সৃষ্টিকর্তা ও হিন্দুধর্মের স্বরূপ
সৃষ্টিকর্তা ও হিন্দুধর্মের স্বরূপ
অধ্যায় চেকপয়েন্ট ও পাঠ অগ্রগতি০/৫ সম্পন্ন
চেকপয়েন্টে ক্লিক করে সরাসরি ঐ অংশে পড়ুন এবং প্রস্তুতি সম্পন্ন করুন
'সৃষ্টিকর্তা ও হিন্দুধর্মের স্বরূপ' অধ্যায়টিতে হিন্দুধর্মের মূল বিশ্বাস, ঈশ্বরের স্বরূপ, জন্মান্তর ও কর্মফলবাদ, প্রাত্যহিক নিত্যকর্ম ও স্তব-স্তোত্র বিস্তারিতভাবে আলোচিত হয়েছে:
নিরাকার, অসীম, সর্বব্যাপী ও পরম চৈতন্যময় ঈশ্বর।
গুণযুক্ত বা সাকার রূপ; যে রূপে ঈশ্বর নির্দিষ্ট গুণ বা রূপ ধারণ করেন।
সকল প্রাকৃত গুণের অতীত বা নিরাকার পরম অবস্থা।
চিরন্তন, শাশ্বত, যা পূর্বে ছিল, বর্তমানে আছে এবং ভবিষ্যতেও থাকবে।
জ্ঞানী ব্যক্তি, ঋষি বা তত্ত্বদর্শী পণ্ডিত।
মৃত্যুর পর আত্মার পুনরায় নতুন দেহে জন্ম গ্রহণ করা।
ভালো বা মন্দ কাজের জন্য কৃত পরিণাম বা ফলভোগ।
যে ব্যক্তির পূর্বজন্মের কথা ও স্মৃতি মনে থাকে।
জন্ম-মৃত্যুর চক্র থেকে মুক্তি লাভ করে পরমাত্মায় লীন হওয়া।
যার কোনো ধ্বংস বা বিনাশ নেই; চিরন্তন।
প্রতিদিন নিয়মমাফিক করণীয় ছয়টি শাস্ত্রীয় কৃত্য বা কর্তব্য।
সূর্যোদয়ের পূর্বে শয্যা ত্যাগ করে স্মরণ ও প্রার্থনাসংক্রান্ত কাজ।
সকাল ও দুপুরের মধ্যবর্তী সময়ে পূজা, স্নান ও অধ্যয়নের কৃত্য।
দুপুরবেলায় ভোজন ও বিশ্রামের কৃত্য।
বিকালবেলায় পরিবারের কাজকর্ম, খেলাধুলা ও ব্যায়াম করার কৃত্য।
সন্ধ্যাবেলায় হাত-মুখ ধুয়ে ঈশ্বরের নাম স্মরণ ও আরতি করার কৃত্য।
রাতের পড়াশোনা, আহার এবং ঘুমানোর পূর্বে পদ্মনাভ নাম স্মরণ।
যাঁর নাভিপদ্মে বিশ্বের সৃষ্টি; শ্রীবিষ্ণুর একটি পবিত্র নাম।
ঈশ্বরের মহিমা, শক্তি ও রূপের প্রশংসা বা গুণগান।
নিজের ও জগতের সার্বিক মঙ্গলের জন্য বিনম্র চিত্তে ঈশ্বরের কাছে নিবেদন।
ফল পাকার পর যে গাছ মরে যায় এমন উদ্ভিদ বা ভেষজ গাছপালা।
ফুল না হয়ে সরাসরি ফল ধরা এমন বিশালাকার বৃক্ষ।
অনুশীলনীর প্রশ্নগুলো সবার জন্য খোলা — পূর্ণাঙ্গ উত্তর দেখতে সাবস্ক্রিপশন নিন
সাবস্ক্রিপশন নিনফ্রিতে উত্তর দেখতে চান?
১টি সংক্ষিপ্ত ভিডিও বিজ্ঞাপন দেখলেই এই অধ্যায়ের সমস্ত উত্তর আগামী ২৪ ঘণ্টার জন্য ফ্রি আনলক হবে!
প্রশ্ন ১১. সর্বপ্রাচীন ধর্মগ্রন্থ ঋগ্বেদে ঈশ্বর সম্পর্কে কী বলা হয়েছে এবং হিন্দুধর্মকে সনাতন ধর্ম বলার কারণ কী?
