পূর্ব বাংলার আন্দোলন ও জাতীয়তাবাদের উত্থান (১৯৪৭-১৯৭০)
পূর্ব বাংলার আন্দোলন ও জাতীয়তাবাদের উত্থান (১৯৪৭-১৯৭০)
অধ্যায় চেকপয়েন্ট ও পাঠ অগ্রগতি০/২৩ সম্পন্ন
চেকপয়েন্টে ক্লিক করে সরাসরি ঐ অংশে পড়ুন এবং প্রস্তুতি সম্পন্ন করুন
পটভূমি
তমদ্দুন মজলিস গঠন
প্রথম রাষ্ট্রভাষা সংগ্রাম পরিষদ
ধীরেন্দ্রনাথ দত্তের ঐতিহাসিক ভূমিকা
সর্বদলীয় রাষ্ট্রভাষা সংগ্রাম পরিষদ
৮ দফা চুক্তি (১৫ মার্চ ১৯৪৮)
জিন্নাহর দম্ভোক্তি ও প্রতিবাদ
১৯৫২ সালের চূড়ান্ত আন্দোলন
১৪৪ ধারা জারি ও রক্তঝরা ২১ ফেব্রুয়ারি
শহীদ ও আহত
প্রথম শহীদ মিনার
সাহিত্য ও সংস্কৃতির বিস্ফোরণ
'কাঁদতে আসিনি ফাঁসির দাবি নিয়ে এসেছি' — কবি মাহবুব-উল-আলম চৌধুরী (চট্টগ্রাম)।
সাংবিধানিক স্বীকৃতি
আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস
১৯৩৯-৪০ সালে মোহাম্মদ আলী জিন্নাহ প্রচারিত রাজনৈতিক তত্ত্ব, যাতে ধর্মীয় পরিচয়ের ভিত্তিতে ভারতকে হিন্দু ও মুসলিম—এই দুটি আলাদা জাতি হিসেবে দাবি করে পৃথক রাষ্ট্র প্রতিষ্ঠার ভিত্তি তৈরি করা হয়েছিল।
১৯৪৭ সালের ২রা সেপ্টেম্বর ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যাপক আবুল কাশেমের নেতৃত্বে গঠিত প্রথম ভাষা ও সাংস্কৃতিক সংগঠন, যা বাংলাকে শিক্ষার মাধ্যম ও রাষ্ট্রভাষা করার প্রথম সুসংগঠিত দাবি তোলে।
ভাষা আন্দোলনকে পরিচালনা ও সমন্বয় করার জন্য তৎকালীন প্রগতিশীল রাজনৈতিক দল, ছাত্র সংগঠন ও বুদ্ধিজীবীদের সমন্বয়ে গঠিত ঐতিহাসিক মোর্চা।
নবগঠিত রাষ্ট্রের জন্য সংবিধান প্রণয়ন এবং অন্তর্বর্তীকালীন আইন প্রণয়নের ক্ষমতা সম্পন্ন জনপ্রতিনিধিদের সাংবিধানিক সংসদ।
ফৌজদারি কার্যবিধির একটি আইনি ধারা, যার মাধ্যমে জনশৃঙ্খলা রক্ষার অজুহাতে নির্দিষ্ট এলাকায় কোনো সভা, সমাবেশ, মিছিল বা চারজনের বেশি মানুষের একত্র হওয়া নিষিদ্ধ করা হয়।
১৯৯৯ সালের ১৭ নভেম্বর ইউনেস্কো কর্তৃক ঘোষিত এবং প্রতি বছর ২১শে ফেব্রুয়ারি বিশ্বব্যাপী পালিত দিবস, যার মূল উদ্দেশ্য সকল মাতৃভাষার সংরক্ষণ ও ভাষাগত বৈচিত্র্য উদযাপন।
কেন্দ্রীয় সরকারের অধীনে থেকেও অভ্যন্তরীণ শাসন, আইন প্রণয়ন, রাজস্ব ও অর্থনৈতিক ক্ষেত্রে কোনো প্রদেশ বা অঞ্চলের নিজস্ব পূর্ণ কর্তৃত্ব ও আত্মনিয়ন্ত্রণের অধিকার।
