ফৌজদারি কার্যবিধি, ১৮৯৮ (The Code of Criminal Procedure, 1898 - CrPC) বিগত ১৫ বছরের বিজিএস ও বার কাউন্সিল প্রশ্নব্যাংক ও সমাধান
বাংলাদেশ জুডিশিয়াল সার্ভিস কমিশন (BJSC) ও বার কাউন্সিল প্রশ্নব্যাংক সংকলন
ফৌজদারি কার্যবিধি, ১৮৯৮ (The Code of Criminal Procedure, 1898 - CrPC) বিগত ১৫ বছরের বিজিএস ও বার কাউন্সিল প্রশ্নব্যাংক ও সমাধান
বাংলাদেশ জুডিশিয়াল সার্ভিস কমিশন (BJSC) ও বার কাউন্সিল প্রশ্নব্যাংক সংকলন
অধ্যায় চেকপয়েন্ট ও পাঠ অগ্রগতি০/১০ সম্পন্ন
চেকপয়েন্টে ক্লিক করে সরাসরি ঐ অংশে পড়ুন এবং প্রস্তুতি সম্পন্ন করুন
ফৌজদারি কার্যবিধি, ১৮৯৮ (The Code of Criminal Procedure, 1898 - Act V of 1898) বাংলাদেশ বিচার বিভাগ (BJS) এবং বার কাউন্সিল অ্যাডভোকেটশিপ পরীক্ষার সবচেয়ে মৌলিক ও আবশ্যকীয় পদ্ধতিগত আইন (Procedural Law)। ১৮৯৮ সালের ২২ মার্চ এটি পাস হয় এবং ১৮৯৮ সালের ১ জুলাই থেকে কার্যকর হয়। এই কার্যবিধিতে মোট ৫৬৫টি ধারা এবং ৫টি তফসিল রয়েছে।
ফৌজদারি কার্যবিধির ধারা ৪(১)(চ) মোতাবেক যে অপরাধে পুলিশ কর্মকর্তা ওয়ারেন্ট ব্যতীত অভিযুক্তকে গ্রেফতার করতে পারেন।
ধারা ৪(১)(ণ) অনুযায়ী যে অপরাধের ক্ষেত্রে পুলিশ আদালতের ওয়ারেন্ট ছাড়া কোনো ব্যক্তিকে গ্রেফতার করতে পারে না।
ধারা ৪(১)(জ) অনুযায়ী কোনো পরিচিত বা অজ্ঞাত ব্যক্তির বিরুদ্ধে আইনগত প্রতিকারের উদ্দেশ্যে ম্যাজিস্ট্রেটের নিকট মৌখিক বা লিখিত অভিযোগ।
ধারা ৪(১)(ট) অনুসারে বিচার (Trial) ব্যতীত কোনো ম্যাজিস্ট্রেট বা আদালত কর্তৃক পরিচালিত যেকোনো আনুষ্ঠানিক অনুসন্ধান।
ধারা ৪(১)(ঠ) অনুসারে পুলিশ কর্মকর্তা বা ম্যাজিস্ট্রেট ব্যতীত কোনো ক্ষমতাপ্রাপ্ত ব্যক্তি কর্তৃক সাক্ষ্য-প্রমাণ সংগ্রহের কার্যক্রম।
ধারা ১৫৪ অনুযায়ী আমলযোগ্য অপরাধ সংঘটনের সংবাদ থানায় প্রথম লিপিবদ্ধ করার বিবরণী।
ধারা ১৭৪ মোতাবেক অপমৃত্যু, আত্মহত্যা বা সন্দেহজনক মৃত্যুর ক্ষেত্রে লাশের বাহ্যিক আঘাত পর্যবেক্ষণ করে প্রস্তুতকৃত প্রতিবেদন।
ধারা ৪(১)(গ) ও ২২১ অনুযায়ী অভিযুক্ত ব্যক্তি কর্তৃক কৃত অপরাধের সুনির্দিষ্ট আইনগত বিবরণ যা বিচারে গঠনের মূল ভিত্তি।
চার্জ গঠনের পূর্বে আসামির বিরুদ্ধে অপরাধের কোনো প্রাথমিক ভিত্তি (Prima facie case) না পেলে তাকে মামলা থেকে অব্যাহতি দেওয়া। এটি খালাস নয়।
