সহপাঠ• অধ্যায় ১

উপন্যাস: লালসালু

একাদশ শ্রেণিসহপাঠঅধ্যায় ১✓ ফ্রি ডেমো

উপন্যাস: লালসালু

সৈয়দ ওয়ালীউল্লাহ

লেখক পরিচিতি

আধুনিক বাংলা কথাসাহিত্যের অন্যতম শ্রেষ্ঠ ও আন্তর্জাতিক খ্যাতিসম্পন্ন ঔপন্যাসিক সৈয়দ ওয়ালীউল্লাহ (১৯২২–১৯৭১ খ্রিষ্টাব্দ)। তিনি ১৯২২ খ্রিস্টাব্দের ১৫ আগস্ট চট্টগ্রাম শহরের ষোলশহরে জন্মগ্রহণ করেন। তাঁর পিতা সৈয়দ আহমদউল্লাহ ছিলেন তৎকালীন ব্রিটিশ ভারতের এক উচ্চপদস্থ সরকারি কর্মকর্তা (ডেপুটি ম্যাজিস্ট্রেট) এবং মাতা নাসিমারা খাতুন। পিতার বদলির চাকরির কারণে তাঁর শৈশব ও কৈশোর অতিবাহিত হয় পূর্ব ও উত্তর বাংলার বিভিন্ন শহরে। তিনি ১৯৩৯ সালে কুড়িগ্রাম উচ্চ বিদ্যালয় থেকে প্রবেশিকা, ১৯৪১ সালে ঢাকা কলেজ থেকে আই.এ. এবং ১৯৪৩ সালে কলকাতার আনন্দমোহন কলেজ থেকে ডিস্টিংশনসহ বি.এ. পাস করেন। পরবর্তীতে তিনি কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয়ে অর্থনীতি বিষয়ে স্নাতকোত্তর শ্রেণিতে অধ্যয়ন করেন, তবে সাংবাদিকতার টানে প্রাতিষ্ঠানিক শিক্ষা অসমাপ্ত রাখেন। ১৯৪৫ সালে তিনি কলকাতার বিখ্যাত ইংরেজি দৈনিক 'দ্য স্টেটসম্যান'-এ সাব-এডিটর হিসেবে সাংবাদিকতা জীবন শুরু করেন। ১৯৪৭ সালে দেশভাগের পর তিনি ঢাকায় এসে ঢাকা বেতার কেন্দ্রে সহকারী বার্তা সম্পাদক হিসেবে যোগ দেন। পরবর্তীতে তিনি পাকিস্তান সরকারের কূটনৈতিক সার্ভিসে যোগ দিয়ে নয়াদিল্লি, সিডনি, জাকার্তা, লন্ডন ও প্যারিস দূতাবাসে অত্যন্ত সুনামের সাথে দায়িত্ব পালন করেন। ১৯৭১ সালে বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধ চলাকালে তিনি প্যারিসে অবস্থানরত অবস্থায় বাংলাদেশ সরকারের পক্ষে কূটনৈতিক সমর্থন আদায়ে ঐতিহাসিক ভূমিকা পালন করেন। তাঁর রচিত প্রথম ও সর্বশ্রেষ্ঠ উপন্যাস 'লালসালু' (১৯৪৮) বাংলা কথাসাহিত্যে এক যুগান্তকারী সৃষ্টি। তাঁর অন্যান্য বিখ্যাত উপন্যাসের মধ্যে 'চাঁদের অমাবস্যা' (১৯৬৪) এবং 'কাঁদো নদী কাঁদো' (১৯৬৮) অস্তিত্ববাদী ও আধুনিক মনস্তাত্ত্বিক সাহিত্যের চূড়ামণি। তাঁর উল্লেখযোগ্য ছোটগল্পগ্রন্থ 'নয়নচারা' (১৯৪৫) ও 'দুই তীর ও অন্যান্য গল্প' (১৯৬৫); এবং নাটক 'বহিপীর' (১৯৬০), 'তরঙ্গভঙ্গ' (১৯৬৫) ও 'সুড়ঙ্গ' (১৯৬৪)। সৈয়দ ওয়ালীউল্লাহ বাংলা একাডেমি পুরস্কার (১৯৬১), আদমজী সাহিত্য পুরস্কার (১৯৬৫) এবং মরণোত্তর একুশে পদক (১৯৮৩)-এ ভূষিত হন। ১৯৭১ সালের ১০ অক্টোবর ফ্রান্সের প্যারিসে এই ক্ষণজন্মা কথাসাহিত্যিক মৃত্যুবরণ করেন।

