পৌরনীতি ও নাগরিকতা
অধ্যায় চেকপয়েন্ট ও পাঠ অগ্রগতি০/৩৫ সম্পন্ন
চেকপয়েন্টে ক্লিক করে সরাসরি ঐ অংশে পড়ুন এবং প্রস্তুতি সম্পন্ন করুন
পৌরনীতি ও নাগরিকতাকে বলা হয় 'নাগরিকতা বিষয়ক বিজ্ঞান' (Science of Citizenship)। কারণ নাগরিকতার সাথে জড়িত সকল প্রত্যক্ষ ও পরোক্ষ বিষয় পৌরনীতিতে বৈজ্ঞানিক পদ্ধতিতে আলোচনা করা হয়। রাষ্ট্রের নাগরিক হিসেবে আমাদের প্রত্যেকের পৌরনীতি সম্পর্কে সম্যক ধারণা থাকা অপরিহার্য।
পৌরনীতির ইংরেজি প্রতিশব্দ হলো 'Civics'। সিভিক্স শব্দটি ল্যাটিন শব্দ 'সিভিস' (Civis) এবং 'সিভিটাস' (Civitas) থেকে এসেছে। 'সিভিস' শব্দের অর্থ হলো 'নাগরিক' (Citizen) এবং 'সিভিটাস' শব্দের অর্থ হলো 'নগররাষ্ট্র' (City State)। প্রাচীন গ্রিসে নাগরিক ও নগররাষ্ট্র ছিল অবিচ্ছেদ্য। সে যুগে ছোট ছোট অঞ্চল নিয়ে গড়ে উঠত 'নগররাষ্ট্র' (যেমন- এথেন্স, স্পার্টা)। যারা নগররাষ্ট্রীয় কার্যক্রমে সরাসরি অংশগ্রহণ করত, শুধু তাদেরকেই নাগরিক বলা হতো। তবে দাস, নারী ও বিদেশিদের রাষ্ট্রীয় কাজে অংশগ্রহণের সুযোগ ছিল না বিধায় প্রাচীন গ্রিসে তাদেরকে নাগরিক হিসেবে গণ্য করা হতো না।
বর্তমানে নগররাষ্ট্রের পরিবর্তে সুবিশাল আয়তন ও বিপুল জনসংখ্যার 'জাতীয় রাষ্ট্র' (Nation State) প্রতিষ্ঠিত হয়েছে। যেমন- বাংলাদেশের আয়তন ১,৪৭,৫৭০ বর্গকিলোমিটার এবং ২০২২ সালের জনশুমারি ও গৃহগণনা অনুযায়ী জনসংখ্যা প্রায় ১৬.৫ কোটি। আধুনিক রাষ্ট্রে নারী-পুরুষ নির্বিশেষে প্রাপ্তবয়স্ক সকল নাগরিক সমানভাবে রাজনৈতিক, অর্থনৈতিক ও সামাজিক অধিকার ভোগ করে।
ল্যাটিন শব্দ Civis (নাগরিক) ও Civitas (নগররাষ্ট্র) থেকে উদ্ভূত নাগরিকতা বিষয়ক বিজ্ঞান ও সামগ্রিক অধ্যয়ন।
ল্যাটিন শব্দ, যার আভিধানিক অর্থ 'নাগরিক' (Citizen)।
ল্যাটিন শব্দ, যার আভিধানিক অর্থ 'নগররাষ্ট্র' (City State)।
প্রাচীন গ্রিসে এক একটি নগর বা ক্ষুদ্র অঞ্চলকে কেন্দ্র করে গড়ে ওঠা স্বাধীন রাষ্ট্রব্যবস্থা (যেমন- এথেন্স, স্পার্টা)।