১৯৫৪ সালের পূর্ব পাকিস্তান প্রাদেশিক নির্বাচন উপলক্ষে মুসলিম লীগের দুঃশাসনের বিরুদ্ধে আওয়ামী মুসলিম লীগ, কৃষক শ্রমিক পার্টিসহ প্রগতিশীল দলগুলোর সমন্বয়ে গঠিত বিরোধী রাজনৈতিক জোট।
১৯৫৪ সালের নির্বাচনে যুক্তফ্রন্টের ঐতিহাসিক নির্বাচনী ইশতেহার, যাতে বাংলাকে রাষ্ট্রভাষা করা, জমিদারি উচ্ছেদ, লাহোর প্রস্তাবের ভিত্তিতে স্বায়ত্তশাসনসহ বাঙালির মৌলিক দাবিগুলো অন্তর্ভুক্ত ছিল।
১৯৫৪ সালের নির্বাচনে জনগণের ভোটাধিকার প্রয়োগের মাধ্যমে ক্ষমতাসীন ও আপাত অপরাজেয় প্রতিক্রিয়াশীল মুসলিম লীগকে শোচনীয়ভাবে পরাজিত করে যুক্তফ্রন্টের বিপুল রাজনৈতিক পটপরিবর্তন।
ভারত শাসন আইনের কুখ্যাত বিশেষ জরুরি ধারা, যা প্রয়োগ করে ১৯৫৪ সালে পাকিস্তানি শাসকগোষ্ঠী নির্বাচিত যুক্তফ্রন্ট মন্ত্রিসভা বরখাস্ত করে গভর্নর শাসন জারি করেছিল।
দেশের প্রচলিত গণতান্ত্রিক সংবিধান স্থগিত বা বাতিল করে সশস্ত্র বাহিনীর প্রত্যক্ষ নিয়ন্ত্রণে পরিচালিত শাসন ব্যবস্থা।
১৯৫৯ সালে ফিল্ড মার্শাল আইয়ুব খান প্রবর্তিত পরোক্ষ নির্বাচন ব্যবস্থা, যেখানে সার্বজনীন ভোটাধিকার বাতিল করে কেবল ৮০,০০০ নির্বাচিত কাউন্সিল সদস্যের ভোটে সরকার গঠনের নিয়ম চালু করা হয়েছিল।
একটি মধ্যবর্তী নির্বাচকমণ্ডলী, যারা জনগণের পক্ষে রাষ্ট্রপতি বা উচ্চপদস্থ আইনপ্রণেতাদের পরোক্ষভাবে ভোট দিয়ে নির্বাচিত করেন (মৌলিক গণতন্ত্রের ৮০ হাজার বিডি মেম্বার)।
একই রাষ্ট্রের দুটি অঞ্চলের মধ্যে সম্পদ, বাজেট বরাদ্দ, সরকারি চাকরি ও উন্নয়নের ক্ষেত্রে দীর্ঘমেয়াদি নীতিগত বঞ্চনা ও অসম বণ্টন।
১৯৬৬ সালের ৫–৬ ফেব্রুয়ারি লাহোরে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান ঘোষিত ঐতিহাসিক দাবি, যা পূর্ব পাকিস্তানের অর্থনৈতিক, রাজনৈতিক ও সামরিক আত্মনিয়ন্ত্রণের দলিল হিসেবে পরিচিত।
১২১৫ সালে ইংল্যান্ডের রাজা জনের কাছ থেকে ব্যারনদের আদায়কৃত অধিকারের ঐতিহাসিক মহাসনদ; ৬ দফাকে বাঙালির স্বাধিকারের সমতুল্য গুরুত্বের কারণে 'বাঙালির ম্যাগনাকার্টা' বলা হয়।
১৯৬৮ সালে পাকিস্তান সরকার কর্তৃক শেখ মুজিবুর রহমানসহ ৩৫ জন বাঙালি সেনা কর্মকর্তা ও রাজনীতিকের বিরুদ্ধে দায়েরকৃত মিথ্যা রাষ্ট্রদ্রোহ মামলা (অফিশিয়াল নাম: 'রাষ্ট্র বনাম শেখ মুজিবুর রহমান এবং অন্যান্য')।
বিশেষ কোনো অপরাধ বা ঘটনার দ্রুত ও সুনির্দিষ্ট আইনি বিচারের জন্য সরকার কর্তৃক গঠিত বিশেষ ক্ষমতাধর আদালত।