অধ্যায় চেকপয়েন্ট ও পাঠ অগ্রগতি০/১১ সম্পন্ন

চেকপয়েন্টে ক্লিক করে সরাসরি ঐ অংশে পড়ুন এবং প্রস্তুতি সম্পন্ন করুন

সামগ্রিক পাঠ সমাপ্তি০%
১
চেকপয়েন্ট ১ / ১১
ভূমিকা ও মূল বিষয়বস্তু

### ১. ঐতিহাসিক প্রেক্ষাপট ও আত্মিক পটভূমি

'লালসালু' বাংলা সাহিত্যের প্রথম সার্থক আধুনিক, সামাজিক ও মনস্তাত্ত্বিক অস্তিত্ববাদী উপন্যাস। এটি ১৯৪৮ সালে ঢাকা থেকে কমরেড পাবলিশার্স কর্তৃক প্রথম গ্রন্থাকারে প্রকাশিত হয়। উপন্যাসটি ফরাসি ভাষায় 'L\'Arbre sans racines' (শিকড়হীন গাছ) এবং ইংরেজি ভাষায় 'Tree Without Roots' (১৯৬৭) নামে অনূদিত হয়ে বিশ্বসাহিত্যে বিপুল সমাদৃত হয়। সামন্ততান্ত্রিক গ্রামীণ সমাজের ধর্মান্ধতা, সাধারণ মানুষের কুসংস্কার ও সরল বিশ্বাসকে পুঁজি করে ধর্মব্যবসায়ী ভণ্ড পীর-মোল্লাদের প্রতারণা এবং অর্থনৈতিক অস্তিত্ব রক্ষার অন্ধ সংগ্রামের এক নির্মম বাস্তব চিত্র এই উপন্যাসের মূল উপজীব্য।

চেকপয়েন্ট ১ এর ১১
মনে রাখার মতো তথ্য
১'লালসালু' সৈয়দ ওয়ালীউল্লাহর প্রথম এবং বাংলা সাহিত্যের অন্যতম শ্রেষ্ঠ আধুনিক উপন্যাস।
২উপন্যাসটি ১৯৪৮ সালে কমরেড পাবলিশার্স থেকে প্রথম প্রকাশিত হয়।
৩উপন্যাসটি ফরাসি ভাষায় 'L'Arbre sans racines' এবং ইংরেজিতে 'Tree Without Roots' নামে অনূদিত হয়।
৪উপন্যাসের মূল চরিত্র মজিদ—এক ক্ষুধার্ত, গৃহহীন ও ধূর্ত ধর্মব্যবসায়ী।
৫মজিদ মহব্বতনগর গ্রামের একটি অচেনা বেওয়ারিশ কবরকে 'মোদাচ্ছের পীরের মাজার' বানিয়ে আধিপত্য কায়েম করে।
৬লালসালু মূলত ধর্মকে বর্ম হিসেবে ব্যবহার করে শোষণের এক গভীর প্রতীকী রূপ।
৭মজিদের প্রথম স্ত্রী রহিমা ছিল অন্ধ অনুগত, কিন্তু দ্বিতীয় স্ত্রী জমিলা ছিল অদম্য বিদ্রোহী।
৮গ্রামের মাতব্বর খালেক ব্যাপারী ও মজিদের আঁতাত সামন্ততান্ত্রিক গ্রামীণ ক্ষমতার প্রতীক।
৯আমেনা বিবি নিঃসন্তান থাকার কারণে কুসংস্কারের শিকার হয়ে শেষ পর্যন্ত তালাকপ্রাপ্ত হয়।
১০তরুণ আক্কাসের আধুনিক স্কুল প্রতিষ্ঠার স্বপ্নকে মজিদ 'দাড়ি না থাকার' অজুহাতে নস্যাৎ করে দেয়।
১১পাশের আওয়ালপুরের পীরের সাথে মজিদের ব্যবসায়িক ও আধিপত্যের প্রতিদ্বন্দ্বিতা উপন্যাসের একটি গুরুত্বপূর্ণ পর্ব।
১২জমিলা মজিদের ভণ্ডামির বিরুদ্ধে ঘৃণা প্রকাশ করে মজিদের মুখে থুথু নিক্ষেপ করে।
১৩শাস্তিস্বরূপ মজিদ জমিলাকে দুর্যোগের রাতে মাজারের ঘরে বেঁধে রেখে আসে।
১৪প্রকৃতির ভয়াল শিলাবৃষ্টিতে ফসলের ক্ষতি এবং জমিলার নীরব অবজ্ঞা মজিদের অন্তঃসারশূন্য ভিতকে কাঁপিয়ে দেয়।
১৫"বিশ্বাস করো, বিশ্বাসে মিলায় বস্তু"—মজিদের নিজের অস্তিত্ব টিকিয়ে রাখার অন্তিম আশ্রয়।
১৬সৈয়দ ওয়ালীউল্লাহ ১৯৬১ সালে বাংলা একাডেমি পুরস্কার এবং ১৯৮৩ সালে মরণোত্তর একুশে পদক লাভ করেন।
শব্দার্থ ও টীকা
লালসালু

