শেরপুর জেলা(Sherpur)
গারো পাহাড়ের সীমান্ত জেলা; গজনী আর মধুটিলার সবুজ টিলা।
ভৌগোলিক সীমানা ও ঐতিহাসিক প্রেক্ষাপট
নামকরণের ইতিহাস
আগে এলাকাটি 'দশকাহনিয়া বাজু' নামে পরিচিত ছিল। পরে এখানকার জমিদার শের আলী গাজীর নামানুসারে নাম হয় শেরপুর।
চারদিকের ভৌগোলিক সীমানা
মুক্তিযুদ্ধ ও স্বাধীনতা সংগ্রাম
সেক্টর ১১১৯৭১ সালে মহান মুক্তিযুদ্ধে শেরপুর জেলার বীর মুক্তিযোদ্ধারা সেক্টর ১১-এর অধীনে দখলদার পাকিস্তানি বাহিনীর বিরুদ্ধে সম্মুখ সমর ও গেরিলা প্রতিরোধ গড়ে তোলেন।
ঐতিহাসিক ও বিশিষ্ট ব্যক্তিবর্গ
শেরপুর জেলা কেন বিখ্যাত ও ঐতিহাসিক বিশেষত্ব
বিশ্বস্বীকৃত জিআই পণ্য সুগন্ধি তুলশীমালা চালের অনন্য আদি জন্মভূমি
গারো পাহাড়ের নয়নাভিরাম গজনী অবকাশ পর্যটন কেন্দ্র ও ওয়াচ টাওয়ার
নালিতাবাড়ীর মধুটিলা ইকোপার্ক ও পানিহাটা তারানি পাহাড়ের মনোরম সীমান্ত রূপ
শের আলী গাজীর পুণ্য স্মৃতিবিজড়িত ও ১৮৮৭ সালের শতবর্ষী ভিক্টোরিয়া একাডেমি
শীর্ষ শিক্ষা প্রতিষ্ঠান হাব (অবস্থান ও ক্যাম্পাস)
- শেরপুর সরকারি বিশ্ববিদ্যালয় (প্রস্তাবিত)ক্যাম্পাস: শেরপুর সদর ও সংলগ্ন এলাকা
- শেরপুর পলিটেকনিক ইনস্টিটিউটক্যাম্পাস: শেরপুর সদর ও সংলগ্ন এলাকা
- শেরপুর মেডিকেল কলেজ (প্রস্তাবিত/সদর ২৫০ শয্যা জেনারেল হাসপাতাল সংলগ্ন)অবস্থান: হাসপাতাল রোড / মেডিকেল চত্বর, শেরপুর
- শেরপুর সরকারি কলেজ (১৯৬৪)অবস্থান: কলেজ রোড, শেরপুর
- শেরপুর সরকারি মহিলা কলেজঅবস্থান: কলেজ রোড, শেরপুর
- শেরপুর সরকারি ভিক্টোরিয়া একাডেমি (১৮৮৭)অবস্থান: স্কুল মোড় / জেলা সদর, শেরপুর
- শেরপুর সরকারি বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়অবস্থান: স্কুল মোড় / জেলা সদর, শেরপুর
জেলা প্রশাসন, সরকারি দপ্তর ও পূর্ণাঙ্গ ঠিকানা ডিরেক্টরি
পূর্ণ ঠিকানা: কালেক্টরেট ভবন ও জেলা প্রশাসন চত্বর, শেরপুর সদর
ই-সেবাকেন্দ্র ও ফ্রন্টডেস্ক সার্বক্ষণিক উন্মুক্ত
পূর্ণ ঠিকানা: পুলিশ লাইনস ও এসপি কার্যালয় রোড, শেরপুর
পুলিশ কন্ট্রোল রুম ও জরুরি ডিউটি অফিসার ২৪ ঘণ্টা সচল
পূর্ণ ঠিকানা: সদর হাসপাতাল রোড, শেরপুর সদর
জরুরি বিভাগ (Emergency) ও অ্যাম্বুলেন্স ২৪/৭ সেবা