চার্জ গঠনের পর পূর্ণাঙ্গ বিচার সম্পন্ন করে সাক্ষ্য-প্রমাণের অভাবে আসামিকে নির্দোষ ঘোষণা করে মুক্তি দেওয়া।
বিচারে সাক্ষ্য-প্রমাণ দ্বারা অপরাধ সন্দেহাতীতভাবে প্রমাণিত হওয়ার পর আদালত কর্তৃক আসামিকে প্রদত্ত শাস্তি।
ধারা ১৬৭ অনুসারে ২৪ ঘণ্টার মধ্যে তদন্ত সমাপ্ত না হলে তদন্তের স্বার্থে আসামিকে সর্বোচ্চ ১৫ দিন পর্যন্ত পুলিশ হেফাজতে পাঠানোর আদেশ।
ধারা ১৬৪ ও ৩৬৪ অনুসারে অভিযুক্ত ব্যক্তি কর্তৃক ম্যাজিস্ট্রেটের নিকট স্বেচ্ছায় নিজের অপরাধ স্বীকার করে দেওয়া জবানবন্দি।
ধারা ২৬০-২৬৫ মোতাবেক লঘু প্রকৃতির অপরাধের ক্ষেত্রে সংক্ষিপ্ত পদ্ধতিতে দ্রুত সাক্ষ্য গ্রহণ ও নিষ্পত্তি।
ধারা ৪৯৮ মোতাবেক গ্রেফতারের যুক্তিসংগত আশঙ্কা থাকলে দায়রা আদালত বা হাইকোর্ট বিভাগ কর্তৃক গ্রেফতারের পূর্বেই মঞ্জুরকৃত জামিন।
ধারা ৪০৩ ও সংবিধানের ৩৫(২) অনুচ্ছেদ অনুযায়ী একই অপরাধে পূর্বে খালাসপ্রাপ্ত ব্যক্তিকে পুনরায় একই অপরাধে বিচার না করার নীতি।
একই অপরাধে পূর্বে দণ্ডিত ব্যক্তিকে পুনরায় বিচার ও শাস্তি না দেওয়ার মূলনীতি (Double Jeopardy রোধ)।
পুলিশের দাখিলকৃত চূড়ান্ত প্রতিবেদন (Final Report) বা তদন্তের ফলাফলে সংক্ষুব্ধ হয়ে বাদীর আদালতে দাখিলকৃত আপত্তি দরখাস্ত।
ধারা ৩৩৭ অনুসারে সহ-অপরাধীদের বিচার নিশ্চিত করতে অপরাধের পূর্ণ বিবরণ প্রকাশের শর্তে ক্ষমা প্রদর্শিত সহযোগী অপরাধী।
ধারা ৫৬১ক অনুসারে ন্যায়বিচার নিশ্চিত ও বিচারিক প্রক্রিয়া অপব্যবহার রোধে হাইকোর্ট বিভাগের অন্তর্নিহিত চূড়ান্ত ক্ষমতা।
ধারা ৫৬১ক-এর অধীনে কোনো সারবত্তাহীন ও হয়রানিমূলক মামলার পুরো ফৌজদারি কার্যক্রম হাইকোর্ট বিভাগ কর্তৃক খারিজ/বাতিলকরণ।
ধারা ১০৩ অনুযায়ী তল্লাশিকালে উদ্ধারকৃত আলামতের তালিকা যা স্থানীয় দুই বা ততোধিক গণ্যমান্য সাক্ষীর সম্মুখে প্রস্তুত ও স্বাক্ষরিত হয়।
ধারা ২৩৩-২৩৯ অনুযায়ী এক বা একাধিক ব্যক্তি কর্তৃক একই কার্যক্রমে সংঘটিত একাধিক অপরাধের যৌথ চার্জ গঠন ও বিচার।
ধারা ৩৪৫ মোতাবেক পক্ষগণের পারস্পরিক সমঝোতায় আপোষযোগ্য অপরাধের মামলা প্রত্যাহার ও নিস্পত্তি (যা খালাস হিসেবে গণ্য)।
ধারা ৪(১)(খ) ও ২য় তফসিল অনুযায়ী যে অপরাধে গ্রেফতারকৃত ব্যক্তি জামিন পাওয়াকে আইনগত অধিকার হিসেবে দাবি করতে পারে।
অনুশীলনীর প্রশ্নগুলো সবার জন্য খোলা — পূর্ণাঙ্গ উত্তর দেখতে সাবস্ক্রিপশন নিন
সাবস্ক্রিপশন নিনফ্রিতে উত্তর দেখতে চান?
