দিনাজপুর জেলা(Dinajpur)
কান্তজীর মন্দির আর লিচুর জেলা; দেশের অন্যতম বড় দিঘি রামসাগর।
ভৌগোলিক সীমানা ও ঐতিহাসিক প্রেক্ষাপট
নামকরণের ইতিহাস
প্রচলিত মতে, রাজা দিনাজ বা দিনারাজ এই অঞ্চলের রাজবংশের প্রতিষ্ঠাতা ছিলেন। তাঁর নামে নাম হয় দিনাজপুর।
চারদিকের ভৌগোলিক সীমানা
মুক্তিযুদ্ধ ও স্বাধীনতা সংগ্রাম
সেক্টর ৬১৯৭১ সালে মহান মুক্তিযুদ্ধে দিনাজপুর জেলার বীর মুক্তিযোদ্ধারা সেক্টর ৬-এর অধীনে দখলদার পাকিস্তানি বাহিনীর বিরুদ্ধে সম্মুখ সমর ও গেরিলা প্রতিরোধ গড়ে তোলেন।
ঐতিহাসিক ও বিশিষ্ট ব্যক্তিবর্গ
দিনাজপুর জেলা কেন বিখ্যাত ও ঐতিহাসিক বিশেষত্ব
টেরাকোটা ও পোড়ামাটির স্থাপত্যের বিশ্ববিস্ময় ঐতিহাসিক কান্তজীউ মন্দির
দেশের বৃহত্তম ঐতিহাসিক দীঘি রামসাগর জাতীয় উদ্যান ও স্বপ্নপুরী থিম পার্ক
জিআই পণ্য বিশ্বখ্যাত সুস্বাদু দিনাজপুরি বেদানা ও বোম্বাই লিচুর রাজধানী
সুগন্ধি কাটারিভোগ ও তুলশীমালা চালের অন্যতম প্রধান খাদ্যভাণ্ডার
শীর্ষ শিক্ষা প্রতিষ্ঠান হাব (অবস্থান ও ক্যাম্পাস)
- হাজী মোহাম্মদ দানেশ বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয় (HSTU)ক্যাম্পাস: দিনাজপুর সদর ও সংলগ্ন এলাকা
- এম আব্দুর রহিম মেডিকেল কলেজ দিনাজপুর (MARMC)অবস্থান: হাসপাতাল রোড / মেডিকেল চত্বর, দিনাজপুর
- দিনাজপুর সরকারি কলেজ (১৯৪২)অবস্থান: কলেজ রোড, দিনাজপুর
- দিনাজপুর সরকারি মহিলা কলেজঅবস্থান: কলেজ রোড, দিনাজপুর
- দিনাজপুর জিলা স্কুল (১৮৫৪)অবস্থান: স্কুল মোড় / জেলা সদর, দিনাজপুর
- দিনাজপুর সরকারি বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়অবস্থান: স্কুল মোড় / জেলা সদর, দিনাজপুর
জেলা প্রশাসন, সরকারি দপ্তর ও পূর্ণাঙ্গ ঠিকানা ডিরেক্টরি
পূর্ণ ঠিকানা: কালেক্টরেট ভবন ও জেলা প্রশাসন চত্বর, দিনাজপুর সদর
ই-সেবাকেন্দ্র ও ফ্রন্টডেস্ক সার্বক্ষণিক উন্মুক্ত
পূর্ণ ঠিকানা: পুলিশ লাইনস ও এসপি কার্যালয় রোড, দিনাজপুর
পুলিশ কন্ট্রোল রুম ও জরুরি ডিউটি অফিসার ২৪ ঘণ্টা সচল
পূর্ণ ঠিকানা: সদর হাসপাতাল রোড, দিনাজপুর সদর
জরুরি বিভাগ (Emergency) ও অ্যাম্বুলেন্স ২৪/৭ সেবা
পূর্ণ ঠিকানা: জজ কোর্ট চত্বর, আদালত রোড, দিনাজপুর সদর
সরকারি আইনি সহায়তা (লিগ্যাল এইড) ও ফৌজদারি-দেওয়ানি আদালত ভবন।
পূর্ণ ঠিকানা: আঞ্চলিক পাসপোর্ট ভবন, দিনাজপুর সদর