মাজারে ব্যবহৃত উজ্জ্বল লাল রঙের সুতি কাপড়; ভণ্ড ধর্মব্যবসা ও অন্ধবিশ্বাসের প্রতীক।

জাহেল

মূর্খ, অজ্ঞ বা ধর্মজ্ঞানহীন ব্যক্তি।

বে-এলেম

জ্ঞানহীন, অশিক্ষিত বা অসচেতন।

নাফারমান

অবাধ্য, পাপী বা বিদ্রোহকারী।

মোদাচ্ছের

আরবি শব্দ, যার অর্থ চাদরাবৃত ব্যক্তি; এখানে মজিদের বানানো কাল্পনিক পীরের নাম।

শ্যাওলা-ধরা কবর

বহুকালের পরিত্যক্ত, শেওলা জমে থাকা নামহীন প্রাচীন কবর।

বেওয়ারিশ

যার কোনো মালিক বা উত্তরাধিকারী নেই।

তাহের ও কাদের

মহব্বতনগর গ্রামের দুই ভাই; যাদের সাথে মজিদের প্রথম দেখা হয়েছিল।

মোদাব্বের মিঞা

তাহের ও কাদেরের পিতা; মহব্বতনগর গ্রামের এক সহজসরল বৃদ্ধ কৃষক।

খালেক ব্যাপারী

মহব্বতনগর গ্রামের প্রধান মাতব্বর, ধনী ও প্রভাবশালী সামাজিক ক্ষমতার প্রতীক।

আমেনা বিবি

খালেক ব্যাপারীর প্রথম স্ত্রী; নিঃসন্তান হওয়ার বেদনায় যিনি পীরের কাছে যেতে চেয়েছিলেন।