তীব্র জনরোষ ও অধিকার আদায়ে রাষ্ট্রের আপামর জনসাধারণের স্বতঃস্ফূর্ত ও সম্মিলিত বিদ্রোহ, যা বিদ্যমান স্বৈরাচারী শাসনব্যবস্থাকে পরিবর্তন করতে বাধ্য করে (যেমন: ১৯৬৯-এর গণঅভ্যুত্থান)।
১৯৬৯ সালে সর্বদলীয় ছাত্র সংগ্রাম পরিষদ কর্তৃক ঘোষিত কর্মসূচি, যাতে ৬ দফার পাশাপাশি কৃষক, শ্রমিক ও ছাত্রদের জরুরি সামাজিক-অর্থনৈতিক দাবি সমন্বিত হয়েছিল।
'বাংলার বন্ধু'; ১৯৬৯ সালের ২৩শে ফেব্রুয়ারি রেসকোর্স ময়দানে কেন্দ্রীয় ছাত্র সংগ্রাম পরিষদের সংবর্ধনা সভায় তোফায়েল আহমেদ কর্তৃক শেখ মুজিবুর রহমানকে প্রদত্ত ঐতিহাসিক উপাধি।
গণতান্ত্রিক নীতি যেখানে প্রতিটি প্রাপ্তবয়স্ক নাগরিকের ভোটের মূল্য সমান হিসেবে গণ্য হয়; ১৯৭০ সালের নির্বাচনে প্রথমবারের মতো এই নীতিতে ভোট গ্রহণ করা হয়।
সমগ্র পাকিস্তানের কেন্দ্রীয় আইনসভা বা সংসদ, যার আসন সংখ্যা ছিল ৩০০ সাধারণ এবং ১৩টি সংরক্ষিত নারী আসন (মোট ৩১৩)।
সংসদের মোট আসনের অর্ধেকের বেশি (৫০%+১) একক দলীয়ভাবে লাভ করা, যার মাধ্যমে অন্য কোনো দলের সমর্থন ছাড়াই এককভাবে সরকার গঠন করা সম্ভব হয়।
অনুশীলনীর প্রশ্নগুলো সবার জন্য খোলা — পূর্ণাঙ্গ উত্তর দেখতে সাবস্ক্রিপশন নিন
সাবস্ক্রিপশন নিনফ্রিতে উত্তর দেখতে চান?
১টি সংক্ষিপ্ত ভিডিও বিজ্ঞাপন দেখলেই এই অধ্যায়ের সমস্ত উত্তর আগামী ২৪ ঘণ্টার জন্য ফ্রি আনলক হবে!
প্রশ্ন ১বাঙালি জাতীয়তাবাদের বিকাশে ভাষা আন্দোলনের সামাজিক ও রাজনৈতিক গুরুত্ব বিশদভাবে আলোচনা করো।
উত্তর দেখতে সাবস্ক্রিপশন লাগবে।
প্রশ্ন ২১৯৫৪ সালের যুক্তফ্রন্ট গঠনের পটভূমি, ২১ দফা কর্মসূচি এবং এ নির্বাচনের ঐতিহাসিক ফলাফল ব্যাখ্যা করো।
উত্তর দেখতে সাবস্ক্রিপশন লাগবে।
প্রশ্ন ৩ঐতিহাসিক ৬ দফা কর্মসূচির মূল দফাগুলো বিশদভাবে পর্যালোচনা করো এবং কেন একে 'বাঙালির ম্যাগনাকার্টা' বলা হয় তা মূল্যায়ন করো।
উত্তর দেখতে সাবস্ক্রিপশন লাগবে।
প্রশ্ন ৪১৯৬৯ সালের গণঅভ্যুত্থানের কারণ, শহীদদের আত্মত্যাগ এবং আইয়ুব খানের পতনে এর ঐতিহাসিক ভূমিকা মূল্যায়ন করো।
উত্তর দেখতে সাবস্ক্রিপশন লাগবে।
উদ্দীপক আর প্রশ্ন সবার জন্য খোলা — পূর্ণ উত্তর দেখতে সাবস্ক্রিপশন নিন
সাবস্ক্রিপশন নিনফ্রিতে সৃজনশীলের উত্তর পড়তে চান?
১টি সংক্ষিপ্ত ভিডিও বিজ্ঞাপন দেখলেই এই অধ্যায়ের সমস্ত সৃজনশীল সমাধান আগামী ২৪ ঘণ্টার জন্য ফ্রি আনলক হবে!