১টি সংক্ষিপ্ত ভিডিও বিজ্ঞাপন দেখলেই এই অধ্যায়ের সমস্ত উত্তর আগামী ২৪ ঘণ্টার জন্য ফ্রি আনলক হবে!
প্রশ্ন ১ফৌজদারি কার্যবিধির ১৬১ ধারার জবানবন্দি এবং ১৬৪ ধারার স্বীকারোক্তির মধ্যে মৌলিক পার্থক্যসমূহ আলোচনা করুন। ১৬৪ ধারার স্বীকারোক্তি রেকর্ডে ম্যাজিস্ট্রেটের বাধ্যতামূলক দায়িত্বগুলো কী কী?
উত্তর দেখতে সাবস্ক্রিপশন লাগবে।
প্রশ্ন ২ফৌজদারি কার্যবিধির ধারা ৪৯৬ ও ৪৯৭-এর আওতায় জামিন মঞ্জুরের আইনি নীতিসমূহ ব্যাখ্যা করুন। কোন কোন পরিস্থিতিতে অজামিনযোগ্য অপরাধে জামিন মঞ্জুর করা যায়?
উত্তর দেখতে সাবস্ক্রিপশন লাগবে।
প্রশ্ন ৩ফৌজদারি কার্যবিধির ৫৬১ক ধারার পরিধি এবং হাইকোর্ট বিভাগ কর্তৃক কগনিজেন্স বা কার্যধারা বাতিলের (Quashment) আইনি শর্তাবলী বিশ্লেষণ করুন।
উত্তর দেখতে সাবস্ক্রিপশন লাগবে।
প্রশ্ন ৪ফৌজদারি কার্যবিধির ধারা ১৪৪ ও ১৪৫-এর মধ্যে তুলনামূলক পার্থক্য কী? ১৪৫ ধারার কার্যধারায় ম্যাজিস্ট্রেটের প্রধান বিচার্য বিষয় কী?
উত্তর দেখতে সাবস্ক্রিপশন লাগবে।
উদ্দীপক আর প্রশ্ন সবার জন্য খোলা — পূর্ণ উত্তর দেখতে সাবস্ক্রিপশন নিন
সাবস্ক্রিপশন নিনফ্রিতে সৃজনশীলের উত্তর পড়তে চান?
১টি সংক্ষিপ্ত ভিডিও বিজ্ঞাপন দেখলেই এই অধ্যায়ের সমস্ত সৃজনশীল সমাধান আগামী ২৪ ঘণ্টার জন্য ফ্রি আনলক হবে!
