সোনার তরী
রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
বিশ্বকবি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর (১৮৬১–১৯৪১ খ্রিষ্টাব্দ / ১২৬৮–১৩৪৮ বঙ্গাব্দ) বাংলা সাহিত্যের সর্বশ্রেষ্ঠ প্রতিভা। তিনি কলকাতার জোড়াসাঁকোর ঠাকুর পরিবারে ২৫শে বৈশাখ ১২৬৮ বঙ্গাব্দে (৭ই মে ১৮৬১) জন্মগ্রহণ করেন। তাঁর পিতা মহর্ষি দেবেন্দ্রনাথ ঠাকুর এবং মাতা সারদাদেবী। শৈশবেই তাঁর কবিপ্রতিভার অসাধারণ বিকাশ ঘটে। মাত্র তেরো বছর বয়সে তাঁর প্রথম কবিতা প্রকাশিত হয় এবং ১৮৭৮ সালে তিনি ব্যারিস্টারি পড়ার জন্য ইংল্যান্ড যান, তবে আনুষ্ঠানিক ডিগ্রি না নিয়েই দেশে ফিরে আসেন। রবীন্দ্রনাথ একাধারে কবি, ঔপন্যাসিক, ছোটগল্পকার, নাট্যকার, প্রাবন্ধিক, সংগীতস্রষ্টা ও চিত্রশিল্পী। ১৯১৩ সালে তাঁর বিশ্ববিখ্যাত কাব্যগ্রন্থ 'গীতাঞ্জলি' (Song Offerings)-এর জন্য এশীয়দের মধ্যে তিনিই প্রথম সাহিত্যে নোবেল পুরস্কার অর্জন করেন। বাংলাদেশের জাতীয় সংগীত 'আমার সোনার বাংলা' এবং ভারতের জাতীয় সংগীত 'জনগণমন-অধিনায়ক জয় হে' তাঁরই অমর সৃষ্টি। তাঁর রচিত বিপুল সাহিত্যভাণ্ডারের মধ্যে সোনার তরী, চিত্রা, চৈতালি, বলাকা, পুনশ্চ (কাব্য); চোখের বালি, গোরা, ঘরে বাইরে, শেষের কবিতা (উপন্যাস); ডাকঘর, রক্তকরবী, বিসর্জন (নাটক) এবং গল্পগুচ্ছ (ছোটগল্প) উল্লেখযোগ্য। কুষ্টিয়ার শিলাইদহে জমিদারি তদারকির সুবাদে পদ্মার নৈসর্গিক রূপ ও পল্লিপ্রকৃতি তাঁর ভাবনারাজ্যে গভীর প্রভাব ফেলে। শিলাইদহেই তিনি 'সোনার তরী' কাব্যগ্রন্থের অধিকাংশ কালজয়ী কবিতা রচনা করেন। ২২শে শ্রাবণ ১৩৪৮ বঙ্গাব্দে (৭ই আগস্ট ১৯৪১) কলকাতায় তিনি মৃত্যুবরণ করেন।
অধ্যায় চেকপয়েন্ট ও পাঠ অগ্রগতি০/১ সম্পন্ন
চেকপয়েন্টে ক্লিক করে সরাসরি ঐ অংশে পড়ুন এবং প্রস্তুতি সম্পন্ন করুন
### ১. রচনার পটভূমি ও আত্মিক প্রেক্ষাপট
'সোনার তরী' রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের অন্যতম শ্রেষ্ঠ রূপক ও দার্শনিক কবিতা। কবিতাটি ১২৯৮ বঙ্গাব্দের মাঘ মাসে কুষ্টিয়ার শিলাইদহে পদ্মানদীতে অবস্থানকালে রচিত হয়। এটি কবির বিখ্যাত 'সোনার তরী' (১৮৯৪) কাব্যগ্রন্থের নাম-কবিতা। পদ্মার চরে বসে বর্ষার খরস্রোতা জলরাশি ও ধান কাটার দৃশ্য দেখতে দেখতে কবি জীবন ও সৃষ্টির এক চির…
অনুশীলনীর প্রশ্নগুলো সবার জন্য খোলা — পূর্ণাঙ্গ উত্তর দেখতে সাবস্ক্রিপশন নিন
সাবস্ক্রিপশন নিনফ্রিতে উত্তর দেখতে চান?
১টি সংক্ষিপ্ত ভিডিও বিজ্ঞাপন দেখলেই এই অধ্যায়ের সমস্ত উত্তর আগামী ২৪ ঘণ্টার জন্য ফ্রি আনলক হবে!
প্রশ্ন ১১. "সোনার তরী" কবিতায় "ছোট খেত" এবং "বাঁকা জল" দ্বারা মূলত কী বোঝানো হয়েছে?
উত্তর দেখতে সাবস্ক্রিপশন লাগবে।
প্রশ্ন ২২. "ঠাঁই নাই, ঠাঁই নাই—ছোট সে তরী / আমারি সোনার ধানে গিয়েছে ভরি"—চরণ দুটির অন্তর্নিহিত দার্শনিক ভাব ব্যাখ্যা করো।
উত্তর দেখতে সাবস্ক্রিপশন লাগবে।
প্রশ্ন ৩৩. কবিতায় মাঝির চরিত্রটি কীভাবে অঙ্কিত হয়েছে এবং সে কার প্রতীক?
উত্তর দেখতে সাবস্ক্রিপশন লাগবে।
প্রশ্ন ৪৪. "সোনার তরী" কবিতার মূল উপজীব্য ও শিক্ষণীয় দর্শন বিশ্লেষণ করো।
উত্তর দেখতে সাবস্ক্রিপশন লাগবে।
এই অধ্যায় পড়া কি শেষ হয়েছে?
পড়া শেষ হলে চিহ্নিত করুন যাতে আপনার সার্বিক অগ্রগতি ট্র্যাক করা যায়।