তানু বিবি

খালেক ব্যাপারীর দ্বিতীয় ও কমবয়সী স্ত্রী।

রহিমা

মজিদের প্রথম স্ত্রী; দীর্ঘাঙ্গী, অন্ধবিশ্বাসী ও সম্পূর্ণ অনুগত।

জমিলা

মজিদের দ্বিতীয় তরুণী স্ত্রী; চঞ্চল, প্রতিবাদী ও ভণ্ডামির বিরুদ্ধে বিদ্রোহী।

আক্কাস

গ্রামে স্কুল প্রতিষ্ঠা করতে চাওয়া প্রগতিশীল ও আধুনিক শিক্ষিত যুবক।

আওয়ালপুরের পীর

পাশের গ্রামের পীর; যাঁর সাথে মজিদের ধর্মীয় প্রভাবের প্রতিদ্বন্দ্বিতা তৈরি হয়।

সূর্যাস্ত আইন

১৭৯৩ সালের চিরস্থায়ী বন্দোবস্তের কর আদায়ের আইন; যা জমিদারি শাসন টিকিয়ে রাখত।

হরিৎ সমারোহ

সবুজ গাছপালা ও ফসলের প্রাচুর্যপূর্ণ দৃশ্য।

মাজার-কেন্দ্রিক শোষণ

মাজারের পবিত্রতাকে ব্যবহার করে সাধারণ মানুষের অর্থ ও শ্রম আত্মসাৎ করা।

পানির পড়া

দোয়া বা মন্ত্র পড়ে ফুঁ দেওয়া পানি; যা অলৌকিক আরোগ্য এনে দেয় বলে বিশ্বাস।

তালাক

ইসলামি বিধান অনুযায়ী বিবাহবিচ্ছেদ।

খুতবা

জুমার নামাজে ইমাম কর্তৃক প্রদত্ত ধর্মীয় বক্তৃতা বা নসিহত।

ধূর্ততা

কূটকৌশল, শঠতা বা চাতুর্য।

অস্তিত্ববাদ

দার্শনিক মতবাদ; যেখানে মানুষের নিজের অস্তিত্ব টিকিয়ে রাখার সংকটই প্রধান।

শিকড়হীন

উদ্বাস্তু, ভবঘুরে বা যার কোনো স্থায়ী ভিটেমাটি নেই।

বইয়ের অনুশীলনীর উত্তর

অনুশীলনীর প্রশ্নগুলো সবার জন্য খোলা — পূর্ণাঙ্গ উত্তর দেখতে সাবস্ক্রিপশন নিন

সাবস্ক্রিপশন নিন

ফ্রিতে উত্তর দেখতে চান?

১টি সংক্ষিপ্ত ভিডিও বিজ্ঞাপন দেখলেই এই অধ্যায়ের সমস্ত উত্তর আগামী ২৪ ঘণ্টার জন্য ফ্রি আনলক হবে!

প্রশ্ন ১১. "লালসালু" উপন্যাসে মজিদ কীভাবে মহব্বতনগর গ্রামে নিজের ধর্মীয় আধিপত্য প্রতিষ্ঠা করেছিল?

উত্তর দেখতে সাবস্ক্রিপশন লাগবে।

প্রশ্ন ২২. মজিদ কেন আক্কাসের স্কুল প্রতিষ্ঠার উদ্যোগের বিরোধিতা করেছিল এবং কীভাবে তা নস্যাৎ করেছিল?

উত্তর দেখতে সাবস্ক্রিপশন লাগবে।

প্রশ্ন ৩৩. "লালসালু" উপন্যাসে জমিলা চরিত্রটির গুরুত্ব ও তার বিদ্রোহের তাৎপর্য ব্যাখ্যা করো।

উত্তর দেখতে সাবস্ক্রিপশন লাগবে।

প্রশ্ন ৪৪. "লালসালু" উপন্যাসের নামকরণের সার্থকতা ও প্রতীকী তাৎপর্য বিশ্লেষণ করো।

উত্তর দেখতে সাবস্ক্রিপশন লাগবে।

উদ্দীপক আর প্রশ্ন সবার জন্য খোলা — পূর্ণ উত্তর দেখতে সাবস্ক্রিপশন নিন

সাবস্ক্রিপশন নিন

ফ্রিতে সৃজনশীলের উত্তর পড়তে চান?

১টি সংক্ষিপ্ত ভিডিও বিজ্ঞাপন দেখলেই এই অধ্যায়ের সমস্ত সৃজনশীল সমাধান আগামী ২৪ ঘণ্টার জন্য ফ্রি আনলক হবে!