উদ্দীপক
জনাব জামিল তার প্রতিবেশী করিমের বিরুদ্ধে জমি দখলের উদ্দেশ্যে মারাত্মক অস্ত্র দ্বারা আঘাত করার অভিযোগে থানায় এজাহার দায়ের করতে যান। কিন্তু থানার ওসি এজাহার গ্রহণ না করে তাকে সাধারণ ডায়েরি (GD) করার পরামর্শ দেন। পরবর্তীতে জামিল বিজ্ঞ চিফ জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে একটি নালিশি সি.আর. মামলা দায়ের করেন। ম্যাজিস্ট্রেট নালিশকারীর জবানবন্দি গ্রহণ করে মামলাটি তদন্তের জন্য একজন ১ম শ্রেণির ম্যাজিস্ট্রেটের নিকট প্রেরণ করেন। তদন্ত কর্মকর্তা তদন্ত প্রতিবেদন দাখিল করার পর ম্যাজিস্ট্রেট আসামির বিরুদ্ধে সমন জারি করেন। আসামিপক্ষ আদালতে হাজির হয়ে দাবি করে যে থানায় এজাহার না করে সরাসরি আদালতে মামলা দায়ের করায় মামলাটি আইনগতভাবে ত্রুটিপূর্ণ।
ফৌজদারি কার্যবিধির ৪(১)(জ) ধারা অনুসারে নালিশের (Complaint) সংজ্ঞা দিন।জ্ঞানমূলক — ১
থানায় এজাহার না করে সরাসরি ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে মামলা দায়ের করা কি আইনানুগ? ব্যাখ্যা করুন।অনুধাবনমূলক — ২
উদ্দীপকে নালিশ দাখিলের পর বিজ্ঞ ম্যাজিস্ট্রেট যে কার্যধারা গ্রহণ করেছেন, তা ফৌজদারি কার্যবিধির ২০০ ও ২০২ ধারার আলোকে বিশ্লেষণ করুন।প্রয়োগমূলক — ৩
অভিযুক্ত করিম আদালতে হাজির হয়ে যদি দাবি করে যে তার বিরুদ্ধে কোনো উপাদান নেই, তবে সে ফৌজদারি কার্যবিধির কোন ধারায় কী প্রতিকার প্রার্থনা করতে পারে? আদালতের করণীয় আলোচনা করুন।উচ্চতর দক্ষতা — ৪
উদ্দীপক
পুলিশ কর্মকর্তা রফিক একটি হত্যা মামলার তদন্তকালে গোপন সংবাদের ভিত্তিতে রাত ২টায় ওয়ারেন্ট ছাড়াই সালাহউদ্দিনকে তার বসতবাড়ি থেকে গ্রেফতার করেন। পরদিন বিকেল ৫টায় তাকে আদালতে হাজির করে তদন্ত কর্মকর্তা ফৌজদারি কার্যবিধির ১৬৭ ধারায় ১০ দিনের পুলিশ রিমান্ডের আবেদন করেন। ম্যাজিস্ট্রেট কোনো আইনজীবীর শুনানি ছাড়াই সালাহউদ্দিনকে ৭ দিনের রিমান্ডে পাঠান। রিমান্ডে থাকাকালে শারীরিক নির্যাতনের ভয়ে সালাহউদ্দিন দোষ স্বীকার করতে রাজি হলে পুলিশ তাকে বিজ্ঞ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেটের খাস কামরায় নিয়ে যায়। সেখানে পুলিশের উপস্থিতিতেই ম্যাজিস্ট্রেট সালাহউদ্দিনের দোষ স্বীকারোক্তি লিপিবদ্ধ করেন এবং কোনো ভাববার সময় প্রদান করেননি।
ফৌজদারি কার্যবিধির ১৬৭ ধারায় সর্বোচ্চ মোট কতদিন পুলিশ রিমান্ডের বিধান রয়েছে?জ্ঞানমূলক — ১
ব্লাস্ট বনাম বাংলাদেশ (BLAST vs Bangladesh) মামলার আলোকে ধারা ৫৪ প্রয়োগের মূল নীতি কী?অনুধাবনমূলক — ২
উদ্দীপকে ম্যাজিস্ট্রেটের রিমান্ড আদেশটি ফৌজদারি কার্যবিধি ও সুপ্রিম কোর্টের নির্দেশনার আলোকে কতটুকু বৈধ? আলোচনা করুন।প্রয়োগমূলক — ৩
সালাহউদ্দিনের প্রদত্ত ১৬৪ ধারার স্বীকারোক্তিটির সাক্ষ্যগত মূল্য কী? বিচারকালে এটি কি তার বিরুদ্ধে দণ্ডের একমাত্র ভিত্তি হতে পারে?উচ্চতর দক্ষতা — ৪
