জসীমউদ্দীন (১৯০৩–১৯৭৬) বাংলা সাহিত্যের অমর কবি। গ্রামবাংলার সহজ-সরল জীবন, শ্যামল নিসর্গ এবং সাধারণ পল্লীবাসীর আনন্দ-বেদনার নিখুঁত ও মর্মস্পর্শী রূপ চিত্রায়ণের জন্য তিনি "পল্লীকবি" উপাধিতে ভূষিত হন। তাঁর বিখ্যাত কাব্যগ্রন্থ "নকশী কাঁথার মাঠ", "সোজন বাদিয়ার ঘাট", "রাখালী", "ধানখেত" ইত্যাদি। "রাখাল ছেলে" কবিতায় কবি পল্লী প্রকৃতির স্নিগ্ধ রূপ, রাখাল ছেলের মায়ের প্রতি গভীর টান এবং প্রকৃতির আনন্দময় খেলাধুলার চিত্র তুলে ধরেছেন।
অধ্যায় চেকপয়েন্ট ও পাঠ অগ্রগতি০/৩ সম্পন্ন
চেকপয়েন্টে ক্লিক করে সরাসরি ঐ অংশে পড়ুন এবং প্রস্তুতি সম্পন্ন করুন
অনুশীলনীর প্রশ্নগুলো সবার জন্য খোলা — পূর্ণাঙ্গ উত্তর দেখতে সাবস্ক্রিপশন নিন
সাবস্ক্রিপশন নিনফ্রিতে উত্তর দেখতে চান?
১টি সংক্ষিপ্ত ভিডিও বিজ্ঞাপন দেখলেই এই অধ্যায়ের সমস্ত উত্তর আগামী ২৪ ঘণ্টার জন্য ফ্রি আনলক হবে!
প্রশ্ন ১রাখাল ছেলে কেমন পথ ধরে, কোথায় এবং কেন যাচ্ছে?
উত্তর দেখতে সাবস্ক্রিপশন লাগবে।
প্রশ্ন ২গ্রামটিকে ‘সবুজ ঘেরা’ এবং কলার পাতাকে ‘চামর’ বলা হয়েছে কেন?
উত্তর দেখতে সাবস্ক্রিপশন লাগবে।
প্রশ্ন ৩কবিতা থেকে গ্রামের সকালের অপরূপ রূপের বিবরণ দাও।
উত্তর দেখতে সাবস্ক্রিপশন লাগবে।
প্রশ্ন ৪প্রভাত হাওয়া, সরষে ফুল ও মটরশুঁটি কীভাবে রাখাল ছেলের সাথে বন্ধুত্ব প্রকাশ করে?
উত্তর দেখতে সাবস্ক্রিপশন লাগবে।
এই অধ্যায় পড়া কি শেষ হয়েছে?
পড়া শেষ হলে চিহ্নিত করুন যাতে আপনার সার্বিক অগ্রগতি ট্র্যাক করা যায়।