’, যা প্রায় ৫,০০০ বছর পূর্বে ইউরোপের মধ্যভাগ হতে দক্ষিণ-পূর্বাংশে প্রচলিত ছিল।
৯বাংলা ভাষার উদ্ভবকাল নিয়ে পণ্ডিতদের মধ্যে মতভেদ রয়েছে: ডক্টর মুহম্মদ শহীদুল্লাহর মতে ৬৫০ খ্রিস্টাব্দ এবং ডক্টর সুনীতিকুমার চট্টোপাধ্যায়ের মতে ৯৫০ খ্রিস্টাব্দ।
১০বাংলা ভাষা প্রায় দেড় হাজার বছরের পুরোনো একটি ঐতিহ্যবাহী ভাষা।
১১১৮০০ খ্রিস্টাব্দে কলকাতায় প্রতিষ্ঠিত ফোর্ট উইলিয়াম কলেজকে কেন্দ্র করে বাংলা গদ্য ও সাধু ভাষার প্রাতিষ্ঠানিক চর্চা শুরু হয়।
১২ভাগীরথী নদীর তীরবর্তী এলাকা এবং কলকাতার ভদ্র ও শিক্ষিত শিষ্টসমাজের মুখের ভাষাকে পরিমার্জন করে আদর্শ মান চলিত ভাষা গড়ে উঠেছে।
১৩সাধু ভাষায় ক্রিয়াপদ ও সর্বনাম পদের রূপ পূর্ণাঙ্গ এবং অনুসর্গের পূর্ণরূপ ব্যবহৃত হয়; চলিত ভাষায় ক্রিয়াপদ, সর্বনাম ও অনুসর্গের সংক্ষিপ্ত রূপ ব্যবহৃত হয়।
১৪সাধু ভাষা সুনির্ধারিত ব্যাকরণের কঠোর অনুসারী ও বক্তৃতা-নাটকে অনুপযোগী; চলিত ভাষা পরিবর্তনশীল, চটুল এবং বক্তৃতা ও নাট্য সংলাপের সম্পূর্ণ উপযোগী।
শব্দার্থ ও টীকা
বাগযন্ত্র

ধ্বনি উচ্চারণে সহায়তাকারী শারীরিক অঙ্গপ্রত্যঙ্গসমূহ (কণ্ঠ, জিহ্বা, ওষ্ঠ, দন্ত, নাসিকা ও মুখবিবর)।

কণ্ঠনিঃসৃত

মানবকণ্ঠ থেকে স্বাভাবিক প্রক্রিয়ায় উচ্চারিত বা নির্গত ধ্বনি।

অর্থদ্যোতক

সুনির্দিষ্ট অর্থ বা ভাব প্রকাশ করতে সক্ষম এমন অর্থবহ গুণ।

উৎসমূল

যে প্রাচীন বা মূল ভিত্তি থেকে পরবর্তী কোনো ভাষার জন্ম ও বিকাশ সাধিত হয়েছে।

ইন্দো-ইউরোপীয় মূল ভাষা

আজ থেকে প্রায় পাঁচ হাজার বছর পূর্বে ইউরোপ ও সংলগ্ন অঞ্চলে প্রচলিত আদি ভাষা, যা বাংলা ভাষার আদি উৎস।

সাধু ভাষা

তৎসম শব্দবহুল ও ব্যাকরণের সুনির্দিষ্ট নিয়মে গঠিত বাংলা গদ্যের প্রাচীন ও মার্জিত লিখিত রূপ।

চলিত ভাষা

ভাগীরথী তীরবর্তী ও কলকাতার শিষ্ট সমাজের মুখের ভাষার ভিত্তিতে গড়ে ওঠা আধুনিক, চটুল ও সর্বজনবোধ্য কথ্য ও লৈখিক রূপ।

তৎসম

সংস্কৃত ভাষা থেকে সরাসরি অবিকৃতভাবে বাংলা ভাষায় গৃহীত শব্দ (যেমন: হস্ত, মস্তক, ঘৃত, ধৌত)।

তদ্ভব

যেসব শব্দ সংস্কৃত থেকে প্রাকৃতের মাধ্যমে বিবর্তিত হয়ে প্রমিত বাংলায় এসেছে (যেমন: হস্ত > হত্থ > হাত)।

