বাংলা ভাষা ও সাহিত্য (বিসিএস প্রিলিমিনারি)• অধ্যায় ১

চর্যাপদ ও বাংলা সাহিত্যের প্রাচীন যুগ

বিসিএসবাংলা ভাষা ও সাহিত্য (বিসিএস প্রিলিমিনারি)অধ্যায় ১✓ ফ্রি ডেমো

চর্যাপদ ও বাংলা সাহিত্যের প্রাচীন যুগ

অধ্যায় চেকপয়েন্ট ও পাঠ অগ্রগতি০/৬ সম্পন্ন

চেকপয়েন্টে ক্লিক করে সরাসরি ঐ অংশে পড়ুন এবং প্রস্তুতি সম্পন্ন করুন

সামগ্রিক পাঠ সমাপ্তি০%
১
চেকপয়েন্ট ১ / ৬
বাংলা সাহিত্যের যুগবিভাগ ও প্রাচীন যুগের ব্যাপ্তিকাল

বাংলা সাহিত্যের ইতিহাসকে প্রধানত তিনটি যুগে ভাগ করা হয়

৬৫০ – ১২০০ খ্রিস্টাব্দ (ড. মুহম্মদ শহীদুল্লাহ্-এর মতে); ৯৫০ – ১২০০ খ্রিস্টাব্দ (ড. সুনীতিকুমার চট্টোপাধ্যায়ের মতে)।

মধ্যযুগ১২০১ – ১৮০০ খ্রিস্টাব্দ (যার মধ্যে ১২০১ – ১৩৫০ খ্রিস্টাব্দকে বলা হয় অন্ধকার যুগ বা তুর্কি বিজয়ের যুগ)।
আধুনিক যুগ১৮০১ খ্রিস্টাব্দ থেকে বর্তমান সময় পর্যন্ত।
প্রাচীন যুগের একমাত্র নির্ভরযোগ্য ও প্রত্যক্ষ লিখিত নিদর্শন হলো "চর্যাপদ"।
চেকপয়েন্ট ১ এর ৬
মনে রাখার মতো তথ্য
১বাংলা সাহিত্যের প্রাচীন যুগের একমাত্র লিখিত ও প্রামাণ্য নিদর্শন হলো চর্যাপদ।
২মহামহোপাধ্যায় হরপ্রসাদ শাস্ত্রী ১৯০৭ সালে নেপালের রয়েল লাইব্রেরি থেকে চর্যাপদের পুথি আবিষ্কার করেন।
৩১৯১৬ সালে বঙ্গীয় সাহিত্য পরিষদ থেকে হরপ্রসাদ শাস্ত্রীর সম্পাদনায় "হাজার বছরের পুরাণ বাঙ্গালা ভাষায় রচিত বৌদ্ধগান ও দোহা" নামে এটি প্রকাশিত হয়।
৪পুথির মূল নাম ছিল "চর্যাশ্চর্যবিনিশ্চয়", যার ভাষা সন্ধা ভাষা (আলো-আঁধারি রূপক ভাষা)।
৫১৯২৬ সালে ড. সুনীতিকুমার চট্টোপাধ্যায় তাঁর কালজয়ী ODBL গ্রন্থে চর্যাপদকে নিশ্চিতভাবে বাংলা ভাষার আদি নিদর্শন হিসেবে প্রমাণ করেন।
৬ড. মুহম্মদ শহীদুল্লাহ্-এর মতে চর্যাপদের রচনাকাল ৬৫০ – ১২০০ খ্রিস্টাব্দ; ড. সুনীতিকুমার চট্টোপাধ্যায়ের মতে ৯৫০ – ১২০০ খ্রিস্টাব্দ।
৭চর্যাপদে মোট ৫০টি পদের মধ্যে সাড়ে ৪৬টি পদ অক্ষত অবস্থায় উদ্ধার করা গেছে।
৮চর্যাপদের মোট পদকর্তা ২৪ জন (সুনীতিকুমার ও শহীদুল্লাহ্-এর মতে ২৩ জন)।
৯চর্যাপদের আদি কবি হলেন লুইপা; তবে ড. মুহম্মদ শহীদুল্লাহ্-এর মতে প্রাচীনতম কবি শবরপা।
১০সর্বাধিক ১৩টি পদের রচয়িতা কাহ্নপা এবং দ্বিতীয় সর্বাধিক ৮টি পদের রচয়িতা ভুসুকুপা।
১১ভুসুকুপা নিজেকে সরাসরি "বাঙালি" বলে পরিচয় দিয়েছেন (৪৯ নম্বর পদে: "আজি ভুসুকু বাঙ্গালী ভইলী")।
১২চর্যাপদের একমাত্র সম্ভাব্য মহিলা পদকর্তা হলেন কুক্কুরীপা (যিনি ৩টি পদ রচনা করেন)।
১৩চর্যাপদ প্রধানত মাত্রাবৃত্ত ছন্দে রচিত এবং প্রতিটি পদে নির্ধারিত শাস্ত্রীয় রাগ-রাগিণীর নাম উল্লেখ ছিল।
১৪সংস্কৃত ভাষায় চর্যাপদের টীকা রচনা করেন মুনীদত্ত (টীকাটির নাম "নির্মলগিরা")।
১৫১৯৩৮ সালে ড. প্রবোধচন্দ্র বাগচী চর্যাপদের তিব্বতি অনুবাদ আবিষ্কার ও প্রকাশ করেন, যার অনুবাদক ছিলেন কীর্তিচন্দ্র।
১৬চর্যাপদে তৎকালীন বাংলার ভৌগোলিক পরিবেশ, নদীনালা এবং অন্ত্যজ শ্রেণির (ডোম, শবর, কাপালিক) বাস্তব জীবনচিত্র বিধৃত।
শব্দার্থ ও টীকা
চর্যা (Charya)