নির্দিষ্ট সুবিশাল ভৌগোলিক সীমারেখায় একই জাতীয়তাবাদী চেতনায় উদ্বুদ্ধ বিশাল জনসমষ্টি নিয়ে গঠিত আধুনিক সার্বভৌম রাষ্ট্র।
বিখ্যাত ব্রিটিশ রাষ্ট্রবিজ্ঞানী, যিনি নাগরিকতার অতীত, বর্তমান, ভবিষ্যৎ এবং স্থানীয়, জাতীয় ও আন্তর্জাতিক দিক নিয়ে পৌরনীতির সার্বজনীন সংজ্ঞা প্রদান করেন।
ল্যাটিন Superanus থেকে আগত রাষ্ট্রের চরম, পরম, চূড়ান্ত ও অবিভাজ্য সর্বোচ্চ শাসনক্ষমতা।
রাষ্ট্রের সীমানার অভ্যন্তরে যেকোনো ব্যক্তি, সংস্থা ও প্রতিষ্ঠানের ওপর রাষ্ট্রের চূড়ান্ত আইন প্রয়োগ ও বাধ্যতামূলক আদেশ জারির ক্ষমতা।
অন্য কোনো বহিরাগত শক্তিশালী রাষ্ট্র বা বিদেশি শক্তির অযাচিত হস্তক্ষেপ ও নিয়ন্ত্রণ হতে সম্পূর্ণ স্বাধীন থাকার অধিকার।
যে পরিবারে পিতা পরিবারের প্রধান হিসেবে কর্তৃত্ব করেন এবং সন্তানেরা পিতার বংশনামে পরিচিত হয়।
যে পরিবারে মা পরিবারের শীর্ষ নেতৃত্ব দেন এবং সন্তানেরা মায়ের বংশমর্যাদায় পরিচিত হয় (যেমন- গারো ও খাসিয়া পরিবার)।
মা-বাবা এবং তাঁদের অবিবাহিত সন্তানসন্ততি নিয়ে গঠিত ক্ষুদ্রতম পারিবারিক কাঠামো।
মা-বাবা, সন্তান, দাদা-দাদি, চাচা-চাচি ও আত্মীয়স্বজন একত্রে একান্নভুক্ত হিসেবে বসবাসকারী বৃহৎ পরিবার।
একজন পুরুষের সাথে কেবল একজন নারীর বৈবাহিক বন্ধনে আবদ্ধ সবচেয়ে কল্যাণকর ও স্বাভাবিক পরিবার।
যে পরিবারে একজন পুরুষের একাধিক বৈধ স্ত্রী বর্তমান থাকে।
যে পরিবারে একজন নারীর একই সাথে একাধিক স্বামী থাকে (বাংলাদেশে এ ধরনের পরিবার দেখা যায় না)।
পরিবারকে শিশুর প্রাথমিক শিক্ষা ও স্থায়ী সামাজিক মূল্যবোধ গঠনের অনন্ত পাঠশালা হিসেবে বোঝাতে ব্যবহৃত রূপক।
রাষ্ট্রের উৎপত্তির প্রাচীনতম থিওরি, যেখানে বিশ্বাস করা হয় রাষ্ট্র বিধাতার প্রত্যক্ষ সৃষ্টি এবং শাসক তাঁর প্রতিনিধি।
যুদ্ধ, শারীরিক শক্তি ও পেশিশক্তির অপব্যবহারের মাধ্যমে দুর্বলকে পদানত করে রাষ্ট্র প্রতিষ্ঠার মতবাদ।