অর্ধ-তৎসম

সংস্কৃত থেকে কিছুটা বিকৃত হয়ে বাংলায় গৃহীত শব্দ (যেমন: নিমন্ত্রণ > নেমন্তন্ন, গৃহিণী > গিন্নী)।

অনুসর্গ

যেসব অব্যয় শব্দ বিশেষ্য বা সর্বনামের পরে বসে বিভক্তির মতো কারক-সম্বন্ধ নির্দেশ করে (যেমন: হইতে, দিয়া / হতে, দিয়ে)।

সর্বনাম পদ

বিশেষ্যের পরিবর্তে বাক্যে ব্যবহৃত পদ (যেমন: তাহারা/তারা, ইহাদের/এদের)।

ক্রিয়াপদ

যে পদ দ্বারা কোনো কাজ করা, হওয়া বা সম্পাদন বোঝায় (যেমন: করিতেছে/করছে, পড়িতেছে/পড়ছে)।

লোকায়ত

সাধারণ লোকসমাজে প্রচলিত ও সর্বসাধারণের জীবনযাত্রার সাথে সম্পৃক্ত স্বাভাবিক রূপ।

চটুল

চঞ্চল, সাবলীল, প্রাঞ্জল ও গতিশীল অভিব্যক্তি।

মার্জিত

পরিশীলিত, পরিচ্ছন্ন ও সুসংস্কৃত রূপ।

শিষ্টজন

ভদ্র, মার্জিত, শিক্ষিত ও রুচিশীল সমাজভুক্ত ব্যক্তিগণ।

সর্বজনবোধ্য

সকল মানুষের কাছে সহজে বোঝার উপযোগী বা বোধগম্য।

অর্বাচীন

আধুনিক বা নবীন; অভিজ্ঞতাহীন বা বয়সে ছোট ব্যক্তি।

পারগ

পারদর্শী, সক্ষম বা কোনো কাজে সমর্থ।

প্রণালীবদ্ধ

সুনির্দিষ্ট নিয়ম বা শৃঙ্খলায় বিন্যস্ত ও বিধিবদ্ধ।

নাট্য সংলাপ

নাটকে চরিত্রের পারস্পরিক কথপোকথন বা মুখের উক্তি।

বইয়ের অনুশীলনীর উত্তর

অনুশীলনীর প্রশ্নগুলো সবার জন্য খোলা — পূর্ণাঙ্গ উত্তর দেখতে সাবস্ক্রিপশন নিন

সাবস্ক্রিপশন নিন

ফ্রিতে উত্তর দেখতে চান?

১টি সংক্ষিপ্ত ভিডিও বিজ্ঞাপন দেখলেই এই অধ্যায়ের সমস্ত উত্তর আগামী ২৪ ঘণ্টার জন্য ফ্রি আনলক হবে!

প্রশ্ন ১১. ভাব প্রকাশ, অর্থবহতা ও বাগযন্ত্র—এ বিষয়গুলো অন্তর্ভুক্ত করে ভাষার একটি পূর্ণাঙ্গ প্রামাণ্য সংজ্ঞা তৈরি কর এবং ভাষার চারটি মৌলিক বৈশিষ্ট্য ব্যাখ্যা কর।

উত্তর দেখতে সাবস্ক্রিপশন লাগবে।

প্রশ্ন ২২. পাঠ্যবইয়ের কর্ম-অনুশীলন ২ অনুযায়ী প্রদত্ত শব্দগুলোর পরিবর্তিত রূপ সাধু ও চলিত ছকে সাজাও: কাহাকে, যার, উহাদের, করিলাম, চেনা, গ্রাম্য, পূজা, বরং, তথাপি, হচ্ছে।

উত্তর দেখতে সাবস্ক্রিপশন লাগবে।

প্রশ্ন ৩৩. সাধু ভাষা ও চলিত ভাষারীতির মধ্যকার মৌলিক পার্থক্যসমূহ পাঠ্যবইয়ের তুলনামূলক ছক ও সাহিত্যিক নমুনা অনুসরণে আলোচনা কর।

উত্তর দেখতে সাবস্ক্রিপশন লাগবে।

প্রশ্ন ৪৪. বাংলা ভাষার আদি উৎসমূল এবং এর উদ্ভবকাল সম্পর্কে ভাষাতাত্ত্বিক পণ্ডিতগণের বিভিন্ন অভিমত বিশদভাবে বিশ্লেষণ কর।

উত্তর দেখতে সাবস্ক্রিপশন লাগবে।

উদ্দীপক আর প্রশ্ন সবার জন্য খোলা — পূর্ণ উত্তর দেখতে সাবস্ক্রিপশন নিন

সাবস্ক্রিপশন নিন

ফ্রিতে সৃজনশীলের উত্তর পড়তে চান?