উত্তর দেখতে সাবস্ক্রিপশন লাগবে।
প্রশ্ন ২২. জন্মান্তর ও কর্মফলবাদ বলতে কী বোঝায়? শ্রীমদ্ভগবদ্গীতার আলোকে আত্মার অমরত্ব ব্যাখ্যা করো।
উত্তর দেখতে সাবস্ক্রিপশন লাগবে।
প্রশ্ন ৩৩. নিত্যকর্ম কয়টি ও কী কী? প্রাতঃকৃত্য ও রাত্রিকৃত্যের গুরুত্ব সংক্ষেপে আলোচনা করো।
উত্তর দেখতে সাবস্ক্রিপশন লাগবে।
প্রশ্ন ৪৪. স্তব-স্তোত্র ও প্রার্থনার মধ্যে পার্থক্য কী? উপনিষদের আলোকে পরমাত্মা লাভের উপায় ব্যাখ্যা করো।
উত্তর দেখতে সাবস্ক্রিপশন লাগবে।
উদ্দীপক আর প্রশ্ন সবার জন্য খোলা — পূর্ণ উত্তর দেখতে সাবস্ক্রিপশন নিন
সাবস্ক্রিপশন নিনফ্রিতে সৃজনশীলের উত্তর পড়তে চান?
১টি সংক্ষিপ্ত ভিডিও বিজ্ঞাপন দেখলেই এই অধ্যায়ের সমস্ত সৃজনশীল সমাধান আগামী ২৪ ঘণ্টার জন্য ফ্রি আনলক হবে!
উদ্দীপক
অর্পণ ও জয়ন্ত দুই বন্ধু। অর্পণ বিশ্বাস করে, ঈশ্বর নিরাকার এবং সর্বত্র বায়ুর ন্যায় বিরাজমান। তাই তিনি মূর্তিপূজা না করে একাগ্র চিত্তে ঈশ্বরের ধ্যান করেন। অন্যদিকে জয়ন্ত দেব-দেবী দুর্গা ও সরস্বতীর প্রতিমা গড়ে ভক্তিভরে পূজা করে। অর্পণ জয়ন্তকে বলল, 'ঈশ্বর তো একজনই, তবে এত দেব-দেবীর পূজা করো কেন?' তাদের শিক্ষক বিষয়টি শুনে বুঝিয়ে বললেন, 'তোমরা উভয়েই সঠিক পথের পথিক। ঋগ্বেদে বলা হয়েছে পরমেশ্বর এক, তবে ভক্তের ভাবনা ও শক্তির প্রকাশভেদে তাঁর বহু রূপ।'
নিরাকার ঈশ্বরের নাম মুনি-ঋষিগণ কী দিয়েছেন?জ্ঞানমূলক — ১
হিন্দুধর্মকে 'সনাতন ধর্ম' বলা হয় কেন? বুঝিয়ে লেখো।অনুধাবনমূলক — ২
শিক্ষকের বক্তব্যের সাথে পাঠ্যবইয়ে আলোচিত ঋগ্বেদের বাণীর সাদৃশ্য ব্যাখ্যা করো।প্রয়োগমূলক — ৩
'অর্পণ ও জয়ন্তের উপাসনা পদ্ধতি ভিন্ন হলেও তাঁদের উদ্দেশ্য অভিন্ন'—পাঠ্যবইয়ের আলোকে উক্তিটি বিশ্লেষণ করো।উচ্চতর দক্ষতা — ৪
উদ্দীপক
অনিন্দ্য তার ঠাকুরমার কাছে মহাভারতের গল্প শুনছিল। ঠাকুরমা বললেন, 'মহাভারতের গান্ধারী পূর্বজন্মের কথা মনে করতে পারতেন। তিনি শ্রীকৃষ্ণকে প্রশ্ন করেছিলেন, কেন তাঁর শতপুত্রের করুণ মৃত্যু হলো? শ্রীকৃষ্ণ তখন তাঁকে পূর্বজন্মের এক বিস্মৃত কর্মের কথা মনে করিয়ে দেন।' গল্প শুনে অনিন্দ্য বুঝতে পারল, কর্মের ফল মানুষকে অবশ্যই ভোগ করতে হয় এবং আত্মা কখনোই বিনষ্ট হয় না।
যাঁদের পূর্বজন্মের কথা মনে থাকে তাঁদের কী বলা হয়?জ্ঞানমূলক — ১