ই-পাসপোর্ট আবেদন, বায়োমেট্রিক এনরোলমেন্ট ও পাসপোর্ট বিতরণ।
পূর্ণ ঠিকানা: ফায়ার স্টেশন রোড, দিনাজপুর সদর
অগ্নিনির্বাপণ, নদী ও সড়ক দুর্ঘটনা উদ্ধারকারী স্পেশাল টিম ২৪ ঘণ্টা প্রস্তুত।
পূর্ণ ঠিকানা: জেলা পরিষদ ভবন, দিনাজপুর সদর
গ্রামীণ অবকাঠামো উন্নয়ন, নাগরিক কল্যাণ ও জেলা পরিষদ ডাকবাংলো পরিচালনা।
আবাসিক হোটেল, রিসোর্ট ও সরকারি সার্কিট হাউস গাইড
ঠিকানা: সার্কিট হাউস রোড, কালেক্টরেট চত্বর সংলগ্ন, দিনাজপুর সদর।
ভাড়া: ৳৪০০ - ৳৮০০ (অনুমোদন সাপেক্ষে)
জেলা প্রশাসকের কার্যালয়ের নেজারত শাখা থেকে বুকিং নিতে হয়।
ঠিকানা: কেন্দ্রীয় বাস টার্মিনাল, স্টেশন রোড ও শহরের মূল বাণিজ্যিক কেন্দ্র।
ভাড়া: ৳১,২০০ - ৳৩,০০০ / রাত
এসি/নন-এসি রুম, ২৪/৭ জেনারেটর ব্যাকআপ, ওয়াইফাই ও লিফট সুবিধা।
ঠিকানা: নদী তীরবর্তী এলাকা, বনভূমি সংলগ্ন বা প্রধান পর্যটন স্পট রোড।
ভাড়া: ৳২,০০০ - ৳৫,৫০০ / রাত
বাংলাদেশ পর্যটন কর্পোরেশন (BPC) মোটেল ও প্রাইভেট ইকো-রিসোর্ট।
ঠিকানা: পুরাতন বাজার মোড়, জেলা পরিষদ চত্বর ও লঞ্চঘাট/স্টেশন সংলগ্ন।
ভাড়া: ৳৫০০ - ৳১,০০০ / রাত
একক পর্যটক ও ছাত্রছাত্রীদের জন্য সাশ্রয়ী থাকার ব্যবস্থা।
ঐতিহ্যবাহী বিখ্যাত খাবার ও জিআই পণ্য
দিনাজপুরের বিখ্যাত রসালো বেদানা ও বোম্বাই লিচু, সুগন্ধি কাটারিভোগ পোলাও ও চমচম
প্রধান দর্শনীয় স্থানসমূহ (5টি) ও পৌঁছানোর রুট
কান্তজীর মন্দির
১৭৫২ সালে তৈরি; পোড়ামাটির টেরাকোটায় রামায়ণ-মহাভারতের দৃশ্য, দেশের সেরা টেরাকোটা মন্দির।
যাওয়ার উপায়: কাহারোল উপজেলায়; দিনাজপুর থেকে প্রায় ২০ কিমি।
সেরা সময়: অক্টোবর–মার্চ; কার্তিকে রাসমেলা
প্রবেশ ফি / খরচ: প্রবেশ বিনামূল্যে/সামান্য ফি
রামসাগর জাতীয় উদ্যান
আঠারো শতকে খনন করা বিশাল দিঘি, চারপাশে বাগান।
যাওয়ার উপায়: দিনাজপুর শহর থেকে প্রায় ৮ কিমি।
সেরা সময়: নভেম্বর–মার্চ
প্রবেশ ফি / খরচ: সামান্য প্রবেশ ফি
স্বপ্নপুরী
উত্তরবঙ্গের বড় বিনোদন পার্ক, লেক আর চিড়িয়াখানা।
যাওয়ার উপায়: নবাবগঞ্জ উপজেলায়।
সেরা সময়: নভেম্বর–মার্চ
প্রবেশ ফি / খরচ: প্রবেশ ফি ও রাইড আলাদা
দিনাজপুর রাজবাড়ি
দিনাজপুর রাজাদের প্রাসাদের ধ্বংসাবশেষ।
যাওয়ার উপায়: শহর থেকে প্রায় ৩ কিমি।
সেরা সময়: অক্টোবর–মার্চ