১টি সংক্ষিপ্ত ভিডিও বিজ্ঞাপন দেখলেই এই অধ্যায়ের সমস্ত সৃজনশীল সমাধান আগামী ২৪ ঘণ্টার জন্য ফ্রি আনলক হবে!

সৃজনশীল প্রশ্ন ১১০ নম্বর
মেধাবী সৃজনশীল প্রশ্নব্যাংক উত্তর প্রিমিয়াম

উদ্দীপক

সপ্তম শ্রেণির বাংলা ক্লাসে শিক্ষক শফিকুল ইসলাম বললেন—"সৃষ্টির আদিকালে গুহাবাসী মানুষ নিজেদের মধ্যে নানা ইশারা-ইঙ্গিত, নাচ কিংবা পাথরের গায়ে ছবি এঁকে মনের ভাব বোঝাত। কিন্তু এতে অন্তরের সূক্ষ্ম অনুভূতি পূর্ণাঙ্গভাবে প্রকাশ করা যেত না। পরবর্তীকালে মানুষ বুদ্ধি ও সাধনার দ্বারা বাগযন্ত্রের সাহায্যে অর্থপূর্ণ ধ্বনি উচ্চারণ করতে শেখে। এই ধ্বনিই কালক্রমে সমাজবদ্ধ মানুষের উন্নত ভাষায় রূপ লাভ করে।"

ক

ভাষার প্রধান বাহন বা অনুভূতি প্রকাশের সর্বোত্তম প্রক্রিয়া কোনটি?জ্ঞানমূলক — ১

খ

ডক্টর মুহম্মদ শহীদুল্লাহর মতে ভাষার সংজ্ঞার্থ বুঝিয়ে লেখ।অনুধাবনমূলক — ২

গ

উদ্দীপকে উল্লিখিত আদিম মানুষের ভাব-বিনিময়ের রূপটি পাঠ্যবইয়ের কোন পর্যায়ের সাথে সংগতিপূর্ণ? ব্যাখ্যা কর।প্রয়োগমূলক — ৩

ঘ

"কেবল ইশারা-ইঙ্গিত নয়, বাগযন্ত্র-সৃষ্ট কণ্ঠধ্বনিই ভাষাকে সভ্যতার উন্নততম মাধ্যমে রূপ দিয়েছে"—উদ্দীপক ও পাঠ্যবইয়ের আলোকে উক্তিটির যথার্থতা মূল্যায়ন কর।উচ্চতর দক্ষতা — ৪

সৃজনশীল প্রশ্ন ২১০ নম্বর
মেধাবী সৃজনশীল প্রশ্নব্যাংক উত্তর প্রিমিয়াম

উদ্দীপক

একটি সাহিত্য সেমিনারে ভাষাতাত্ত্বিক ড. আসাদ বলেন—"বাংলা ভাষা হঠাৎ কোনো দিনে আকাশ থেকে পড়েনি। আজ থেকে প্রায় পাঁচ হাজার বছর পূর্বে ইউরোপের মধ্যভাগে প্রচলিত একটি আদিম ভাষা থেকে কালক্রমে নানা স্তর পেরিয়ে বাংলা ভাষার জন্ম হয়েছে।" অপর আলোচক ড. রহমান বলেন—"বাংলা ভাষার জন্মকাল নিয়ে পণ্ডিতদের মধ্যে মূল্যবান বিতর্ক রয়েছে। কেউ সপ্তম শতককে এর সূচনাকাল মনে করেন, আবার কেউ দশম শতকে এর উৎপত্তি নির্দেশ করেন।"

ক

বাংলা ভাষার উৎসমূলে যে ভাষার সন্ধান পাওয়া যায় তার নাম কী?জ্ঞানমূলক — ১

খ

ভাষার বৈশিষ্ট্য হিসেবে ‘অর্থদ্যোতকতা’ বলতে কী বোঝায়?অনুধাবনমূলক — ২

গ

ড. আসাদের বক্তব্যে পাঠ্যবইয়ের কোন ঐতিহাসিক সত্যটি প্রতিফলিত হয়েছে? বিশ্লেষণ কর।প্রয়োগমূলক — ৩