পূর্ণ ঠিকানা: জজ কোর্ট চত্বর, আদালত রোড, শেরপুর সদর
সরকারি আইনি সহায়তা (লিগ্যাল এইড) ও ফৌজদারি-দেওয়ানি আদালত ভবন।
পূর্ণ ঠিকানা: আঞ্চলিক পাসপোর্ট ভবন, শেরপুর সদর
ই-পাসপোর্ট আবেদন, বায়োমেট্রিক এনরোলমেন্ট ও পাসপোর্ট বিতরণ।
পূর্ণ ঠিকানা: ফায়ার স্টেশন রোড, শেরপুর সদর
অগ্নিনির্বাপণ, নদী ও সড়ক দুর্ঘটনা উদ্ধারকারী স্পেশাল টিম ২৪ ঘণ্টা প্রস্তুত।
পূর্ণ ঠিকানা: জেলা পরিষদ ভবন, শেরপুর সদর
গ্রামীণ অবকাঠামো উন্নয়ন, নাগরিক কল্যাণ ও জেলা পরিষদ ডাকবাংলো পরিচালনা।
আবাসিক হোটেল, রিসোর্ট ও সরকারি সার্কিট হাউস গাইড
ঠিকানা: সার্কিট হাউস রোড, কালেক্টরেট চত্বর সংলগ্ন, শেরপুর সদর।
ভাড়া: ৳৪০০ - ৳৮০০ (অনুমোদন সাপেক্ষে)
জেলা প্রশাসকের কার্যালয়ের নেজারত শাখা থেকে বুকিং নিতে হয়।
ঠিকানা: কেন্দ্রীয় বাস টার্মিনাল, স্টেশন রোড ও শহরের মূল বাণিজ্যিক কেন্দ্র।
ভাড়া: ৳১,২০০ - ৳৩,০০০ / রাত
এসি/নন-এসি রুম, ২৪/৭ জেনারেটর ব্যাকআপ, ওয়াইফাই ও লিফট সুবিধা।
ঠিকানা: নদী তীরবর্তী এলাকা, বনভূমি সংলগ্ন বা প্রধান পর্যটন স্পট রোড।
ভাড়া: ৳২,০০০ - ৳৫,৫০০ / রাত
বাংলাদেশ পর্যটন কর্পোরেশন (BPC) মোটেল ও প্রাইভেট ইকো-রিসোর্ট।
ঠিকানা: পুরাতন বাজার মোড়, জেলা পরিষদ চত্বর ও লঞ্চঘাট/স্টেশন সংলগ্ন।
ভাড়া: ৳৫০০ - ৳১,০০০ / রাত
একক পর্যটক ও ছাত্রছাত্রীদের জন্য সাশ্রয়ী থাকার ব্যবস্থা।
ঐতিহ্যবাহী বিখ্যাত খাবার ও জিআই পণ্য
জিআই পণ্য তুলশীমালা চালের পোলাও ও পায়েস, ছানার পায়েস ও নকশী পিঠা
প্রধান দর্শনীয় স্থানসমূহ (3টি) ও পৌঁছানোর রুট
গজনী অবকাশ কেন্দ্র
গারো পাহাড়ের কোলে লেক, ঝুলন্ত সেতু, ওয়াচ টাওয়ার আর টিলা।
যাওয়ার উপায়: ঝিনাইগাতী উপজেলায়; শেরপুর থেকে প্রায় ৩০ কিমি।
সেরা সময়: নভেম্বর–মার্চ
প্রবেশ ফি / খরচ: সামান্য প্রবেশ ফি; রাইড আলাদা
মধুটিলা ইকো পার্ক
টিলার বন, লেক আর ওয়াচ টাওয়ার থেকে মেঘালয়ের পাহাড়।
যাওয়ার উপায়: নালিতাবাড়ী উপজেলায়; শেরপুর থেকে প্রায় ৩৫ কিমি।
সেরা সময়: নভেম্বর–মার্চ
প্রবেশ ফি / খরচ: সামান্য প্রবেশ ফি
ঘাগড়া লস্কর বাড়ি মসজিদ
প্রায় ৩০০ বছরের পুরনো ছোট এক গম্বুজ মসজিদ।
যাওয়ার উপায়: শেরপুর সদরের ঘাগড়ায়।
