সাহিত্য-কণিকা• অধ্যায় ১৫

দুই বিঘা জমি

অষ্টম শ্রেণিসাহিত্য-কণিকাঅধ্যায় ১৫✓ ফ্রি ডেমো

দুই বিঘা জমি

রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর

মূল পাঠ্যবই (PDF)
লেখক পরিচিতি

বিশ্বকবি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর (১৮৬১–১৯৪১) বাংলা সাহিত্য ও সংস্কৃতির সর্বশ্রেষ্ঠ প্রতিভা এবং বিশ্বসাহিত্যের অন্যতম উজ্জ্বল জ্যোতিষ্ক। তিনি ১৮৬১ খ্রিস্টাব্দের ৭ই মে (১২৬৮ বঙ্গাব্দের ২৫শে বৈশাখ) কলকাতার জোড়াসাঁকোর বিখ্যাত ও সংস্কৃতিবান ঠাকুর পরিবারে জন্মগ্রহণ করেন। তাঁর পিতার নাম মহর্ষি দেবেন্দ্রনাথ ঠাকুর এবং মাতার নাম সারদা দেবী। শৈশবে বিদ্যালয়ের প্রথাগত বাঁধাধরা লেখাপড়ায় তাঁর মন বসেনি। ওরিয়েন্টাল সেমিনারী, নরম্যাল স্কুল, বেঙ্গল একাডেমি প্রভৃতি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে ভর্তি করা হলেও তিনি শেষ পর্যন্ত গৃহশিক্ষকদের কাছেই বিদ্যালাভ করেন। মাত্র আট বছর বয়সে তিনি কবিতা লেখা শুরু করেন এবং পরবর্তীতে সাহিত্যের সকল শাখায়— কবিতা, ছোটগল্প, উপন্যাস, নাটক, প্রবন্ধ, ভ্রমণকাহিনি, রম্যরচনা এবং সংগীতে তাঁর অবিস্মরণীয় অবদান রাখেন। তিনি একাধারে কবি, ঔপন্যাসিক, নাট্যকার, প্রাবন্ধিক, দার্শনিক, সুরকার, চিত্রশিল্পী ও শিক্ষাবিদ। ১৯১৩ খ্রিস্টাব্দে 'Song Offerings' শীর্ষক 'গীতাঞ্জলি' কাব্যের ইংরেজি অনুবাদের জন্য তিনি এশীয়দের মধ্যে সর্বপ্রথম সাহিত্যে মর্যাদাপূর্ণ নোবেল পুরস্কার লাভ করেন। আমাদের জাতীয় সংগীত 'আমার সোনার বাংলা' তাঁরই অমর সৃষ্টি। ১৯৪১ খ্রিস্টাব্দের ৭ই আগস্ট (১৩৪৮ বঙ্গাব্দের ২২শে শ্রাবণ) কলকাতায় এই মহামানব শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করেন।

অধ্যায় চেকপয়েন্ট ও পাঠ অগ্রগতি০/২ সম্পন্ন

চেকপয়েন্টে ক্লিক করে সরাসরি ঐ অংশে পড়ুন এবং প্রস্তুতি সম্পন্ন করুন

সামগ্রিক পাঠ সমাপ্তি০%
১
চেকপয়েন্ট ১ / ২
কবিতার উৎস ও শ্রেণি

'দুই বিঘা জমি' রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের সুবিখ্যাত 'চিত্রা' কাব্যগ্রন্থ থেকে সংকলিত একটি অনবদ্য ও কালজয়ী কাহিনী-কবিতা। এ কবিতায় বাংলার সামন্তবাদী জমিদার ও শোষক শ্রেণির নিষ্ঠুর লোভ, সাধারণ দরিদ্র কৃষকের ভিটেমাটির প্রতি আত্মিক ভালোবাসা এবং শোষক ও শোষিতের মর্মন্তুদ বৈপরীত্য নিখুঁতভাবে চিত্রিত হয়েছে।

চেকপয়েন্ট ১ এর ২
বইয়ের অনুশীলনীর উত্তর

অনুশীলনীর প্রশ্নগুলো সবার জন্য খোলা — পূর্ণাঙ্গ উত্তর দেখতে সাবস্ক্রিপশন নিন

সাবস্ক্রিপশন নিন

ফ্রিতে উত্তর দেখতে চান?

১টি সংক্ষিপ্ত ভিডিও বিজ্ঞাপন দেখলেই এই অধ্যায়ের সমস্ত উত্তর আগামী ২৪ ঘণ্টার জন্য ফ্রি আনলক হবে!

প্রশ্ন ১“এ জগতে, হায়, সেই বেশি চায় আছে যার ভূরি ভূরি— রাজার হস্ত করে সমস্ত কাঙালের ধন চুরি”— চরণদ্বয়ের তাৎপর্য ব্যাখ্যা করো।

উত্তর দেখতে সাবস্ক্রিপশন লাগবে।

প্রশ্ন ২উপেন দীর্ঘ পনেরো-ষোলো বছর সন্ন্যাসীবেশে ঘুরেও কেন দুই বিঘা জমির কথা ভুলতে পারেনি?

উত্তর দেখতে সাবস্ক্রিপশন লাগবে।

প্রশ্ন ৩আমগাছটি কীভাবে উপেনকে তার শৈশবের কথা মনে করিয়ে দিয়েছিল এবং আম দুটিকে সে কী মনে করেছিল?

উত্তর দেখতে সাবস্ক্রিপশন লাগবে।

প্রশ্ন ৪জমিদার উপেনকে ‘সাধুবেশী পাকা চোর’ বলেছিলেন কেন? এ উক্তির অন্তর্নিহিত ট্র্যাজেডি কী?

উত্তর দেখতে সাবস্ক্রিপশন লাগবে।

এই অধ্যায় পড়া কি শেষ হয়েছে?

পড়া শেষ হলে চিহ্নিত করুন যাতে আপনার সার্বিক অগ্রগতি ট্র্যাক করা যায়।