প্রকৃতির রাজ্যের অরাজকতা ও বিশৃঙ্খলা এড়াতে ব্যক্তিবর্গের পারস্পরিক আপস ও স্বেচ্ছাচুক্তির মাধ্যমে রাষ্ট্র সৃষ্টির মতবাদ।
রাষ্ট্র ও সরকার গঠনের পূর্ববর্তী প্রাক-রাজনৈতিক সমাজ অবস্থা, যেখানে কোনো বিধিবদ্ধ আইন ও বিচারব্যবস্থা ছিল না।
রক্ত, ধর্ম, যুদ্ধ ও রাজনৈতিক চেতনার সমন্বয়ে শতাব্দীর পর শতাব্দী ধরে ঐতিহাসিক ধারায় রাষ্ট্রের ক্রমবিকাশের বৈজ্ঞানিক তত্ত্ব।
যা পঞ্চইন্দ্রিয় দিয়ে সরাসরি স্পর্শ বা দর্শন করা যায় না, কেবল প্রজ্ঞা ও বুদ্ধি দিয়ে উপলব্ধি করতে হয় (যেমন- রাষ্ট্র)।
যা ইন্দ্রিয়গ্রাহ্য, দৃশ্যমান এবং বাস্তব অস্তিত্বসম্পন্ন (যেমন- রক্ত-মাংসের সমন্বয়ে গঠিত সরকার)।
একটি স্বাধীন দেশের মূল ভূখণ্ড থেকে বিচ্ছিন্ন কিন্তু অন্য একটি দেশের ভৌগোলিক সীমানার অভ্যন্তরে অবস্থিত ছিটকে পড়া ভূখণ্ড।
অনুশীলনীর প্রশ্নগুলো সবার জন্য খোলা — পূর্ণাঙ্গ উত্তর দেখতে সাবস্ক্রিপশন নিন
সাবস্ক্রিপশন নিনফ্রিতে উত্তর দেখতে চান?
১টি সংক্ষিপ্ত ভিডিও বিজ্ঞাপন দেখলেই এই অধ্যায়ের সমস্ত উত্তর আগামী ২৪ ঘণ্টার জন্য ফ্রি আনলক হবে!
প্রশ্ন ১পৌরনীতি পাঠের মাধ্যমে কীভাবে আদর্শ নাগরিক হওয়া যায়? পাঠ্যবইয়ের আলোকে ব্যাখ্যা করো।
উত্তর দেখতে সাবস্ক্রিপশন লাগবে।
প্রশ্ন ২পরিবারকে সমাজের 'শাশ্বত বিদ্যালয়' এবং জীবনের 'প্রথম পাঠশালা' বলা হয় কেন? বুঝিয়ে লেখো।
উত্তর দেখতে সাবস্ক্রিপশন লাগবে।
প্রশ্ন ৩রাষ্ট্রের অপরিহার্য উপাদান হিসেবে সার্বভৌমত্বের গুরুত্ব ও রূপভেদ বিশদভাবে ব্যাখ্যা করো।
উত্তর দেখতে সাবস্ক্রিপশন লাগবে।
প্রশ্ন ৪রাষ্ট্রের উৎপত্তি সংক্রান্ত ঐতিহাসিক বা বিবর্তনমূলক মতবাদটি কেন সর্বাপেক্ষা বিজ্ঞানসম্মত ও গ্রহণযোগ্য? বিশ্লেষণ করো।
উত্তর দেখতে সাবস্ক্রিপশন লাগবে।
উদ্দীপক আর প্রশ্ন সবার জন্য খোলা — পূর্ণ উত্তর দেখতে সাবস্ক্রিপশন নিন
সাবস্ক্রিপশন নিনফ্রিতে সৃজনশীলের উত্তর পড়তে চান?
১টি সংক্ষিপ্ত ভিডিও বিজ্ঞাপন দেখলেই এই অধ্যায়ের সমস্ত সৃজনশীল সমাধান আগামী ২৪ ঘণ্টার জন্য ফ্রি আনলক হবে!