ঘ

ড. রহমানের বক্তব্যে ইঙ্গিতকৃত পণ্ডিতদ্বয়ের মতভেদ পাঠ্যবইয়ের আলোকে বিস্তারিত বিচার কর।উচ্চতর দক্ষতা — ৪

সৃজনশীল প্রশ্ন ৩১০ নম্বর
মেধাবী সৃজনশীল প্রশ্নব্যাংক উত্তর প্রিমিয়াম

উদ্দীপক

অনুচ্ছেদ ১: "বালকগণের উচিত, বাল্যকাল অবধি পরিশ্রম করিতে অভ্যাস করা, তাহা হইলে বড় হইয়া অনায়াসে সকল কর্ম করিতে পারিবে।" অনুচ্ছেদ ২: "আমাদের মনে হয় এ দেশে লাইব্রেরির সার্থকতা হাসপাতালের চাইতে কিছু কম নয় এবং স্কুল-কলেজের চাইতে একটু বেশি। এ কথা শুনে অনেকে চমকে উঠবেন।"

ক

কলকাতায় ফোর্ট উইলিয়াম কলেজ কত সালে প্রতিষ্ঠিত হয়?জ্ঞানমূলক — ১

খ

সাধু ভাষার প্রধান দুটি বৈশিষ্ট্য সংক্ষেপে লেখ।অনুধাবনমূলক — ২

গ

অনুচ্ছেদ ১-এর ভাষারীতি পাঠ্যবইয়ের কোন রীতির সাথে সাদৃশ্যপূর্ণ? এর ভাষাগত লক্ষণগুলো ব্যাখ্যা কর।প্রয়োগমূলক — ৩

ঘ

অনুচ্ছেদ ২-এ ব্যবহৃত ভাষারীতিটির সামাজিক ও সাহিত্যিক গ্রহণযোগ্যতা অনুচ্ছেদ ১ অপেক্ষা ব্যাপকতর—তুলনামূলক মূল্যায়ন কর।উচ্চতর দক্ষতা — ৪

সৃজনশীল প্রশ্ন ৪১০ নম্বর
মেধাবী সৃজনশীল প্রশ্নব্যাংক উত্তর প্রিমিয়াম

উদ্দীপক

বিদ্যালয়ের বার্ষিক সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানে একটি সামাজিক নাটক মঞ্চস্থ হচ্ছে। নাটকের এক দৃশ্যে রফিক বলল—"হে বন্ধু, আপনি কোথায় গমন করিতেছেন? আমি আপনার সহিত সাক্ষাৎ করিতে আসিয়াছিলাম।" সংলাপটি শুনে দর্শকরা হেসে উঠল। শিক্ষক মহোদয় বললেন—"আধুনিক বাস্তবধর্মী সামাজিক নাটকে এমন গুরুগম্ভীর অপ্রচলিত ভাষারীতি ব্যবহারের কারণেই এটি কৃত্রিম ও হাস্যকর ঠেকছে।"

ক

সাধু ভাষায় অনুসর্গ ‘হইতে’-র চলিত রূপ কী?জ্ঞানমূলক — ১

খ

চলিত ভাষাকে ‘চটুল, জীবন্ত ও লোকায়ত’ বলা হয় কেন?অনুধাবনমূলক — ২

গ

উদ্দীপকে রফিকের সংলাপে কোন ভাষারীতির প্রয়োগ ঘটেছে? এর বাক্যটিকে আদর্শ চলিত ভাষায় রূপান্তর কর।প্রয়োগমূলক — ৩

ঘ

শিক্ষক মহোদয়ের মন্তব্যের যৌক্তিকতা পাঠ্যবইয়ে বর্ণিত সাধু ও চলিত ভাষার বৈশিষ্ট্য ও প্রয়োগক্ষেত্রের আলোকে বিশ্লেষণ কর।উচ্চতর দক্ষতা — ৪

এই অধ্যায় পড়া কি শেষ হয়েছে?

পড়া শেষ হলে চিহ্নিত করুন যাতে আপনার সার্বিক অগ্রগতি ট্র্যাক করা যায়।