কর্মফল অনুসারে জন্মান্তর ঘটে—কথাটি দ্বারা কী বোঝানো হয়েছে?অনুধাবনমূলক — ২
শ্রীকৃষ্ণ গান্ধারীকে তাঁর শতপুত্রের মৃত্যুর কারণ হিসেবে কোন কর্মের কথা জানিয়েছিলেন? পাঠ্যবইয়ের আলোকে লেখো।প্রয়োগমূলক — ৩
অনিন্দ্যের উপলব্ধি শ্রীমদ্ভগবদ্গীতায় বর্ণিত আত্মার স্বরূপকে কতটা সমর্থন করে? যুক্তিসহ বিশ্লেষণ করো।উচ্চতর দক্ষতা — ৪
উদ্দীপক
সৌম্য প্রতিদিন সূর্য ওঠার আগে ঘুম থেকে ওঠে। বিছানায় বসে সে দুর্গানাম স্মরণ করে এবং দিনটি যেন সুন্দর কাটে সেজন্য বামন পুরাণের প্রাতঃকৃত্যের মন্ত্র পাঠ করে। এরপর স্নান সেরে পূজা ও পড়াশোনা শেষ করে বিদ্যালয়ে যায়। বিকেলে সে বন্ধুদের সাথে মাঠে ফুটবল খেলে এবং রাতে পড়াশোনা ও আহারের পর ঘুমাতে যাওয়ার আগে শ্রীবিষ্ণুর একটি বিশেষ নাম জপ করে।
হিন্দু শাস্ত্রে প্রাত্যহিক নিত্যকর্ম মোট কয়টি ভাগে বিভক্ত?জ্ঞানমূলক — ১
ঘুমানোর পূর্বে শ্রীবিষ্ণুর 'পদ্মনাভ' নাম স্মরণ করা হয় কেন?অনুধাবনমূলক — ২
উদ্দীপকে সৌম্য কোন কোন নিত্যকর্ম পালন করেছে? পাঠ্যবইয়ের আলোকে বর্ণনা করো।প্রয়োগমূলক — ৩
'সৌম্যর মতো প্রাত্যহিক জীবনে নিয়ম ও অনুশাসন মেনে চলা একজন শিক্ষার্থীর জন্য অপরিহার্য'—মূল্যায়ন করো।উচ্চতর দক্ষতা — ৪
উদ্দীপক
বিদ্যালয়ের প্রার্থনা সভায় প্রতিদিন সকল শিক্ষার্থী সমবেত হয়ে কবিগুরু রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের একটি গান গায়: 'আমার মাথা নত করে দাও হে তোমার চরণধূলার তলে / সকল অহংকার হে আমার ডুবাও চোখের জলে'। শিক্ষক মহাশয় একদিন শিক্ষার্থীদের বললেন, 'স্তব-স্তোত্র ও প্রার্থনার মাধ্যমে মানুষের চিত্ত শুদ্ধ হয়। উপনিষদে বলা হয়েছে, যেমন তিল থেকে তেল বা কাঠে ঘর্ষণ করলে আগুন বের হয়, তেমনি সত্যনিষ্ঠা ও সাধনার মাধ্যমেই কেবল পরমাত্মাকে উপলব্ধি করা যায়।'
স্তব ও স্তোত্র শব্দের অর্থ কী?জ্ঞানমূলক — ১
স্তব-স্তোত্র ও প্রার্থনার মধ্যে মূল পার্থক্য কী?অনুধাবনমূলক — ২
শিক্ষকের উদ্ধৃত উপনিষদের দৃষ্টান্তটির অন্তর্নিহিত তাৎপর্য পাঠ্যবইয়ের আলোকে তুলে ধরো।প্রয়োগমূলক — ৩
প্রার্থনা সভায় গাওয়া রবীন্দ্রনাথের গানটি শিক্ষার্থীদের মানসিক বিকাশ ও অহংকার দূরীকরণে কীভাবে ভূমিকা রাখে? বিশ্লেষণ করো।উচ্চতর দক্ষতা — ৪
এই অধ্যায় পড়া কি শেষ হয়েছে?
পড়া শেষ হলে চিহ্নিত করুন যাতে আপনার সার্বিক অগ্রগতি ট্র্যাক করা যায়।