উদ্দীপক
শেফালী ও করিম দম্পতির একমাত্র সন্তান হাবিব। শেফালী প্রতিদিন হাবিবকে স্কুলে নিয়ে যায়। রাতের বেলা হাবিবের পড়া-লেখায় সহযোগিতা করে। একদিন হাবিব সহপাঠী সেলিমের বাসায় বেড়াতে যায়। সেলিমের বাবা তাদের ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান। সেলিমের বাবা খুবই সুন্দর ভঙ্গিমায় গ্রামের লোকদের রাষ্ট্রীয় আইন মেনে চলার পরামর্শ দেন। সেলিমের বাবার কথাগুলো হাবিবের মনকে ভীষণভাবে নাড়া দেয়। গরমের ছুটিতে হাবিব মামা বাড়ি বেড়াতে যায়। মামাতো ভাই তুহিনের জন্মদিনের অনুষ্ঠানে মামা-মামীর সাথে গল্পগুজব এবং গান শুনে হাবিব মুগ্ধ হয়। গল্পের এক পর্যায়ে হাবিব জানতে পারে, প্রতি শুক্রবার তুহিন তার মা-বাবার সাথে বেড়াতে যায়।
পরিবার কী?জ্ঞানমূলক — ১
রাষ্ট্র গঠনে নির্দিষ্ট ভূখণ্ড প্রয়োজন কেন? ব্যাখ্যা করো।অনুধাবনমূলক — ২
শেফালীর কর্মকাণ্ডে পরিবারের কোন কাজটি ফুটে উঠেছে? ব্যাখ্যা করো।প্রয়োগমূলক — ৩
সেলিম এবং তুহিনের বাড়ির ঘটনাসমূহ পরিবারের যে কাজসমূহের সাথে সাদৃশ্য রয়েছে তা চিহ্নিত করে এর সামাজিক প্রভাব বিশ্লেষণ করো।উচ্চতর দক্ষতা — ৪
উদ্দীপক
দৃশ্যপট-১: একদল মানুষ নির্জন দ্বীপে আটকা পড়ল। কেউ কৃষক, কেউ শিক্ষার্থী, কেউ শিক্ষক, কেউ নেতা এবং কেউ সৈনিক। প্রথম দিকে প্রত্যেকে নিজের মতো করে বেঁচে থাকার চেষ্টা করল। কিন্তু খাবারের অভাব, নিরাপত্তার অভাব এবং দ্বন্দ্ব তাদের জীবনকে দুর্বিষহ করে তুলল। পরবর্তীতে সবাই একত্রিত হয়ে আলোচনা করে সম্মত হলো যে, কিছু নিয়ম মেনে চলবে। দৃশ্যপট-২: প্রাচীন যুগে মানুষেরা ছোট ছোট গোত্রে বিভক্ত হয়ে বসবাস করত। তাদের কোনো কেন্দ্রীয় শাসন ব্যবস্থা ছিল না। সময়ের সাথে সাথে গোত্রগুলো সহায় সম্পদের জন্য প্রতিযোগিতা শুরু করল। যার ফলশ্রুতিতে রক্তক্ষয়ী সংঘর্ষ হতে থাকে। পরবর্তীতে গোত্র নেতারা একত্রিত হয়ে কেন্দ্রীয় শাসন ব্যবস্থা গড়ে তোলেন। দৃশ্যপট-৩: প্রাচীন যুগে মানুষ ছোট ছোট দলে বিভক্ত হয়ে বসবাস করত। একদল মানুষ ছিল খুবই শক্তিশালী এবং সাহসী। তারা অন্য দলগুলোর ওপর আক্রমণ করত এবং তাদের জমি ও সম্পদ দখল করত। ধীরে ধীরে তারা একটি বড় দল হয়ে ওঠে যা তাদের নিজস্ব নিয়মকানুন তৈরি করে।
রাষ্ট্র কী?জ্ঞানমূলক — ১
'রাষ্ট্রভেদে সরকারের রূপ ভিন্ন ভিন্ন।'—ব্যাখ্যা করো।অনুধাবনমূলক — ২