সৃজনশীল প্রশ্ন ১১০ নম্বর
NCTB পাঠ্যবইয়ের নমুনা ও বোর্ড প্রশ্ন উত্তর প্রিমিয়াম

উদ্দীপক

চাষাড়াপাড়ার এক ধূর্ত লোক কালু হঠাৎ বনের ধারে এক প্রাচীন গাছ দেখিয়ে গ্রামবাসীকে বলল, "এই গাছে জিন-পরীর বাস রয়েছে। গাছে তেল-সিঁদুর না দিলে গ্রামে মহামারি নামবে।" সরল ও ধর্মভীরু গ্রামবাসী ভয়ে সেই গাছে নিয়মিত মানত ও টাকা দিতে শুরু করল। অল্পদিনেই কালু ধনী হয়ে উঠল। কিন্তু গ্রামের কলেজপড়ুয়া ছেলে রাজিব গ্রামবাসীকে বোঝাল যে এটি সম্পূর্ণ কুসংস্কার ও ভণ্ডামি। রাজিবের কথায় মানুষ সচেতন হতে শুরু করলে কালু রাজিবকে সমাজচ্যুত করার ষড়যন্ত্র শুরু করল।

ক

'লালসালু' উপন্যাসটি কত খ্রিস্টাব্দে প্রথম প্রকাশিত হয়?জ্ঞানমূলক — ১

খ

মজিদ মহব্বতনগর গ্রামে এসে গ্রামবাসীকে "জাহেল, বে-এলেম" বলেছিল কেন?অনুধাবনমূলক — ২

গ

উদ্দীপকের কালুর কর্মকাণ্ড 'লালসালু' উপন্যাসের মজিদের কোন ভূমিকার সাথে সাদৃশ্যপূর্ণ? ব্যাখ্যা করো।প্রয়োগমূলক — ৩

ঘ

"উদ্দীপকের রাজিব ও উপন্যাসের আক্কাস যেন কুসংস্কারাচ্ছন্ন সমাজে একই প্রগতিশীল চেতনার প্রতিনিধি"—উক্তিটি মূল্যায়ন করো।উচ্চতর দক্ষতা — ৪

সৃজনশীল প্রশ্ন ২১০ নম্বর
NCTB পাঠ্যবইয়ের নমুনা ও বোর্ড প্রশ্ন উত্তর প্রিমিয়াম

উদ্দীপক

নিলুফার পিতা জোর করে তাকে গ্রামের এক ধনী বৃদ্ধ জোতদারের সাথে বিয়ে দেয়। বৃদ্ধ স্বামী ভেবেছিল অর্থের লোভ আর ধমক দিয়ে নিলুফাকে চিরকাল পদানত রাখবে। কিন্তু নিলুফা কোনো অন্যায় শাসন মেনে নেয়নি। সে স্বামীর অমানবিক অত্যাচার সহ্য না করে স্পষ্ট জানিয়ে দিল—"আমি তোমার কেনা দাসী নই।" একদিন স্বামীর নির্যাতনের জবাবে সে দৃঢ় চিত্তে প্রতিবাদ করে বাড়ি থেকে বের হয়ে বাবার বাড়ি ফিরে যায় এবং নিজের পায়ে দাঁড়িয়ে সমাজে মাথা উঁচু করে বাঁচার সংগ্রাম শুরু করে।

ক

'লালসালু' উপন্যাসে মজিদের দ্বিতীয় স্ত্রীর নাম কী?জ্ঞানমূলক — ১

খ

আমেনা বিবিকে কেন শেষ পর্যন্ত তালাক পেতে হয়েছিল?অনুধাবনমূলক — ২

গ

উদ্দীপকের নিলুফার প্রতিবাদ 'লালসালু' উপন্যাসের কোন চরিত্রের কোন মনোভাবকে মূর্ত করে তোলে?প্রয়োগমূলক — ৩

ঘ

"নিলুফা ও জমিলার মতো প্রতিবাদী নারীরাই পুরুষতান্ত্রিক শোষণের অচলায়তন ভাঙার অগ্রদূত"—উপন্যাসের আলোকে বিশ্লেষণ করো।উচ্চতর দক্ষতা — ৪