আচরণীয় নিয়ম, আচার বা ধর্মসাধনার গীতিপদ।

সান্ধা ভাষা (Sandha Bhasha)

আলো-আঁধারি বা রূপক সংকেতময় আধ্যাত্মিক ভাষা; যার একটি বাহ্যিক অর্থ এবং অপরটি গভীর গুহ্য সাধনতত্ত্বীয় অর্থ।

সিদ্ধাচার্য (Siddhacharya)

বৌদ্ধ সহজিয়া ধারার আধ্যাত্মিক সিদ্ধিলাভকারী সাধক ও কবিগণ।

কাআ (Kaa)

কায়া বা শরীর, মানবদেহ (যেমন: কাআ তরুবর)।

বি বা বিহি (Bi / Bihi)

পাঁচ (৫) বা পাঁচটি ইন্দ্রিয় রূপক পঞ্চশাখা।

ডোম্বী (Dombi)

নিম্নবর্গের ডোম রমণী; চর্যায় যা রূপকার্থে কুণ্ডলিনী শক্তি বা সহজসুন্দরী।

ভণিতা (Bhonita)

পদের শেষ চরণে কবির নাম উল্লেখের রীতি।

চঞ্চল চীএ (Chanchal Chie)

চঞ্চল চিত্তে বা অস্থির মানবমনে।

কাল (Kaal)

মৃত্যু বা বিনাশকারী সময় রূপ কাল।

দিঢ় (Didho)

দৃঢ় বা সুদৃঢ় সাধনামগ্ন অবস্থা।

উঞ্চা উঞ্চা পাবত (Uncha Uncha Pabot)

উঁচু উঁচু পর্বত বা সাধনমার্গের শীর্ষস্তর।

শবরী বালী (Shobori Bali)

শবর কন্যা বা পর্বতবাসিনী নারীসাধিকা।

হাঁড়ীত ভাত নাহি (Handit Bhat Nahi)

হাড়িতে ভাত নেই; মধ্যবিত্ত/নিম্নবিত্ত সাধারণ মানুষের চরম অভাবের চিত্র।

নিতি উপাসী (Niti Upasi)

নিত্য উপবাসী বা প্রতিদিন অনাহারে থাকা।

বেঙ্গ সংসার (Bengo Songsar)

ব্যাঙের মতো ক্রমাগত সন্তানবর্ধনশীল সংসার।

দোহা (Doha)