দৃশ্যপট-১ এ রাষ্ট্র সৃষ্টির কোন মতবাদকে নির্দেশ করে? ব্যাখ্যা করো।প্রয়োগমূলক — ৩
দৃশ্যপট-২ ও দৃশ্যপট-৩ এ রাষ্ট্র সৃষ্টির মতবাদ দুটি চিহ্নিত করে কোনটিকে তুমি অধিকতর গ্রহণযোগ্য বলে মনে করো? তোমার উত্তরের স্বপক্ষে যুক্তি দাও।উচ্চতর দক্ষতা — ৪
উদ্দীপক
শফিক সাহেব একটি বেসরকারি সংস্থার কর্মকর্তা। তিনি তাঁর স্ত্রী, দুই সন্তান এবং বৃদ্ধ পিতা-মাতাকে নিয়ে ঢাকায় একটি ফ্ল্যাটে বসবাস করেন। অন্যদিকে তাঁর সহকর্মী মারুফের জন্ম বান্দরবানের পাহাড়ি খাসিয়া পল্লীতে। মারুফ জানান, তাদের সমাজে পারিবারিকভাবে মা-ই সমস্ত সামাজিক ও পারিবারিক সিদ্ধান্ত নেন এবং মায়ের সম্পত্তি ও পরিচয়েই সন্তানেরা বেড়ে ওঠে। তবে দুই পরিবারই রাষ্ট্রীয় আইন-কানুন শ্রদ্ধার সাথে মেনে চলে এবং কর ফাঁকি না দিয়ে নিয়মিত প্রদান করে।
পৌরনীতির ইংরেজি প্রতিশব্দ 'Civics' কোন দুটি ল্যাটিন শব্দ থেকে এসেছে?জ্ঞানমূলক — ১
পরিবারকে মানব সমাজের প্রাচীনতম প্রতিষ্ঠান বলা হয় কেন?অনুধাবনমূলক — ২
উদ্দীপকে বর্ণিত মারুফের সমাজ কোন ধরনের পরিবারের উদাহরণ? পাঠ্যবইয়ের আলোকে ব্যাখ্যা করো।প্রয়োগমূলক — ৩
শফিক সাহেব ও মারুফের পরিবার রাষ্ট্রের প্রতি যে দায়িত্ব পালন করছে, তা সুনাগরিকতার পরিচায়ক—যুক্তিসহ মূল্যায়ন করো।উচ্চতর দক্ষতা — ৪
উদ্দীপক
একদিন দশম শ্রেণির ক্লাসে শিক্ষক বললেন, "তোমরা প্রায়ই শোনো ফ্রান্সের শাসক চতুর্দশ লুই বলেছিলেন 'আমিই রাষ্ট্র'। কিন্তু প্রকৃতপক্ষে রাষ্ট্র ও সরকার এক নয়। সরকার পরিবর্তিত হলেও রাষ্ট্র কিন্তু চিরকাল টিকে থাকে। যেমন ১৯৭১ সালে রক্তক্ষয়ী মুক্তিযুদ্ধের মাধ্যমে সার্বভৌম বাংলাদেশ রাষ্ট্রের জন্ম হয়েছে। এরপর বাংলাদেশে বহুবার সরকার বদল হয়েছে, কিন্তু রাষ্ট্রের মূল অস্তিত্ব চিরন্তন ও অটুট রয়েছে।"
রাষ্ট্রের উপাদান কয়টি ও কী কী?জ্ঞানমূলক — ১
ঐশী মতবাদকে কেন অযৌক্তিক ও স্বৈরাচারী মতবাদ বলা হয়?অনুধাবনমূলক — ২
শিক্ষকের বক্তব্যে রাষ্ট্র ও সরকারের মধ্যকার কোন মৌলিক পার্থক্যের দিকটি স্পষ্ট হয়েছে? ব্যাখ্যা করো।প্রয়োগমূলক — ৩
"সার্বভৌমত্বই রাষ্ট্রকে সরকারের চেয়ে উচ্চতর মর্যাদা প্রদান করে"—উদ্দীপক ও পাঠ্যবইয়ের আলোকে উক্তিটির যথার্থতা মূল্যায়ন করো।উচ্চতর দক্ষতা — ৪
এই অধ্যায় পড়া কি শেষ হয়েছে?
পড়া শেষ হলে চিহ্নিত করুন যাতে আপনার সার্বিক অগ্রগতি ট্র্যাক করা যায়।