প্রবেশ ফি / খরচ: বিনামূল্যে
নয়াবাদ মসজিদ
আঠারো শতকের টেরাকোটার তিন গম্বুজ মসজিদ।
যাওয়ার উপায়: কাহারোল উপজেলায়, কান্তজীর মন্দিরের কাছে।
সেরা সময়: অক্টোবর–মার্চ
প্রবেশ ফি / খরচ: বিনামূল্যে
ঢাকা ও দেশের যেকোনো প্রান্ত থেকে দিনাজপুর যাওয়ার রুট গাইড
ঢাকা (গাবতলী, মহাখালী বা সায়েদাবাদ বাস টার্মিনাল) থেকে দিনাজপুর সদরের উদ্দেশ্যে দিন-রাত নিয়মিত নন-এসি ও এসি বাস চলাচল করে।
কমলাপুর ও ঢাকা বিমানবন্দর রেলওয়ে স্টেশন থেকে আন্তঃনগর এক্সপ্রেস ট্রেনে সরাসরি বা নিকটস্থ রেলওয়ে জংশনে আরামদায়ক যাত্রা করা যায়।
জাতীয় মহাসড়ক ব্যবহার করে ব্যক্তিগত গাড়ি, হাইস বা রেন্ট-এ-কারে পরিবারের সাথে নিরাপদ ও দ্রুত সরাসরি পৌঁছানো যায়।
আন্তঃজেলা দূরত্ব ও ভ্রমণ খরচ ক্যালকুলেটর
বাংলাদেশের যেকোনো জেলা থেকে অন্য জেলায় যেতে কত খরচ ও কত সময় লাগবে এক ক্লিকে জানুন
ঢাকা থেকে দিনাজপুর সড়কপথের আনুমানিক দূরত্ব।
যানজট ও যাত্রাবিরতি সহ বাসে সম্ভাব্য পৌঁছানোর সময়কাল।
নন-এসি: ৳806 | এসি: ৳1369 (জনপ্রতি)।
বাংলাদেশ রেলওয়ে আন্তঃনগর শোভন চেয়ারের সম্ভাব্য ভাড়া।
দিনাজপুর জেলায় কোথায় থাকবেন ও সম্ভাব্য খরচ
খরচ: জনপ্রতি দিনে ১,৫০০–৩,০০০৳পর্যটন মোটেল দিনাজপুর • শহরে মাঝারি মানের হোটেল
বিসিএস ও এডমিশন সাধারণ জ্ঞান (GK) প্রশ্নোত্তর
দিনাজপুর জেলা বাংলাদেশের কোন বিভাগে অবস্থিত?
দিনাজপুর বাংলাদেশের রংপুর বিভাগের অন্যতম প্রধান প্রশাসনিক ও সাংস্কৃতিক জেলা।
দিনাজপুর জেলার ভৌগোলিক সীমানায় উত্তরে কোন অঞ্চল রয়েছে?
ভৌগোলিক অবস্থান অনুযায়ী দিনাজপুর জেলার উত্তরে ঠাকুরগাঁও ও পঞ্চগড় জেলা অবস্থিত।
দিনাজপুর জেলার প্রধান নদ-নদী কোনগুলো?
এসব নদী দিনাজপুর জেলার কৃষি, পলি ও মৎস্য সম্পদের মূল ভিত্তি।
দিনাজপুর জেলা মুক্তিযুদ্ধকালীন কোন সেক্টরের অধীনে ছিল?
১৯৭১ সালের মহান স্বাধীনতা যুদ্ধে এই অঞ্চল সেক্টর ৬-এর অন্তর্ভুক্ত ছিল।
দিনাজপুর জেলার বিখ্যাত ঐতিহ্যবাহী খাবার ও বিশেষত্ব কী?
দেশজুড়ে খাদ্যরসিক ও পর্যটকদের কাছে এটি বিশেষভাবে সুপরিচিত।
রংপুর বিভাগের অন্যান্য জেলাসমূহ
৬৪ জেলার সম্পূর্ণ ইন্টারঅ্যাক্টিভ মানচিত্র এক্সপ্লোর করুন
আপনার ভ্রমণ করা জেলাগুলো সিলেক্ট করে নিজের রঙিন ট্রাভেল ম্যাপ ডাউনলোড করুন এবং বাকি জেলাগুলোর তথ্য দেখুন।