অপভ্রংশ বা প্রাচীন হিন্দিতে রচিত দ্বিচরণবিশিষ্ট উপদেশমূলক আধ্যাত্মিক শ্লোক।

রাগ পটমঞ্জরী (Patamanjari)

চর্যাপদে সর্বাধিক ব্যবহৃত প্রাচীন রাগ বা সুর।

পাদাকুলক (Padakulak)

চর্যাপদের ১৬ মাত্রার চতুষ্পদী মাত্রাবৃত্ত ছন্দবিশেষ।

মহাসুখ (Mahasukha)

সহজযান বৌদ্ধ সাধনার পরম নির্বাণ বা আনন্দময় তুরীয় অবস্থা।

নির্মলগিরা (Nirmalgira)

মুনীদত্ত রচিত চর্যাপদের সংস্কৃত টীকার নাম।

নাড়ি (Nadi)

যোগসাধনার প্রাণবায়ু চলাচলের পথ (ইড়া, পিঙ্গলা ও সুষুম্না)।

টালত ঘর মোর (Taloto Ghor Mor)

টিলার ওপর আমার নির্জন ঘর (কাহ্নপার উক্তি)।

নাহি পড়বেশী (Nahi Porobeshi)

কোনো প্রতিবেশী নেই; নিঃসঙ্গতার রূপক।

বোহী (Bohi)

বধূর রূপক বা সাধনার সহচর।

অপভ্রংশ (Apabhramsha)

প্রাকৃত ভাষার বিকৃত বা শেষ স্তর, যেখান থেকে নব্য ভারতীয় আর্যভাষার জন্ম।

বইয়ের অনুশীলনীর উত্তর

অনুশীলনীর প্রশ্নগুলো সবার জন্য খোলা — পূর্ণাঙ্গ উত্তর দেখতে সাবস্ক্রিপশন নিন

সাবস্ক্রিপশন নিন

ফ্রিতে উত্তর দেখতে চান?

১টি সংক্ষিপ্ত ভিডিও বিজ্ঞাপন দেখলেই এই অধ্যায়ের সমস্ত উত্তর আগামী ২৪ ঘণ্টার জন্য ফ্রি আনলক হবে!

প্রশ্ন ১১. হরপ্রসাদ শাস্ত্রী কর্তৃক চর্যাপদ আবিষ্কার ও এর প্রকাশনার ঐতিহাসিক প্রেক্ষাপট বিশদভাবে আলোচনা করুন।

উত্তর দেখতে সাবস্ক্রিপশন লাগবে।

প্রশ্ন ২২. চর্যাপদের ভাষাতাত্ত্বিক বিতর্ক এবং ড. সুনীতিকুমার চট্টোপাধ্যায় কর্তৃক এটি বাংলা ভাষার প্রাচীনতম নিদর্শন হিসেবে প্রমাণের যুক্তিগুলো বিশ্লেষণ করুন।

উত্তর দেখতে সাবস্ক্রিপশন লাগবে।

প্রশ্ন ৩৩. চর্যাপদে প্রতিফলিত তৎকালীন বাঙালি সমাজের আর্থ-সামাজিক ও সাংস্কৃতিক চিত্র তুলে ধরুন।

উত্তর দেখতে সাবস্ক্রিপশন লাগবে।

প্রশ্ন ৪৪. চর্যাপদের ছন্দ ও গীতিময়তার স্বরূপ ব্যাখ্যা করুন। এটি কেন কেবল ধর্মগ্রন্থ নয়, সাহিত্যেরও উৎকৃষ্ট নিদর্শন?

উত্তর দেখতে সাবস্ক্রিপশন লাগবে।

উদ্দীপক আর প্রশ্ন সবার জন্য খোলা — পূর্ণ উত্তর দেখতে সাবস্ক্রিপশন নিন

সাবস্ক্রিপশন নিন

ফ্রিতে সৃজনশীলের উত্তর পড়তে চান?

১টি সংক্ষিপ্ত ভিডিও বিজ্ঞাপন দেখলেই এই অধ্যায়ের সমস্ত সৃজনশীল সমাধান আগামী ২৪ ঘণ্টার জন্য ফ্রি আনলক হবে!