উদ্দীপক
নিচের সারণি দুটি লক্ষ্য করো: সারণি-ক (সামরিক বাহিনীতে বৈষম্য): • সেনা কর্মকর্তা: পশ্চিম পাকিস্তান ৯৫%, পূর্ব পাকিস্তান ৫% • সাধারণ সৈনিক: পশ্চিম পাকিস্তান ৯৬%, পূর্ব পাকিস্তান ৪% • নৌবাহিনীর উচ্চপদস্থ কর্মকর্তা: পশ্চিম পাকিস্তান ৮১%, পূর্ব পাকিস্তান ১৯% • নৌবাহিনীর অন্যান্য পদ: পশ্চিম পাকিস্তান ৯১%, পূর্ব পাকিস্তান ৯% সারণি-খ (উন্নয়ন বাজেট বরাদ্দ বৈষম্য): • ১৯৫৫–১৯৬০ সাল পর্যন্ত: পশ্চিম পাকিস্তান ৫০০ কোটি টাকা | পূর্ব পাকিস্তান ১১৩ কোটি টাকা • ১৯৬০–১৯৬৫ সাল পর্যন্ত: পশ্চিম পাকিস্তান ২২,২৩০ কোটি টাকা | পূর্ব পাকিস্তান ৬,৪৮০ কোটি টাকা
পাকিস্তানি শাসন আমলে বাঙালিদের জাতীয় মুক্তির প্রথম আন্দোলনের নাম কী ছিল?জ্ঞানমূলক — ১
১৯৬৯ সালের গণঅভ্যুত্থানের ঐতিহাসিক প্রভাব কী ছিল?অনুধাবনমূলক — ২
সারণি-ক থেকে পূর্ব পাকিস্তানের প্রতি পশ্চিম পাকিস্তানের শাসকগোষ্ঠীর যে বৈষম্য ফুটে উঠেছে তা ব্যাখ্যা করো।প্রয়োগমূলক — ৩
'সারণি-খ এর মাধ্যমে যে সমস্যা চিহ্নিত হয়েছে, ৬ দফায় তার সমাধান ছিল।' উক্তিটির যথার্থতা নিরূপণ করো।উচ্চতর দক্ষতা — ৪
উদ্দীপক
একাদশ শ্রেণির শিক্ষার্থী শায়ান একটি স্মারকগ্রন্থ পড়তে গিয়ে দেখল, ১৯৪৭ সালে দেশভাগের পরপরই বিশ্ববিদ্যালয়ের এক তরুণ অধ্যাপকের নেতৃত্বে গঠিত সাংস্কৃতিক সংগঠন মাতৃভাষার দাবিতে আন্দোলনের সূচনা করে। পরবর্তীতে আইনসভার এক সাহসী সদস্য গণপরিষদে মাতৃভাষা ব্যবহারের লিখিত দাবি জানান। শাসকগোষ্ঠী এই ন্যায়সঙ্গত দাবি মেনে না নিয়ে উর্দুকে একমাত্র রাষ্ট্রভাষা করার একতরফা ঘোষণা দেয়। ১৯৫২ সালে এক রক্তক্ষয়ী ঘটনার মধ্য দিয়ে তরুণরা বুকের রক্ত দিয়ে মাতৃভাষাকে রক্ষা করে, যা বর্তমানে বিশ্বব্যাপী পরম মর্যাদায় পালিত হচ্ছে।
তমদ্দুন মজলিস কোন তারিখে গঠিত হয়?জ্ঞানমূলক — ১
১৯৫২ সালের ২১শে ফেব্রুয়ারি ছাত্ররা ১৪৪ ধারা ভঙ্গের সিদ্ধান্ত নিয়েছিল কেন?অনুধাবনমূলক — ২
উদ্দীপকে আইনসভার যে সাহসী সদস্যের কথা বলা হয়েছে, ভাষা আন্দোলনে তাঁর ভূমিকা পাঠ্যবইয়ের আলোকে ব্যাখ্যা করো।প্রয়োগমূলক — ৩
'উদ্দীপকের শেষোক্ত ঘটনার প্রেক্ষাপটই পরবর্তীতে অসাম্প্রদায়িক বাঙালি জাতীয়তাবাদের মূল ভিত্তি রচনা করেছিল।'—উক্তিটির যথার্থতা মূল্যায়ন করো।উচ্চতর দক্ষতা — ৪
উদ্দীপক