সেরা সময়: সারা বছর
প্রবেশ ফি / খরচ: বিনামূল্যে
ঢাকা ও দেশের যেকোনো প্রান্ত থেকে শেরপুর যাওয়ার রুট গাইড
ঢাকা (গাবতলী, মহাখালী বা সায়েদাবাদ বাস টার্মিনাল) থেকে শেরপুর সদরের উদ্দেশ্যে দিন-রাত নিয়মিত নন-এসি ও এসি বাস চলাচল করে।
কমলাপুর ও ঢাকা বিমানবন্দর রেলওয়ে স্টেশন থেকে আন্তঃনগর এক্সপ্রেস ট্রেনে সরাসরি বা নিকটস্থ রেলওয়ে জংশনে আরামদায়ক যাত্রা করা যায়।
জাতীয় মহাসড়ক ব্যবহার করে ব্যক্তিগত গাড়ি, হাইস বা রেন্ট-এ-কারে পরিবারের সাথে নিরাপদ ও দ্রুত সরাসরি পৌঁছানো যায়।
আন্তঃজেলা দূরত্ব ও ভ্রমণ খরচ ক্যালকুলেটর
বাংলাদেশের যেকোনো জেলা থেকে অন্য জেলায় যেতে কত খরচ ও কত সময় লাগবে এক ক্লিকে জানুন
ঢাকা থেকে শেরপুর সড়কপথের আনুমানিক দূরত্ব।
যানজট ও যাত্রাবিরতি সহ বাসে সম্ভাব্য পৌঁছানোর সময়কাল।
নন-এসি: ৳439 | এসি: ৳745 (জনপ্রতি)।
বাংলাদেশ রেলওয়ে আন্তঃনগর শোভন চেয়ারের সম্ভাব্য ভাড়া।
শেরপুর জেলায় কোথায় থাকবেন ও সম্ভাব্য খরচ
খরচ: জনপ্রতি দিনে ১,২০০–২,৫০০৳গজনী ও মধুটিলায় বন বিভাগের রেস্ট হাউস (অনুমতি সাপেক্ষে) • শেরপুর শহরে সাধারণ মানের হোটেল
বিসিএস ও এডমিশন সাধারণ জ্ঞান (GK) প্রশ্নোত্তর
শেরপুর জেলা বাংলাদেশের কোন বিভাগে অবস্থিত?
শেরপুর বাংলাদেশের ময়মনসিংহ বিভাগের অন্যতম প্রধান প্রশাসনিক ও সাংস্কৃতিক জেলা।
শেরপুর জেলার ভৌগোলিক সীমানায় উত্তরে কোন অঞ্চল রয়েছে?
ভৌগোলিক অবস্থান অনুযায়ী শেরপুর জেলার উত্তরে ভারতের মেঘালয় রাজ্য (গারো পাহাড়) অবস্থিত।
শেরপুর জেলার প্রধান নদ-নদী কোনগুলো?
এসব নদী শেরপুর জেলার কৃষি, পলি ও মৎস্য সম্পদের মূল ভিত্তি।
শেরপুর জেলা মুক্তিযুদ্ধকালীন কোন সেক্টরের অধীনে ছিল?
১৯৭১ সালের মহান স্বাধীনতা যুদ্ধে এই অঞ্চল সেক্টর ১১-এর অন্তর্ভুক্ত ছিল।
শেরপুর জেলার বিখ্যাত ঐতিহ্যবাহী খাবার ও বিশেষত্ব কী?
দেশজুড়ে খাদ্যরসিক ও পর্যটকদের কাছে এটি বিশেষভাবে সুপরিচিত।
ময়মনসিংহ বিভাগের অন্যান্য জেলাসমূহ
৬৪ জেলার সম্পূর্ণ ইন্টারঅ্যাক্টিভ মানচিত্র এক্সপ্লোর করুন
আপনার ভ্রমণ করা জেলাগুলো সিলেক্ট করে নিজের রঙিন ট্রাভেল ম্যাপ ডাউনলোড করুন এবং বাকি জেলাগুলোর তথ্য দেখুন।