কথাশিল্পী বনফুলের প্রকৃত নাম বলাইচাঁদ মুখোপাধ্যায়। তিনি ১৮৯৯ খ্রিস্টাব্দে ভারতের বিহারে জন্মগ্রহণ করেন। পেশাগত জীবনে তিনি ছিলেন একজন চিকিৎসক। বিভিন্ন সরকারি হাসপাতালে দায়িত্ব পালন করলেও সাহিত্যের প্রতি তাঁর আজীবন গভীর অনুরাগ ছিল। বাস্তব জীবনের বৈচিত্র্য, মানুষের সংবেদনশীলতা এবং জ্ঞান-বিজ্ঞানের বিচিত্র উপাদানকে তিনি তাঁর কথাসাহিত্যে অনন্য দক্ষতায় উপস্থাপন করেছেন। তাঁর রচিত গল্পগুলো আকারে অত্যন্ত সংক্ষিপ্ত অথচ গভীর ভাব ও তীক্ষ্ণ ব্যঙ্গ-রসিকতায় সমৃদ্ধ। তাঁর উল্লেখযোগ্য গল্পগ্রন্থের মধ্যে রয়েছে: 'বনফুলের গল্প', 'বাহুল্য', 'অদৃশ্যলোকে', 'বহুবর্ণ' ও 'অনুগামিনী'। গল্পের পাশাপাশি তিনি বেশ কিছু উপন্যাস, নাটক ও কবিতাও রচনা করেছেন। সাহিত্যে অসাধারণ অবদানের স্বীকৃতিস্বরূপ ভারত সরকার তাঁকে মর্যাদাপূর্ণ 'পদ্মভূষণ' উপাধিতে ভূষিত করে। ১৯৭৯ খ্রিস্টাব্দে এই বরেণ্য সাহিত্যিক কলকাতায় মৃত্যুবরণ করেন।
অধ্যায় চেকপয়েন্ট ও পাঠ অগ্রগতি০/১ সম্পন্ন
চেকপয়েন্টে ক্লিক করে সরাসরি ঐ অংশে পড়ুন এবং প্রস্তুতি সম্পন্ন করুন
মিনু এক অনাথ, বোবা (বাকপ্রতিবন্ধী) ও ঈষৎ কালা (শ্রবণপ্রতিবন্ধী) দশ বছর বয়সী বালিকা। জন্মের পূর্বেই তার পিতার মৃত্যু হয় এবং মা-ও মারা যান। সে দূর-সম্পর্কের পিসেমশাই যোগেন বসাকের বাড়িতে আশ্রিত। যোগেন বসাক মহৎ লোক হিসেবে পরিচিত হলেও মূলত নিখরচায় ও পেটভাতায় চব্বিশ ঘণ্টার এক সর্বগুণান্বিতা গৃহকর্মী পাওয়াই…
অনুশীলনীর প্রশ্নগুলো সবার জন্য খোলা — পূর্ণাঙ্গ উত্তর দেখতে সাবস্ক্রিপশন নিন
সাবস্ক্রিপশন নিনফ্রিতে উত্তর দেখতে চান?
১টি সংক্ষিপ্ত ভিডিও বিজ্ঞাপন দেখলেই এই অধ্যায়ের সমস্ত উত্তর আগামী ২৪ ঘণ্টার জন্য ফ্রি আনলক হবে!
প্রশ্ন ১মিনুকে কেন যোগেন বসাকের বাড়িতে পেটভাতায় কাজ করতে হতো?
উত্তর দেখতে সাবস্ক্রিপশন লাগবে।
প্রশ্ন ২শুকতারাকে দেখে কেন মিনুর মুখে হাসি ফুটে উঠত?
উত্তর দেখতে সাবস্ক্রিপশন লাগবে।
প্রশ্ন ৩কাঁঠাল গাছের সরু শুকনো ডালটির দিকে মিনু কেন ব্যাকুলভাবে চেয়ে থাকত?
উত্তর দেখতে সাবস্ক্রিপশন লাগবে।
প্রশ্ন ৪‘মিনু’ গল্পে বর্ণিত প্রকৃতির সাথে মানুষের যে আত্মিক বন্ধন ফুটে উঠেছে তা নিজের ভাষায় ব্যাখ্যা করো।
উত্তর দেখতে সাবস্ক্রিপশন লাগবে।
এই অধ্যায় পড়া কি শেষ হয়েছে?
পড়া শেষ হলে চিহ্নিত করুন যাতে আপনার সার্বিক অগ্রগতি ট্র্যাক করা যায়।