সৃজনশীল প্রশ্ন ১১০ নম্বর
উত্তর প্রিমিয়াম

উদ্দীপক

উচ্চশিক্ষিত গবেষক ড. জামিল প্রাচ্য ভাষার পাণ্ডুলিপির ওপর গবেষণার উদ্দেশ্যে দীর্ঘদিন হিমালয় সংলগ্ন প্রাচীন মঠ ও গ্রন্থাগারসমূহে অনুসন্ধান চালান। সেখানে তিনি প্রাচীন অক্ষরে লেখা কিছু তালপাতার পুথি খুঁজে পান, যার বাহ্যিক ভাষা দুর্বোধ্য মনে হলেও গভীর মনোনিবেশে দেখা যায় এর ব্যাকরণ ও উচ্চারণভঙ্গি আধুনিক একটি সমৃদ্ধ ভাষার আদি ঐতিহ্যের সাথে গভীরভাবে সম্পর্কিত। পরবর্তীকালে আন্তর্জাতিক ভাষাবিদগণ তুলনামূলক ধ্বনিতাত্ত্বিক বিশ্লেষণের মাধ্যমে নিশ্চিত হন যে, এগুলো মূলত এক হাজার বছর পূর্বের একটি বিশেষ সাধন সম্প্রদায়ের সঙ্গীত ও ধর্মতত্ত্বের নিদর্শন।

ক

চর্যাপদের মূল পুথির ওপরে কী নাম লিখিত ছিল?জ্ঞানমূলক — ১

খ

চর্যাপদের ভাষাকে "সন্ধা ভাষা" বলা হয় কেন? ব্যাখ্যা করুন।অনুধাবনমূলক — ২

গ

উদ্দীপকের গবেষক ড. জামিলের অনুসন্ধানের সাথে মহামহোপাধ্যায় হরপ্রসাদ শাস্ত্রীর ঐতিহাসিক চর্যাপদ আবিষ্কারের সাদৃশ্য তুলে ধরুন।প্রয়োগমূলক — ৩

ঘ

"আন্তর্জাতিক ভাষাবিদগণের বিশ্লেষণেই প্রাচীন নিদর্শনটির প্রকৃত ভাষারূপ সুপ্রতিষ্ঠিত হয়" — ODBL গ্রন্থে ড. সুনীতিকুমার চট্টোপাধ্যায়ের অবদানের আলোকে উক্তিটির যথার্থতা মূল্যায়ন করুন।উচ্চতর দক্ষতা — ৪

সৃজনশীল প্রশ্ন ২১০ নম্বর
উত্তর প্রিমিয়াম

উদ্দীপক

একটি সাহিত্য আলোচনা সভায় অধ্যাপক আশরাফ বলেন, "কোনো প্রাচীন সাহিত্য কেবল ধর্মীয় বা আধ্যাত্মিক সাধনার দলিল হলে তা মহাকালের গর্ভে হারিয়ে যায়। একটি সৃষ্টি তখনই কালজয়ী সাহিত্যের মর্যাদা পায়, যখন তার রূপক ও উপমার ভেতর দিয়ে সাধারণ মানুষের ক্ষুধা, দারিদ্র্য, নদীর ঢেউ আর প্রাত্যহিক জীবনের বাস্তব সংগ্রামের আর্তি জীবন্ত হয়ে ওঠে।"

ক

চর্যাপদের কোন কবি নিজেকে বাঙালি বলে ঘোষণা করেছেন?জ্ঞানমূলক — ১

খ

"হাঁড়ীত ভাত নাহি নিতি উপাসী" — চরণটির ভাবার্থ ব্যাখ্যা করুন।অনুধাবনমূলক — ২

গ

অধ্যাপক আশরাফের মন্তব্যের আলোকে চর্যাপদের সাধারণ মানুষের বাস্তব সমাজচিত্রের দিকটি বিশ্লেষণ করুন।প্রয়োগমূলক — ৩