সৃজনশীল প্রশ্ন ৩১০ নম্বর
NCTB পাঠ্যবইয়ের নমুনা ও বোর্ড প্রশ্ন উত্তর প্রিমিয়াম

উদ্দীপক

একটি অনুন্নত এলাকায় স্বাস্থ্যসেবা কেন্দ্র না থাকায় সাধারণ মানুষ ওঝা ও কবিরাজের কাছে গিয়ে রোগমুক্তির জন্য ঝাড়ফুঁক নিত। এলাকার সচেতন চিকিৎসক ডা. সাজিদ সেখানে একটি বিনামূল্যে স্বাস্থ্যসেবা ক্লিনিক চালু করতে চাইলেন। এতে স্থানীয় কবিরাজ গফুর নিজের ভেষজ ও তাবিজের ব্যবসা বন্ধ হওয়ার আশঙ্কায় গ্রামের অশিক্ষিত লোকদের খেপিয়ে তুলল যে—"অ্যালোপ্যাথিক ওষুধ খাওয়া পাপ, এতে ধরম নষ্ট হয়।" কিন্তু ডা. সাজিদ ধৈর্য ধরে সঠিক চিকিৎসার মাধ্যমে বহু জটিল রোগীকে সুস্থ করে কবিরাজের অপপ্রচার মিথ্যা প্রমাণ করলেন।

ক

'Tree Without Roots' কোন উপন্যাসের ইংরেজি অনুবাদ?জ্ঞানমূলক — ১

খ

মজিদ ও খালেক ব্যাপারীর পারস্পরিক সম্পর্ক কেমন ছিল?অনুধাবনমূলক — ২

গ

উদ্দীপকের কবিরাজ গফুরের হীন স্বার্থপরতা 'লালসালু' উপন্যাসের কোন ঘটনার কথা স্মরণ করিয়ে দেয়?প্রয়োগমূলক — ৩

ঘ

"কুসংস্কারের ওপর আধুনিক বিজ্ঞানের বিজয় নিশ্চিত করা সম্ভব—যদি সমাজে ডা. সাজিদের মতো নিষ্ঠাবান মানুষের আবির্ভাব ঘটে"—মূল্যায়ন করো।উচ্চতর দক্ষতা — ৪

সৃজনশীল প্রশ্ন ৪১০ নম্বর
NCTB পাঠ্যবইয়ের নমুনা ও বোর্ড প্রশ্ন উত্তর প্রিমিয়াম

উদ্দীপক

একটি গ্রামে আকস্মিক পাহাড়ি ঢল ও শিলাবৃষ্টিতে কৃষকদের সোনালি ধান নষ্ট হয়ে গেল। এক ভণ্ড সন্ন্যাসী মন্দিরের সামনে দাঁড়িয়ে চিৎকার করে বলল, "দেবতা রুষ্ট হয়েছেন, এখনই মন্দিরে একশত পাঠা বলি না দিলে সবাই না খেয়ে মারা যাবে।" কৃষকেরা যখন হতাশায় কাঁদছিল, তখন এক বৃদ্ধ কৃষক মাটির একদলা কাদা হাতে তুলে নিয়ে বলল, "পাথরের মূর্তিতে বলি দিলে পেট ভরবে না। মাটি এখনো আছে, এই মাটিতেই আবার বীজ বুনব, তবেই ঘরে অন্ন আসবে।"

ক

সৈয়দ ওয়ালীউল্লাহ কোন সালে বাংলা একাডেমি পুরস্কার লাভ করেন?জ্ঞানমূলক — ১

খ

"বিশ্বাস করো, বিশ্বাসে মিলায় বস্তু"—উক্তিটি দ্বারা কী বোঝানো হয়েছে?অনুধাবনমূলক — ২

গ

উদ্দীপকের প্রাকৃতিক দুর্যোগের দৃশ্য 'লালসালু' উপন্যাসের কোন অন্তিম দৃশ্যপটকে প্রতিফলিত করে? ব্যাখ্যা করো।প্রয়োগমূলক — ৩

ঘ

"বৃদ্ধ কৃষকের মাটির প্রতি আস্থাই শোষক ও ভণ্ডদের বিরুদ্ধে প্রকৃত মুক্তির পথ"—'লালসালু' উপন্যাসের আলোকে বিশ্লেষণ করো।উচ্চতর দক্ষতা — ৪

এই অধ্যায় পড়া কি শেষ হয়েছে?

পড়া শেষ হলে চিহ্নিত করুন যাতে আপনার সার্বিক অগ্রগতি ট্র্যাক করা যায়।