উদ্দীপক
মফিজ ও রশিদের মধ্যে একটি বিতর্কিত ২ বিঘা কৃষিজমির সীমানা নিয়ে দীর্ঘদিন ধরে বিরোধ চলছিল। রশিদের লোকজন লাঠিসোঁটা নিয়ে জমিতে জোরপূর্বক চাষাবাদ শুরু করলে এলাকায় তীব্র উত্তেজনার সৃষ্টি হয় এবং রক্তক্ষয়ী সংঘর্ষের আশঙ্কা দেখা দেয়। মফিজ স্থানীয় নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে একটি পিটিশন দাখিল করে জমিতে ১৪৪ ধারা জারির আবেদন জানায়। নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট উভয়পক্ষকে নোটিশ প্রদান করে জমিটির বিষয়ে ১৪৫ ধারায় কার্যধারা গ্রহণ করেন। শুনানিকালে রশিদ দাবি করে যে সে উক্ত জমির বৈধ রেজিস্ট্রিকৃত মালিক এবং দলিলের ভিত্তিতেই সে জমিতে গেছে; সুতরাং ম্যাজিস্ট্রেট তাকে জমির স্বত্বাধিকারী ঘোষণা করবেন।
ফৌজদারি কার্যবিধির ১৪৪ ধারার আদেশের মেয়াদ সর্বোচ্চ কতদিন বলবৎ থাকে?জ্ঞানমূলক — ১
নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট কখন ১৪৪ ধারার পরিবর্তে ১৪৫ ধারায় কার্যধারা রূপান্তর করেন?অনুধাবনমূলক — ২
রশিদের মালিকানার দাবির প্রেক্ষিতে ১৪৫ ধারার কার্যধারায় ম্যাজিস্ট্রেটের এখতিয়ার ও বিচার্য বিষয় বিশ্লেষণ করুন।প্রয়োগমূলক — ৩
যদি শুনানিতে প্রমাণিত হয় যে মফিজকে আবেদন দাখিলের ১৫ দিন পূর্বে জোরপূর্বক বেদখল করা হয়েছিল, তবে ম্যাজিস্ট্রেট ১৪৫ ধারায় কী আদেশ প্রদান করবেন?উচ্চতর দক্ষতা — ৪
উদ্দীপক
আরিফ একটি চেক ডিজঅনারের মামলায় নেগোশিয়েবল ইনস্ট্রুমেন্টস অ্যাক্টের ১৩৮ ধারায় অভিযুক্ত হয়ে প্রথম শ্রেণির জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে বিচারাধীন ছিল। বাদী দীর্ঘ ২ বছর ধরে সাক্ষ্য হাজির না করে বারবার সময় প্রার্থনা করতে থাকে। একপর্যায়ে বাদী কোনো পদক্ষেপ না নেওয়ায় ম্যাজিস্ট্রেট ফৌজদারি কার্যবিধির ২৪৭ ধারায় আসামিকে খালাস প্রদান করেন। পরবর্তীতে বাদী একই চেকে পুনরায় নতুন করে একই আদালতে আর একটি সি.আর. মামলা দায়ের করে। আরিফ দাবি করে যে সে পূর্বে খালাসপ্রাপ্ত হওয়ায় এই নতুন মামলা চলতে পারে না। তবে বাদীর আইনজীবী যুক্তি দেন যে গুণাগুণ বিবেচনায় রায় না হওয়ায় এই মামলা বারিত নয়।
ফৌজদারি কার্যবিধির ৪০৩ ধারার মূল ভিত্তি কী?জ্ঞানমূলক — ১
ফৌজদারি কার্যবিধির ২৪৭ ধারায় বাদীর অনুপস্থিতিতে ম্যাজিস্ট্রেট কী আদেশ দেন?অনুধাবনমূলক — ২
উদ্দীপকে বাদীর আইনজীবীর যুক্তি আইনের দৃষ্টিতে কতটুকু গ্রহণযোগ্য? ধারা ২৪৭ ও ৪০৩-এর আলোকে বিশ্লেষণ করুন।প্রয়োগমূলক — ৩
আরিফ উক্ত নতুন মামলাটির বিরুদ্ধে হাইকোর্ট বিভাগে কী প্রতিকার প্রার্থনা করতে পারে? হাইকোর্টের আদেশের সম্ভাব্য আইনি ভিত্তি ব্যাখ্যা করুন।উচ্চতর দক্ষতা — ৪
এই অধ্যায় পড়া কি শেষ হয়েছে?
পড়া শেষ হলে চিহ্নিত করুন যাতে আপনার সার্বিক অগ্রগতি ট্র্যাক করা যায়।