ঘ

"চর্যাপদ কেবল বৌদ্ধ সহজিয়াদের সাধনসঙ্গীত নয়, শাশ্বত গীতিকবিতা ও সমাজদর্পণ" — উক্তিটির স্বপক্ষে আপনার সুচিন্তিত মতামত দিন।উচ্চতর দক্ষতা — ৪

সৃজনশীল প্রশ্ন ৩১০ নম্বর
উত্তর প্রিমিয়াম

উদ্দীপক

প্রাচীন বাংলার রাজনৈতিক ও সামাজিক রূপান্তরের যুগে সেন রাজাদের শাসনকালে কৌলীন্য প্রথা ও ব্রাহ্মণ্য সংস্কৃতির চরম প্রাধান্য ছিল। সেই শ্বাসরুদ্ধকর পরিবেশে সাধারণ শ্রমজীবী ও প্রান্তিক মানুষ তাঁদের সাহিত্য, শিল্প ও আধ্যাত্মিক চর্চাকে লোকচক্ষুর অন্তরালে সংকেতের মাধ্যমে টিকিয়ে রেখেছিলেন। পরবর্তীকালে তুর্কি অভিযানের পর রাজকীয় পৃষ্ঠপোষকতা হারিয়ে এই ধারা প্রতিবেশী অঞ্চলের পার্বত্য আশ্রয়ে স্থানান্তরিত হয়।

ক

চর্যাপদের মোট পদকর্তার সংখ্যা কত?জ্ঞানমূলক — ১

খ

চর্যাপদের পুথি নেপালে চলে যাওয়ার ঐতিহাসিক কারণ কী ছিল?অনুধাবনমূলক — ২

গ

উদ্দীপকে বর্ণিত সেন আমলের প্রান্তিক জনগোষ্ঠীর জীবনসংগ্রামের চিত্র কীভাবে চর্যাপদের রূপকে মূর্ত হয়েছে?প্রয়োগমূলক — ৩

ঘ

"১২০১ থেকে ১৩৫০ খ্রিস্টাব্দ পর্যন্ত সময়কে অন্ধকার যুগ বলা হলেও তা সম্পূর্ণ বন্ধ্যা ছিল না" — এ প্রসঙ্গে আপনার যুক্তি উপস্থাপন করুন।উচ্চতর দক্ষতা — ৪

সৃজনশীল প্রশ্ন ৪১০ নম্বর
উত্তর প্রিমিয়াম

উদ্দীপক

সাহিত্যের ইতিহাসবিদ ড. আহমেদ বলেন, "কোনো জাতির সাহিত্যধারার সূচনাবিন্দু চিহ্নিত করতে হলে কেবল অনুমানের ওপর নির্ভর করলে চলে না; তার জন্য প্রয়োজন আবিষ্কারের অকাট্য প্রামাণিকতা, সুনির্দিষ্ট টেক্সট বা পুথির অস্তিত্ব এবং সেই টেক্সটের ভাষার বৈজ্ঞানিক ব্যবচ্ছেদ।"

ক

চর্যাপদের সংস্কৃত টীকাটির নাম কী?জ্ঞানমূলক — ১

খ

প্রবোধচন্দ্র বাগচীর তিব্বতি অনুবাদ আবিষ্কার কেন চর্যাপদ গবেষণায় অতি গুরুত্বপূর্ণ?অনুধাবনমূলক — ২

গ

ড. আহমেদের মতানুযায়ী চর্যাপদ আবিষ্কার কীভাবে বাংলা সাহিত্যের সূচনাবিন্দুকে প্রামাণিকভাবে নিশ্চিত করেছে?প্রয়োগমূলক — ৩

ঘ

"চর্যাপদের পদকর্তাগণ কেবল ভাববাদী সাধক ছিলেন না, ছিলেন ছন্দসচেতন প্রথম বাঙালি কবি" — উক্তিটি বিশ্লেষণ করুন।উচ্চতর দক্ষতা — ৪

এই অধ্যায় পড়া কি শেষ হয়েছে?

পড়া শেষ হলে চিহ্নিত করুন যাতে আপনার সার্বিক অগ্রগতি ট্র্যাক করা যায়।