একটি স্বাধীন দেশের প্রাদেশিক সাধারণ নির্বাচনে ক্ষমতাসীন দল ভেবেছিল ক্ষমতার জোরে তারা আবারও অনায়াসে জয়ী হবে। কিন্তু বিরোধী দলগুলো জনগণের মৌলিক অধিকার, প্রাদেশিক স্বায়ত্তশাসন এবং মাতৃভাষার সাংবিধানিক স্বীকৃতির দাবিতে একটি ঐতিহাসিক ঐক্যমঞ্চ গড়ে তোলে। তারা জনগণের অধিকার প্রতিষ্ঠার জন্য ২১ দফার একটি সম্মিলিত সনদ ঘোষণা করে এবং একটি সুপরিচিত গ্রামীণ বাহনকে নির্বাচনী প্রতীক হিসেবে বেছে নেয়। নির্বাচনে জনগণ ক্ষমতাসীন দলকে একপ্রকার ধূলিসাৎ করে দিয়ে বিরোধী ঐক্যমঞ্চকে বিপুল ম্যান্ডেট দেয়। কিন্তু কেন্দ্রীয় সরকার এক সাজানো চক্রান্তের অজুহাত দেখিয়ে মাত্র দুই মাসের মাথায় নির্বাচিত মন্ত্রিসভা বাতিল করে দেয়।
যুক্তফ্রন্ট কত সালের কত তারিখে গঠিত হয়েছিল?জ্ঞানমূলক — ১
১৯৫৪ সালের নির্বাচনকে কেন 'ব্যালট বিপ্লব' বলা হয়?অনুধাবনমূলক — ২
উদ্দীপকে উল্লিখিত ঐক্যমঞ্চের ২১ দফার যে দিকগুলো পূর্ব বাংলার জনগণের স্বার্থের প্রতিনিধিত্ব করেছিল, তা পাঠ্যবইয়ের আলোকে ব্যাখ্যা করো।প্রয়োগমূলক — ৩
'কেন্দ্রীয় সরকারের প্রতিক্রিয়াশীল মনোভাবই নির্বাচিত মন্ত্রিসভার অপমৃত্যু ঘটিয়েছিল।'—উদ্দীপক ও পাঠ্যবইয়ের তথ্যের আলোকে বিশ্লেষণ করো।উচ্চতর দক্ষতা — ৪
উদ্দীপক
একটি সামরিক স্বৈরাচারী সরকার তাদের ক্ষমতা টিকিয়ে রাখতে এবং স্বায়ত্তশাসনের জনপ্রিয় আন্দোলন নস্যাৎ করতে এক অবিসংবাদিত নেতার বিরুদ্ধে দেশদ্রোহের মামলা দায়ের করে। সেনানিবাসে বিশেষ আদালতে বিচার শুরু হলে এর বিরুদ্ধে ছাত্র-জনতা ফুসে ওঠে। আন্দোলনের একপর্যায়ে একজন নির্ভীক ছাত্রনেতা, একজন বন্দি সেনাসদস্য এবং পরবর্তীতে ছাত্রদের জীবন বাঁচাতে গিয়ে এক বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রক্টর জীবন বিসর্জন দেন। এই রক্তের বন্যায় স্বৈরাচারী শাসক মামলা প্রত্যাহার করে বন্দি নেতাকে মুক্তি দিতে বাধ্য হয় এবং পরদিন জনসভায় সেই নেতাকে এক অনন্য জাতীয় উপাধিতে ভূষিত করা হয়। পরবর্তী নির্বাচনে এই নেতার দল জনগণের ব্যালটে একচ্ছত্র নিরঙ্কুশ ম্যান্ডেট লাভ করে।
আগরতলা ষড়যন্ত্র মামলার ১ নম্বর আসামি কে ছিলেন?জ্ঞানমূলক — ১
আইয়ুব খানের 'মৌলিক গণতন্ত্র' বলতে কী বোঝায়?অনুধাবনমূলক — ২
উদ্দীপকে উল্লিখিত তিন মহান ব্যক্তির শাহাদাত কীভাবে ১৯৬৯ সালের গণআন্দোলনকে দাবানলে রূপ দিয়েছিল, তা ব্যাখ্যা করো।প্রয়োগমূলক — ৩
'উদ্দীপকের শেষোক্ত নির্বাচনের ফলাফলই ১৯৭১ সালের মহান মুক্তিযুদ্ধের চূড়ান্ত ভিত্তি তৈরি করেছিল।'—বিশ্লেষণ করো।উচ্চতর দক্ষতা — ৪
এই অধ্যায় পড়া কি শেষ হয়েছে?
পড়া শেষ হলে চিহ্নিত করুন যাতে আপনার সার্বিক অগ্রগতি ট্র্যাক করা যায়।